আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির অমিলে ছাত্রসংগঠনগুলো অখুশি'
আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর 'প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির অমিলে ছাত্রসংগঠনগুলো অখুশি'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গণ-অভ্যুত্থানের ছয় মাস পর ছাত্র সংগঠনগুলো সরকারের প্রতি হতাশা প্রকাশ করেছে।
এসব সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর যেসব আশা তারা করেছিলেন, সেগুলি পূর্ণ হয়নি।
তারা অভিযোগ করেছেন যে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া ধীরগতিতে চলছে, শহীদদের ক্ষতিপূরণ বা সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়নি, এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে।
এর পাশাপাশি, পণ্যমূল্য বৃদ্ধি, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ও উগ্রপন্থীদের দমন করতে ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন তারা।
ছাত্রসংগঠনের নেতারা দাবি করেছেন, সরকার অভ্যুত্থানের মূল চেতনাকে বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তা প্রতিফলিত হচ্ছে সরকারি কার্যক্রমে।
ইসলামী ছাত্র শিবির, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফেডারেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন সরকারের দুর্বলতা ও আমলাতান্ত্রিক সমস্যার কথা তুলে ধরেছে।
তারা মনে করেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য সরকারের কার্যকরী পদক্ষেপ প্রয়োজন, কিন্তু তা এখনও দৃশ্যমান হয়নি।
তাদের মতে, বর্তমান সরকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং গণ-অভ্যুত্থানের লক্ষ্য পূরণে যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারেনি।
কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, 'দেশজুড়ে ভাঙচুর আগুন'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারত থেকে শেখ হাসিনার বক্তৃতা প্রচারের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে গত বুধবার রাতে ঢাকার ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে ব্যাপক অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর হয়।
বিক্ষোভকারীরা শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি ভেঙে এক্সকাভেটর দিয়ে ধ্বংস শুরু করে এবং ধানমন্ডির সুধা সদনে আগুন দেয়।
পরবর্তীতে অন্যান্য স্থানে, যেমন কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালী, বরিশাল, এবং রাজশাহীতে বিভিন্ন আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
বিশেষত কিশোরগঞ্জে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বাড়িতে হামলা এবং নারায়ণগঞ্জে শামীম ওসমানের দাদার বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
এছাড়া অন্যান্য স্থানে আওয়ামী লীগ অফিস, মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য, এবং শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালও ভাঙচুর করা হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, আর বিরোধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
এসব ঘটনায় ছাত্র-জনতার মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ স্পষ্ট হয়ে ওঠে, এবং অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম 'গুঁড়িয়ে দেয়া হলো ৩২ নম্বরের বাড়ি'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িটি ভাঙচুর ও ধ্বংস করে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা।
গত বুধবার রাত ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা পর্যন্ত এক্সকাভেটর, ক্রেন ও বুলডোজার দিয়ে বাড়িটির বেশিরভাগ অংশ ভেঙে ফেলা হয়।
এই ঘটনা ঘটেছিল শেখ হাসিনার বক্তৃতা প্রচারের ঘোষণার পর, যা ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে রূপ নেয়। তারা বাড়িটিতে আগুন লাগিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়।
ভাঙচুরের সময়, ওই এলাকার এক ছয়তলা ভবনে বইপত্র, লোহা ও কাঠের সামগ্রী লুট করা হয়, এবং কিছু বই পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা কিছু ধাতব কাঠামো রিকশায় করে সরিয়ে নেয়।
দুপুরে মাইক নিয়ে স্বৈরাচারবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়। বাড়ির সামনে, আওয়ামী লীগ কর্মী সন্দেহে দুজনকে পিটুনি দেওয়া হয়, এক নারীকে লাঞ্ছিত করা হয়, এবং বিকেলে গরু জবাই করা হয়।
একই সময়ে, শেখ হাসিনার বাসভবন সুধা সদনেও আগুন জ্বালিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। পরে আশপাশের বাসিন্দারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
নিরাপত্তারক্ষীরা আশেপাশে অবস্থান নিলেও তাদের কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি। মানুষ কোনো বাধা ছাড়াই ঘর থেকে বিভিন্ন সামগ্রী লুটপাট করছিল।
সমকালের প্রধান পাতার খবর, 'রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিশিষ্ট জনের নিন্দা'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক দল, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং সংগঠনের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
অনেকেই এই ঘটনার নিন্দা করেছেন, কারণ তারা মনে করেন, ভবন ভেঙে আওয়ামী লীগের শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যায় না।
তবে কিছু মানুষ অভিযোগ করেছেন যে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এই ঘটনার জন্য দায়ী।
ভাঙচুরের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি দেওয়া হয়, কিন্তু তার আগেই সেখানে হামলা ও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।
বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়ি ও কার্যালয়ে হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটও ঘটে। বিএনপির নেতারা এই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন এবং বলেছেন, দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে উসকানি দেওয়া হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামীর নেতাও এই ঘটনার জন্য শেখ হাসিনাকে দায়ী করেছেন। বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বাম গণতান্ত্রিক দল এই ঘটনার বিরুদ্ধে সমালোচনা করেছেন এবং বলছেন, এটি গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের বিরুদ্ধে কাজ করছে।
তারা মনে করেন, এমন ঘটনাগুলো সরকারের নিষ্ক্রিয়তার ফলস্বরূপ ঘটছে।
নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর 'হাসিনার বিদেশ ভ্রমণ, ভুয়া ডিগ্রি খতিয়ে দেখবে দুদক'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শেখ হাসিনার বিদেশ সফর এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জনের পেছনে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দুদক জানায়, তাদের গোয়েন্দা অনুসন্ধানে প্রাথমিক অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
শেখ হাসিনা তার বিদেশ সফরের জন্য বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ খরচ করেছেন, যেমন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ ভাড়া করা, বিশাল সফরসঙ্গী বহর নিয়ে যাওয়া, এবং বিদেশে ল্যান্ডিং চার্জসহ অতিরিক্ত খরচ করা।
উদাহরণস্বরূপ, ২০১৫ সালে ২২৭ জনের একটি দল নিয়ে তিনি নিউইয়র্ক সফর করেন, যা অন্য বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ছিল।
২০১৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজে ২৫০ কোটি টাকার ৪৮টি ভিভিআইপি ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে।
এছাড়া, শেখ হাসিনা কিছু ভুয়া ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছেন, যার পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছে।
তার ডিগ্রির মধ্যে ভারতের ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়, বেলজিয়ামের ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভারতের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উল্লেখযোগ্য।
এসব পদক ও ডিগ্রির জন্য বাংলাদেশের সরকারি টাকা খরচ করা হয়েছে।
যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, 'বাস্তবায়নযোগ্য নয় অধিকাংশ সুপারিশ'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সুপারিশের বেশিরভাগই বাস্তবায়নযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
তাদের মতে, প্রশাসন ও অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মধ্যে ৫০:৫০ পদোন্নতির সুপারিশ আদালতের রায়ের সঙ্গে বিরোধী, আর প্রাদেশিক সিস্টেম চালু করা স্বাধীনতা আন্দোলন উসকে দিতে পারে, বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায়।
প্রদেশ গঠন করতে কয়েক লাখ কোটি টাকা দরকার, যা রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব নয়। এতে প্রশাসনের পরিসরও বাড়বে, কিন্তু কার্যকর ফল পাওয়া যাবে না।
তারা আরও বলেন, স্বাধীন জনপ্রশাসন, পুলিশ, বিচার বিভাগ এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সরকারের খবরদারি কমাতে পারলে অধিকাংশ সমস্যা সমাধান হবে।
ক্যাডারগুলো ভেঙে ছোট করা হলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে এবং পরীক্ষার মাধ্যমে পদোন্নতি পদ্ধতির বাস্তবায়ন হলে জনসেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হবে।
এছাড়া, ১৫ বছর চাকরি করার পর অবসরের সুবিধা রাখা এবং সুদমুক্ত ঋণে গাড়ি সুবিধা বাতিল করার সুপারিশ বিরোধী মত প্রকাশ করেছেন তারা।
কমিশনের কিছু সুপারিশ, যেমন সিআর মামলার অভিযোগ গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া এবং বাধ্যতামূলক অবসরের কালাকানুন বাতিল করার মতো সুপারিশকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা, তবে বেশিরভাগ সুপারিশ বাস্তবায়নে কঠিনতা রয়েছে।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, 'রেমিট্যান্সের বাজারে অলিগোপলি তৈরি করেছে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের রেমিট্যান্স বাজারে কিছু আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে মাস্টারকার্ড, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন এবং অন্যান্য মার্কিন এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো আধিপত্য বিস্তার করেছে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরব থেকে রেমিট্যান্স প্রবাহ সবচেয়ে বেশি দেখানো হলেও, এসব রেমিট্যান্সের বড় অংশ আসছে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো থেকে।
এ কারণে, রেমিট্যান্সের উৎস নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, কারণ মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো এ অর্থ সংগ্রহ করে এবং বাংলাদেশে প্রেরণ করে।
২০২৪ সালের প্রথম ছয় মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৪৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের তুলনায় ১২২ শতাংশ বেশি।
কিন্তু বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্রের রেমিট্যান্স প্রবাহ এত বেশি হওয়ার পেছনে মাস্টারকার্ডসহ বড় অ্যাগ্রিগেটর প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা রয়েছে।
তারা বিভিন্ন দেশ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যায় এবং পরে বাংলাদেশে পাঠায়।
এভাবে, দেশের রেমিট্যান্স বাজার এখন অলিগোপলির পরিস্থিতিতে পরিণত হয়েছে, যেখানে হাতেগোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে, যা অন্য প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের জন্য অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করছে।
দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর 'ওমরাহ করিয়ে রাশিয়ার যুদ্ধ ক্ষেত্রে পাচার'।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, 'ড্রিম হোম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস লিমিটেড' নামের একটি প্রতিষ্ঠান রাশিয়ায় কাজের প্রলোভন দেখিয়ে ১০ জনকে পাচার করেছে।
এই চক্রটি প্রথমে তাদের সৌদি আরব ওমরাহ ভিসায় পাঠায় এবং সেখানে ওমরাহ হজ করার পর রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে তাদের এক সুলতানের কাছে বিক্রি করে দেয়।
পরে সুলতান তাদের রুশ সেনাবাহিনীতে পাঠায়, যেখানে তারা যুদ্ধের জন্য প্রশিক্ষিত হয়।
চক্রটি তাদের রুশ সেনাবাহিনীতে পাঠানোর আগে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ না দিয়ে তাদেরকে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠায়।
কেউ যুদ্ধে যেতে অস্বীকার করলে তাদের সঙ্গে ক্রীতদাসের মতো আচরণ করা হয়। সিআইডি জানায়, পাচার হওয়া ১০ জনের মধ্যে একজন নিহত হয়েছেন এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
এক ভুক্তভোগী নিজে দেশে ফিরে এসে অপর ভিকটিমদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, ফলে মামলার তদন্ত শুরু হয়।
চক্রের অন্যতম সদস্য ফাবিহা জেরিন তামান্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়, যিনি মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
সিআইডি আরও জানায়, একইভাবে আরেক দল সৌদি আরবে আটকে রয়েছে এবং তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেয়া হয়েছে।
সিআইডি ভুক্তভোগীদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছে এবং পাচার চক্রটি ভাঙতে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।