চক্ষু,অঙ্গ ও দেহদানের অঙ্গীকার ২২ জনের

- Author, ফারহানা পারভীন
- Role, বিবিসি বাংলা, ঢাকা
বাংলাদেশে মরোনত্তোর চক্ষু, অঙ্গ ও দেহদানের অঙ্গীকার করেছেন ২২জন। মৃত্যুর পর তাদের দেহের বিভিন্ন অঙ্গ জীবিত মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করা হবে।
আর বাকি অংশ ব্যবহার করা হবে গবেষনার কাজে। বাংলাদেশে এর আগে চক্ষু ও অঙ্গদানের ঘটনা ঘটলেও একসাথে এতজনের মরনোত্তোর দেহদানের ঘোষনা এই প্রথম।
এর আগে ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন ও অধ্যাপক আহমেদ শরীফ মরনোত্তর দেহ দান করেন।
আয়োজকরা বলছেন মানুষকে মরোনত্তোর অঙ্গ ও দেহদানের উৎসাহিত করার জন্য ঢাকায় এই্ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
সেখানে যেমন এসেছিলেন অঙ্গদানে ইচ্ছুক বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষ। আবার কেও কেও এসেছিলেন বিষয়টি সম্পর্কে জানতে, আবার কেও এসেছিলেন তার মৃত্যুর পর দেহদানের অঙ্গীকার করতে।
বাংলাদেশের এসব অঙ্গ দানের ক্ষেত্রে মৃত্যুর কয়েক ঘন্টার মধ্যে মৃতদেহ থেকে এসব দান করা অঙ্গ প্রতিস্থাপনের কাজ করা করে থাকেন সংশ্লিষ্ট চিকিতসকদের সহায়তায়।
সন্ধানী চক্ষু হাসপাতালের ডাক্তার অধ্যাপক তোসাদ্দেক হোসেন সিদ্দিকী বলছিলেন মূলত দুইভাবে এসব অঙ্গ ব্যবহার হয়ে থাকে। তিনি বলেন মরনোত্তর চোখ বা অঙ্গ দানের ক্ষেত্রে মৃতব্যক্তির শরীরের নির্দ্দিষ্ট অঙ্গটি রেখে মৃতদেহ ফিরিয়ে দেওয়া হয় পরিবারের কাছে।
কিন্তু দেহদানের ক্ষেত্রে সেটি চলে যায় চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষনার কাজে সেক্ষেত্রে পরিবার আর ফিরে পান না সেই দেহ।
বাংলাদেশে মরনোত্তোর দেহদান নজির বিহীন না হলেও প্রচলিত কোন ব্যাপার নয়। আজকের এই অনুষ্ঠানে দেহদান সম্পর্কে জানতে এসেছিলেন জিসান শাহরিয়ার।
তিনি বলছিলেন মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে অনেকে দেহদান করতে নিরুতসাহিত হয়ে পরে। আবারো কেও দেহদানের অঙ্গিকার করলেও ধর্মীয় কারনেই পরিবার থেকেও বাধা দেওয়া হয়।
বাংলাদেশে মরনোত্তোর চোখ দানের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থা থাকলেও অনান্য অঙ্গ ও দেহদানের ক্ষেত্রে সেটি নেই। আজকের অনুষ্টানের আয়েজকরা বলছেন মরনোত্তোর অঙ্গ ও দেহদানের ব্যাপারে প্রচার ও সম্বনয় সাধন করার জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক ফোরাম গঠনের ইচ্ছা রয়েছে তাদের।








