হিন্দুদের ওপর হামলা: কুমিল্লার পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার অভিযোগে ইকবাল হোসেন নামে একজন গ্রেফতার, বলেছে পুলিশ

কুমিল্লায় নানুয়াদীঘির পাড়ের পূজা মণ্ডপে ভাঙচুরের পরের দৃশ্য - অষ্টমীর দিনে তোলা ছবি বিবিসিকে দেয়া হয়।
ছবির ক্যাপশান, কুমিল্লায় নানুয়াদীঘির পাড়ের পূজা মণ্ডপে ভাঙচুরের পরের দৃশ্য - অষ্টমীর দিনে তোলা ছবি বিবিসিকে দেয়া হয়।

কুমিল্লায় একটি পূজামণ্ডপে কোরআন রাখার যে ঘটনা থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, সেই ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম ইকবাল হোসেন।

অভিযুক্ত ইকবাল হোসেনকে বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের সুগন্ধা সমুদ্র সৈকত থেকে পুলিশ আটক করে বলে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম জানান।

পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ নিশ্চিত করেছেন যে কক্সবাজার থেকে ইকবাল হোসেন নামে যাকে আটক করা হয়েছে তিনি এখন কুমিল্লা জেলা পুলিশের হেফাজতে আছেন।

এই কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে বলেন, "কক্সবাজার পুলিশ ওই ব্যক্তিকে আটক করার পর আমরা যাচাই বাছাই করে তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছি। ইকবাল হোসেনকে এখন কুমিল্লায় নিয়ে আসা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর এ ব্যাপারে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হবে"।

আরো পড়ুন:

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, তাকে নিতে ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম কক্সবাজারে আসে।

তিনি বলেন, ভোর সাড়ে ৬টার দিকে ইকবাল হোসেনকে কুমিল্লা জেলা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এরপরই কুমিল্লা জেলা পুলিশের ওই টিম ইকবাল হোসেন নিয়ে রওনা দেয়।

গত ১৩ই অক্টোবর হিন্দু সম্প্রদায়ের দূর্গা পূজার সময় কুমিল্লার একটা পূজামণ্ডপে কোরআন পাওয়া যায়।

এরপরই দেশের কয়েক স্থানে সংঘর্ষ এবং পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সাতজনের মৃত্যু হয়।

বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন: