নওশাদ আতাউল কাইয়ুম: আকাশে 'হার্ট অ্যাটাক' হওয়া বিমানের পাইলট মারা গেছেন

পাইলট নওশাদ আতাউল কাইয়ুম

ছবির উৎস, Facebook Page of Captain Nawshad Ataul

ছবির ক্যাপশান, ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইয়ুম

ভারতে চিকিৎসাধীন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইয়ুম মারা গেছেন।

মাস্কাট থেকে শতাধিক যাত্রী নিয়ে ঢাকা আসার পথে আকাশেই হার্ট অ্যাটাক হয় মি. কাইয়ুমের।

পরে বিমানের কো-পাইলট বিমানটিকে নাগপুরের বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করান।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা তাহেরা খন্দকার বিবিসিকে জানান, নাগপুরের কিংসওয়ে হাসাপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিউ) সোমবার তার মৃত্যু হয়।

''হাসপাতাল সূত্রে একটু আগে আমরা জানতে পেরেছি, ক্যাপ্টেন নওশাদ মারা গেছেন'', বিবিসিকে বলেন মিজ খন্দকার।

শুক্রবার হাসপাতালে নেবার পর মি. কাইয়ুমের এনজিওগ্রাম করা হয়েছিল।

পরে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণজনিত করানে তাকে রবিবার লাইফ সাপোর্ট দেয়া হয়।

রবিবারই মি. কাইয়ুমের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন বলে জানা গিয়েছিল।

বাংলাদেশ বিমানের একটি উড়োজাহাজ

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশ বিমানের একটি উড়োজাহাজ

শুক্রবার সকালে ওমানের মাস্কাট থেকে বিজি-০২২ ফ্লাইটটি নিয়ে ঢাকা আসার পথে ভারতের আকাশে থাকা অবস্থায় ক্যাপ্টেন মি. কাইউম অসুস্থ বোধ করলে বিমানটিকে জরুরি অবতরণ করানো হয় মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।

আকাশে বসে অসুস্থ হয়ে পড়লে সাথে সাথেই মি. কাইউম কো-পাইলটের কাছে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করেন।

বিমানটি থেকে কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের কাছে জরুরি অবতরণের অনুরোধ জানানো হয়।

কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বিমানটিকে তার নিকটস্থ নাগপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করার নির্দেশ দিলে কো-পাইলটই বিমানটিকে অবতরণ করান।

বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের বিমানটিতে ১২৪ জন যাত্রী ছিল।

তারা সবাইই নিরাপদে ছিলেন।

জরুরি অবতরণের পর মি. কাইউমকে নাগপুরের হাসপাতালে নেয়া হয়।

এদিকে শুক্রবারই আরেকটি ফ্লাইটে করে আট সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল নাগপুরে যায়।

শুক্রবার মধ্যরাতের পর বিমানটিকে যাত্রীসমেত ঢাকার বিমানবন্দরে উড়িয়ে নিয়ে আসেন তারা।

বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর: