চট্টগ্রামের মিতু হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা স্বামীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ

২০১৬ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ দেখার পর বাবুল আক্তার (ফাইল ছবি)

ছবির উৎস, Focusbangla

ছবির ক্যাপশান, ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ দেখার পর বাবুল আক্তার (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশে চট্টগ্রাম শহরে পাঁচ বছর আগেকার মাহমুদা খাতুন মিতু হত্যাকাণ্ডের মামলায় তার স্বামী, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারকে হেফাজতে নিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই।

পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের একজন বিশেষ পুলিশ সুপার আহসান হাবিব বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে ব্যাপক আলোড়ন তোলা এই হত্যাকাণ্ডের মামলায় তার স্বামী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

পিবিআই জানিয়েছে, মঙ্গলবার তাকে বেশ কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে তাকে এখনো কাগজে কলমে গ্রেফতার দেখানো হয়নি।

বাবুল আক্তারকে সোমবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে নেয়া হয়।

চট্টগ্রাম নগরীতে ২০১৬ সালের ৫ই জুন সকালে মাহমুদা খাতুন মিতু তার ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় তাকে কুপিয়ে ও গুলি করে খুন করা হয়।

তিনি একজন পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী হওয়ায় সেসময় এ ঘটনা ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করে।

বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:

সন্তানকে স্কুলের বাসে তুলে দেবার সময় মাহমুদা খাতুনকে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত ও গুলি করে পালিয়ে যায়।

ছবির উৎস, FocusBangla

ছবির ক্যাপশান, ২০১৬ সালে সন্তানকে স্কুলের বাসে তুলে দেবার সময় মাহমুদা আক্তারকে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত ও গুলি করে পালিয়ে যায়।

বাবুল আক্তার চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেছেন। হত্যাকাণ্ডের কয়েকদিন আগে একটি পদোন্নতি পেয়ে তিনি ঢাকায় গিয়েছিলেন।

ঘটনার পর মামলা করেছিলেন সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা নিজেই।

হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে মি. আক্তারকে এর আগেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং ঘটনার মাস তিনেক পর তাকে পুলিশ বিভাগের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

২০২০ সালে এ মামলার তদন্ত গোয়েন্দা বিভাগ থেকে পিবিআই-এর হাতে দেয়া হয়।

হত্যাকাণ্ডটি নিয়ে শুরু থেকেই এক ধরনের রহস্য ছিল।

মাহমুদা খাতুন মিতুর বাবা বেশ কিছুদিন যাবত মেয়ের হত্যাকাণ্ডের জন্য জামাতা বাবুল আক্তারই দায়ী বলে দাবি করে আসছিলেন।

বিবিসি বাংলায় আরো খবর: