করোনাভাইরাস: বিশ্ব জুড়ে মৃত্যুর সংখ্যা তিন লাখ ছাড়াল

জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ লাখ ৭ হাজার ৪৮৬ জন।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ লাখ ৭ হাজার ৪৮৬ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্ব জুড়ে মৃত্যুর সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি এন্ড মেডিসিনের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল পর্যন্ত সারা বিশ্বে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিন লাখ ৭ হাজার ৪৮৬ জন।

সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মারা গেছেন মোট ৮৭ হাজার ৫৩০ জন। এরপরেই বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাজ্যে, ৩৪ হাজার ৭৮ জন।

মৃত্যুর তালিকায় তৃতীয় দেশ ইতালি। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৩১ হাজার ৬১০ জনের।

শনিবার সকাল পর্যন্ত সারা বিশ্বে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৫ লাখ ৩৮ হাজার ৪০৬ জন।

আক্রান্তের তালিকারও শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ লাখ ৪২ হাজারের বেশি মানুষ। এরপরে রয়েছে রাশিয়া ও যুক্তরাজ্য।

বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজার ৬৫ জন। এই ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২৯৮ জনের।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত বিশ্ব জুড়ে ১৮৮টি দেশ বা অঞ্চলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে।

করোনাভাইরাসের এখনও কোন নির্দিষ্ট ওষুধ বা টিকা নেই। রোগটির প্রকোপে উন্নত বা উন্নয়নশীল, সব ধরণের দেশই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বিশ্বের অনেক দেশে বা এলাকায় লকডাউন চলছে। বাংলাদেশেও ২৬শে মার্চ থেকে চলছে অঘোষিত লকডাউন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে বিশ্ব জুড়ে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ১১ই মার্চ বিশ্ব জুড়ে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

Banner image reading 'more about coronavirus'
Banner

বাংলাদেশে প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয় ৮ই মার্চ। এর ১০দিন পরে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশটিতে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ৪১টি প্রতিষ্ঠানে কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় দিনে ১০,০০০ নমুনা পরীক্ষার টার্গেট করা হলেও তা এখনও বাস্তবায়ন করা যায়নি।

কর্মকর্তারা বলেছেন, নমুনা সংগ্রহ থেকে শুরু করে লোকবলের সমস্যার কারণে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিলম্ব হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলেছেন, বাংলাদেশে এই পরীক্ষা শুরুর পর দুই মাসেও এর সংখ্যা বাড়াতে না পারলে সংক্রমণের সঠিক পরিস্থিতি বোঝা যাবে না।