মুজিব জন্মশত বার্ষিকী: ক্ষণগণনায় তেজগাঁও বিমানবন্দরে আজ যা থাকবে

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান।
ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান।

বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য ক্ষণগণনা শুরু হবে আজ।

ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় অবস্থিত পুরাতন বিমান বন্দরে এনিয়ে বিপুল আয়োজন করা হয়েছে।

চলতি বছরের ১৭ই মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৯ই মার্চ পর্যন্ত 'মুজিব বর্ষ' ঘোষণা করেছে সরকার। ১৭ই মার্চ থেকে 'মুজিব বর্ষ' উদযাপন শুরু হলেও আজ থেকে শুরু হচ্ছে ক্ষণগণনা।

পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন এবং দিল্লি হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

এর আগে পুরো স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন।

যেহেতু এই দিনে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশে ফিরে আসেন সেজন্য তাঁর জন্ম শতবার্ষিকীর ক্ষণগনণাও শুরু হচ্ছে আজ থেকে।

Skip YouTube post
Google YouTube কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?

এই নিবন্ধে Google YouTubeএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত Google YouTube কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।

সতর্কবাণী: তৃতীয়পক্ষের কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন থাকতে পারে

End of YouTube post

শুক্রবার বিকেল তিনটায় তেজগাঁও এলাকার পুরাতন বিমান বন্দরে অতিথিরা আসবেন।

বিকলে ৪:৩০মিনিটে শেখ হাসিনা যাবেন অনুষ্ঠানস্থলে। এরপর সেখানে একটি প্রতীকী বিমান অবরতণ করবে।

১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি শেখ মুজিবকে বহনকারী বিমান এখানেই অবতরণ করেছিল। সেজন্যই প্রতীকী বিমান অবতরণের বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে।

৪৮ বছর আগে বিমান থেকে নামার পর শেখ মুজিবুর রহমানকে যেভাবে বরণ করা হয়েছিল ঠিক একই কায়দায় প্রতীকী গার্ড অব অনার দেয়া হবে। এছাড়া বিমান থেকে আলোক প্রক্ষেপণ এবং তোপধ্বনিও দেয়া হবে।

সরকার ঘোষিত 'মুজিব বর্ষের' ক্ষণগণনা উপলক্ষে প্রায় ১২ হাজার মানুষ পুরাতন বিমানবন্দরে উপস্থিত হবেন বলে আশা করছেন আয়োজকরা। এরই মধ্যে আগ্রহী ব্যক্তিরা অনলাইনে নিবন্ধনও করেছেন।

ক্ষণ গণনার জন্য দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনের ২৮টি স্থানে এবং প্রতিটি বিভাগীয় ও জেলায় ঘড়ি বসানো হবে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার ৮০টির বেশি স্থানে ক্ষণ গণনার ঘড়ি বসানো হবে।