আগরতলা-ঢাকা ফ্লাইট চেয়েছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

ছবির উৎস, Twitter
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার আগরতলা এবং ঢাকার মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চেয়েছে যদিও এই দুই শহরের দূরত্ব মাত্র ১৩০ কিলোমিটার।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব টুইট করেছেন, গতকাল (বৃহস্পতিবার) দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এই আর্জি জানিয়েছেন।
বিপ্লব দেব তার টুইটে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হাসিনা তার প্রস্তাবে উৎসাহ দেখিয়েছেন।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকেও বিবিসির কাছে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রী দেব এবং শেখ হাসিনা আগরতলা-ঢাকা সরাসরি বিমান যোগাযোগের সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন।

ছবির উৎস, Getty Images/Hindustan Times
আগরতলা বিমানবন্দরটি বাংলাদেশের একবারে লাগোয়া।
মাস দুয়েক আগে বাংলাদেশ এবং ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যমে খবর বের হয় যে, ত্রিপুরা বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য ভারত বাংলাদেশের কাছে জমি চেয়েছে।
তবে অগাস্ট মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের কাছে বিষয়টি সম্পর্কটি জানতে চাওয়া হলে, তিনি জমি চাওয়ার খবর নাকচ করে দেন।
মি. আলম বিবিসি বাংলাকে বলেন, "ভারত আমাদের কাছে কোন জমি চায়নি। যে খবরটি আপনারা জেনেছেন সেটা সম্পূর্ণ অসত্য।"
শাহরিয়ার আলম তখন জানান, "ভারত মূলত যেটা চেয়েছে, সেটা হচ্ছে ত্রিপুরা বিমানবন্দরের রানওয়েতে লাইটের কমপ্লিট ফেইজ পূরণ করতে বাংলাদেশের অংশে কিছু লাইট বসাতে।"
আগরতলা বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ নিয়ে খবরাখবরের পর এখন ঢাকা-আগরতলা সরাসরি ফ্লাইট নিয়ে ত্রিপুরা সরকারের এই আগ্রহের কথা জানা গেল।

ছবির উৎস, Getty Images
দিল্লিতে বিবিসি বাংলার শুভজ্যোতি ঘোষ বলছেন, দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই-কমিশন এবং ভারতীয় কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, শনিবার শেখ হাসিনা এবং নরেন্দ্র মোদীর বৈঠকের পর যৌথ ঘোষণায় ঢাকা এবং চট্টগ্রামের সাথে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর রাজধানী শহরগুলোর সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনের কথা থাকার সম্ভাবনা প্রবল।
এ সপ্তাহের গোড়ার দিকে দিল্লিতে বাংলাদেশের হাই-কমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী বিবিসিকে বলেন, দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, এবং তারই অংশ হিসাবে উত্তর পূর্ব ভারতের প্রধান শহরগুলোর সাথে সরাসরি ফ্লাইটের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।








