মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু ২৭শে জুন

বাংলাদেশে চাঞ্চল্যকর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান হত্যা মামলায় আদালত ১৬ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে এবং আগামী ২৭শে জুন থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর নির্দেশ দিয়েছে।
এই মামলায় আসামিরা বৃহস্পতিবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে জামিনের জন্য আবেদন করেন।
শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মামুনুর রশিদ আবেদন নামঞ্জুর করে আসামীদের জেল-হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
সরকারি কৌঁসুলিরা জানাচ্ছেন, আগামী ২৭শে জুন মামলার বাদী নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানসহ তিন জন সাক্ষ্য দেবেন বলে কথা রয়েছে।
গত ৬ই এপ্রিল আলিম পরীক্ষার একটি বিষয়ে মাদ্রাসায় পরীক্ষা দিতে গেলে নুসরাত জাহানকে ছাদে ডেকে নিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানে চারদিন পর তিনি মারা যান।
এর আগে নুসরাত জাহানকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে তার মা গত ২৭শে মার্চ সোনাগাজী থানায় স্থানীয় ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়তে পারেন:
এরপর পুলিশ ঐ অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে। অবশ্য মি. সিরাজ উদ্দৌলা গোড়া থেকেই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন।
ওদিকে, এই হত্যা মামলা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়।
এই হত্যা মামলার সাথে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে প্রাথমিকভাবে পুলিশ মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল।
পরে পুলিশের তদন্ত ব্যুরোর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্ত পাঁচ ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
পাশাপাশি, এই মামলার তদন্তে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা নিয়েও আলোচনা চলে।
বিশেষভাবে ঐ ঘটনার তদন্তে ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন জিজ্ঞাসাবাদের নামে নুসরাতের বক্তব্য ভিডিও রেকর্ড করেন এবং তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন বলে অভিযোগ ওঠার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।








