পহেলা বৈশাখ: কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বাংলা নববর্ষকে বরণ করা হলো নানা আয়োজনে

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য নানা আয়োজনে বরণ করে নেওয়া হলো বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটিকে।
'মস্তক তুলিতে দাও অনন্ত আকাশে' - প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেরিয়েছে মঙ্গল শোভাযাত্রা যাতে অংশ নিয়েছে নানা সাজে সজ্জিত নারী-পুরুষ-শিশুরা।
আরো পড়ুন:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মঙ্গল শোভাযাত্রার উদ্বোধনের পর শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে চারুকলা থেকে বের হয়ে শাহবাগ শিশুপার্ক ঘুরে এসে টিএসসি হয়ে আবার চারুকলায় গিয়ে শেষ হয় এই শোভাযাত্রা।
বাংলাদেশের এই মঙ্গল শোভাযাত্রা ইতোমধ্যেই ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে।

নিরাপত্তায় বিঘ্নিত স্বতঃস্ফূর্ততা?
তবে এবারের শোভাযাত্রার সামনে র্যাবের মোটর বহর ছাড়াও পুলিশ ও স্কাউট দলের সদস্যরা ঘিরে রাখায় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের সুযোগও ছিলো কম।
মুখোশে রাজা-রাণীর পেছনে গাছের চূড়ায় পাখি আর পাখির ছানা আর প্যাচা এবং তাদের অনুসরণ করে হরিণ, বাঘ, বকসহ নানা কিছু ছিলো এই শোভাযাত্রায়।

ওদিকে রমনার বটমূলেও যথারীতি ছিলো ছায়ানটের বর্ষবরণের ঐতিহ্যময় আয়োজন।
'অনাচারের বিরুদ্ধে জাগ্রত হোক শুভবোধ'- এ প্রতিপাদ্যে ছায়ানটের এ আয়োজন শুরু হয় ভোর ছয় টায় এবং বরাবরে মতোই অসংখ্য মানুষ এ আয়োজন দেখতে সমবেত হয়েছিলো রমনায়।


যদিও নিরাপত্তা বাহিনীর নানা বিধি-নিষেধে এখানেও স্বতঃস্ফূর্ত মানুষের অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিলো কম।
ঢাকার বাইরে দেশের অধিকাংশ জায়গায় উৎসবমূখর পরিবেশে নানা আয়োজনে নববর্ষকে স্বাগত জানিয়েছে মানুষ।
বাংলা নববর্ষ ১৪২৬-এর বরণ কেমন হলো - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে তা ফেসবুকে সরাসরি জানাচ্ছিলেন বিবিসির ফয়সাল তিতুমীর।








