'মাদকাসক্ত' টিয়া পাখির অত্যাচারে অতিষ্ঠ ভারতের আফিম চাষীরা

টিয়া পাখি

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ২০১৫ সালেই পাখিদের এই অত্যাচারের অভিযোগ করেছিলেন আফিম চাষীরা।

ভারতের আফিম চাষীরা অভিযোগ করেছেন যে 'মাদকাসক্ত' টিয়া পাখি তাদের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করছে।

ভারতের মধ্য প্রদেশের কৃষকরা বলছেন, অনাবৃষ্টির মৌসুমের পর টিয়া পাখিদের এমন দৌরাত্মে তাদের ফলনের ওপর বিরুপ প্রভাব পড়ছে।

পাখিদেরকে লাউডস্পিকার বাজিয়ে ভয় দেখিয়ে নিবৃত্ত করা চেষ্টা বিফলে গেছে বলে জানিয়েছেন ঐ এলাকার কৃষকরা।

তারা বলছেন, কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো সাহায্যই করেনি।

টিয়াপাখির জন্য এ মৌসুমে কৃষকদের বিপুল পরিমাণ ক্ষতিও হতে পারে বলে সতর্ক করেছে তারা।

এশিয়ান নেটওয়ার্ক নিউজ একটি ভিডিও টুইট করেছে, যেখানে দেখা যায় যে কয়েকটি পাখি একটি পপি ফুল মুখে নিয়ে উড়ে যাচ্ছে।

Skip X post
X কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?

এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।

সতর্কবাণী: তৃতীয়পক্ষের কন্টেন্টে বিজ্ঞাপন থাকতে পারে

End of X post

আরো পড়ুন:

এই কৃষকরা ওষুধ তৈরিকারী একটি প্রতিষ্ঠানের কাছে তাদের ফসল সরবরাহ করে এবং তাদের আফিম চাষের লাইসেন্সও রয়েছে।

নন্দকিশোর নামে একজন কৃষক এনডিটিভিকে জানান, তীব্র শব্দ করে বা মশাল জ্বালিয়েও পাখিদের নিবৃত্ত করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, একটি পপি ফুল থেকে ২০-২৫ গ্রাম আফিম হয়। কিন্তু বড় এক দল টিয়া পাখি দিনে ৩০-৪০ বার এইসব গাছ থেকে ফুল খেয়ে যায় এবং কোনো কোনো পাখি পপি ফুলের কলিও নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, "কেউ আমাদের অভিযোগ শুনছে না। আমাদের এই ক্ষতি পুষিয়ে দেবে কে?"

মান্দসাওরের হর্টিকালচার কলেজের আর এস চুন্দাওয়াত ডেইলিমেইলকে জানান, এই আফিম পাখিগুলোকে তাৎক্ষণিক শক্তি দেয় - ঠিক যেমনটি মানুষের ক্ষেত্রে ঘটে চা বা কফি খাওয়ার পর।

মি. চুন্দাওয়াত বলেন, একবার পাখিরা এই অনুভূতির সাথে পরিচিত হওয়ার পর খুব দ্রুত আসক্ত হয়ে পড়ে।

ভিডিওর ক্যাপশান, বিশ্বের অন্যতম একটি গোপন এলাকা খবর