নিষেধাজ্ঞা কী এবং কেন দেশগুলো একে অপরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়

ছবির উৎস, Getty Images
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে দেশটি।
ব্রিটেনে বসবাসকারী রাশিয়ার সাবেক দ্বৈত গুপ্তচর সার্গেই স্ক্রিপাল এবং তার মেয়েকে নার্ভ এজেন্ট রাসায়নিক দিলে মার্চ মাসে তারা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পরে।
যুক্তরাজ্যের সরকার রাশিয়াকে এই ঘটনার জন্য দোষ দেয় কিন্তু রাশিয়ার সরকার শক্তভাবেই কোন ধরণের যুক্ত বিষয়টি অস্বীকার করে।
কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা গুলো কি এবং কীভাবে সেগুলো কাজ করে?
নিষেধাজ্ঞা কী?
সহজ কথায় বলতে গেলে একটা দেশ অপর একটা দেশের ওপর শাস্তি হিসেবে এই নিষেধাজ্ঞা দেয়।
যেমন, এই ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি শিল্পের কিছু কোম্পানির মালামাল রাশিয়াতে রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে মেশিনারি এবং ইলেকট্রিক্যাল পার্টস। এই বাণিজ্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের।

ছবির উৎস, Rex Features
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারে নিয়মনীতি যদি রাশিয়া না মেনে চলে তাহলে এই শাস্তি তিন মাসের মধ্যে আরো কঠিন হবে।
কেন দেশগুলো একে অপরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়?
ইউনিভার্সিটি অব স্যালফোর্ড এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মরটিজ পিয়েপার বলেছেন "আপনি একটি দেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারেন কারণ আপনি ঐ দেশটির আচরণে পরিবর্তন দেখতে চান"।
বিষয়টা হলো " ঐ দেশের নাগরিক তার নিজ দেশের সরকারের ওপর রাগান্বিত হবে। এবং দাবী জানাবে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার ভিত্তিতে সরকার যাতে শোধরায়"।
আবার নিষেধাজ্ঞা অনেক সময় এক দেশ আরেক দেশের ওপর প্রতিশোধ হিসেবে আরোপ করে।

ছবির উৎস, EPA
যেমনটা রাশিয়া ২০১৪ সালে ইইউ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে করেছিল।
কী কী ধরণের নিষেধাজ্ঞা আছে?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেসব নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেগুলো অর্থনৈতিক।
তারা কোম্পানিগুলোকে ব্যান করেছে রাশিয়াতে পণ্য যাতে বিক্রি না করে।
দেশগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আনতে পারে।
তবে নিষেধাজ্ঞা কিছু কিছু সময় কঠিন হতে পারে এবং এর একটা সামগ্রিক ফলাফল থাকে।
তবে 'স্মার্ট নিষেধাজ্ঞা' বলা হয় তাকে যখন পুরো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি না করে ছোট কোন গ্রুপের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।








