ফ্রান্সে এক বছরে ধূমপায়ী কমেছে দশ লাখ, রহস্য কী?

ছবির উৎস, AFP
সত্তর দশকে একটা সময় ছিলো তখন নামী দামী তারকাদের হরদম মুখে সিগারেট দেখা যেতো, কিন্তু এখন সময় পাল্টেছে?
ফ্রান্সে প্রতিদিনই যত লোক ধূমপান করে তার সংখ্যা সাম্প্রতিক সময়ে যথেষ্ট পরিমাণ কমে গেছে।
একটি জরিপ বলছে ২০১৬-১৭ সময়ে ধূমপান ছেড়েছে দশ লাখের মতো মানুষ।
আর বিড়ি সিগারেট খাওয়ার এ প্রবণতা বেশি কমছে টিন এজার ও নিম্ন আয়ের মানুষদের মধ্যেই।
তবে ধূমপান কমার বিশেষ কারণ হিসেবে ওই জরিপেই উঠে এসেছে ধূমপান কমিয়ে আনতে নেয়া নানা পদক্ষেপগুলোই।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিগারেটের প্যাকেজিং, তামাকের বিকল্প খুঁজে পাওয়া, দাম বাড়ানো ও প্রচারণার মতো বিষয়গুলোই এক্ষেত্রে বেশি ভূমিকা রেখেছে।
এমনকি জাতীয় ভাবে পালিত হচ্ছে তামাক মুক্ত মাস।
আরো পড়ুন:
জরিপ মতে ২০১৭ সালে ১৮ থেকে ৭৫ বছর বয়সী মানুষের ২৬ শতাংশই প্রতিদিন ধূমপান করেছে।
অথচ এটি আগের বছর ছিলো ২৯ শতাংশের বেশি।
এর ফলে ধূমপায়ীর সংখ্যা কমেছে প্রায় দশ লাখের মতো।

ছবির উৎস, Getty Images
ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী এমন তথ্যে বেশ উল্লসিত।
কিন্তু বিশ্বব্যাপী চিত্র কেমন ?
এক সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে তামাক নিয়ন্ত্রণে নীতির পরেও বিশ্বব্যাপী ধূমপায়ীর সংখ্যা বেড়েছে।
বিশ্বে প্রতি দশটি মৃত্যুর মধ্যে একটির জন্য দায়ী ধূমপান।
আর এর বেশিরভাগই হয় চারটি দেশে- চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া।
তবে শঙ্কার বিষয় ধূমপান মহামারী ধনী দেশগুলো থেকে নিম্ন আয় ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বেশি ছড়িয়ে পড়ছে।








