পিলখানা হত্যা: ১৫২ জনের মধ্যে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল

২০০৯ সালে তৎকালীন বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ২৫৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বাহিনীটির নিজস্ব আইনে চারহাজারের বেশি জওয়ানের সাজা হয়েছে, বাংলাদেশের ফৌজদারি আইনে বিচার হয়েছে ৮০০জনের বেশি জওয়ানের।

বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহে হত্যার দায়ে ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। বিচারিক আদালত ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল।

যে ১৩জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়নি, তাদের মধ্যে চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে আটজনকে।

বাকি একজন আগেই মারা গেছে।

বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন পাওয়া ১৬০ জনের মধ্যে ১৪৬ জনের একই সাজা বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

অন্যদিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রাপ্ত ৩১ জনের সাজা বাড়িয়ে যাবজ্জীবন করা হয়েছে।

এখন সব মিলিয়ে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামীর সংখ্যা দাড়াচ্ছে ১৮৫ জনে।

আরো পড়ুন:

তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে।

দু'দিন ধরে হাইকোর্টের দেয়া এই রায়ে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণও এসেছে।

সেখানে তৎকালীন গোয়েন্দাদের ব্যর্থতার কথাও বলা হয়েছে।

২০০৯ সালের ২৫ এবং ২৬শে ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর-এর সদর দপ্তর পিলখানায় জোয়ানদের বিদ্রোহে ৫৪জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪জনকে হত্যা করা হয়।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ২০১৩ সালে হত্যা মামলাটিতে ৮৫০জন আসামির মধ্যে ১৫২ জনের ফাঁসির রায় দেয়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম এত বেশি সংখ্যক আসামির সাজা হাইকোর্টে অনুমোদন হল।