বনানীতে আবার জন্মদিনের কথা বলে 'ধর্ষণ'

জন্মদিনের কথা বলে বনানীতে আবার এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে
ছবির ক্যাপশান, জন্মদিনের কথা বলে বনানীতে আবার এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে

জন্মদিনের কথা বলে বনানীতে আবার এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার এই অভিযোগে বনানীর বাসিন্দা এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী।

কিছুদিন আগে বনানীর একটি আবাসিক হোটেলে জন্মদিনের দাওয়াতের কথা বলে দুই তরুণীকে ধর্ষণ করা হয় বলে বনানী থানায় মামলা হয়। আলোচিত ওই ঘটনায় আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলেসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সে ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার বনানীতে জন্মদিনের নামে ধর্ষণের অভিযোগ উঠলো।

আরো পড়ুন:

মামলার বরাত দিয়ে বনানী থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি সপরিবারে বনানীর ২ নম্বর রোডে একটি অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন। মঙ্গলবার রাতে জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কথা বলে পূর্বপরিচিত এক তরুণীতে তার বাসায় ডেকে আনেন। রাত দেড়টার দিকে তাকে ধর্ষণ করেন এবং তিনটার দিকে বাসা থেকে বের করে দেন। এ সময় ওই বাসায় আর কেউ ছিল না।

এরপর সকালে ওই তরুণী বনানী থানায় যান এবং দুপুর নাগাদ ধর্ষণের মামলা করেন।

বনানী থানার পরিদর্শক(তদন্ত) আবদুল মতিন বিবিসিকে জানিয়েছেন, এ ঘটনার পর বাসা থেকে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি পালিয়ে গেছেন। আমরা তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছি।

পুলিশ বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই তরুণীর সঙ্গে ওই ব্যক্তির পরিচয় হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে তাদের দেখাসাক্ষাৎ হয়েছে।

পুলিশ পরিদর্শক মতিন বলছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি জন্মদিনের কথা বলে ওই তরুণীকে বাসায় ডেকে আনেন । কিন্তু তরুণী সন্ধ্যার পর বাসায় এসে দেখে, সেখানে আর কেউ নেই। এরপর তাকে গভীর রাত পর্যন্ত আটকে রেখে ধর্ষণ করে এবং রাত ৩টার দিকে বাসা থেকে বের করে দেয়। থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরই আমরা মামলা নিয়ে গ্রেপ্তার অভিযান শুরু করেছি।

ধর্ষণে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি বিবাহিত ও তার দুই সন্তান রয়েছে বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। বাবার ব্যবসা দেখাশোনার পাশাপাশি তার নিজের ব্যবসাও রয়েছে।

মামলার পর ভিকটিম তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তাকে তেজগাঁওয়ের উইমেন ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে।

কিছুদিন আগে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের কথা বলে আটকে রেখে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে বনানী থানায় মামলা হয়েছে। ব্যাপক আলোচনার মধ্যে আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সম্প্রতি ওই মামলার অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ।

আরো পড়তে পারেন: