আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

রুশ পারমাণবিক শক্তিকে বিশেষ সতর্কাবস্থায় রাখতে প্রেসিডেন্ট পুতিনের আদেশ

ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ খারকিভ শহর আবার ইউক্রেনীয় বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে দাবি করছে কিয়েভ । কিয়েভে শনিবার বিকেল থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বেলারুসে রাশিয়ার বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। সর্বশেষ কী জানা যাচ্ছে?

সরাসরি কভারেজ

  1. ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ নিয়ে চতুর্থ দিনের খবরের আপডেট আজ এখানেই শেষ হচ্ছে। সাথে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

  2. রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে, বেলারুস সীমান্তে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদলের মধ্যে একটি বৈঠক শুরু হয়েছে।

    বিবিসি টিভির খবরে বলা হচ্ছে, ইউক্রেন-বেলারুস সীমান্তে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতিনিধিদলের মধ্যে একটি বৈঠক কিছু সময়ের মধ্যেই শুরু হতে যাচ্ছে।

    এর আগে ইউক্রেনের সরকার জানায়, তারা বেলারুস সীমান্তে রাশিযার সাথে আলোচনায় বসতে রাজী হয়েছে। প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, বেলারুসের প্রেসিডেন্ট আলেজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সাথে টেলিফোনে কথা বলার সময় তিনি সীমান্ত এলাকায় প্রিয়াপাত নদীর কাছে রাশিয়ানদের সাথে কোনো শর্ত ছাড়াই দেখা করতে রাজী হয়েছেন।

    মি. লুকাশেঙ্কো কথা দিয়েছেন যে ইউক্রেনের প্রতিনিধিদলের সেখানে যাওয়া, কথা বলা, এবং ফিরে না আসা পর্যন্ত রুশ যুদ্ধ বিমান, হেলিকপ্টার এবং ক্ষেপণাস্ত্রের কোনো ব্যবহার হবে না।

    এর আগে মি জেলেনস্কি বলেছিলেন যেহেতু বেলারুসের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইউক্রেনের ওপর রুশ আক্রমণ হচ্ছে তাই বেলারুসের ভেতরে কোন বৈঠকে তিনি যাবেন না।

  3. ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠাতে চায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ইইউ তার ইতিহাসে এই প্রথমবারের মত এরকম কোন পদক্ষেপ নিলো।

    ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ঘোষণা করেছে যে তারা ইউক্রেনে অস্ত্রের চালান পাঠানো শুরু করতে চাইছে।

    ইইউ তার ইতিহাসে এই প্রথমবারের মত এরকম কোন পদক্ষেপ নিলো।

    ইউরোপিয়ান কমিশন প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লাইন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, এ পদক্ষেপ এক মোড়বদলকারী মুহূর্ত।

    তিনি আরো কিছু পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছেন যার মধ্যে আছে রাশিয়া ও বেলারুসের বিরুদ্ধে নতুন কিছু নিষেধাজ্ঞা ।

    এ ছাড়া সকল রুশ বিমানের জন্য ইউরোপের আকাশসীমা ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

  4. কিয়েভে কোন রুশ সৈন্য নেই, বলছেন রাজধানীর মেয়র, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের মেয়র বলেছেন, তার শহরে কোনো রুশ সেনা নেই।

    ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের মেয়র বলেছেন, তার শহরে কোনো রুশ সেনা নেই।

    কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিৎস্কো বলেন ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী অন্তর্ঘাতীদের চিহ্নিত করে নির্মূল করছে।

    কিয়েভে সোমবার সকাল পর্যন্ত কারফিউ চলছে। মেয়র বলেন, রুশ আক্রমণ শুরুর পর থেকে কিয়েভে এখন পর্যন্ত একটি শিশু সহ ৯ জন নিখোঁজ হয়েছে।

    ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে রুশ সৈন্যদের সাথে লড়াইয়ের পর ইউক্রেনের যোদ্ধারা শহরের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে। তবে এখনো লড়াই চলার খবর পাওয়া গেছে।

    খারকিভের গভর্নর ওলেগ সিনেগুবভ সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বিবৃতিতে বলেছেন শহর থেকে রুশ সৈন্যদের হটিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

    অন্যদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্র কুলেবা বলেছেন প্রেসিডন্ট পুতিন তার সামরিক অভিযানে তার একটি লক্ষ্যও অর্জন করতে পারেননি। অনলাইনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন রুশ সৈন্যরা কোনো শহরেরই নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি,এবং রাজধানী কিয়েভ দখল করতে আসা রুশ সৈন্যদের ধংস করে দেওয়া হয়েছে।

  5. রুশ 'পারমাণবিক সতর্কাবস্থা বৃদ্ধি' 'বিপজ্জনক ও দায়িত্বহীন' - নেটো

    রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেদেশের পারমাণবিক শক্তিকে বিশেষ সতর্কাবস্থায় রাখার জন্য আদেশ দেবার পর নেটো জোটের প্রধান একে "বিপজ্জনক ও দায়িত্বহীন" বলে বর্ণনা করেছেন।

    ইয়েন্স স্টলটেনবার্গ বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের পর এটি পরিস্থিতিকে আরো গুরুতর করে তুলছে।

    রাশিয়ার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর জন্য এটাই সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কাবস্থা।

    মি. পুতিন তার ভাষায় “নেটো দেশগুলোর আক্রমণাত্মক বক্তব্য-বিবৃতি”র পর এ ঘোষণা দেন।

    যুক্তরাষ্ট্র একে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে বর্ণনা করেছে।

    জাতিসংঘে মার্কিন দূত লিন্ডা টমাস-গ্রিনফিল্ড সিবিএস নিউজকে বলেন, এর অর্থ হচ্ছে, মি. পুতিন এমনভাবে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনা বৃদ্ধি করছেন যা “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য”

  6. ইউরোপের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ, ইউক্রেনে রুশ অভিযানের প্রতিবাদ জানাতে ইউরোপের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ

    ইউক্রেনে রুশ অভিযানের প্রতিবাদ জানাতে ইউরোপের বিভিন্ন শহরে রোববার বিক্ষোভ হয়েছে।

    জার্মানির রাজধানী বার্লিন শহরে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিলে এক লক্ষেরও বেশি লোক সমবেত হয়।

    এ ছাড়া লন্ডন, প্যারিস, আমস্টার্ডাম, মাদ্রিদ, ও আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে বিক্ষোভ হয়।

    অন্যদিকে রাশিয়াতেও যু্দ্ধবিরোধী আন্দোলনকারীরা ইউক্রেনে মস্কোর আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আরও জোরদার করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার আক্রমণ শুরুর পর থেকে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য তিন হাজারেরও বেশি প্রতিবাদকারীকে এখন পর্যন্ত আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  7. ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে বৈঠক হবে বেলারুস সীমান্তে, ইউক্রেনের প্রতিনিধিদল কোন পূর্বশর্ত ছাড়াই রুশ প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাত করবে ইউক্রেন-বেলারুস সীমান্তে -বলছেন জেলেনস্কি

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বেলারুসের নেতা আলেক্সান্ডার লুকাশেংকোর সাথে কথা বলার পর একটি বিবৃতি দিয়েছেন।

    এতে মি. জেলেনস্কি বলেন, “আমরা একমত হয়েছি যে ইউক্রেনের প্রতিনিধিদল কোন পূর্বশর্ত ছাড়াই রুশ প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাত করবে – যা হবে প্রিয়াপাত নদীর কাছে ইউক্রেন-বেলারুস সীমান্তে।“

    এসময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার দায়িত্ব বেলারুসের প্রেসিডেন্ট লুকাশেংকো নিয়েছেন বলে তিনি জানান।

    এর আগে মি জেলেনস্কি বলেছিলেন যেহেতু বেলারুসের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইউক্রেনের ওপর রুশ আক্রমণ হচ্ছে তাই বেলারুসের ভেতরে এরকম কোন বৈঠকে তিনি যাবেন না।

    সম্ভাব্য এ বৈঠক সম্পর্কে রাশিয়া বা বেলারুস কোন বিবৃতি দেয়নি।

  8. পুতিনের বক্তব্য "সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য" - মার্কিন প্রতিক্রিয়া

    রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেদেশের পারমাণবিক শক্তিকে বিশেষ সতর্কাবস্থায় রাখার জন্য রুশ সামরিক বাহিনীকে আদেশ দেবার পর যুক্তরাষ্ট্র একে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে বর্ণনা করেছে।

    জাতিসংঘে মার্কিন দূত লিন্ডা টমাস-গ্রিনফিল্ড সিবিএস নিউজকে বলেন, এর অর্থ হচ্ছে, মি. পুতিন এমনভাবে রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের উত্তেজনা বৃদ্ধি করছেন যা “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য”

    রাশিয়ার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর জন্য এটাই সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কাবস্থা।

    মি. পুতিন তার ভাষায় “নেটো দেশগুলোর আক্রমণাত্মক বক্তব্য-বিবৃতি”র পর এ ঘোষণা দেন।

  9. পারমাণবিক শক্তির বিশেষ সতর্কাবস্থার অর্থ কী? বিশ্লেষণ, এর অর্থ এই নয় যে বর্তমানে এ অস্ত্র ব্যবহারের ইচ্ছে রয়েছে - বলছেন বিবিসির বিশ্লেষক

    রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেদেশের পারমাণবিক শক্তিকে বিশেষ সতর্কাবস্থায় রাখার জন্য রুশ সামরিক বাহিনীকে রাখতে আদেশ দিয়েছেন।

    রাশিয়ার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর জন্য এটাই সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কাবস্থা।

    বিবিসির বিশ্লেষক গর্ডন কোরেরা বলছেন, এর অর্থ হচ্ছে মস্কো একটি সতর্কবার্তা দিচ্ছে, এবং সতর্কাবস্থার মাত্রা বাড়ানোর ফলে কৌশলগত অস্ত্র নিক্ষেপ আরো দ্রুতগতিতে করা সহজতর হতে পারে।

    তবে এর অর্থ এই নয় যে বর্তমানে এ অস্ত্র ব্যবহারের ইচ্ছে রয়েছে।

    রাশিয়ার কাছে পরমাণু অস্ত্রের যে মজুত আছে তা পৃথিবীর বৃহত্তম। কয়েকদিন আগেই রুশ নেতা ইউক্রেন অভিযান শুরুর সময় এক হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে “কেউ এতে বাধা দেবার চেষ্টা করলে এমন পরিণতি হবে যা তার ইতিহাসে কখনো দেখা যায়নি। “

    একে তখন অনেকেই পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের হুমকি বলে ব্যাখ্যা করেছিলেন।

    মি. পুতিন এখন বলছেন, পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার প্রতি “অবন্ধুসুলভ পদক্ষেপ নিয়েছে এবং “বেআইনি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।“

  10. সবশেষ খবর: রুশ পারমাণবিক শক্তিকে 'বিশেষ সতর্কাবস্থায়' রাখতে পুতিনের আদেশ, রাশিয়ার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর জন্য এটাই সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কাবস্থা।

    রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেদেশের পারমাণবিক শক্তিকে বিশেষ সতর্কাবস্থায় রাখার জন্যরুশ সামরিক বাহিনীকে রাখতে আদেশ দিয়েছেন।

    রাশিয়ার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর জন্য এটাই সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কাবস্থা।

    মি. পুতিন বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার প্রতি “অবন্ধুসুলভ পদক্ষেপ নিয়েছে এবং “বেআইনি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।“

  11. বেলারুসের নেতা লুকাশেংকোর সাথে কথা বলেছেন জেলেনস্কি, কী নিয়ে কথা হয়েছে তার বিস্তারিত কিছু তিনি জানাননি

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, তিনি বেলারুসের নেতা আলেক্সান্ডার লুকাশেংকোর সাথে কথা বলেছেন।

    তবে এসময় দুই নেতার মধ্যে কী নিয়ে কথা হয়েছে তার বিস্তারিত কিছু তিনি জানাননি।

    এর আগে রাশিয়া বলেছিল তাদের একটি প্রতিনিধিদল ইউক্রেনের সাথে আলোচনার উদ্দেশ্য নিয়ে বেলারুসে এসেছিল।

    কিন্তু মি. জেলেনস্কি মিনস্কে বসে কোন রকম আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

  12. ইউক্রেনে রুশ অভিযানের প্রতিবাদে বার্লিনে লক্ষাধিক লোকের মিছিল, বার্লিনের ব্রান্ডেনবুর্গ গেট থেকে ভিক্টরিকলাম পর্যন্ত দীর্ঘ রাজপথ লোকে লোকারণ্য হয়ে গেছে, এবং এখনো মানুষ আসছে।

    ইউক্রেনে রুশ অভিযানের প্রতিবাদ জানাতে জার্মানির রাজধানী বার্লিন শহরে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিলে এক লক্ষেরও বেশি লোক সমবেত হয়েছে।

    বার্লিনের ব্রান্ডেনবুর্গ গেট থেকে ভিক্টরিকলাম পর্যন্ত দীর্ঘ রাজপথ লোকে লোকারণ্য হয়ে গেছে, এবং এখনো মানুষ আসছে। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, তিন কিলোমিটার দূরের আলেকজান্ড্রাপ্লাৎজ পর্যন্ত পুরো এলাকাটাই মানুষে ভরে যাবে।

    জার্মানি এই যুদ্ধে ইউক্রেনকে ১০০০ ট্যাংকধ্বংসী অস্ত্র এবং ৫০০ স্টিংগার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাহায্য করার কথা জানিয়েছে।

    জার্মানির চান্সেলার ওলাফ শোলৎজ দেশটির সামরিক নীতিতে বড়ধরনের এক পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন । মি. শোলৎজ পার্লামেন্টে এক জরুরি অধিবেশনে বলেছেন যে এবছর সরকার সামরিক সরঞ্জামের জন্য ১০,০০০ কোটি ডলারের বেশি অর্থ বিনিয়োগ করবে।

    তিনি বলেছেন এখন থেকে জার্মানির বার্ষিক অর্থনৈতিক উৎপাদনের দুই শতাংশের বেশি প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে।

    অন্যদিকে রাশিয়াতেও যু্দ্ধবিরোধী আন্দোলনকারীরা ইউক্রেনে মস্কোর আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আরও জোরদার করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার আক্রমণ শুরুর পর থেকে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ প্রদর্শনের জন্য তিন হাজারেরও বেশি প্রতিবাদকারীকে এখন পর্যন্ত আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  13. যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যানাডার কিছু জায়গায় রুশ মদ বিক্রি বন্ধ, ইউক্রেনে রুশ অভিযানের প্রতিবাদে মার্কিন অঙ্গরাজ্য উটাহ এবং ওহাইও রাশিয়ার ভদকা ও অন্যান্য পানীয় বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে।

    ইউক্রেনে রুশ অভিযানের প্রতিবাদে মার্কিন অঙ্গরাজ্য উটাহ এবং ওহাইও রাশিয়ার ভদকা ও অন্যান্য এ্যালকোহলজাতীয় পানীয় বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে।

    এর আগে ক্যানাডার তিন প্রদেশ ওন্টারিও ম্যানিটোবা এবং নিউ ফাউন্ডল্যান্ডও জানায় যে তারা সরকারি মদের দোকান থেকে রুশ পানীয় সরিয়ে দেবে।

    খবরে বলা হয়, বেশ কিছু মার্কিন শহরে বারগুলো ইতোমধ্যেই রুশ মদের পরিবর্তে ইউক্রেনীয় ভদকাকে অগ্রাধিকার দিতে শুরু করেছে।

  14. নতুন পাওয়া খবর: খারকিভ আবার ইউক্রেনীয় নিয়ন্ত্রণে, খারকিভ অঞ্চলের গভর্নর জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় বাহিনী খারকিভ শহরটির নিয়ন্ত্রণ আবার পুনর্দখল করেছে।

    খারকিভ অঞ্চলের গভর্নর জানিয়েছেন, ইউক্রেনীয় বাহিনী খারকিভ শহরটির নিয়ন্ত্রণ আবার পুনর্দখল করেছে।

    টেলিগ্রামে এক পোস্টে ওলেহ সিনেহুবভ বলেন,”খারকিভের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি আমাদের হাতে।“

    “সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও প্রতিরক্ষা বাহিনী মিলে কাজ করছে এবং শহরটিকে শত্রুদের হাত থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করছে।"

    গত রাতে রুশ সৈন্যরা খারকিভ শহরে ঢুকে পড়েছিল।

    লড়াইয়ের খবরের সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত কঠিন তবে, খারকিভের বেসামরিক লোকেরাও বিবিসিকে বলেছে যে এখন শহরটি ইউক্রেনীয় নিয়ন্ত্রণে ফেরত এসেছে।

  15. যুদ্ধরত রুশ সৈন্যদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন পুতিন, তিনি বলেন, রুশ সৈন্যদের ‘ডনবাস এলাকার প্রজাতন্ত্রগুলোকে সহায়তা করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।‘

    রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এক টিভি ভাষণে ইউক্রেনে যুদ্ধরত রুশ সৈন্যদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, রুশ সৈন্যদের ‘ডনবাস এলাকার প্রজাতন্ত্রগুলোকে সহায়তা করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।‘

    মি. পুতিন সৈন্যদের সাফল্য কামনা করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    রাশিয়ার বিশেষ বাহিনী দিবস উপলেক্ষ দেয়া বার্তায় মি. পুতিন এ কথা বলেন।

  16. বিদেশীদের ইউক্রেনে এসে যুদ্ধ করতে ডাক দিলেন জেলেনস্কি, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিদেশীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা একটি বিদেশী বাহিনী গঠন করে রুশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন।

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিদেশীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা একটি বিদেশী বাহিনী গঠন করে রুশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন।

    সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা এক বার্তায় তিনি বলেন, “সারা পৃথিবীর নাগরিক, ইউক্রেন, শান্তি ও গণতন্ত্রের বন্ধুদের’ প্রতি তিনি এ আহ্বান জানাচ্ছেন।

    জেলেনস্কি বলেন - যে কেউ যদি ইউক্রেনের প্রতিরক্ষায় যোগ দিতে চান, তিনি এসে ইউক্রেনীয়ানদের পাশাপাশি যুদ্ধ করতে পারেন।

    ইউক্রেন নেটো জোট সদস্য না হওযায় পশ্চিমা দেশগুলো অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করলেও এ যুদ্ধে সরাসরি সৈন্য পাঠাচ্ছে না।

    তবে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ স্ট্রাস রোববার বলেছেন কোন ব্রিটিশ নাগরিক যদি ইউক্রেনে গিয়ে যুদ্ধ করতে চায় - তাহলে তারা একে সমর্থন দেবেন।

  17. খারকিভ শহরে রাস্তায় রাস্তায় যুদ্ধ, রুশ ও ইউক্রেনীয় সৈন্যদের মধ্যে খারকিভের রাস্তায় যুদ্ধের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে

    খারকিভ শহরে রুশ ও ইউক্রেনীয় সৈন্যদের মধ্যে রাস্তায় রাস্তায় যুদ্ধ হচ্ছে, এবং এর নানা ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

    নিচের ভিডিওটি বিবিসি নিশ্চিত করেছে - যাতে ইউক্রেনীয় সৈন্যদের একটি দলকে দেখা যাচ্ছে। তারা একটি দেয়ালের আড়ালে অবস্থান নিয়েছে, এবং একজন সৈন্যকে কাঁধ-থেকে-নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়তে দেখা যাচ্ছে।

  18. খারকিভেই প্রথমবারের মত প্রকৃত 'স্ট্রিট ফাইটিং' হচ্ছে : বিশ্লেষণ, বিবিসির সংবাদদাতা পল এ্যাডামস জানাচ্ছেন, প্রকৃত অর্ধে খারকিভ শহরেই রুশ ও ইউক্রেনীয় সৈন্যদের মধ্যে প্রথমবারের মত রাস্তায় রাস্তায় যুদ্ধ হচ্ছে।

    বিবিসির সংবাদদাতা পল এ্যাডামস জানাচ্ছেন, প্রকৃত অর্ধে খারকিভ শহরেই রুশ ও ইউক্রেনীয় সৈন্যদের মধ্যে প্রথমবারের মত রাস্তায় রাস্তায় যুদ্ধ বা 'স্ট্রিট ফাইটিং হচ্ছে।

    রাস্তার যুদ্ধ অত্যন্ত গোলমেলে এবং কখন কি হবে তা আগে তেকে বলা কঠিন। আক্রমণ ও প্রতিরক্ষা – দু’দিক থেকেই এ যুদ্ধ এক কঠিন পরীক্ষা।

    শহরটি থেকে প্রকাশ পাওয়া কিছু ছবিতে দেখা যাচ্ছে, রাস্তার কোণায় কোণায় ইউক্রেনের সৈন্যরা রকেটচালিত গ্রেনেড নিক্ষেপ করছে, এবং রুশ সৈন্যরাসাঁজোয়া যানের পেছনে পেছনে পায়ে হেঁটে এগুচ্ছে।

    পল এ্যাডামস লিখছেন, গত কয়েকদিনে রুশ কৌশল ছিল বড় শহরগুলো এড়িয়ে চলা, এবং দৃশ্যতঃ তাদের ইচ্ছা ছিল রাজধানী কিয়েভে ঢুকে সরকার পরিবর্তন ঘটানো।

    খারকিভের ক্ষেত্রে হয়তো সেই কৌশলে একটা পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    খারকিভ শহরটি রুশ সীমান্তের একেবারে কাছে, এবং বরাবরই এ সম্ভাবনা ছিল যে রুশ অভিযান হলে এ শহরটিই হয়তো প্রথম বিপদে পড়বে।

  19. ইউক্রেন থেকে পালানো লোকের সংখ্যা এখন ৩,৬৮,০০০ ছাড়িয়েছে।, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচ সিআর বলছে, ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ ও যুদ্ধের কারণে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানো লোকের সংখ্যা এখন ৩,৬৮,০০০-এ পৌঁছেছে।

    জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচ সিআর বলছে, ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ ও যুদ্ধের কারণে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালানো লোকের সংখ্যা এখন ৩,৬৮,০০০-এ পৌঁছেছে।

    বিবিসির সংবাদদাতাদের খবর অনুযায়ী ইউক্রেন থেকে এ পর্যন্ত ১৫০,০০০-এরও বেশি লোক পালিয়ে পোল্যান্ডে আশ্রয় নিয়েছে।

    অন্যদিকে গত তিন দিনে ইউক্রেন থেকে রোমানিয়ায় পালিয়েছে ৪৩,০০০ -এরও বেশি মানুষ।

  20. ইউক্রেনের মন্ত্রীর দাবি : ৪,৩০০ রুশ সৈন্য নিহত, ইউক্রেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রীহানা মালিয়ার এক ফেসবুক পোস্টে যুদ্ধে রুশ ক্ষয়ক্ষতির একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন

    ইউক্রেনের উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হানা মালিয়ার এক ফেসবুক পোস্টে যুদ্ধে রুশ ক্ষয়ক্ষতির একটি তালিকা প্রকাশ করে দাবি করেছেন যে ৪.৩০০ জন রুশ সৈন্য এ পর্যন্ত নিহত হয়েছে।

    বিবিসি এ দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি, এবং রাশিয়া এখন পর্যন্ত হতাহতের কোন সংখ্যা প্রকাশ করেনি।

    ইউক্রেনের মন্ত্রীর দেয়া তালিকায় ৪,৩০০ রুশ সৈন্য নিহতের কথা ছাড়াও ২৭টি বিমান, ২৬টি হেলিকপ্টার, ১৪৬টি ট্যাংক, ৭০৬টিসাঁজোয়া যান, ৪৯টি কামান এবং আরো কিছু সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্র ধ্বংসের কথা বলা হয়।