ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে বিবিসি বাংলার লাইভ পেজ আজকের মত শেষ করছি। সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
ইউক্রেন সেনা বাহিনীকে সরকার উৎখাতের ডাক প্রেসিডেন্ট পুতিনের
বৃহস্পতিবার থেকে ইউক্রেনে হামলা শুরু করেছে রাশিয়া। রুশ সৈন্যরা উত্তর, দক্ষিণ এবং পূর্ব দিক দিয়ে ইউক্রেনে ঢুকে পড়ে, বড় বড় শহর ও সেনা ঘাঁটিতে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গিয়েছে। সর্বশেষ কী জানা যাচ্ছে?
সরাসরি কভারেজ
সায়েদুল ইসলাম and মানসী বড়ুয়া
ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধে সারা দিনের উল্লেখযোগ্য খবরগুলো
ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধের সবশেষ কিছু খবরাখবর:
- রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন সামরিক বাহিনীকে তাদের নিজস্ব সরকারকে উৎখাত করার আহ্বান জানিয়েছেন
- রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে তাদের সেনা বাহিনী কিয়েভের কাছে কিয়েভ হস্তোমেল বিমান ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছে। তারা দাবি করছে ইউক্রেন বিশেষ বাহিনীর ২০০ সৈন্য নিহত হয়েছে এবং রাশিয়ার পক্ষে কেউ হতাহত হয়নি। বিবিসি এর সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
- ইউক্রেন সামরিক যান কিয়েভে চারপাশ থেকে ঢোকা রুশ সৈন্যদের প্রতিহত করতে শহরে ঢুকেছে।
- ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে স্বেচ্ছাসেবী যোদ্ধাদের ১৮ হাজার বন্দুক দেয়া হয়েছে এবং মলোটোভ ককটেল বোমা বানানোর পদ্ধতি তাদের দেয়া হয়েছে।
- যুক্তরাজ্যের সশস্ত্র বাহিনীর মন্ত্রী ব্রিটিশ সাংসদদের বলেছেন হামলা শুরুর পর থেকে সাড়ে চারশ রুশ সৈন্য, এবং ৫৭ জন বেসামরিক নাগরিক সহ ১৯৪ জন ইউক্রেনীয় নিহত হয়েছে
- ইউক্রেন বলছে আক্রমণ শুরুর পর থেকে এক হাজারের বেশি রাশিয়ান নিহত হয়েছে – এ তথ্যের সত্যতাও নিরেপক্ষভাবে যাচাই করা যায়নি
- ক্রেমলিন বলছে রাশিয়া বেলারুসের রাজধানী মিনস্কে ইউক্রেনের সাথে আলোচনায় বসতে রাজি আছে
- এই আলোচনার মূল ফোকাস হবে ইউক্রেনকে একটা “নিরপেক্ষ অবস্থান” ঘোষণা করতে হবে এবং ইউক্রেনের “বেসামরিকীকরণ”কে এর অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, তবে ইউক্রেন এই শর্তে আলোচনায় বসতে রাজি কিনা তা জানা যায়নি
- পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, রাশিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমান তাদের আকাশ ব্যবহার করতে পারবে না
- জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা বলছে তাদের আনুমানিক হিসাব অনুযায়ী এক লাখ মানুষ ইতোমধ্যেই ইউক্রেনে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। এবং যুদ্ধ বাড়লে তারা আশংকা করছে ৫০ লাখ পর্যন্ত মানুষ ইউক্রেনে ঘরছাড়া হবে।

ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, ইউক্রেনীয়রা দলে দলে দেশ ছেড়ে হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও মলডোভার দিকে যাচ্ছে। এই ইউক্রেনীয়রা বেরেগসুরানি সীমান্ত চৌকি দিয়ে হাঙ্গেরিতে ঢুকছেন ইউক্রেন সেনা বাহিনীকে দেশটির নেতৃত্ব উৎখাত করার ডাক প্রেসিডেন্ট পুতিনের
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রুশ নিরাপত্তা পরিষদে ভাষণ দিচ্ছেন- যেখানে তিনি পরোক্ষভাবে ইউক্রেন সামরিক বাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বক্তব্য দিচ্ছেন।
তিনি তার ভাষণে ইউক্রেন সরকার এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ব্যঙ্গবিদ্রূপ করে তাদের “নব্য-নাৎসী” এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রুশ বিরোধী বাহিনী “ব্যান্ডেরাইট” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন: “তারা সন্ত্রাসীদের মত আচরণ করছে। রাশিয়া, শান্তিকামী জনগণকে হত্যা করছে এমন অভিযোগ করে তারা এই সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসাবে তুলে ধরে নিজেদের আচরণ ঢেকে রাখছে।
“এটা সুনিশ্চিত যে বিদেশী পরামর্শদাতাদের সুপারিশে তারা এসব কিছু করছে। সবার উপরে তাদের পরামর্শ দিচ্ছে আমেরিকা।”
এরপর ইউক্রেন সেনাবাহিনীর উদ্দেশ্যে তিনি কথা বলেছেন।
“ইউক্রেনের সশস্ত্র সেনাদের উদ্দেশ্যে আমি আবার বলতে চাই: এই নব্য নাৎসীদের আপনাদের শিশু, আপনাদের স্ত্রী, আপনাদের বৃদ্ধ মানুষদের মানব-ঢাল হিসাবে ব্যবহার করতে দেবেন না।
“নিজেদের হাতে ক্ষমতা তুলে নিন। কিয়েভের ওই মাসকাসক্ত এবং নব্য নাৎসী দলের সাথে কথা বলার চেয়ে আমরা এবং আপনারা কথা বললে একটা চুক্তিতে পৌঁছন অনেক সহজ হবে।”
ব্রেকিং, রুশ প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনীয় সৈন্যদের উদ্দেশ্যে সরাসরি ভাষণ দিচ্ছেন
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের সৈন্যদের উদ্দেশ্য করে এখন ভাষণ দিচ্ছেন।
ধারণা করা হচ্ছে তিনি তাদের ইউক্রেন সরকারের বিরোধিতার আহ্বান জানাচ্ছেন।
বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন এই লাইভ পেজে।
রাশিয়া ইউক্রেনের সাথে আলোচনায় বসতে রাজি ‘নিরপেক্ষতার’ শর্তে
রুশ সংবাদ সংস্থা আরআইএ নভোস্তি খবর দিচ্ছে যে, ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন রাশিয়া, বেলারুসের রাজধানী মিনস্কে ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনা বসতে রাজি আছে।
তবে তিনি বলেছেন তার আগে ইউক্রেনকে একটা “নিরপেক্ষ অবস্থান” ঘোষণা করতে হবে – যার অন্তর্ভুক্ত থাকবে “বেসামরিকীকরণ”। রাশিয়া বরাবরই বলে আসছে তারা চায় না, ইউক্রেন কখনই নেটোতে যোগদান করে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন, কিন্তু রাশিয়ার শর্তে তিনি আলোচনায় বসতে সম্মত হবেন কিনা সে বিষয়ে কোন ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
আলোচনার ভেন্যু হিসাবে মিনস্ক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ২০১৪ সালে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল নিয়ে সংঘাত অবসানের চেষ্টায় এই মিনস্কেই একটা চুক্তি সই হয়েছিল।
ইউক্রেন আক্রমণের মধ্যে দিয়ে রুশ নেতা সেই চুক্তিপত্র কার্যত ছিঁড়ে ফেলে দিয়েছেন।
এর আগে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, ইউক্রেনের সৈন্যরা যতক্ষণ না অস্ত্র নামিয়ে নিচ্ছে, ততক্ষণ কোনরকম আলোচনা হবে না।

ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, ইউক্রেনের ওডেসায় রুশ ট্যাংক রাশিয়ার সৈন্যদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিমান পাঠাবে না যুক্তরাজ্য

ছবির ক্যাপশান, যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস ইউক্রেনের আকাশে 'নো-ফ্লাই জোন' তৈরির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পক্ষে বক্তব্য তুলে ধরে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস বলেছেন, ইউক্রেন যেহেতু নেটোর সদস্য দেশ নয়, তাই এটা করা সম্ভব নয়।
বিবিসিকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ''একটি 'নো-ফ্লাই জোন' করতে হলে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানকে সরাসরি রাশিয়ার যুদ্ধবিমানের বিপক্ষে পাঠাতে হবে। ফলে রাশিয়ার বিপক্ষে নেটোকে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। সেটা (নো-ফ্লাই জোন) করা হলে এটাই ঘটবে।''
''আমি একটি ইউরোপিয়ান যুদ্ধ শুরু করে দিতে চাই না। কিন্তু ইউক্রেনকে লড়াই করার জন্য যত রকমের সহায়তা দেয়া দরকার, তা আমি দিয়ে যাবো।''
''ইউক্রেনকে নেটোতে নেয়ার ব্যাপারে ২০০৮ সাল থেকে ব্রিটেন সমর্থন করে আসলেও, অন্য দেশগুলো চায়নি তারা এই জোটে আসুন,'' বলছেন মি. ওয়ালেস।
তিনি বলেছেন, ইউক্রেনের পরেই হয়তো রাশিয়া থামবে না।
''পুতিন একজন বিচারশক্তি সম্পন্ন ব্যক্তি নন। বাল্টিক দেশগুলো যে একেকটি আলাদা দেশ, তা তিনি বিশ্বাস করেন না। তার বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে দাঁড়াতে হবে।'' বলছেন মি. ওয়ালেস।
ইউক্রেন সঙ্কট মোকাবেলায় নেটো ও ইইউ ব্যর্থ: এরদোয়ান

ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান ইউক্রেন সফর করেন ফেব্রুয়ারির গোড়ার দিকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেজেপ তাইয়িপ এরদোয়ান ইউক্রেনে রুশ হামলায় নেটোর জবাবের সমালোচনা করে বলেছেন নেটো জোটের আরও দৃঢ়সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত ছিল।
তুরস্ক নেটোর একটি সদস্য রাষ্ট্র।
মি. এরদোয়ান বলেছেন নেটো এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই সঙ্কট মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি বলেছেন রাশিয়ার পদক্ষেপকে নিন্দা জানানো যথেষ্ট নয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে আজ আরও পরের দিকে নেটোর যে শীর্ষ বৈঠক হবার কথা রয়েছে, সেই বৈঠকে একটা সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেয়া হবে।
চেরনোবিলকে আমরা সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা করেছি: রাশিয়া
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতিতে বলেছে, চেরনোবিলের পারমাণবিক কেন্দ্রটি রক্ষা করার জন্য তাদের সৈন্যরা সেটি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে।
তারা বলছে এর কারণ: ''জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীগুলো এবং অন্য সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো দেশের পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেন পারমাণবিক উস্কানির পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে।''
রাশিয়া আরও জানিয়েছে, পারমাণবিক কেন্দ্রের আশেপাশে তেজষ্ক্রিয়তা বিকিরণের হার খুবই স্বাভাবিক এবং তাদের কর্মীরা পরিস্থিতি তদারক করছে।
বৃহস্পতিবার এই পারমাণবিক কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় রাশিয়ার সৈন্যরা।
বিবৃতিতে রাশিয়া আরও দাবি করেছে, তারা যুদ্ধে জয় লাভ করছে। তাদের সৈন্যরা দোনেৎস্ক এবং লুহানস্কের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
এ পর্যন্ত ১৫০ জনের বেশি ইউক্রেনের সৈন্য আত্মসমপর্ণ করেছে এবং অসংখ্য সামরিক স্থাপনা, অস্ত্র ও যানবাহন ধ্বংস করা হয়েছে।
তবে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনী এর আগে একটি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছে যে, তারা দোনেৎস্ক এবং লুহানস্কে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে এবং রাশিয়ার সৈন্যরা হামলা করে সফলতা পায়নি। বরং তাদের নিজেদের এলাকায় হটিয়ে দেয়া হয়েছে।
তবে কোন পক্ষের দাবিই নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এই সংঘাতে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা দুটি অঞ্চল দোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং সেখানে বিচ্ছিন্নতাবাদের ইতিহাস জানতে ক্লিক করুন এই প্রতিবেদনে।
যুক্তরাজ্যের বিমান নিষিদ্ধ করেছে রাশিয়া

ছবির উৎস, EPA
রাশিয়া তার আকাশে যুক্তরাজ্যের সকল প্রকার বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করেছে।
ব্রিটেনে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা অ্যারোফ্লোটের চলাচল নিষিদ্ধ করার পাল্টা পদক্ষেপ হিসাবে রাশিয়া এই সিদ্ধান্তের কথা জানাল।
রাশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের অবন্ধুসুলভ সিদ্ধান্তের পাল্টা পদক্ষেপ হিসাবে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনাল হবে না রাশিয়ায়
ইউক্রেনে হামলা করার কারণে ২০২২ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনাল রাশিয়ায় হবে না। বরং এটি প্যারিসে হবে।
ইউয়েফা নির্বাহী কমিটি শুক্রবার একটি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ইউয়েফায় রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যেসব ক্লাব বা দল অংশ নিচ্ছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তাদের খেলাগুলো অন্য কোন দেশের নিরপেক্ষ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।
কিয়েভের রাস্তায় রাশিয়ার ট্যাংক, গোলাগুলির শব্দ
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কিয়েভ শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে নয় কিলোমিটার দূরের ওবোলোন এলাকায় রাশিয়ার ট্যাঙ্ক চলছে।
কিছুক্ষণ আগেই ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, রাশিয়ার সৈন্যরা শহরের মধ্যে ঢুকে পড়েছে।
ভিডিওটি স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের ঘর থেকে ধারণ করেছেন। এলাকটি ওবোলোন বলে বিবিসি নিশ্চিত হয়েছে।
Skip X post, 1X কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী নাএই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
End of X post, 1
কিয়েভ থেকে বিবিসির সংবাদদাতা পল অ্যাডামস টুইট করেছেন, ''গত ১০ মিনিটে কিয়েভে ছোট অস্ত্রের দুই দফা গুলির আওয়াজ শোনা গেল। কি ঘটছে, বোঝা অসম্ভব। তবে গুজব ছড়িয়েছে যে, রাশিয়ার 'নাশকতাকারীরা' এর মধ্যেই শহরের মধ্যে কর্মকাণ্ড শুরু করেছে।''
Skip X post, 2X কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী নাএই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
End of X post, 2
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বিষয়ক ওয়েবসাইট বেলিংকাটের নির্বাহী পরিচালক ক্রিস্টো গ্রোজেভ লিখেছেন, ''কিয়েভের শহরতলীর আবাসিক এলাকায় গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।''
তিনি একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।
Skip X post, 3X কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী নাএই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
End of X post, 3
কিয়েভ দখল নিয়ে যা বলছে ইউক্রেনের গোয়েন্দা সূত্র
ইউক্রেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক অ্যান্তন হেরাসচেঙ্কো বলেছেন, উত্তর-পূর্ব এবং উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ট্যাঙ্ক বহর নিয়ে রাজধানী কিয়েভ দখলের জন্য এগিয়ে আসছে রাশিয়া।
কিয়েভ নিয়ে রাশিয়ার পরিকল্পনার কথা ইউক্রেনের প্রাভদা ওয়েবসাইটকে জানিয়েছে একটি গোয়েন্দা সূত্র। যদিও এটি আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য নয়, তবে রাশিয়ার উদ্দেশ্যে সম্পর্কে সেখানে যা বলা হয়েছে:
- কিয়েভের প্রধান একটি বিমানবন্দর দখল করে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করা, যার মাধ্যমে তারা ১০ হাজার সৈন্য নামাবে। সেই সময় সীমান্তে হামলা অব্যাহত রেখে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীকে ব্যস্ত রাখবে।
- কিয়েভের বৈদ্যুতিক এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় নাশকতা করে আতঙ্ক তৈরি করা
- মানুষজনকে আতঙ্কিত করে অন্য দেশে আশ্রয় নিতে ঠেলে দিয়ে ইউক্রেনের সেনাবাহিনীর চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি
- কেবিনেট, পার্লামেন্ট ভবন সহ সরকারি ভবনগুলো দখল করা। সেই সঙ্গে নেতৃবৃন্দকে আটক করে রাশিয়ার শর্তে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা
- রুশপন্থী নেতাদের ক্ষমতায় এনে সাবেক পূর্ব এবং পশ্চিম জার্মানির মতো ইউক্রেনকে দুইভাবে বিভক্ত করা।
তবে এসব তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
রাশিয়ার হামলার পর পূর্ব ইউক্রেন ছেড়ে পালাচ্ছে বাংলাদেশিরা

ছবির উৎস, KHALEDA NASREEN
ছবির ক্যাপশান, খারকিভ থেকে পশ্চিম ইউক্রেনের লাভবের পথে ট্রেনের ভেতর ছেলে শাহরিয়ার আসফাকের সাথে ডা. খালেদা নাসরিন রুশ সীমান্ত থেকে মাত্র ৪০ মাইল দূরে ইউক্রেনে দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভের চিকিৎসক ড খালেদা নাসরিন যখন ফোন ধরলেন তখন তিনি ট্রেনের ভেতর।
গতকাল গভীর রাতে দুই ছেলেকে নিয়ে খারকিভ থেকে রওয়ানা হয়েছেন এক হাজার মাইল দূরে পশ্চিম ইউক্রেনের শহর লাভিভে।
লাভিভে তিনি যাচ্ছেন কারণ শহরটি পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে। ফলে, বেশি বিপদ দেখলে পোল্যান্ডে ঢুকে যেতে পারবেন। তার ব্যবসায়ী স্বামী আপাতত খারকিভেই রয়ে গেছেন।
বৃহস্পতিবার যখন তার সাথে যখন বিবিসি বাংলার শাকিল আনোয়ারের কথা হচ্ছিল তখন তার ট্রেন সবে রাজধানী কিয়েভের ট্রেন স্টেশনের ভেতর ঢুকছে।
রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলো যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে
ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযান শুরুর কিছুক্ষণ পর থেকেই পশ্চিমা দেশগুলোর নেতারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন।
কয়েকটি দেশ এরই মধ্যে রাশিয়ার ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি শীর্ষ পর্যায়ের রুশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
যুক্তরাজ্য পাঁচটি রাশিয়ান ব্যাংকের সম্পদ জব্দ করেছে এবং সেসব ব্যাংককে যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থেকে বাদ দিয়েছে।
একই ধরণের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা আর জাপানও।
যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ায় হাই-টেক যন্ত্রপাতি রপ্তানি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে।
তবে কোনো দেশই এই মুহুর্তে ইউক্রেনের সরাসরি সমর্থনে সেখানে সেনা পাঠাবে না বলে জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপে সাত হাজার অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে জার্মানিতে ‘নেটো জোটের মিত্রদের আশ্বস্ত’ করার লক্ষ্যে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন পূর্ব ইউরোপে নেটো মিশনে ৪৬০ জন সেনা সদস্য পাঠাবে তারা।
তবে কানাডা ইউক্রেনে সেনা সহায়তা পাঠানোর চিন্তা করছে কিনা, সে বিষয়ে কিছু তারা জানায়নি।
ওদিকে ইউরোপের বিভিন্ন শহরের পাশাপাশি রাশিয়ার অনেক শহরেও ইউক্রেনের সমর্থনে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ ও মিছিল হয়েছে।
রাশিয়ায় যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করায় অন্তত ৭০০ জন গ্রেফতার হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
জাতিসংঘের ধারণা, এরই মধ্যে অন্তত এক লাখ মানুষ যুদ্ধের সহিংসতা থেকে বাঁচতে ঘর ছেড়েছে। ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী দেশ পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি ও মলদোভায় শরণার্থী পরিবারের সদস্যদের আশ্রয় নিতে দেখা গেছে।
সাড়ে চারশো সৈন্য হারিয়েছে রাশিয়া: ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী
যুক্তরাজ্যের রেডিও ফোরকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস বলেছেন, যুক্তরাজ্যের গোয়েন্দারা যাচাই করে জানতে পেরেছেন,''রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী ৪৫০ জন সদস্য হারিয়েছে। কিয়েভের উত্তরে বিমানবন্দরের দখল নিতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের এলিট স্পেৎনাজ বাহিনী। ''
''ইউক্রেনের লড়াইয়ের কারণে তারা ব্যর্থ হয়েছে। ইউক্রেনকে যেসব মারণাস্ত্র সহায়তা দেয়া হয়েছে, সেগুলো ট্যাঙ্ক এবং বিমান ঠেকিয়ে দিয়েছে।''
''ভ্লাদিমির পুতিন ভেবেছিলেন যে, তিনি একজন মুক্তিদাতা, কিন্তু তার সেই গর্ব ধুলায় মিশে গেছে,'' তিনি বলেছেন।
কিয়েভের উপকণ্ঠে রাশিয়ার সৈন্যদের সঙ্গে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী কঠিন লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ছবির উৎস, EPA
ছবির ক্যাপশান, ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস ব্রেকিং, কিয়েভে ঢুকে পড়েছে রাশিয়ার সৈন্যরা: ইউক্রেনের কর্মকর্তারা
রাশিয়ার সৈন্যরা কিয়েভে ঢুকে পড়েছে বলে ইউক্রেনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি টুইট বার্তায় বলেছেন, 'শত্রুরা' এখন ওবোলোনে পৌঁছে গেছে। এটি কিয়েভ শহরের কেন্দ্রস্থল, কিয়েভের পার্লামেন্ট থেকে নয় কিলোমিটার দূরে।
তারা স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যেন তারা মলোটভ ককটেল তৈরি করে পাল্টা লড়াই শুরু করে। সেই সঙ্গে অন্যদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার জন্যও পরামর্শ দিয়েছে।
''শান্তিপ্রিয় বাসিন্দারা-সতর্ক থাকুন। বাসা ছেড়ে বাইরে বের হবেন না।''
কিয়েভে থাকা বিবিসির সংবাদদাতারা এর আগে গোলাগুলির শব্দ পাওয়ার তথ্য জানিয়েছিলেন-যদিও সেটা ঠিক কোথায় থেকে আসছে, তা পরিষ্কার বুঝতে পারেননি। তারা এখন জানাচ্ছেন, শহরে বড় ধরণের বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।
Skip X postX কনটেন্টের জন্য কি অনুমতি দেবেন?সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী নাএই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
End of X post
লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক. সংঘাতের কেন্দ্রে দুই এলাকা সম্পর্কে কী জানা যাচ্ছে?

ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, লুহানস্ক অঞ্চলে বিচ্ছিন্ন হওয়া এলাকার সীমানার কাছে রুশ পন্থী একজন রক্ষী রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের কেন্দ্রে রয়েছে ইউক্রেনের একেবারে পূর্ব প্রান্তের দুটি এলাকা - দোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন রুশ সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের শক্ত ঘাঁটি এই দুটি এলাকায় সৈন্য পাঠিয়েছেন এবং এই দুটি এলাকাকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দিয়েছেন।
এই দোনেৎস্ক আর লুহানস্ক সম্পর্কে আমরা কী জানি?
স্নেক আইল্যান্ডে নিহত সেনাদের প্রশংসা ইউক্রেনে

ছবির উৎস, Ukrayinska Pravda
ছবির ক্যাপশান, কৃষ্ণ সাগরে স্নেক আইল্যান্ড রাশিয়ার সেনাদের কাছে আত্মসমপর্ণ করতে অস্বীকার করে ইউক্রেনের একটি দ্বীপে নিহত ১৩ জন সৈনিকের গল্প ছড়িয়ে পড়েছে টুইটার, টিকটক এবং অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে।
কৃষ্ণ সাগরে স্নেক আইল্যান্ড নামের ছোট্ট একটি দ্বীপে ইউক্রেনের ১৩ জন সৈনিক তাদের ঘাটির দখল ধরে রেখেছিল। রাশিয়ার একটি যুদ্ধজাহাজ সেখানে এসে তাদের আত্মসমপর্ণ করার নির্দেশ দেয়।
কিন্তু তারা সেটি অস্বীকার করে। ফলে তাদের ওপর গোলা বষর্ণ করতে শুরু করে রাশিয়ার যুদ্ধ জাহাজ।
সামাজিক মাধ্যম ভাইরাল হয়ে যাওয়া অডিও রেকর্ডে শোনা যায়, রাশিয়ার যুদ্ধ জাহাজ থেকে বলা হচ্ছে, ''তোমরা অস্ত্র সমপর্ণ করো এবং আত্মসমপর্ণ করো। অন্যথায় আমি গুলি চালাতে শুরু করবো। তোমরা কি শুনতে পাচ্ছো?''
এরপর ইউক্রেনের রক্ষীদের কথা শুনতে পাওয়া যায় 'যথেষ্ট হয়েছে' এরপর তারা ক্ষিপ্তভাবে রুশ যুদ্ধজাহাজের কথা মানতে অস্বীকৃতি জানায়। তাদের কথাটি ছিল, ''রাশিয়ান ওয়ারশিপ, গো ফ... ইউরসেলফ'।
এরপর যুদ্ধজাহাজ থেকে রক্ষীদের ওপর গোলা বষর্ণ করা হলে ১৩ জন রক্ষীর সবাই নিহত হয়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদামির জেলেনস্কি তাদের সাহসিকতার প্রশংসা করে বলেছেন, তারা সবাই যুদ্ধে সাহসিকতার জন্য মরণোত্তর পুরস্কার পাবেন।
ব্রেকিং, আগে বা পরে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে রাশিয়াকে: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট

ছবির উৎস, UKRAINE PRESIDENT/FACEBOOK
ছবির ক্যাপশান, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদামির জেলেনস্কি যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য একটি ভিডিও বার্তায় রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদামির জেলেনস্কি।
''কীভাবে বৈরিতার অবসান ঘটানো যায় এবং যুুদ্ধ বন্ধ করা যায়, এ নিয়ে আগে বা পরে আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে রাশিয়াকে,'' তিনি বলেছেন।
''যত তাড়াতাড়ি এই আলোচনা শুরু হবে, রাশিয়ার ক্ষয়ক্ষতি ততো কম হবে।''
তিনি আরও বলেছেন, ''যতক্ষণ পর্যন্ত হামলা বন্ধ না হবে, আমরা আমাদের দেশ রক্ষায় লড়াই করে যাবো।''
গত রাতেই তিনি রাজধানীতে যুদ্ধ তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেছেন, রাজধানী ছেড়ে যেতে তার কোন ইচ্ছা নেই, যদিও তিনি জানেন, তিনিই রাশিয়ার এক নম্বর লক্ষ্য।
রাশিয়ার হামলা বন্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি সহায়তার জন্য অনুরোধ জানিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি,''আজ সকালে আমাদের একাই দেশ রক্ষায় যুদ্ধ করতে হচ্ছে। গতকালও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশগুলো দূরে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি দেখেছে।''
''গতকালের নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়ার কি কিছু হয়েছে? (এখানে যা ঘটছে, তাতে) আমরা দেখতে পাচ্ছি, রাশিয়াকে ঠেকাতে এসব যথেষ্ট নয়।''
ইউক্রেন নিয়ে সর্বশেষ যেসব তথ্য জানা যাচ্ছে

ছবির উৎস, Reuters
ছবির ক্যাপশান, কিয়েভের একটি ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনে আশ্রয় নেয়া একটি পরিবার দ্বিতীয় দিনের মতো ইউক্রেনে হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া, যাকে গত কয়েক দশকের মধ্যে ইউরোপের সবচেয়ে বড় যুদ্ধ বলে মনে করা হচ্ছে।
ইউক্রেনের যুদ্ধ নিয়ে সর্বশেষ যেসব তথ্য জানা যাচ্ছে:
- রুশ সৈন্যরা উত্তর, দক্ষিণ এবং পূর্ব দিক দিয়ে ইউক্রেনে ঢুকেছে। রুশ সৈন্যরা এখন কিয়েভের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে।
- শুক্রবার সকাল থেকে কিয়েভে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। কিয়েভে রাশিয়ার একটি বিমান ভূপাতিত করা হয়েছে।
- ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, নাশকতাকারীরা কিয়েভে প্রবেশ করেছে। রাশিয়ার হামলায় সামরিক-বেসামরিক মিলিয়ে ১৩৭জন নিহত হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
- ইউক্রেনের বড় বড় অনেক শহর এবং সেনা ঘাঁটিতে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে
- পুরো ইউক্রেন জুড়ে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব ইউক্রেনের খারকিভে বড় যুদ্ধ হচ্ছে। এছাড়া উত্তর ইউক্রেনে, দক্ষিণের ওডেসায় লড়াই চলছে।
- তেজস্ক্রিয় চেরনোবিল পারমাণবিক এলাকা রুশ সেনাদের হাতে চলে গেছে। সেখানে অনেককে জিম্মি করা হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে।
- যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে পালাচ্ছে হাজার হাজার ইউক্রেনিয় নাগরিক। অনেকে পোল্যান্ড ও রোমানিয়ার সীমান্তে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে বেশিরভাগ ইউক্রেনিয় নিজের এলাকায় থেকেই বাঙ্কারে, ভূগর্ভস্থ স্টেশনে আশ্রয় নিয়ে রয়েছেন।
- যুদ্ধ করার উপযুক্ত সবাইকে দেশের জন্য অস্ত্র হাতে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছে ইউক্রেনের সরকার।
- ইউক্রেন থেকে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা হচ্ছে বলে সরকার জানিয়েছে
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপান নতুন করে রাশিয়ার ব্যাংক, কোম্পানি এবং ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ইউক্রেনের জন্য সামরিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলো।
- ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রঁ জানিয়েছেন, তিনি ভ্লাদিমির পুতিনকে টেলিফোন করে হামলা বন্ধের জন্য বলেছেন।
- হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়াকে রক্ষায় আর কোন বিকল্প ছিল না।
- যুদ্ধে জড়ানোর প্রতিবাদে রাশিয়ার বিভিন্ন শহরে হাজার-হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে। বিক্ষোভের সময় শত শত মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
