ধন্যবাদ
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সরাসরি রিপোর্টিং এখনকার মতো এটুকুই।
তবে যেকোনো নতুন তথ্য, নতুন সংবাদ আমরা সাথে সাথেই আপনাদের কাছে পৌঁছে দেব।
দেখতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে: www.bbcbangla.com
ইরাকে দুটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে রকেট হামলা চালায় ইরান। তারা বলছে এটা ছিল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার জবাব। হোয়াইট হাউজ বলছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘ঘনিষ্ঠভাবে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন'।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সরাসরি রিপোর্টিং এখনকার মতো এটুকুই।
তবে যেকোনো নতুন তথ্য, নতুন সংবাদ আমরা সাথে সাথেই আপনাদের কাছে পৌঁছে দেব।
দেখতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েবসাইটে: www.bbcbangla.com
বুধবার মধ্যরাতের কিছু পরেই ইরানের কাছ থেকে ইরাক সতর্ক বার্তা পেয়েছিল, বলেন ইরাকের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল মাহদি।
ওই বার্তায় বলা হয়েছিল, কাসেম সোলেইমানির মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে বা ছুড়তে যাচ্ছে।
মিস্টার মাহদি বলেন, তাদেরকে বলা হয়েছিল যে যেসব স্থানে মার্কিন সেনা মোতায়েন করা রয়েছে শুধু সেসব স্থানকেই টার্গেট করা হবে।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকেও ফোন কল পেয়েছিল ইরাক যাতে বলা হয় যে, আনবার প্রদেশের আল আসাদ বিমান ঘাঁটি এবং ইরবিল প্রদেশের হারির বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানতে শুরু করেছে।
হামলা সম্পর্কে জানার সাথে সাথে ইরাকি বাহিনীকে সতর্ক করা হয়েছিল।

ছবির উৎস, Reuters
তেহরানের নেতারা এখন ইরানিদের বলতে পারবে যে তারা কাসেম সোলেইমানির মৃত্যুর বদলা নিয়েছে, কিন্তু ইরানের প্রক্সিরা এখনো “যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলা অব্যাহত রাখতে পারে,” বলেন লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের অধ্যাপক ফায়াজ গার্জেস।
“এ নিয়ে কোন ভুল করা যাবে না: এটি ইরান ও তার প্রক্সি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের শুরু মাত্র,” বিবিসিকে তিনি বলেন।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই এই সংঘাত “বাড়িয়ে” চলেছে, তিনি বলেন, কিন্তু আগামী দিন এবং সপ্তাহগুলি আরো “বেশি বিপদজনক” হয়ে উঠতে পারে।
তিনি বলেন “মানব সৃষ্ট এই সংকট” কাটিয়ে উঠতে হলে ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে মধ্যস্থতা করতে এগিয়ে আসতে হবে।

ইরাকের নেটওয়ার্ক ফর সোশাল মিডিয়ার হায়দার হামজজ এক টুইটে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন যেখানে তিনি বলেছেন যে, এটি ইরানের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র যেটি হিতান এলাকায় আঘাত হানলেও বিস্ফোরিত হয়নি।
আল আসাদ বিমান ঘাঁটির দক্ষিণে এবং হিত শহরের পশ্চিমে হিতান অবস্থিত।
এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
End of X post
বিবিসির কূটনীতিক এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংবাদদাতা জোনাথন মার্কাস বলেন, জেনারেল সোলেইমানির তাৎপর্য এবং তাকে হত্যার ঘটনায় সৃষ্ট আবেগ থেকে ইরানের সামরিক বাহিনী ইরাকে থাকা মার্কিন ঘাটিতে যে হামলা চালিয়েছে তা তুলনামূলক হালকা ছিল।
স্পষ্টভাবেই বোঝা যায় যে, হামলায় যাতে সর্বনিম্ন হতাহতের ঘটনা ঘটে সেটি মাথায় রেখেই সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান কেউই- যুদ্ধ চায় না। তাই আপাতত এ ঘটনার একটি ইতিবাচক লাইন টানা যেতে পারে।
ইরানের প্রতিশোধ কি এখানেই শেষ? সময়ই সেটা বলে দেবে।
ইরানের নীতিমালায় পরিবর্তন তেমন একটা দেখা যায় না। সম্ভবত ইরান এখনো ইরাক থেকে মার্কিন বাহিনীর প্রস্থান নয় বরং তারা আঞ্চলিক লক্ষ্যগুলো সুরক্ষিত করার চেষ্টা করছে।
এখানে সোলেইমানির হত্যাকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে দুর্বল করেছে। কিন্তু মার্কিন ঘাটিগুলোতে ইরানের প্রক্সি অর্থাৎ স্থানীয় শিয়া মিলিশিয়াদের রকেট হামলাই এই পদক্ষেপকে প্রভাবিত করেছে।
ইরাকের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলা হয়, ইরবিল প্রদেশের সিদান গ্রামে ইরানের ছোড়া দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে এবং ডোহুক প্রদেশের বারদাহ রাশশ জেলায় তৃতীয়টি আঘাত হানে।
ইরবিল শহর থেকে ১৬ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সিদান অবস্থিত, অন্যদিকে ৪৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিতি বারদাহ রাশশ।
ইরাকের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে ইরবিলে ঘাটি লক্ষ্য করে পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, যেখানে মার্কিন নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী মোতায়েন করা রয়েছে।

ছবির উৎস, বিবিসি
ইরাকের স্থানীয় সময় শুক্রবার ০১:৪৫ এবং ০২:১৫ এর মধ্যে ২২টি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে, এক বিবৃতিতে একথা জানিয়েছে ইরাকের সামরিক বাহিনীর যৌথ অভিযানের প্রধান।
আল আসাদ বিমান ঘাটিকে লক্ষ্য করে ১৭টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এদের মধ্যে দুটি পাশের হিতান এলাকায় আঘাত হানে যা বিস্ফোরিত হয়নি।
আরো পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র ইরবিলে আন্তর্জাতিক কোয়ালিশন সদর দপ্তর লক্ষ্য করে ছোড়া হয়।
ইরাকি কোন সেনা হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
তবে বিবৃতিতে ক্ষেপণাস্ত্র কোথা থেকে ছোড়া হয়েছে তা উল্লেখ করা হয়নি।
ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রূহানি যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ার করে বলেছেন, কাসেম সোলেইমানির মৃত্যুর জেরে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনাদের বিতাড়িত করা হবে।
“তোমরা সোলেইমানির দেহ থেকে তার হাত কেটে দিয়েছ, এই অঞ্চল থেকে তোমাদের পা কেটে ফেলা হবে,” মন্ত্রীসভার এক বৈঠকে তিনি একথা বলেছেন বলে ইরানের মিডিয়াগুলোতে উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে।
বিবিসির নিরাপত্তা বিষয়ক সংবাদদাতা ফ্র্যাঙ্ক গার্ডনার তার টুইটে লিখেছেন, ইরানের লক্ষ্য হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন বাহিনীকে বিতাড়িত করা। সুতরাং এটি শেষ হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
এই নিবন্ধে Xএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত X কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
End of X post
ইরানের হামলা “বিশাল অবাক করা নয়,” বলেন কনজারভেটিভ এমপি এবং যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান টম টুগেনঢাট।
“আমি যতটা জানি, সে অনুসারে ইরান প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটি লক্ষ্য করে সরাসরি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে,” তিনি বলেন।
“এটা কিছুটা উদ্বেগজনক, কারণ ইরানিরা প্রক্সির মাধ্যমে বহু বছর ধরে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে চলেছে।”
তিনি আরো বলেন: “কিন্তু দুই দলই যদি নিজেদের জয়ী ঘোষণা করে আবারো আলোচনা শুরু করে, তাহলে সেটাকে অবশ্যই স্বাগত জানানো হবে।”
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ খামেনি বলেছেন, ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার মাধ্যমে তারা আমেরিকার 'মুখে চপেটাঘাত' করেছেন।
"গত রাতে আমরা তাদের মুখে চড় মেরেছি," বলেনমি: খামেনি।
মঙ্গলবার রাতে ইরাকে দুটি মার্কিন ঘাঁটিতে একের পর এক মিসাইল ছুঁড়েছে ইরান।
১৯৭৮সালের কোম বিক্ষোভের স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আয়াতুল্লাহ খামেনি একথা বলেন।
সব পক্ষের শান্ত হওয়া উচিত কারণ “যুদ্ধ বাধলে কোন পক্ষেরই স্বার্থ হাসিল” হবে না, বলেন যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিট বিষয়ক মন্ত্রী স্টিফেন বারক্লে।
“ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এটাই স্পষ্ট বার্তা ছিল, এবং আজ সকালেও আমরা একই আহ্বান জানাচ্ছি,” বলেন তিনি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন হাউজ অব কমন্সে এ বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য উপস্থাপন করবেন এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লেয়েনের সাথে বৈঠকেও অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি এ বিষয়টি নিয়েও আলোচনা করবেন।
“সরকারের মন্ত্রীরা এ বিষয়ে কাজ করছেন এবং বিশ্ব নেতাদের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন,” মিস্টার বারক্লে বলেন।
“আমরা নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছি কিন্তু এ ধরণের পদক্ষেপ উদ্বেগজনক।”

ছবির উৎস, Getty Images
ইরাকে মার্কিন এবং তাদের মিত্র বাহিনীর ঘাটিতে ইরান যে হামলা চালিয়েছে সেটির নিন্দা করেছে ব্রিটেন।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব বলেছেন, ব্রিটেন এই হামলার নিন্দা জানায়। তিনি এই হামলাকে ‘বেপরোয়া এবং বিপদজনক’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহার এবং ক্ষয়ক্ষতিতে তিনি উদ্বিগ্ন।
“ এ ধরণের বিপদজনক এবং বেপরোয়া হামলার পুনরাবৃত্তি না করতে আমরা ইরানের প্রতি আহবান জানাই,” বলেন মি: রাব।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যে কোন ধরণের যুদ্ধ ইসলামিক স্টেট এবং অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সুবিধা দেবে।

ছবির উৎস, Getty Images
ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন আজ।
তবে এই ভাষণ কখন দেয়া হবে সে সময় এখনো জানানো হয়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানী মন্ত্রী রয়টার্সকে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য এবং পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় কোন যুদ্ধ হবেনা।
তিনি বলেন, “নিশ্চিতভাবে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র আমাদের বন্ধু এবং ইরান আমাদের প্রতিবেশী।”

ছবির উৎস, Getty Images
২২টি মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে ইরাকের সেনাবাহিনী বলছে, সব মিলিয়ে ২২ টি মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইরাকের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আল আসাদ ঘাঁটিতে ১৭ টি মিসাইল হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে দুটি মিসাইল বিস্ফোরিত হয়নি।
তবে ইরবিলে যে পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে তার সবগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে।

ছবির উৎস, Getty Images
এই নিবন্ধে Google YouTubeএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত Google YouTube কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
End of YouTube post
ইরাকে যে দুটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান তার একটি হলো আল আসাদ। এটি এতই বড় যে সেখানে সিনেমা হল, সুইমিং পুল, ফাস্ট ফুডের রেস্তোরাঁ এবং দু দুটি অভ্যন্তরীন বাস রুট রয়েছে। বাগদাদের একশো মাইল পশ্চিমের মরুভূমিতে ১৯৮০ সালে এই ঘাঁটিটি বানানো হয় ইরাকী সেনাবাহিনীর জন্য। কিন্তু ২০০৩ সালে মার্কিন আক্রমনের পর এটা সেখানে আমেরিকান বাহিনীর বৃহত্তম সেনা ঘাঁটিতে পরিণত হয়। এই ঘাঁটিটি এতই চমৎকার এবং সুসজ্জিত যে কিছু মার্কিন সৈন্য এটাকে 'ক্যাম্প কাপকেক' নামেও ডাকে।

ছবির উৎস, Getty Images
ইরান যদিও আমেরিকান সৈন্যদের নিশানা করেছে, কিন্তু ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অংশ হিসেবে ইরাকে অন্যান্য দেশের সেনা রয়েছে।
কানাডা জানিয়েছে,ইরানের হামলায় তাদের সৈন্যদের কোন ক্ষতি হয়নি।
মঙ্গলবার কানাডা ঘোষণা করেছে, সতর্কতার অংশ হিসেবে তারা ৫০০ সৈন্যকে সাময়িকভাবে কুয়েতে সরিয়ে নিচ্ছে।
ইরানের মিসাইল হামলায় ব্রিটেনের কোন সৈন্য হতাহত হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়।
ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবিসিকে জানিয়েছে, “ আমাদের অগ্রাধিকার হচ্ছে ব্রিটিশ সৈন্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা”
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ব্রিটেন ইতোমধ্যে রয়্যাল নেভি এবং সামরিক হেলিকপ্টার প্রস্তুত রেখেছে।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির উৎস, Getty Images