আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

জয়ের পর বরিস জনসনের বড় চ্যালেঞ্জ ব্রেক্সিট

ব্রেক্সিটকে ঘিরে প্রায় তিন বছর ধরে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তার প্রেক্ষিতে গত দু'বছরের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সাধারণ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে এসেছে কনসারভেটিভ দল ।

সরাসরি কভারেজ

  1. যুক্তরাজ্য নির্বাচন ২০১৯: ফলাফল এক নজরে

    ব্রিটিশ নির্বাচনের খবর এক নজরে:

    • ব্রিটেনের রানি বরিস জনসনকে নতুন সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
    • বৃহস্পতিবার ১২ই ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচনের একটি আসনের ফল ঘোষণা এখনও বাকি আছে। ঘোষিত ফলাফলে কনসারভেটিভ দল ৭৮টি আসনের সংখ্যারিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে এসেছে। ৬৫০ আসনের পার্লামেন্টে কনসারভেটিভ দল পেয়েছে ৩৬৪টি আসন।
    • ১৯৮০-র দশকের পর গত তিন দশকে এটি দলের সবচেয়ে ভাল ফল।
    • জয়ের পর বরিস জনসন বলেছেন তিনি একটা “জনগণের সরকারে” নেতৃত্ব দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং তার ওপর ভোটাররা যে আস্থা দেখিয়েছেন তা তিনি পূরণ করবেন।
    • বিরোধী লেবার পার্টির জন্য নির্বাচনী ফলাফল ছিল ‘বিপর্যয়কর’। তারা ৫৯টি আসন হারিয়েছে। পার্লামেন্টে তারা পেয়েছে ২০৩টি আসন। যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দলের সবচেয়ে খারাপ নির্বাচন ফল।
    • উত্তর ও মধ্য ইংল্যাণ্ডের শিল্প এলাকায় লেবার পার্টির দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ভোটারদের ভোট পেয়েছে কনসারভেটিভ পার্টি।
    • লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন তার উত্তরসূরী নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি দলের নেতৃত্ব দেবেন। তিনি বলেন আগামী নির্বাচনে তিনি দলকে নেতৃত্ব দেবেন না।
    • মি. করবিনের ঘনিষ্ঠ কিছু সহযোগী খারাপ ফলের কারণ হিসাবে ব্রেক্সিট প্রশ্নে দলের অস্পষ্ট অবস্থানকে দায়ী করেছে। তবে সমালোচকরা বলছেন জেরেমি করবিনের জনপ্রিয়তার অভাবও দলের বিপর্যয়কর ফলের অন্যতম বড় একটা কারণ।
    • বিরোধী দল লিবারেল ডেমোক্রাটের নেতা জো সুইনসন তার আসনে হেরে গেছেন। তার দলও ভাল ফল করতে পারেনি। দলের নেতৃপদ ছাড়তে হয়েছে জো সুইনসনকে।
    • স্কটল্যাণ্ডে স্বাধীনতাকামী দল এসএনপি সংসদে তাদের আসন সংখ্যা বাড়িয়েছে ১৯টি। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে স্কটল্যাণ্ডের জন্য নির্ধারিত যে ৫৯টি আসন রয়েছে তার ৮১ শতাংশতেই জিতেছেএসএনপি।
    • এসএনপি নেত্রী নিকোলা স্টারজেন বলেছেন এই ফলাফল স্কটল্যাণ্ডের স্বাধীনতার জন্য আরেকটি গণভোটের ম্যানডেটকে আরও জোরালো করবে।
    • উত্তর আয়ারল্যাণ্ডে ডিইউপি দলের ভরাডুবি হয়েছে। এই প্রথমবারের মত, জাতীয়তাবাদী দলগুলো, ব্রিটেনের সঙ্গে থাকতে চায় এমন দলগুলোর থেকে বেশি আসন পেয়েছে।
  2. আমি রেকর্ড পরিমাণ গালমন্দ শুনেছি: করবিন

    বিরোধী লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিনকে তার নেতৃত্ব এবং লেবার পার্টির পরাজয়ের পেছনে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন “দলকে নেতৃত্ব দেবার জন্য - এই দলের নীতিমালা তৈরির জন্য আমি সাধ্যমত সবকিছু করেছি।”

    তিনি আরও বলেন: “ব্যক্তিগতভাবে যে ধরনের গালিগালাজ, যে ধরনের আক্রমণ আমাকে করা হয়েছে, তা আর কোন নেতাকে সহ্য করতে হয়নি। সবসময় আমার প্রতি এরকম গালিগালাজ করা হয়েছে।”

    “লেবার পার্টির জাতীয় নির্বাহী বৈঠকে আমি দলের ভবিষ্যত নিয়ে কথা বলব,” জানান মি. করবিন।

    মি. করবিন বলেছেন এই বৈঠক না হওয়া পর্যন্ত তিনি লেবার পার্টির নেতার পদে থাকবেন।

  3. প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলো কী

    বিবিসির সংবাদদাতা ক্রিস মরিস বলছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে এখন অনেক প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে।

    এখন এটা মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গেছে যে ব্রিটেন ৩১শে জানুয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যাবে।

    সেটা আইনগত দিক দিয়ে প্রতীকী অর্থে একটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ দিন।

    এরপরেও আছে আরও অনেক প্রতিশ্রুতি।

    এক নম্বর হল- আগামী বছর অর্থাৎ ২০২০ সাল শেষ হবার আগেই প্রায় রেকর্ড সময়ের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটা বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন করতে হবে। কারণ ইইউ ছাড়ার পর বাণিজ্য ব্যবস্থা চূড়ান্ত করার জন্য অর্ন্তবর্তীকালীন সময়সীমা শেষ হবে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০য়ে।

    সেটা প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটা কঠিন কাজ হবে যদি বরিস জনসন চান যে বর্তমানে ইইউর যেসব নিয়মবিধি ব্রিটেন মেনে চলে সেগুলো থেকে বেরিয়ে যাবার স্বাধীনতা ব্রিটেন চায়।

    দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতি হল বরিস জনসন বলেছেন তিনি ব্রেক্সিট পরবর্তী এই অর্ন্তবর্তী সময়ের মেয়াদ বাড়াতে চান না। কাজেই তার বাণিজ্য চুক্তি যদি সময়মত তৈরি না হয় তিনি কী করবেন?

    তাহলে কি তিনি প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে সময়সীমা বাড়াবেন, নাকি চুক্তি ছাড়াই ইইউ থেকে বেরনর একটা নতুন পথ তিনি খুঁজবেন?

    কাজেই ৩১শে জানুয়ারির পর তাকে অনেকগুলো প্রতিবন্ধকতা পার হতে হবে।

    এখন সব দৃষ্টিই এই ব্রেক্সিট প্রশ্নকে ঘিরেই। কাজেই ৩১শে জানুয়ারি এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা দিন। সেদিন আইনগতভাবে ব্রিটেন ইইউ থেকে বেরিয়ে যাবে।

    কিন্তু ইইউর সঙ্গে ভবিষ্যত সম্পর্কের কাঠামো কী হবে সেই গোটা ব্যাপারটার মীমাংসা কীভাবে হবে সেটাই হবে তার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

  4. ব্রিটিশ নির্বাচনে কনসারভেটিভদের বিপুল বিজয়ের পর ব্রেক্সিটের সময়সূচি

    সাধারণ নির্বাচনে কনসারভেটিভ পার্টি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়ী হবার পর লন্ডনে এক বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন এই জয়ের মাধ্যমে তিনি ব্রিটেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের করে আনবেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের জন্য ব্রেক্সিট চুক্তির সময়সূচি কী হতে যাচ্ছে?

  5. ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে বরিস জনসন এখন রওনা হয়েছে বাকিংহাম প্রাসাদের উদ্দেশ্যে

    এটা সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিকতার অংশ।

  6. যুক্তরাজ্যের অখণ্ডতার ওপর এই নির্বাচনের ফলাফল কী প্রভাব ফেলতে পারে?

    বিবিসির রাজনৈতিক সংবাদদাতা ক্রিস মেসন বলছেন, এই ফলাফল একটা অখণ্ড দেশ হিসাবে যুক্তরাজ্যের টিকে থাকার ওপর একটা চাপ তৈরি করবে।

    ব্রিটিশ পার্লামেন্টে স্কটল্যাণ্ডের জন্য নির্ধারিত যে ৫৯টি আসন রয়েছে তার ৮১ শতাংশতেই সেখানকার প্রধান দল এসএনপি জিতেছে।

    এরপর আছে উত্তর আয়ার্ল্যাণ্ড।

    এই প্রথমবারের মত, জাতীয়তাবাদী দলগুলো, ব্রিটেনের সঙ্গে থাকতে চায় এমন দলগুলোর থেকে বেশি আসন পেয়েছে।

    এটা এখন সবাই জানে যে ইউরোপ ছাড়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন যে ব্রেক্সিট চুক্তি করেছেন, তাতে ইইউর সঙ্গে উত্তর আয়ার্ল্যাণ্ডের যে সম্পর্কের রূপরেখা দেয়া হয়েছে তা যুক্তরাজ্যের অন্যান্য অংশের থেকে আলাদা।

    বরিস জনসন প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণের সময় নিজেকে বর্ণনা করেছেন “অখণ্ডতার পক্ষের মন্ত্রী” হিসাবে। এবং সেটা তিনি করেছেন সঙ্গত কারণেই অর্থাৎ ব্রিটেন ভেঙে যেতে পারে এমন আশংকা থেকেই।

    কাজেই ব্রিটেনকে একসঙ্গে রাখা অর্থাৎ ইংল্যাণ্ড, উত্তর আয়ার্ল্যাণ্ড এবং স্কটল্যাণ্ডের অখণ্ডতা টিকিয়ে রাখার চাপটা খুবই বাস্তব।

  7. জয়ের পর বরিস জনসন যা বললেন

    ব্রিটেনের কনসারভেটিভ নেতা বরিস জনসন বলেছেন, ভোটারদের আস্থার প্রতিদান দিতে তিনি রাত-দিন কাজ করবেন।

    নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পর লন্ডনে এক বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এই জয়ের মাধ্যমে তিনি ব্রিটেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের করে আনবেন।

    এখানে কোন ‘যদি, কিন্তু’ নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    যারা প্রথমবারের মতো কনসারভেটিভকে ভোট দিয়েছে তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে মি. জনসন বলেন তারা পরিবর্তন চায়।

    মি. জনসন বলেন, “মানুষ পরিবর্তন চায়। তাদের হতাশ করা উচিত নয়, হতাশ করবো না।”

  8. সবচেয়ে বেশি নারী প্রার্থী জয়লাভ করেছে এ নির্বাচনে

    ব্রিটেনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে এবার সবচেয়ে বেশি নারী প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। এর মধ্যে বিরোধী লেবার পার্টি থেকে ১০৪ জন নারী প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

    এদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত নারী প্রার্থী রয়েছেন। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন কনসারভেটিভ থেকে ৮৬ জন নারী প্রার্থী জয়লাভ করেছেন।

    ৪০ বছর আগে অর্থাৎ ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে ব্রিটেনে একজন নারী প্রার্থীও জয়লাভ করেননি। কিন্তু ২০১৯ সালে এ সংখ্যা ২০০’র বেশি হয়েছে।

  9. বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

    নির্বাচনে জয়ের জন্য বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইট করেছেন। মি: ট্রাম্প লিখেছেন, ব্রেক্সিটের পর ব্রিটেন এবং যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনভাবে নতুন একটি বড় ধরণের বাণিজ্য করতে পারবে। মি: ট্রাম্প উল্লেখ করেন, এই চুক্তি অনেক বড় এবং আকর্ষণীয় হবোর সম্ভাবনা রয়েছে।

  10. বিপুল জয় নিয়ে ফিরে আসলো কনসারভেটিভরা

    ব্রিটেনের সাধারন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন কনসারভেটিভরা আবারো জয়লাভ করেছে। সরকার গঠন করার জন্য ৩২৬টি আসনের প্রয়োজন হলেও বরিস জনসনের নেতৃত্বে কনসারভেটিভরা তার চেয়ে অনেক বেশি আসন পেয়েছে।

    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবার পর বরিস জনসন বলেন, আগামী মাসে ব্রিটেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের করে আনার ম্যান্ডেট দেবে এই জয়।

    বিবিসি পরিচালিত বুথ ফেরত জরিপে বলা হয়েছিল যে কনসারভেটিভরা ৩৬৪ আসনে জয়লাভ করবে। অন্যদিকে লেবার পার্টি পােব ২০৩টি আসন।

    এর অর্থ হচ্ছে, ১৯৮৭ সালে মার্গারেট থ্যাচারের নেতৃত্বে নির্বাচনের পর থেকে এটাই হবে কনসারভেটিভদের সবচেয়ে বড় জয়। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই জয়ের ফলে বরিস জনসনের জন্য ব্রেক্সিট বাস্তবায়ন করা সময়ের ব্যাপারে মাত্র।

    অন্যদিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে লেবার পার্টি নির্বাচনে এতোটা খারাপ কখনো করেনি।

  11. লেবার পার্টির টিউলিপ সিদ্দিকের বড় জয়

    হ্যাম্পস্টেড এন্ড কিলবার্ন এলাকা থেকে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত টিউলিপ সিদ্দিক। তিনি ২৮০৮০ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে কনসারভেটিভ পার্টির জনি লাক পেয়েছেন ১৩৮৯২ ভোট।

  12. টেরিজা মে বলেন, ২০২০ সালে ইইউ'র সাথে বাণিজ্য চুক্তি করতে পারবে বরিস জনসন

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে বলেছেন, নির্বাচনে কনসারভেটিভ পার্টির সংখ্যাগরিষ্ঠতায় তিনি বেশ খুশি। তিনি বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে ব্রিটেনের মানুষ একটি পরিষ্কার প্রশ্ন ছিল। সেটি হচ্ছে, তারা ব্রেক্সিট চায় কিনা। তারা এটাও বুঝতে পেরেছে যে কনসারভেটিভ পার্টি জয়লাভ করলে ব্রেক্সিট হবে।

    "ব্রেক্সিট নিয়ে পার্লামেন্টে যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে এই নির্বাচনের মাধ্যমে সেটি কেটে যাবে। ব্রেক্সিট হবে এবং এগিয়ে যাবে।"

  13. নিজ আসনে জয়লাভ করেছেন বরিস জনসন

    কনসারভেটিভ পার্টির নেতা বরিস জনসন তাঁর অক্সব্রিজ আসনে জয়লাভ করেছেন। তিনি পেয়েছেন ২৫৩৫১ ভোট এবং লেবার পার্টির প্রার্থী আলী মিলানি পেয়েছেন ১৮০০০ ভোট।

  14. আগামী নির্বাচনে দলের নেতৃত্বে থাকবেন না জেরেমি করবিন

    লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন বলেন, আগামী নির্বাচনে তিনি দলের নেতৃত্ব দেবেন না। তবে তিনি এখন পদত্যাগ করছেন না। আরো কিছু সময় দলের নেতৃত্বে থাকবেন আলোচনা চালিয়ে যাবার জন্য।

    তিনি বলেন, লেবার পার্টির জন্য এটি হতাশার রাত। তিনি তাঁর ভোটার, পরিবার এবং বন্ধুদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন সহযোগিতার জন্য।

    মি: করবিন তাঁর আসনে জয়লাভ করেছেন।

  15. এখন পর্যন্ত ২২৭ টি আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে বরিস জনসনের নেতৃত্বে কনসারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ১০৭ টি আসন এবং জেরেমি করবিনের নেতৃত্বে লেবার পার্টি পেয়েছে ৮৯ টি আসন। তবে কনসারভেটিভ পার্টির প্রাপ্ত ভোট ৪০.৯% এবং লেবার পার্টির প্রাপ্ত ভোট ৩৫.৯ %

    এছাড়া স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি পেয়েছে ১৭ টি আসন।

  16. ভোট গণনা চলছে

  17. Get Involved

    বিবিসির বুথ ফেরত জরিপ অনুযায়ী ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ বা টোরি পার্টিই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথে এগিয়ে আছে।

    এ জরিপ অনুযায়ী সব আসনের ভোট গণনা শেষ হলে টোরিরা ৩৬৮ টি আসনে জয়ী হবার সম্ভাবনা রয়েছে যা ২০১৭ সালের নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের চেয়ে ৫০টি বেশি।

    অন্যদিকে লেবার পার্টি ১৯১টি, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ১৩ ও এসএনপি ৫৫টি আসনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

    ব্রিটেনের স্থানীয় সময় মধ্যরাতের আগেই নির্বাচনের ফলগুলো এসে পৌঁছাবে কিন্তু চূড়ান্ত ফল শুক্রবার দুপুরের মধ্যে জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।