পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ভোট পড়ল ৯১ শতাংশের বেশি
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণে বিভিন্ন এলাকায় কেন্দ্রে কেন্দ্রে সংঘর্ষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে, প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফায়ও রেকর্ড পরিমাণ ভোট পড়েছে।
সরাসরি কভারেজ
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার দ্বিতীয় দফার ভোটে যা যা হলো:
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্যায়ে, বুধবার ভোট নেওয়া হয় রাজ্যের আটটি জেলার ১৪২টি আসনে।
দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হারও প্রথম দফার মতোই রেকর্ড সংখ্যার দিকে ইঙ্গিত করেছে, দ্বিতীয় দফায় ভোট পড়েছে ৯৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ।
সকাল থেকেই একাধিক আসনে সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়। চাপড়া, ভাঙড়, ফলতায় সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভবানীপুর আসন। কালীঘাটে শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে স্লোগানের পর কেন্দ্রীয় বাহিনী রাস্তায় নামে।
ভোট দেওয়ার পর জেতার ব্যাপারে আশা প্রকাশ করে মমতা ব্যানার্জী বলেছেন, "দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আমরা ফিরব"।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভোট নিয়ে বিবিসি বাংলা'র লাইভ পাতায় সাথে থাকার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আরো খবর ও বিশ্লেষণ জানতে চোখ রাখুনবিবিসি বাংলা'র মূল পাতায়।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ভোট পড়ল ৯১ শতাংশের বেশি
ছবির উৎস, CEO West Bengal
ছবির ক্যাপশান, ভোটদান করে ফিরছেন ভোটকর্মীরা
প্রথম দফার মতোই দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হারও রইল আগের নির্বাচনগুলোর তুলনায় বেশি।
প্রথম দফার থেকে একটু কম হলেও শেষমেষ ভোট পড়ল ৯১ দশমিক ৬৬ শতাংশ।
সবথেকে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। সেখানে ভোটদানের হার ৯৩ দশমিক ৫১ শতাংশ।
সবথেকে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে। সেখানে ভোটদানের হার ৮৭ দশমিক ৪১ শতাংশ।
দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হারেও রেকর্ডের ইঙ্গিত
ছবির উৎস, CEO West Bengal
ছবির ক্যাপশান, ভোট দিয়ে উচ্ছ্বসিত ভোটাররা
দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হারও প্রথম দফার মতোই রেকর্ড সংখ্যার দিকে ইঙ্গিত করছে। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোটদানের হারের তথ্য দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
তাদের দেওয়া তথ্য অনুসারে, পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফায় এখন পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ।
এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত।
সবথেকে বেশি ভোটদানের হার পূর্ব বর্ধমানে। ওই জেলায় ভোট পড়েছে ৯২ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
সবথেকে কম ভোটদানের হার কলকাতা দক্ষিণে, ৮৬ দশমিক ১১ শতাংশ।
ভোট দিয়ে জয়ের ব্যাপারে 'আত্মবিশ্বাস' জানালেন মমতা ব্যানার্জী
ছবির উৎস, AITC
ছবির ক্যাপশান, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন মমতা ব্যানার্জী
ভোট দিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছেন তিনি।
মমতা ব্যানার্জী বলেন, "কেন্দ্রীয় বাহিনী চারিদিকে অত্যাচার করছে, বুথে এজেন্টদের বসতে দিচ্ছে না।"
তবে আত্মবিশ্বাসী হয়ে মমতা ব্যানার্জী বলেন, "দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাব আমরা।"
তবে এর আগে সংবাদমাধ্যমকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল বলেন, "কেন্দ্রীয় বাহিনী অনেক বড়, শুধু অভিযোগ আনলে হয় না। নির্দিষ্ট বুথ থেকে নির্দিষ্ট বাহিনী সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে নির্বাচন কমিশন খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবে।"
দ্বিতীয় দফা ভোট নিয়ে কী বললেন অধীর?
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটে বিপুল পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী
মোতায়েন করায় মানুষ ভোট দিতে পারছেন বলে মনে করেন কংগ্রেসের অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে হিংসা
ছাড়া ভোট হওয়া প্রায় অসম্ভব। তবুও এবারে মানুষ বিপুল পরিমাণে ভোট দান করছেন। বুথে বুথে
গিয়ে মানুষ ভোট দিতে সক্ষম হয়েছেন কারণ ব্যাপক সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা
হয়েছে।”
“কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দেখে মানুষ ভরসা পেয়েছেন কিন্তু বুথের
বাইরে তৃণমূল নানান কৌশল ব্যবহার করে ভোট করাতে চাইছে। এটাই তাদের রীতি। তাদের কাছে
ভোট মানেই হিংসা হতে হবে।”
তার মতে ভোটের
ফল নিয়ে ‘শঙ্কায়’ রয়েছে তৃণমূল।
মুর্শিদাবাদের বহরমপুর কেন্দ্র থেকে বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের
প্রার্থী হিসাবে দাড়িয়েছেন তিনি। ওই আসনে ২৩শে এপ্রিল ভোট গ্রহণ হয়েছে। তিন দশক পর
বিধানসভা ভোটে লড়ছেন কংগ্রেসের এই নেতা।
ছবির উৎস, ANI
ছবির ক্যাপশান, তৃণমূলের কড়া সমালোচনা করেছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
দফায় দফায় সংঘর্ষ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণে
ছবির উৎস, ANI
ছবির ক্যাপশান, ফলতায় লাঠিচার্জ কেন্দ্রীয় বাহিনীর
প্রথম দফার 'শান্তিপূর্ণ' ভোট গ্রহণের ধারা বজায় রইল না দ্বিতীয় দফায়। বিভিন্ন জায়গা থেকে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের খবর আসছে।
ফলতার ১৮৬ নম্বর বুথে একটি অশান্তি থামাতে বুথে জড়ো হওয়া জনতার উপর লাঠিচার্জ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোট চুরির অভিযোগ নিয়ে ওই বুথে জড়ো হয়েছিলেন স্থানীয় কিছু মানুষ।
ওই অঞ্চলের বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা অভিযোগ জানিয়েছিলেন যে কয়েকটি ইভিএমে বিজেপির চিহ্নে ব্ল্যাক টেপ লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যদিও এই দাবির সত্যতা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
তবে এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ জমায়েত হন বুথে। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠি চালায় পুলিশ।
অন্যদিকে ভাঙড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন আইএসএফের প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকী। তার অভিযোগ ছিল, বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ঘোরাফেরা করছিলেন তৃণমূল প্রার্থী।
নওশাদ সিদ্দিকীকে ঘিরে স্লোগানও তোলেন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। তবে নওশাদ সিদ্দিকী নিজেই জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী অভিযোগ পাওয়া মাত্রই পদক্ষেপ করেছে।
বেলা তিনটে পর্যন্ত ভোটের হার ৭৮.৬৮%
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের দ্বিতীয় দফায় বেলা তিনটে
পর্যন্ত ভোটের হার ৭৮.৬৮%। সবচেয়ে বেশি যে জেলায় ভোট পড়েছে সেটি হলো পূর্ব বর্ধমান।
সেখানে ভোটের হার ৮৩.১১%। সকাল থেকেই এই জেলা ভোটের হারের নিরিখে টেক্কা দিচ্ছিল অন্যান্য
জেলাকে।
হুগলীতে ভোটের হার ৮০.৭৭%, নদীয়াতে ৭৯.৭৯%, কলকাতা উত্তরে
৭৮%, হাওড়াতে ৭৭.৭৩%, কলকাতা দক্ষিণে ৭৫.৩৮% ও দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ৭৬.৭৫%।
প্রথম দফায় ভোট দানের হার ছিল নজিরবিহীন। দ্বিতীয় দফায়
এই হার কত হয়, সেদিকে সকলের নজর রয়েছে।
ছবির উৎস, Chief Electoral Officer West Bengal
ছবির ক্যাপশান, উত্তর ২৪ পরগণায় ভোটাররা ভোট দানের জন্য যাচ্ছেন।
বেলা একটা পর্যন্ত ভোটের হার ৬১ শতাংশ
ছবির উৎস, Chief Electoral Officer West Bengal/Facebook
ছবির ক্যাপশান, উত্তর ২৪ পরগণার একটি মডেল বুথে ভোটারদের লাইন।
বুধবার দ্বিতীয় দফা ভোট গ্রহণে বেলা
একটা পর্যন্ত ভোটের হার ৬১ দশমিক ১১ শতাংশ ছিল বলে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।
এই দফায়
রাজ্যের ১৪২টি আসনে ভোট গ্রহণ চলছে।
ভোটের হারের নিরিখে এখনো পর্যন্ত
এগিয়ে রয়েছে পূর্ব বর্ধমান।
সেখানে ভোট গ্রহণের হার ৬৬ দশমিক ৮০ শতাংশ।
হুগলীতে এই হার ৬৪ দশমিক ৫৭শতাংশ,
নদীয়াতে ৬১ দশমিক ৪১শতাংশ, হাওড়াতে ৬০দশমিক ৬৮শতাংশ।
এছাড়া, কলকাতা উত্তরে ৬০ দশমিক ১৮ শতাংশ, উত্তর ২৪ পরগণায় ৫৯ দশমিক ২০ শতাংশ, এবং দক্ষিণ ২৪ পরগণায় ৫৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
আর কলকাতা দক্ষিণে ৫৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ।
এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল ভোট গ্রহণের হার বেলা ১১টা পর্যন্ত ছিল ৩৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ।
'আপনাকে মাটিতে নামতেই হবে' মমতা ব্যানার্জীকে সিপিআই (এম) নেতা
ছবির উৎস, Getty Images
ছবির ক্যাপশান, মোহাম্মদ সেলিম - ফাইল ছবি।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণের দিন মমতা ব্যানার্জীকে উদ্দেশ্য করে রাজ্য সিপিআই (এম)-এর সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম বলেছেন, "আপনাকে মাটিতে নামতেই হবে।"
বুধবার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দেওয়ার পর মি. সেলিম এ কথা বলেন।
দ্বিতীয় ও শেষ দফার নির্বাচনের দিনে সকাল
থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর বুথ পরিদর্শন নিয়ে কটাক্ষ করে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, “যারা
উড়তে থাকে, তাদেরও মাটিতে নামতে হয়। রকেট বাজির ভেতরে বারুদ থাকলে,
তাতে আগুন ধরালে তা আকাশে উঠে যায়। কিন্তু বারুদ ফুরিয়ে
গেলে তা নিভে গিয়ে মাটিতে পড়ে যায়।”
বুধবার সকাল থেকেই বুথ পরিদর্শনে নেমেছেন মুখ্যমন্ত্রী
মমতা ব্যানার্জী।
এর আগে ভোটের সময় তাকে সকালে এইভাবে দেখা যায়নি।
সাধারণত কালীঘটে
নিজের বাড়িতে থেকেই সামগ্রিক পরিস্থিতির উপর নজরদারি করেন। বিকেলের দিকে 'মিত্র ইনস্টিটিউশন' স্কুলে গিয়ে নিজের ভোট দেন।
শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে উত্তপ্ত কালীঘাট, বাহিনীর লাঠিচার্জ
ছবির উৎস, ANI
ছবির ক্যাপশান, কালীঘাটে শুভেন্দু অধিকারী
শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কলকাতার কালীঘাট অঞ্চল।
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন অঞ্চলে সকাল থেকেই ঘুরছেন শুভেন্দু অধিকারী।
তবে কালীঘাট অঞ্চলে ঢুকতেই পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে পড়ে।
দফায় দফায় তাকে ঘিরে একাধিক সংঘাতের ছবি ধরা পড়েছে সংবাদমধ্যমে।
শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের শ্লোগান ও পাল্টা শ্লোগান ওঠে।
শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনীতে অভিযোগ জানান, এরপর কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে।
এমনকি কালীঘাট থানার ওসিকেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামতে হয়।
তবে তৃণমূল কংগ্রেসের আঞ্চলিক নেতৃত্ব বলেছে, মি. অধিকারী ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ মমতার, অভিযোগ নাকচ মুখ্য নির্বাচনী কর্মকর্তার
ছবির উৎস, PTI
ছবির ক্যাপশান, সাংবাদিকদের মুখোমুখি মনোজকুমার আগরওয়াল
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী 'গুণ্ডাগিরি করছে' ও 'ভুয়া ভোটদানে' সাহায্য করছে।
তবে, তার অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল বলেছেন, "যেখান থেকেই সমস্যার খবর আসছে, আমরা কুইক রেনস্পন্স টিমের মাধ্যমে সমাধান করছি"।
মি. আগরওয়াল বলেছেন, "সবজায়গাতেই কেউ কেউ থাকে যারা গন্ডগোল সৃষ্টি করে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোনও সদস্য যদি কোথাও সমস্যা করে, সেই জায়গা থেকে নির্দিষ্ট বাহিনী সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে নির্বাচন কমিশন পদক্ষেপ করবে।"
তবে কেন্দ্রীয় বাহিনী কখনোই ভুয়ো ভোট দেয়নি বলে দাবি করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।
এছাড়া শাসক ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে যে সংঘর্ষ হয়েছে, সে নিয়ে তিনি বলেছেন, "নির্দিষ্ট অঞ্চলের ব্যাপারে অভিযোগ পেলে পদক্ষেপ করা হবে।"
ভোটের ‘অন্য’ ছবি
পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ চলছে ১৪২টি আসনে।
সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন, একদিকে যেমন বুধবার সকাল থেকে বিক্ষিপ্তভাবে কিছু সংঘাত সহিংসতার অভিযোগ পাওয়া গেছে, একইভাবে কোথাও বৃষ্টি উপেক্ষা করে কোথাওবা রোদের তাপ উপেক্ষা
করে বুথে বুথে ভোটারদের ঢলও দেখা গিয়েছে।
এর মধ্যে প্রথমবার ভোট দিতে এসেছেন এমন তরুণ-তরুণীরা যেমর রয়েছেন, তেমনই রয়েছেন প্রবীণ নাগরিকরাও।
তাদের মধ্যে কেউ বাড়ি থেকে ঢিল ছোঁড়া
দুরত্বে থাকা বুথে ভোট দিতে এসেছেন, আবার কেউবা নৌকা করে নদী পেরিয়ে।
তেমনই কয়েকটি ছবি দেখা যাচ্ছে এখানে...
ছবির উৎস, Election Commission of India
ছবির ক্যাপশান, পূর্ব বর্ধমানে এক প্রবীণ নাগরিককে সাহায্য করছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান
ছবির উৎস, Chief Electoral Officer West Bengal
ছবির ক্যাপশান, নৌকায় নদী পেরিয়ে উত্তর ২৪ পরগণার হিঙ্গলগঞ্জের একটি বুথে ভোট দিতে এসেছেন এই ভোটাররা
ছবির উৎস, Chief Electoral Officer West Bengal
ছবির ক্যাপশান, হুগলীর একটি বুথে ভোট দিতে এসেছেন এক প্রবীণ নারী
ছবির উৎস, Chief Electoral Officer West Bengal
ছবির ক্যাপশান, বাবা-মায়ের সঙ্গে বুথের বাইরে এক খুদে নাগরিক
ছবির উৎস, Chief Electoral Officer West Bengal
ছবির ক্যাপশান, ভোট দেওয়ার পর বিধাননগরের একটি বুথের বাইরে ছবি তুলছেন তরুণীরা
বেলা ১১টা পর্যন্ত ভোটের হার কত?
ছবির উৎস, Chief Electoral Officer West Bengal/Facebook
ছবির ক্যাপশান, উত্তর ২৪ পরগণার হিঙ্গলগঞ্জের একটি বুথের ছবি
পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফা ভোট গ্রহণের দিন বেলা ১১টা পর্যন্ত প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
কমিশন জানিয়েছে, এর আগে বেলা নয়টা পর্যন্ত এ হার ছিল ১৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
১৫২টি কেন্দ্রে প্রথম দফায় মোট ভোটদাতার সংখ্যা ছিল তিন কোটি ৩৬ লক্ষ। ওই দফায় ভোটের হার ছিল ৯৩ দশমিক ১৯ শতাংশ।
ওই হার কার্যত নজিরবিহীন ছিল বলেই জানিয়েছিল কমিশন।
বুধবার পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় এবং শেষ দফা ভোট গ্রহণ চলছে।
দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হুগলী ও নদীয়াসহ বিভিন্ন জেলা থেকে বিক্ষিপ্তভাবে অশান্তির অভিযোগ এসেছে। এই ঘটনাগুলিকে কেন্দ্র করে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি।
প্রথম দফায় ভোট গ্রহণে দু-একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ছিল।
দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ঝড় ও বৃষ্টির ছবি পশ্চিমবঙ্গে
ছবির উৎস, RMC Kolkata
ছবির ক্যাপশান, পশ্চিমবঙ্গের আকাশে মেঘের স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ করেছে আবহাওয়া দফতর
দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ চলছে কলকাতা ও আশেপাশের মোট সাতটি জেলায়। ভোটগ্রহণের দিন সকাল থেকেই বিক্ষিপ্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি চলছে এসব অঞ্চলে।
কলকাতার আঞ্চলিক আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে, বুধবার সারা দিনই মেঘলা থাকবে আকাশ। চলবে বৃষ্টিও।
তাপমাত্রা থাকবে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে।
তবে, দুপুরে দুইটার পর থেকে আবহাওয়া পরিষ্কার হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
নদীয়া ও ভাঙড়ে সংঘর্ষ, বিজেপি এজেন্ট আহত
ছবির উৎস, ANI
ছবির ক্যাপশান, হাসপাতালে বিজেপি এজেন্ট মোশারফ মীর
পশ্চিমবঙ্গে চলছে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ও অন্তিম দফার ভোটগ্রহণ। বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকেই বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের খবর আসছে।
এর মধ্যে নদীয়া জেলার চাপড়া বিধানসভা অঞ্চলের ৫৩ নম্বর বুথে বিজেপি এজেন্ট মোশারফ মীরকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টদের বিরুদ্ধে।
মি. মীরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চাপড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি।
যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।
এদিকে, হুগলি জেলার সিঙ্গুর বিধানসভায় বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটের আগের রাতে তৃণমূল কর্মীদের ভয় দেখানো ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার রাতে সেখানে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
তবে এ নিয়ে এখনো কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অন্যদিকে, বুধবার সকাল থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতাদের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
এ নিয়ে সিঙ্গুর থানা ঘেরাও করেন তৃণমূল প্রার্থী বেচারাম মান্না। সিঙ্গুর থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগও জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
পুলিশের বক্তব্য, এক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতার সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের বচসাকে ঘিরেই ঘটনাটি ঘটেছে।
এছাড়া ভোটের আগের রাতে ভাঙড়ে আইএসএফ কর্মীদের উপর আক্রমণের অভিযোগ করেছেন আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকী।
তবে, এ ঘটনা অস্বীকার করে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শওকত মোল্লা উল্টে আইএসএফের বিরুদ্ধে দুইজন তৃণমূল কর্মীর উপর আক্রমণের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
সকাল থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে সংঘর্ষের অভিযোগ
ছবির উৎস, PTI
ছবির ক্যাপশান, হুগলীর খানাকুলে একটি বুথের কাছে ধ্বস্তাধস্তির ছবি।
বিধানসভা
নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণের দিন
সকাল থেকেই পশ্চিমবঙ্গের
বিভিন্ন জায়গা থেকে বিক্ষিপ্তভাবে সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনা
ঘটেছে বলে অভিযোগ।
বার্তা সংস্থা
পিটিআইয়ের খবর অনুযায়ী, নদীয়া জেলার চাপড়া ও শান্তিপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙ্গারসহ একাধিক জায়গা থেকে সহিংসতার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
একে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলির পাল্টা-পাল্টি
অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তাপও বেড়েছে।
এর আগে দু-একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া প্রথম
দফায় শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ হয়েছিল।
নির্বাচন কমিশন বলছে, তারা দ্বিতীয় দফায় ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ
করতে সচেষ্ট।
এজন্য বিভিন্ন পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে দুই হাজার তিনশত একুশ কোম্পানি
কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছিল। সেই সাথে ভোটের আগে জেলায় জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ, পুলিশের
তল্লাশি অভিযানও চালানো হয়েছে।
আর সহিংসতার অভিযোগে ধরপাকড়ও হয়েছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।
পশ্চিমবঙ্গে সকাল থেকে বুথ পরিদর্শনে নেমেছেন মমতা ব্যানার্জী এবং শুভেন্দু অধিকারী
ছবির উৎস, ANI
ছবির ক্যাপশান, বুধবার সকালে বুথ পরিদর্শনে মমতা ব্যানার্জী।
সাধারণত ভোটের দিনে মমতা ব্যানার্জী কালীঘটে নিজের বাড়িতেই থাকেন, সেখান থেকেই নজরদারি করেন ভোটগ্রহণের ওপরে। এবং বিকেলের দিকে ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার কিছু আগে 'মিত্র ইনস্টিটিউশন' স্কুলে গিয়ে নিজের ভোট দেন।
তবে গত অনেক বছরের নিয়মে এবার পরিবর্তন এনেছেন তিনি।
সকালে চেতলায় গিয়ে মিজ ব্যানার্জী বলেছেন, 'মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নয়, কলকাতার ভবানীপুর আসনের
প্রার্থী হিসাবে আজ গোটা দিন পথেই থাকবেন তিনি, বিভিন্ন বুথ ঘুরে দেখবেন'।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নির্বাচন
কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন তিনি।
সেই সাথে, প্রতিপক্ষ দলের কর্মীরা তার দলের কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধমকাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।
ছবির উৎস, ANI
ছবির ক্যাপশান, ভবানীপুরের একটি হনুমান মন্দিরে পুজো দিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী
সকালে ভবানীপুরের একটি হনুমান মন্দিরে পুজো দিয়ে ওই
কেন্দ্রের একাধিক বুথ পরিদর্শন করেছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।
ভোটারদের বেশি বেশি করে
ভোটদানে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গে
দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে বুধবার সকাল সাতটা থেকে। এই দফায় বেশ কয়েকজন
হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন।
তবে যে দুইজনের দিকে সকলের নজর রয়েছে, তারা হলেন - মমতা ব্যানার্জী,
যিনি চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন।
তার বিরুদ্ধে ভবানীপুর কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছেন একদা তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও বর্তমানে বিজেপি নেতা
শুভেন্দু অধিকারী।
নন্দীগ্রাম থেকেও বিজেপি প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছেন শুভেন্দু অধিকারী।
ভোটদান শেষে তিনি নিজের দলের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
ছবির উৎস, ANI
ছবির ক্যাপশান, 'গঙ্গা আমার মা, পদ্মা আমার মা' বার্তা দীনেশ ত্রিবেদীর
চলতি সপ্তাহেই বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার পদে নিযোগ পেয়েছেন দীনেশ ত্রিবেদী। বুধবার সকালে কলকাতার বালিগঞ্জ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন তিনি।
ভোট দিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন ভূপেন হাজারিকার গান উদ্ধৃত করে, তিনি বলেন, "গঙ্গা আমার মা, পদ্মা আমার মা।"
যদিও গানের কলি উদ্ধৃত করে দেয়া প্রতিক্রিয়ার মানে ব্যাখ্যা করেননি তিনি।
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ চলছে।
কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী জেলা মিলিয়ে মোট সাতটি জেলায় ভোটগ্রহণ পর্বে সকাল থেকে ভোট দিয়েছেন শাসক ও বিরোধী দলের নেতারা।
ছবির উৎস, ANI
ছবির ক্যাপশান, করিমপুরে ভোট দিলেন মহুয়া মৈত্র
নদীয়ার করিমপুরে ভোট দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী ও ভারতের লোকসভার সংসদ সদস্য মহুয়া মৈত্র। ভোটদান করে গণতন্ত্রকে রক্ষা করার বার্তা দিয়েছেন মহুয়া মৈত্র।
ছবির উৎস, ANI
ছবির ক্যাপশান, লেবুখালি নদী পেরিয়ে ভোট দিতে গেলেন রেখা পাত্র
সন্দেশখালি কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। সন্দেশখালিতে সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা শেখ শাহ্জাহানের বিরুদ্ধে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রেখা পাত্র।
যদিও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল করতে পারেননি তিনি।
ভোটের দিন রাজ্যবাসীকে মোদীর বার্তা
ছবির উৎস, Narendra Modi/Facebook
পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় ও শেষ দফা ভোট গ্রহণের দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেয়া পোষ্টে তিনি লিখেছেন, “যারা আজ ভোট দিচ্ছেন, তাদের সকলকে অনুরোধ করছি, রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দিন এবং আমাদের গণতন্ত্রকে আরও গতিশীল
করুন। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের নারী
ও যুব সম্প্রদায়ের বিপুল পরিমাণে ভোটদান করা
জরুরি।”
এর আগে প্রথম দফা ভোট গ্রহণের দিনও অনুরূপ বার্তা দিয়েছিলেন
তিনি।
বুধবার সকাল সাতটা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে, এবং দেশটির নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে সকাল নয়টা পর্যন্ত ১৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ ভোট পড়েছে।
এর আগে প্রথম দফা ভোট গ্রহণে রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়েছিল বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেসময় ভোটের হার ছিল ৯৩ দশমিক ১৯ শতাংশ।
মোট ১৫২টি কেন্দ্রে রাজ্যে ভোটদাতার সংখ্যা তিন কোটি ৩৬ লক্ষ।
ভোটারদের ‘প্রভাবিত’ না হওয়ার আহ্বান কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গের
ছবির উৎস, Mallikarjun Kharge
ছবির ক্যাপশান, মল্লিকার্জুন খাড়গে
পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের নির্দ্বিধায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ তিনি লিখেছেন, “আজ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ। আমি সমস্ত ভোটারদের নির্ভয়ে ও দ্বিধাহীনভাবে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”
“কারও দ্বারা প্রভাবিত হবেন না বা ভয় পাবেন না। প্রগতিশীল মূল্যবোধের জন্য ভোট দিন। উন্নয়নের জন্য ভোট দিন। সম্প্রীতির জন্য ভোট দিন। সৌহার্দ্যের জন্য ভোট দিন।”
পোষ্টে ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে বাম শাসনের অবসানের সঙ্গে সঙ্গে যে পরিবর্তন এসেছিল সে প্রসঙ্গও টেনে এসেছেন কংগ্রেস সভাপতি।
তিনি লিখেছেন, “অর্থপূর্ণ পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ বরাবরই পথ দেখিয়েছে, এবং আজ তেমনই এক মুহূর্ত। যারা আপনাদের অধিকার খর্ব করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর এবং যোগ্য জবাব দেওয়ার এটাই সময়।”