আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমাকে মূল ওয়েবসাইটে/সংস্করণে নিয়ে যান

এই ডেটা-সাশ্রয়ী সংস্করণ সম্পর্কে আরও জানুন

বরিশাল ও খুলনা- দুই সিটিতেই আওয়ামী লীগের বিজয়

বাংলাদেশে সোমবার সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে নৌকা প্রতীক নিয়ে নতুন মেয়র পেয়েছে বরিশাল আর খুলনায় আগের মেয়রই দায়িত্বে থাকছেন। এই নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি অংশ না নেয়ায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কোনও শক্তি প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। ।

সরাসরি কভারেজ

  1. বরিশাল ও খুলনা- দুই সিটিতেই আওয়ামী লীগের বিজয়

    বরিশাল ও খুলনা- দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

    বরিশালে নৌকা প্রতীক নিয়ে বেসরকারি ফলাফলে আবুল খায়ের আবদুল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৭৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোঃ ফয়জুল করিম পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৪৫ ভোট।

    আবুল খায়ের আবদুল্লাহ প্রথমবারের মতো বরিশালের মেয়র হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন।

    নৌকার সমর্থকরা হামলা করেছে, এমন অভিযোগ এনে এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামী আন্দোলন।

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনে বেসরকারি ফলাফলে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রাথী তালুকদার আব্দুল খালেক। তৃতীয়বারের মতো তিনি এই সিটির মেয়র হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন।

    খুলনার ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ ভোটের মধ্যে তালুকদার খালেক পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের মোঃ আব্দুল আউয়াল পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬৪ ভোট।

    বিএনপি অংশ না নেয়ায় এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কোনও শক্তি প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।

  2. ব্রেকিং, বরিশালের নতুন মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নতুন মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ।

    রিটার্নিং অফিসার হুমায়ুন কবির রাত নয়টার পর বেসরকারি এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

    নৌকা প্রতীক নিয়ে ১২৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে আবুল খায়ের আবদুল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৭৫২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোঃ ফয়জুল করিম পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৩৪৫ ভোট।

    বরিশালে মেয়র পদে সাতজন প্রার্থী ছিলেন। এই সিটিতে মোট ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৭৬ হাজার।

    নৌকার সমর্থকরা হামলা করেছে, এমন অভিযোগ এনে এই নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামী আন্দোলন।

  3. ব্রেকিং, খুলনার মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রাথী তালুকদার আব্দুল খালেক। তৃতীয়বারের মতো তিনি এই সিটির মেয়র হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন।

    ভোট গণনা শেষে রাত নয়টার দিকে এই ফলাফল ঘোষণা করেন রিটানিং অফিসার।

    খুলনার ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ ভোটের মধ্যে তালুকদার খালেক পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের মোঃ আব্দুল আউয়াল পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬৪ ভোট।

    এই সিটিতে মেয়র পদে মোট পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

  4. যেমন হলো খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে শান্তিপূর্ণভাবেই। সকালে ভোটগ্রহণের শুরুর দিকে ভোটার কম থাকলেও দুপুরের পর কিছুটা বাড়ে। তবে এই নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের আগ্রহ কম দেখা গেছে।

    এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কোনও শক্তি প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না।

    খুলনা থেকে বিবিসি সংবাদদাতা নাগিব বাহার জানিয়েছেন, তিনি যে আটটি কেন্দ্র ঘুুরে দেখেছেন, তার কোনটিতেই ৫০ শতাংশ ভোট পড়তে দেখা যায়নি। গড়ে ৪০ ভাগ ভোট পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  5. বরিশাল ও খুলনা দুই শহরেই এগিয়ে নৌকার প্রার্থী

    বরিশাল ও খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এখন ভোট গণনা চলছে।

    বরিশাল থেকে শাহনেওয়াজ রকি এবং খুলনা থেকে নাগিব বাহার জানাচ্ছেন, বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে যেসব ফলাফল আসছে, তাতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এগিয়ে রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    বরিশালে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন আবুল খায়ের আবদুল্লাহ আর খুলনায় নৌকার প্রার্থী তালুকদারআবদুল খালেক।

    বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ না নেয়ায় অনেকটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীনভাবে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে তাদের নিকটতম প্রার্থী হিসাবে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা।

    বরিশালে মেয়র প্রার্থী মোঃ ফয়জুল করিমের ওপর হামলার প্রতিবাদে এই দুটি সিটির ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামী আন্দোলন।

    নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতিও ছিল অনেক কম।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ভোটের যে উপস্থিতি, তাকে খুলনাতে ৪২ থেকে ৪৫ শতাংশের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বরিশালে ৫০ শতাংশ, এটা কম বেশি হতে পারে।

    তিনি বলেছেন, ‘’আজকে আমাদের পর্যবেক্ষণে ভোট প্রায় প্রতিটি স্থানীয় সরকারে সার্বিক অর্থে সুন্দরভাবে সুচারুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, বিচ্ছিন্ন কতগুলো ঘটনা ছাড়া।‘’

    বরিশালে মেয়র পদে সাতজন আর খুলনায় মেয়র পদে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

  6. ভোট দিতে এলেন না মেয়র সাদেক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন চললেও বর্তমান মেয়র সাদেক আবদুল্লাহ ভোট দিতে আসেননি।

    তিনি ঢাকায় রয়েছেন বলে তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন।

    বাংলাদেশের ডেইলি স্টারের সংবাদে বলা হয়েছে, গত ২৬ মে প্রচারণা শুরুর পর থেকে বরিশালের বাইরে অবস্থান করছেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর আমিন উদ্দিন মোহন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'দলীয় শীর্ষ পর্যায় থেকে সাদিককে নির্বাচনের আগে বরিশালে না আসার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।'

    'শুধু সাদিকই নয়, তার অনুসারীদেরও আজ ভোট দিতে ভোট কেন্দ্রে দেখা যায়নি,' বলেন তিনি।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে এবার মনোনয়ন পেয়েছিলেন তার চাচা আবুল খায়ের আবদুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত। কিন্তু এই মনোনয়ন ঘিরে চাচা-ভাতিজার মধ্যে বিভেদ ছিল। একাধিকবার সেই বিভেদ মেটানোর উদ্যোগ নেয়া হলেও তাতে সমাধান আসেনি।

    সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বরিশাল সরকারি কলেজ কেন্দ্রের ভোটার ছিলেন।

    ডেইলি স্টারের খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগের দিন খায়ের আবদুল্লাহকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে তার ভাই হাসানাত আবদুল্লাহ এবং ভাতিজা সাদিক নির্বাচনে তার পাশে থাকবেন কি না, জবাবে তিনি বলেছিলেন, 'দুঃখিত, এই বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।'

  7. বরিশাল ও খুলনার নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান ইসলামী আন্দোলনের

    নির্বাচনে প্রার্থী এবং দলীয় কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বরিশাল ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে ইসলামী আন্দোলন।

    সোমবার সন্ধ্যায় একটি সংবাদ সম্মেলন করে এই ঘোষণা দেন হাতপাখা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ফয়জুল করিম।

    সোমবার বরিশালের কাউনিয়া মেইন রোডের সাবেরা খাতুন কেন্দ্রে প্রবেশের সময় হাতপাখা প্রতীকের প্রার্খী ফয়জুল করিমের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

    সেই সময় তিনি দাবি করেছিলেন, ''আমি যে যে কেন্দ্রে গেছি, প্রায় কেন্দ্রে একই অবস্থা, তারা দখল করে আছে। আমি পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবিকে থামালাম, তারা বলে রিটার্নিং অফিসার না বললে আমরা কিছু বলতে পারি না।''

    এই ঘটনার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেছেন, হাতপাখার প্রার্থী দলবল নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে চেয়েছিলেন, সেটা নিয়ে নাকি ঝামেলা হয়েছে। তবে এটি কেন্দ্রের বাইরের ঘটনা। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  8. ‘রক্তাক্ত...উনি কি ইন্তেকাল করেছেন?’ ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর ওপর হামলা প্রসঙ্গে সিইসি

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন চলার সময় ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ফয়জুল করিমের হামলা প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল মন্তব্য করেছেন, তার ওপর হামলা হলেও ভোটগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়নি।

    সোমবার বরিশালের কাউনিয়া মেইন রোডের সাবেরা খাতুন কেন্দ্রে প্রবেশের সময় হাতপাখা প্রতীকের প্রার্খী ফয়জুল করিমের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

    তিনি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছেন, এমন তথ্য তুলে ধরে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে সিইসি বলেন, ‘’রক্তাক্ত.. সব কিছু আপেক্ষিক। রক্তাক্ত.. উনি কি ইন্তেকাল করেছেন? উনি কি আপনার কতটা...আমরা যতটুকু দেখেছি, উনার কিন্তু রক্তক্ষরণটা দেখিনি। যতটা শুনেছি, উনাকে কেউ পেছন দিয়ে ঘুষি মেরেছে। ওনার বক্তব্যও শুনেছি। উনিও বলেছেন, ভোট বাধাগ্রস্ত হচ্ছে না, আমাকে আক্রমণ করা হয়েছে।‘’

    ‘’আমরা সঙ্গে সঙ্গে খবর নেয়ার চেষ্টা করেছি, ভোট কার্যক্রম ওই কারণে বাধাগ্রস্ত হয়েছে কিনা। আমরা খবর পেয়েছি, ভোট কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়নি। উনাকে যে আহত করা হয়েছে, আমাদের এখান থেকে সঙ্গে সঙ্গে সকলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। পুলিশের কমিশনার, জেলা প্রশাসক, রিটার্নিং অফিসার- যে দায়ী, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে।‘’

    খুলনা ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এবং কক্সবাজারের পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘’আজকে আমাদের পর্যবেক্ষণে ভোট প্রায় প্রতিটি স্থানীয় সরকারে সার্বিক অর্থে সুন্দরভাবে সুচারুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, বিচ্ছিন্ন কতগুলো ঘটনা ছাড়া।‘’

    তিনি ধারণা করেন, ভোটের যে উপস্থিতি, তাকে খুলনাতে ৪২ থেকে ৪৫ শতাংশের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। বরিশালে ৫০ শতাংশ, এটা কম বেশি হতে পারে।

    কক্সবাজারে যে পৌরসভা নির্বাচন হচ্ছে, সেখানে ৫৫ শতাংশ উপস্থিতি হতে পারে।

  9. বৃষ্টির কারণে শেষের দিকে এসে ভোটারশূন্য বরিশালের কেন্দ্রগুলো

    বৃষ্টির কারণে শেষের দিকে এসে ভোটার শূন্য বরিশালের প্রায় সব কেন্দ্র।

    কয়েকটি কেন্দ্রে সময় শেষেও ভোট নিতে দেখা গেছে।

    আনুমানিক হিসাবে বরিশালের ৪৫-৫০ শতাংশ ভোট গ্রহণ করা হয়েছে।

  10. হাতপাখা প্রতীকের মেয়র প্রার্থীর ওপর হামলার পর যে বক্তব্য দিয়েছেন বরিশালের পুলিশ কমিশনার

  11. খুলনার ভোটগ্রহণের যে চিত্র দেখা যাচ্ছে

    খুলনার বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে সেখানকার ভোটগ্রহণের চিত্র দেখেছেন বিবিসির নাগিব বাহার। দুপুর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোট গ্রহণের যে তথ্য জানা যাচ্ছে:

    রেভারেন্ড পলস হাইস্কুলে মোট ভোটার ১৮৩৩ জন। দুপুর সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭৭১, যা ওই কেন্দ্রের ৪২ শতাংশ।

    গাজী মিজানুর রহমান মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ে মোট ভোটার ১৮২৭ জন। ভোট পড়েছে ৬৭৯ যা এই কেন্দ্রের ৩৭ শতাংশ।

    খাদিজাতুল কোবরা মহিলা মাদ্রাসায় মোট ভোটার ১১৩৩ জন। ভোট পড়েছে ২৯৪, যা ওই কেন্দ্রের প্রায় ২৫.৯ শতাংশ।

  12. বরিশালে যেমন ভোট পড়েছে

    বরিশালের বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে বরিশালের ভোটগ্রহণের চিত্র দেখেছেন বিবিসির শাহনেওয়াজ রকি। তিনি জানাচ্ছেন, দুপুর দুইটা পর্যন্ত কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের যে চিত্র দেখা গেছে:

    কিশোর মজলিস কেন্দ্রে মোট ভোটার ২৬৫৭ জন। এর মধ্যে দুপুর ২টা পর্যন্ত ১০১৮ ভোট গ্রহণ হয়েছে যা এই কেন্দ্রের প্রায় ৩৮ শতাংশ।

    ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোট ২২৬০ জন ভোটাার রয়েছে। এর মধ্যে ভোট গ্রহণ হয়েছে ১১৮২, যা মোট ভোটের ৫২ শতাংশ।

    আসমত আলী খান ইন্সটিটিউশনে মোট ভোটার ২৩৩২ জন। দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়েছে ১০৩০ ভোট, যা মোট ভোটের প্রায় ৪৪ শতাংশ।

    টাউন হল কেন্দ্রে মোট ভোটার ২৬৭৬ জন। দুপুর ২টা পর্যন্ত মোট ১৩৫২ ভোটার ভোট দিয়েছেন, অর্থাৎ সেখানে ৫২ শতাংশ ভোট পড়েছে।

  13. বরিশালে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীর ওপর হামলার অভিযোগ

    বরিশালে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করিমের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।

    তার ব্যক্তিগত সচিব শহিদুল্লাহ বিবিসি বাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছে, নৌকার সমর্থকরা এই হামলা করেছে।

    সোমবার সকাল ১০টার দিকে বরিশালের কাউনিয়া মেইন রোডের সাবেরা খাতুন কেন্দ্রে প্রবেশের সময় এই ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, হাতপাখার প্রার্থী দলের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা করলে নৌকার কর্মীরা বাধা দেয়। তারা দাবি করে, হাতপাখার সব লোকজন প্রবেশ করলে তারাও কেন্দ্রে ঢুকবে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়ে যায়।

    মুফতি ফয়জুল করিম বলেন, ''আমি যে যে কেন্দ্রে গেছি, প্রায় কেন্দ্রে একই অবস্থা, তারা দখল করে আছে। আমি পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবিকে থামালাম, তারা বলে রিটার্নিং অফিসার না বললে আমরা কিছু বলতে পারি না।''

    এই ঘটনার পর রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেছেন, হাতপাখার প্রার্থী দলবল নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে চেয়েছিলেন, সেটা নিয়ে নাকি ঝামেলা হয়েছে। তবে এটি কেন্দ্রের বাইরের ঘটনা। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বরিশাল পুলিশে কমিশনার মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, ''এখন যে ঘটনা ঘটলো, তাতে আমাদের এক মাসের অর্জন অনেকটা কমে গেল বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। অলরেডি আমি টিম পাঠিয়েছি, সেখানে যারাই জড়িত থাকুক, সে যেই হোক না কেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো। ‘’

    ফয়জুল করিমের অভিযোগের ব্যাপারে মি. ইসলাম বলেন, ''আমাদের পরিষ্কারভাবে বলা আছে, যতক্ষণভাবে প্রিসাইডিং অফিসার না ডাকবে, ততক্ষণ আমরা কেন্দ্রে ঢুকতে পারি না। তবে আমি যে আট দশটা কেন্দ্রে গিয়েছি, দুই পক্ষের সাথে কথা বলেছি, সবাই বলেছে কোন সমস্যা নেই।''

  14. ভোটার উপস্থিতি কম

    বরিশাল ও খুলনা-দুই সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনেই ভোটার উপস্থিতি খুব বেশি চোখে পড়েনি। বিবিসির সংবাদদাতারা বলছেন, দুই সিটিতেই ভোটার উপস্থিতি ছিল কম।

    খুলনায় সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ছয়টি কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন বিবিসির সংবাদদাতা নাগিব বাহার।

    তিনি জানিয়েছেন, এই ছয়টি কেন্দ্রে বেলা সাড়ে বারটা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২১.৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। গড়ে এই ছয়টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ১৬.৮২ শতাংশ।

    ছয়টি কেন্দ্রের মধ্যে দুটি কেন্দ্রে ১৪ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে এবং অন্য দুটি কেন্দ্রে ২০ শতাংশের মতো ভোট পড়েছে।

    তিনি জানান, ভোট কেন্দ্রগুলোতে সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে কম।

    তবে সেখানকার প্রিজাইডিং অফিসার বিবিসি বাংলাকে বলেছেন যে, বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা বেড়েছে।

    এদিকে বরিশালে তিনটি কেন্দ্রে ঘুরেছেন বিবিসি সংবাদদাতা শাহনেওয়াজ রকি। সেখানে বেলা ১১টা পর্যন্ত দেখা গেছে যে, গড়ে ১৩ শতাংশ পর্যন্ত ভোট পড়েছে।

    এই তিনটি কেন্দ্র হলো কিশোর মজলিশ, বরিশাল সরকারি কলেজ এবং আব্দুল ডিডিএফ আমিল মাদ্রাসা।

    সকাল আট টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনগুলোতে।

  15. হামলার কোন অভিযোগ আসেনি: নির্বাচন কমিশনার

    নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কোন ধরণের অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    এর আগে বরিশালে হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের উপর হামলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে, নির্বাচন কমিশনার রাশেদা খাতুন বলেন, তার উপর হামলার কোন তথ্য তারা পাননি।

    তবে ওই প্রার্থী যদি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তাহলে তা তদন্ত করে দেখা হবে বলেও জানানো হয়।

    “আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, ওখানে কোন হামলা হয়েছে এমন কোন তথ্য আমাদের কাছে আসে নাই। তবে যেটা হয়েছে, উনি যখন এসেছেন অন্য ভোটাররাও ওখানে ছিল, তারা একটুখানি উনাকে ঘিরে হয়তো একটা স্লোগান-এ জাতীয় কথা হয়েছে বলে আমাদের নলেজে এসেছে। ওনাকে হামলা হয়েছে, বা উনাকে মারপিট করা হয়েছে, কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে, হামলা বলতে যেটা বোঝায় সে ধরণের কোন তথ্য আমাদের কাছে আসে নাই।”

  16. বরিশালে ভোটগ্রহণে ধীর গতির অভিযোগ

    বরিশালে বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণে ধীর গতির অভিযোগ তুলেছেন ভোটাররা।

    রহিমা বেগম নামে একজন ভোটার অভিযোগ করেন, সকাল সাতটার সময় ভোট দিতে ভোট কেন্দ্রে গিয়েছেন তিনি। সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে ভোট দিয়ে কেন্দ্র থেকে বাইরে বের হয়েছেন।

    মিজ বেগম বিবিসি বাংলাকে জানান, ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের পরও কমপক্ষে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন।

    তবে ভোট দিতে এতো দেরি হওয়ার কারণ জানাতে পারেননি তিনি।

    “সাড়ে চার ঘণ্টা লাগলো। দেরি হইছে ক্যান কাউরে জিজ্ঞেস করি নাই।”

    শাহনাজ সুলতানা মুন নামে এক ভোটার বলেন, ভোট সুষ্ঠুই হচ্ছে। তবে ভোট দিতে বেশ কিছুটা সময় লেগেছে।

    মিজ মুন জানান, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে বারটার দিকে বের হয়েছেন তিনি।

    “আমাদের মা-বোনদের লাইনটা একটু বড় বিধায়, ভোটটা হইতে সময় লাগছে একটু।”

  17. ‘এক মার্কায় ভোট দিতে গেলে আরেক মার্কায় চলে যাচ্ছে’

    বরিশালের সৈয়দ আব্দুল মান্নান ডিডিএফ আলিম ও হাফেজি মাদ্রাসা কেন্দ্রের ভোটার আসলাম মুন্সী অভিযোগ তুলেছেন, তিনি তিন বার করে টিফিনক্যারিয়ার মার্কায় ভোট দেয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তিনবারই ঠেলাগাড়ি মার্কায় ভোট চলে গেছে।

    তিনি বলেন, “আমি প্রথম টিফিনকিরি মার্কায় ভোট দিসি, কিন্তু টিফিনকিরি মার্কা সামনে শো করে না, খালি ঠেলাগাড়িই শো করে। আর নৌকায় ভোট দিছি নৌকাটা কনফার্ম আইছে।”

    আরেক ভোটার বলেন, “ঠেলাগাড়ি বাইস্যা উঠে, আমরা রাগ অইয়া বাইর অইয়া গেসি।”

    কাউন্সিলর প্রার্থী শেখ সাইদ আহমেদ মান্না টিফিনক্যারিয়ার প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তার স্ত্রী শারমিন আক্তার অভিযোগ করেছেন, তার স্বামীর সমর্থক ভোটাররা ভোট দিতে পারছেন না।

    তিনি বলেন, “আমার ভোটারদের ঠিকভাবে ভোট দিতে দিচ্ছে না। চাপ দেয় টিফিনক্যারিয়ার, উঠে আসে ঠেলাগাড়ি।”

    মিজ আক্তার বলেন, ভোটার এবং ভোট কেন্দ্রে থাকা তার এজেন্টরা তাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, “আমাদের বলে আপনারা বেরোন, ঠিক হয়ে যাবে। আমরা বের হলেই আবার এরকম হইতেছে।”

    এদিকে এই কেন্দ্রে কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

  18. খুলনায় এ পর্যন্ত ভোটগ্রহণের হার সর্বোচ্চ ৮-৯শতাংশ

    খুলনার সোনাপোতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বেলা সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ৭০টি ভোট পড়েছে যা মোট ভোটের ৫.৫৯ শতাংশ। এই কেন্দ্রের মোট ভোট ১২৬৮টি।

    ভোট কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং অফিসার ইমরুল হাসান বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, তার কেন্দ্রে দিন শেষে ২৫-৩০ শতাংশ ভোট পড়তে পারে।

    সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বিবিসি বাংলার সংবাদদাতা নাগিব বাহার খুলনার মোট পাঁচটি কেন্দ্র ঘুরে দেখেছেন। সেখানে কেন্দ্রভেদে ভোটদানের হার ৫-৬ শতাংশ থেকে শুরু করে ৮-৯ শতাংশ পর্যন্ত দেখা গেছে।

  19. ভোট সুষ্ঠু হচ্ছে: সেরনিয়াবাত

    বরিশাল সরকারি কলেজ কেন্দ্রে বেলা ১০টা পর্যন্ত প্রথম দুই ঘণ্টায় ভোট পড়েছে ২২৮টি। এই কেন্দ্রের মোট ভোট ১৮২৬টি।

    এই কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। পরে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় জানান যে, ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে সন্তুষ্ট তিনি। মানুষ সুষ্ঠুভাবে ভোট দিচ্ছে বলেও জানান।

    কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে অপ্রীতিকর ঘটনার বিষয়ে মি. সেরনিয়াবাত বলেন, বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা আওয়ামীলীগের নাম ব্যবহার করে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছে।

    তিনি বলেন, কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে অন্তর্কোন্দল রয়েছে। যার জন্য এ ধরণের কাজ করছে তারা। একই সাথে ভোট কেন্দ্রের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিজের দলের কর্মী-সমর্থকদেরও সংযতভাবে ভোট কার্যক্রমে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    নির্বাচনে পরাজিত হলেও তিনি বরিশালের মানুষের সাথে থাকবেন।

  20. এক নজরে খুলনা সিটি নির্বাচন

    খুলনা সিটি নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জাকের পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীসহ স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এই সিটিতে ভোটের লড়াইয়ে থাকলেও বিএনপি থাকছে না।

    এই নির্বাচনের মাধ্যমে একজন মেয়র প্রার্থী, ৩১ জন সাধারণ কাউন্সিলর, ১০ জন সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে নির্বাচিত করা হবে।

    খুলনার ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে ইভিএমে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। যা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

    খুলনায় মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন। পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬৮ হাজার ৮৩৩ জন; নারী ভোটার ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৬ জন।

    পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি,এপিবিএন, আনসার ও স্ট্রাইকিং ফোর্স ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কাজ করছে।