'গ্যাস চাই গ্যাস নাই'

পত্রিকা

দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম 'গ্যাস চাই গ্যাস নাই'। প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, গ্যাস কি সব শীতে জমাট বেঁধে গেছে? ভোর ছয়টায়ও যদি গ্যাস না থাকে এবং সারা দিনই যদি বিকল্প উপায়ে খেতে হয়, তাহলে প্রতি মাসে গ্যাসের বিল বাবদ ১০৮০ টাকা কেন দেব?

খবরটিতে বলা হয়েছে, গত সাড়ে তিন বছরে দেশে যখন গ্যাসের সরবরাহ সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে, তখন শুধু বাসাবাড়িতেই নয়, শিল্প-কারখানা ও অন্যান্য খাত সংকটে ধুঁকছে।

অনেক বাসাবাড়িতেই গ্যাসের অভাবে দিনের বেলায় ঠিকমতো চুলা জ্বলে না। গ্যাস আসে গভীর রাতে। আবার চাপও কম।

গ্যাস না পেলেও গ্যাসের নিয়মিত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। সেই সঙ্গে এলপিজি সিলিন্ডার কিংবা অন্য উপায়ে রান্নার জন্য বাড়তি ব্যয়ও করতে হচ্ছে।

খবরটিতে আরো বলা হয়েছে, পরিস্থিতি এমন হলেও বাসাবাড়িতে আবার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলো।

তারা দুই চুলার গ্রাহকদের জন্য ৫১২ এবং এক চুলার গ্রাহকদের ৩৯০ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে।

গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন কারিগরি কমিটি গঠন করেছে বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে।

দেশ

দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম পাঁচ ইসলামী ব্যাংকে ঘাটতি ২৪ হাজার কোটি টাকা । এ খবরে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বিশেষ ধার নিয়ে বছর শেষের চলতি হিসাব ইতিবাচক দেখিয়েছিল শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ইসলামি ব্যাংক। ধারের মেয়াদ শেষ হতেই এসব ব্যাংক আবার পড়েছে ঘাটতিতে।

ব্যাংকগুলো হলো ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ইসলামী ব্যাংক।

গত বৃহস্পতিবার ব্যাংকগুলো প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার ঘাটতিতে ছিলো। এর মধ্যে তারল্য সংরক্ষণ বাবদ ঘাটতি ১০ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চলতি হিসাবে ঋণাত্মক স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ২৯২ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ সমস্ত তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি। এর আগে ঘাটতি মেটাতে না পারলে অন্য ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন বন্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চিঠি দিয়েছিলো। পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় নি।

সকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম করা হয়েছে, কমেছে সঞ্চিতি সংরক্ষণ, দুর্বল হচ্ছে ব্যাংক। এ খবরে বলা হয়েছে, আমানতদারীদের জমাকৃত অর্থ থেকে ঋণ বিতরণ করে ব্যাংক। আমানতের সুরক্ষার অংশ হিসেবে ব্যাংকগুলোকে বিতরণকৃত ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি (প্রভিশন) সংরক্ষণ করতে হয়।

সঞ্চিতি রাখতে হয় ব্যাংকের অর্জিত পরিচালন মুনাফা থেকে। কোনো ব্যাংকের সঞ্চিতি ঘাটতি থাকার অর্থ হলো ওই ব্যাংকের আর্থিক ভিত দুর্বল। দেশের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে সঞ্চিতি ঘাটতির পরিমাণ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য দিয়ে সংবাদটিতে বলা হয়েছে, গত বছরের জুন শেষে ব্যাংক খাতে সঞ্চিতি সংরক্ষণের অনুপাত ৭৮ দশমিক ৭৬ শতাংশে নেমে এসেছে।

দেশের ব্যাংক খাতে সঞ্চিতি সংরক্ষণের এত নিম্ন হার অতীতে কখনো দেখা যায়নি বলে খবরটিতে বলা হয়েছে। দেশের ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা পর্যালোচনা করে প্রতি তিন মাস পর পর ‘ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্ট’ প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রকাশনাটির গত বছরের এপ্রিল-জুন মেয়াদের প্রতিবেদন মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, ব্যাংক খাতে সঞ্চিতি সংরক্ষণের অনুপাত ধারাবাহিকভাবে কমে যাচ্ছে।

বণিক

মহাসড়কের পাশের বাজার নিয়ে নিউ এইজ পত্রিকার শিরোনাম, “Remove markets beside highways: HC”। খবরটিতে বলা হয়েছে, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মহাসড়কের পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা দোকানগুলি সরাতে মঙ্গলবার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

একইসাথে জনগণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে অননুমোদিত যানবাহনগুলিকে রাস্তা থেকে সীমাবদ্ধ রাখার নির্দেশ ও দিয়েছে আদালত।

এছাড়াও আদালত অবৈধ স্থাপনা অপসারণে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে।

একইসাথে মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টিকারী পার্কিং বন্ধ করতেও আদেশ দেয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরকে তিন মাসের মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

একইসাথে চার সপ্তাহের মধ্যে মহাসড়কের পাশের হাটবাজার এবং অননুমোদিত যানবাহনের মতো অবৈধ স্থাপনা অপসারণে ব্যর্থতায় কেন ব্যবস্থা নেয়া হবে না সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে সচিবদের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

নিএ

মানবজমিন পত্রিকায় প্রধান শিরোনাম করা হয়েছে, “ভোটের পর সংঘাত বেড়েছে”। এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনের ১০ দিন পেরোলে ও ভোটকেন্দ্রিক সহিংসতা কমছে না।

খবরটিতে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘাতে এ পর্যন্ত ৪ জনের প্রাণ গেছে।

আহত হয়েছে ৩ শতাধিক। মাঠ প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতেও সহিংসতা কমছে না।

খবরটিতে গত সোমবার আওয়ামী লীগের যৌথসভার কথা উল্লেখ করে, নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা, দলের মধ্যে কোন্দল, সংঘাত ও বিভেদ নিরসনে দলীয় সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার কথা বলা হয়েছে।

মাজ

প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান শিরোনাম করা হয়েছে, “সড়কেই পাঁচ হাজার মানুষের মৃত্যু”।

সংবাদটিতে বলা হয়েছে, প্রথমবারের মতো সড়কে মৃত্যুর বার্ষিক হিসাব প্রকাশ করেছে সরকারি সংস্থা বিআরটিএ। সংস্থাটি তথ্য দিয়েছে, দিনে মৃত্যু হচ্ছে ১৪ জনের।

এতে বলা হয়েছে, নিরাপদ সড়কের জন্য পাঁচ বছর আগে দেশ কাঁপানো আন্দোলন করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। তখন সরকারে দিক থেকে সড়ক নিরাপদ করতে নানা আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

তবে, অবস্থা আরো ভয়াবহ দাবি করে সংবাদটিতে বলা হয়েছে, বিআরটিএ’র সরকারি হিসাবই বলছে, বিদায়ী বছরে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

সংবাদটিতে বলা হয়েছে, প্রথমবারের মতো সড়ক দুর্ঘটনার বার্ষিক তথ্য প্রকাশ করেছে বিআরটিএ। রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ ভবনে মঙ্গলবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে ২০২৩ সালের সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য তুলে ধরে সংস্থাটি।

প্রথম

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম করা হয়েছে, “স্থানীয় ব্যাংক থেকে অর্থ স্থানান্তর করা যাবে না”। এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় ব্যাংক থেকে অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটে আর কোনো তহবিল স্থানান্তর করা যাবে না।

শুধু তাই নয় ইতোমধ্যে স্থানান্তর করা বৈদেশিক মুদ্রা আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফেরত আনতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি নির্দেশনা ব্যাংকগুলোকে পাঠানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ডলার সঙ্কট কাটাতে এমন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে । সাময়িকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে খবরটিতে বলা হয়েছে।

বাজারে ডলারের প্রবাহ বাড়লে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক বিবেচনা করবে। অফশোর ব্যাংকিংয়ের মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তারা বিদেশ থেকে বিদেশী মুদ্রায় আমানত সংগ্রহ করবে।

সেসব তহবিল তারা বিদেশে অর্থাৎ দেশের ইপিজেড বা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ দেবে।

নদি

কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম করা হয়েছে, “স্মার্ট শিক্ষায় বদলে যাবে অবকাঠামো”। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বর্তমান সরকার তাদের যাত্রা শুরু করেছে।

এই স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন স্মার্ট এডুকেশন। সেজন্য আগে থেকেই কাজ শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে গত বছর থেকে চালু হয়েছে নতুন শিক্ষাক্রম।

শিক্ষার অবকাঠামোতেও ব্যাপক পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ৬৫ হাজার ২৪২ কোটি টাকা প্রাক্কলিত মূল্যের ১৬টি প্রকল্পের প্রস্তাব করেছে।

কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ নিয়ে দ্যা ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম “Repayment to rise 63pc in three years”। এতে বলা হয়েছে, সরকারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ গত অর্থবছর থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৬৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যা দেশের কোষাগারের উপর নতুন করে চাপের ইঙ্গিত দেয়। বৈদেশিক ঋণ বিতরণ এবং তাদের বিপরীতে সুদ প্রদানের বৃদ্ধি ঋণ সেবার প্রয়োজনীয়তাকে বাড়িয়ে তুলছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমান অনুসারে, সুদ সহ বিদেশী ঋণ পরিশোধ ২০২৫ - ২৬ সালে চার দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে। গত অর্থবছরে সরকার দুই দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ এখনো স্বস্তিদায়ক অবস্থায় রয়েছে। তবে কিছু ঝুঁকি রয়েছে যা আইএমএফের সর্বশেষ ঋণ টেকসই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তার মতে, যদি দেশের রপ্তানি খাতে বড় ধরনের ধাক্কা লাগে তবে, ডলারের তারল্য কমে যাবে। তাহলে ঋণ কম থাকলেও ঋণ সেবায় কিছু সমস্যা হতে পারে বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।

স্টার