‘মংলা মিরসরাইয়ে দ্রুত ইপিজেড চালু করতে চায় দিল্লি’

পত্রিকা

ভারতকে বাংলাদেশের দেয়া দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রসার নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘মংলা মিরসরাইয়ে দ্রুত ইপিজেড চালু করতে চায় দিল্লি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মংলা ও মিরসরাইয়ে ভারতকে বাংলাদেশের দেয়া দু’টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের (এসইজেড) কার্যক্রম দ্রুত চালু করতে চায় দিল্লি।

পাশাপাশি নতুন সীমান্তহাট খোলা, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য বাণিজ্য সুবিধা, সড়ক, রেল, বিমান এবং সামুদ্রিক যোগাযোগের উন্নতি করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভারত।

ভারত বাংলাদেশ যৌথ ইশতেহারে এমন অভিপ্রায় ব্যক্ত করা হয়েছে।

দিল্লি মনে করে, বাণিজ্য অবকাঠামো নির্মাণের ফলে ভৌগোলিক নৈকট্যকে দুই দেশের জনগণের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সুযোগে রূপান্তর করতে পারে।

সেখানে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তিস্তা নদীর সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা এবং আন্তঃসীমান্ত মানুষ, পণ্য ও পরিষেবার চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের পাশাপাশি দুই দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা প্রসারিত করার বিষয়েও দিল্লি অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে।

আরও পড়তে পারেন
পত্রিকা

বাংলাদেশের সাথে ভারতের অভিন্ন নদীর পানিবন্টন প্রসঙ্গে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘মোদিকে মমতার চিঠি: ফারাক্কা-তিস্তা নিয়ে কোনো চুক্তি নয়’।

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ফারাক্কা এবং তিস্তা নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো চুক্তি না করতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, গঙ্গা এবং তিস্তার জলবণ্টন নিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হয়তো আপনার কিছু আলোচনা হয়েছে।

কিন্তু রাজ্য সরকারের কোনো মতামত না নিয়ে এমন একতরফা আলোচনা কাঙ্ক্ষিত বা গ্রহণযোগ্য নয়। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কোনো আপস করবো না বলেও তিনি জানান।

কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার মততা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশের সরকার এবং জনগণের সঙ্গে তিনি যে সুসম্পর্ক রাখতে চান, সেই বার্তা দিয়ে মমতা জানিয়েছেন, ছিটমহল বিনিময়, রেল ও বাস যোগাযোগের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিবিড় হয়েছে।

কিন্তু পানি নিয়ে কোনো সমঝোতা করতে তিনি প্রস্তুত নন বলে জানান। শনিবার নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে ‘ফরাক্কা-গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি’ নবায়নের জন্য ‘যৌথ কারিগরি কমিটি’ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।

রোববারই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সরকারের ওই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা হয়। সোমবার বিকালে এই দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে মমতা অভিযোগ করেন, চীনকে দিয়ে ড্যাম (জলাধার) বানিয়েছে বাংলাদেশ।

পত্রিকা

আইএমএফ এর ঋণ প্রসঙ্গে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘IMF approves 3rd tranche of $1.15b loans’ অর্থাৎ, ‘আইএমএফ তৃতীয় ধাপে ১১৫ কোটি ডলার ঋণের অনুমোদন দিয়েছে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল গতকাল ১১৫ কোটি ডলারের তৃতীয় ধাপের ঋণ অনুমোদন করেছে।

আগামী দুই দিনের মধ্যে এই অর্থ ছাড় হবে এবং তা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে যোগ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র।

বাংলাদেশ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ একটি নির্ধারিত পর্যায়ে বজায় রাখা ছাড়া আইএমএফ এর বাকি সব শর্ত পূরণ করেছে।

আইএমএফ এক্সিকিউটিভ বোর্ডের আলোচনার পর, এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আন্তোয়েনেট এম সায়েহ মুদ্রাস্ফীতি কমানোর দিকে মনোযোগ দেয়ার কথা বলেছেন।

গত বছরের জানুয়ারিতে আইএমএফ ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে দুই কিস্তিতে ১০০ কোটি ডলারের বেশি পেয়েছে।

পত্রিকা

সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মতিউরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া প্রসঙ্গে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘দেশে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না, বিদেশে যেতে নিষেধাজ্ঞা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদ্য সাবেক সদস্য মো. মতিউর রহমানের অবস্থান এখন কোথায়, সে বিষয়ে তার স্বজন ও সহকর্মীরা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না।

বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দিচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোও। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কাছেও তার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।

তবে দুদক জানতে পেরেছে, মতিউর ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা দেশ ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য সাবেক সদস্য মো. মতিউরের দেশত্যাগে সোমবার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।

দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের দেওয়া এ নিষেধাজ্ঞার আওতার মধ্যে আরও রয়েছেন তাঁর প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ ও তাঁদের ছেলে আহাম্মেদ তৌফিকুর রহমান (অর্ণব)।

লায়লা কানিজ নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান। কোরবানির ঈদের পর থেকে তাঁকেও আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

এনবিআরের সদস্যপদের পর মো. মতিউরকে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

পত্রিকা

মতিউর রহমান প্রসঙ্গে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘মতিউরের প্রথম স্ত্রী লাকির ক্ষমতার পেছনে রাজু-তালেব’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ছাগলকাণ্ডে আলোচিত-সমালোচিত রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকিকে ‘উপহার’ হিসেবে আওয়ামী লীগের একটি পদ কিনে দেন।

লায়লা কানিজ লাকি রাজাকারের নাতনি হিসেবে এলাকায় পরিচিত হলেও আওয়ামী লীগের পদ বাগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তার এই পরিচয় কোনো বাধা হতে পারেনি।

স্থানীয় সংসদ সদস্য সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী রাজি উদ্দিন আহমেদ রাজুর বলয়ে রাতারাতি আওয়ামী লীগার হয়ে যান লাকি।

স্বামীর অবৈধ অর্থের পাল্লা এতটাই ভারী ছিল যে, লাকির বিপরীতে দাঁড়াতেই পারেননি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী।

এ জন্য নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জি এম তালেবের বিরুদ্ধে বিপুল অর্থ উৎকাচ নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

তাকে বিপুল অর্থ দিয়ে স্ত্রীর জন্য জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদকের পদ কিনে নেন মতিউর রহমান।

ঢাকার সরকারি তিতুমীর কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক লায়লা কানিজ লাকি অধ্যাপনা ছেড়ে কোনো রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ছাড়াই রাতারাতি আওয়ামী লীগার বনে যান। এ ঘটনায় ক্ষোভ আর বিস্ময় দলের অভ্যন্তরে।

পত্রিকা

দুর্নীতি প্রসঙ্গে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম,ঊর্ধ্বতন চাকরিজীবী ও গৃহিণীদের ব্যাংক হিসাব ফুলেফেঁপে উঠছে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের (ফ্রিজ) আদেশ দেন আদালত।

যদিও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান বলছে, ফ্রিজ করার আগেই ৩৩টি ব্যাংক হিসাব থেকে প্রায় শত কোটি টাকা নগদে উত্তোলন করে সপরিবার দেশ ছেড়েছেন বেনজীর।

আর এসব অর্থ ব্যাংকে জমা হয়েছিল গত এক দশকে। তিনি এ সময় র‌্যাব মহাপরিচালক ও পুলিশ মহাপরিদর্শকের মতো সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বেনজীরের মতোই তীব্র সমালোচনার মুখে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান। সরকারি এ কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও অবৈধভাবে হাজার কোটি টাকা উপার্জনের অভিযোগ উঠছে।

সেই অর্থে জমি, গাড়ি, বাড়ি কেনার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি কোম্পানির মালিক হয়েছেন তিনি।

দেশের ব্যাংকগুলোয় তার দুই স্ত্রী ও সন্তানদের নামে শত কোটি টাকার বেশি জমা ছিল। গত কয়েকদিনে এসব অর্থের বড় অংশই তুলে নেয়া হয়েছে।

দুদক ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সূত্রের বরাতে এসব তথ্য দেয়া হয়েছে।

এভাবে এ শ্রেণীর কর্মকর্তারা স্ত্রী, মা, বোনসহ নিকটাত্মীয়দের নামেও ব্যাংকে টাকা রাখছেন। এতে ঊর্ধ্বতন চাকরিজীবীদের পাশাপাশি ফুলেফেঁপে উঠছে গৃহিণীদের ব্যাংক হিসাবের আমানতও।

পত্রিকা

ঋণখেলাপি প্রসঙ্গে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির কাছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ব্যাংকের শীর্ষ ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

গত বছরের জানুয়ারিতে সংসদে ব্যাংক খাতের শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ করেছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

ওই তালিকায় যাদের নাম ছিল, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা এখনও শীর্ষ খেলাপির তালিকায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ওই তালিকায় ব্যাংক খাতের ঋণ জালিয়াতিতে আলোচিত সাদ মুসা গ্রুপ, এননটেক্স গ্রুপ, ক্রিসেন্ট গ্রুপ, মাইশা গ্রুপ, রতনপুর গ্রুপসহ বিভিন্ন গ্রুপের নাম রয়েছে।

তাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ সরকারি মালিকানার জনতা এবং বেসরকারি মালিকানার ন্যাশনাল ব্যাংক। দুটি ব্যাংকের অবস্থা আগের চেয়ে অবনতি হয়েছে।

আইএমএফের ৪৭০ কোটি ডলার ঋণের শর্ত মেনে ২০২৬ সালের মধ্যে বেসরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ পাঁচ শতাংশের নিচে এবং সরকারি ব্যাংকের ১০ শতাংশের নিচে নামানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তবে খেলাপি ঋণ কম দেখাতে এখনকার মতো নীতি-সহায়তা রাখা যাবে না।

পত্রিকা

সরকারি খাসজমি দখল নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘প্রতিমন্ত্রীর নামে খাসজমি: দলিল করে নামজারির পর খাজনাও দিচ্ছেন’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারি খাসজমি দলিল করে মালিকানা নিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান এমপিসহ চারজন।

প্রায় ২৬ বছর আগে চাঞ্চল্যকর এ দলিল সম্পাদনের পর জমি নিজেদের নামে নামজারিও করে নিয়েছেন। দিচ্ছেন খাজনাও।

অথচ আলোচ্য দলিলে যে দাগ-খতিয়ান উল্লেখ করে বিক্রি দেখানো হয়েছে, এর প্রায় অর্ধেক জমিই পর্যটন করপোরেশন খাস সম্পত্তি হিসাবে অধিগ্রহণ করে নিয়েছে।

আর বাস্তবে জমি না থাকলেও গোপনে দলিল করা হয়েছে ডিসির খতিয়ানে থাকা এই জমি।

এমনকি আলোচ্য দলিলের একটি দাগে ৪২ শতক জমির কোনো অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি সাগরকন্যা খ্যাত কুয়াকাটা উপকূলে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভূমি অফিসের এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, আসলে প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমানের দলিল নিয়েই রাষ্ট্রীয় তদন্ত হওয়া উচিত।

নথিপত্রে দেখা যায়, ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল পাউবো পটুয়াখালীর তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমানসহ দুজনের বিরুদ্ধে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করেন। তখন তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা।

অবশ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান এ অভিযোগের বিষয়ে যুগান্তরকে বলেন, ‘আমার কেনা দাগে সরকারের খাস খতিয়ানের কোনো জমি নেই।

পত্রিকা

হাসপাতালে দুর্নীতি নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Corruption, irregularities handicap BSMMU unit’ অর্থাৎ, ‘দুর্নীতি, অনিয়মে পঙ্গু বিএসএমএমইউ ইউনিট’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি উদ্বোধনের দুই বছর পরও প্রয়োজনীয় লোকবল ও সরবরাহের অভাবে পুরোপুরি চালু হতে পারেনি।

হাসপাতালের নতুন প্রশাসন বলেছে, বিশেষায়িত হাসপাতালে সেবার সুবিধার্থে জনবল নিয়োগ, যন্ত্রপাতি ক্রয় এবং জায়গা ভাড়াসহ সব পর্যায়ে দুর্নীতি ও অনিয়ম পাওয়া গিয়েছে।

দুর্নীতি ও অনিয়মের বেশিরভাগ অভিযোগ বিএসএমএমইউর তৎকালীন সাবেক উপাচার্য মোঃ শরফুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে, যার মেয়াদে হাসপাতালটি নির্মিত হয়েছিল।

অন্যদিকে মোঃ শরফুদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে হাসপাতালটিকে পুরোপুরি চালু করার প্রক্রিয়া ধীরগতির জন্য বর্তমান প্রশাসনের ওপর দায় চাপিয়েছেন।

তিনি দাবি করেন, সব কেনাকাটা ও নিয়োগ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সিন্ডিকেট কমিটি অনুমোদন করেছে।

২০২২ সালের ১৪ই সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭৫০-শয্যা বিশিষ্ট বিশেষায়িত হাসপাতালের উদ্বোধন করেন, যা বাংলাদেশের অন্যান্য হাসপাতালে অনুপলব্ধ চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।