আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'মহাসমাবেশ পাল্টা সমাবেশ ঘোষণায় সংঘাতের শঙ্কা'
দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম, “মহাসমাবেশ পাল্টা সমাবেশ ঘোষণায় সংঘাতের শঙ্কা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বৃহস্পতিবার বিরোধী দল বিএনপি ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে। একই দিন পাল্টা সমাবেশের ডাক দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। খবরে বলা হয়েছে, দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘোষণায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে জনমনে।
আগামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহল থেকে বারবার সমঝোতার তাগিদ দেয়া হলেও সে পথে হাঁটছে না কেউ। ইতোমধ্যে শোডাউনের জবাবে পাল্টা শোডাউনে দুই জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে লক্ষ্মীপুর এবং নড়াইলে।
নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে বড় দুই দলের বিরোধ নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “অনিশ্চয়তা বাড়ছে রাজনীতিতে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি এখন বিপরীতমুখী ও অনমনীয় অবস্থানে রয়েছে।
এখন পর্যন্ত কেউ ছাড় দিতে রাজি না হওয়ায় এই দলের মধ্যে আলোচনা বা সমঝোতার সম্ভাবনা কার্যত থাকছে না। এতে দেশের রাজনৈতিক সংকট আরো ঘনীভূত হচ্ছে।
সরকারের পদত্যাগ আর নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে অনড় অবস্থায় রয়েছে বিএনপি। তারা রাজপথে চূড়ান্ত ফয়সালা করার কথা বলছে। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নির্বাচন প্রশ্নে সংবিধানের বাইরে কোন ছাড় দিতে রাজি নয়। ফলে অনিশ্চয়তা বাড়ছে দুই দলের নেতাদের মধ্যে।
বৃহস্পতিবারের সমাবেশকে ঘিরে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, “বড় প্রস্তুতি নিয়ে রাজপথে থাকবে আওয়ামী লীগ”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী ২৭ জুলাই বিএনপির কর্মসূচি ঘিরে রাজপথে বিশৃঙ্খলা, সহিংসতার অপচেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। ফলে এদিন ক্ষমতাসীনরা ঢাকায় লক্ষাধিক নেতাকর্মী নিয়ে রাজপথে থাকবে।
দলীয় সূত্রগুলো জানায়, ওইদিন বিএনপিকে রাজপথ দখলের কোনো সুযোগ দিতে চায় না আওয়ামী লীগ। বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো থেকে নেতাকর্মীরা আসার পথে যেন কোনো রাস্তায় বসে পড়তে না পারেন সে বিষয়ে সজাগ থাকবে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা।
আগামী ২৭শে জুলাই দুপুরে ঢাকার জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে যুবলীগ ঘোষিত তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশ কর্মসূচির বদলে শান্তি সমাবেশ পালনের সিদ্ধান্ত হয়। এই কর্মসূচী আজ সোমবার হওয়ার কথা থাকলেও সেটি পিছিয়ে ২৭শে জুলাই নেয়া হয়।
দৈনিক বাংলার প্রধান শিরোনাম, “১০০ বৈঠকে বহু প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে ইইউ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এই প্রতিনিধি দল তাদের দুই সপ্তাহের সফরে বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের সঙ্গে শতাধিক বৈঠক করেছেন।
এসব বৈঠকে বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন তারা। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে তারা নির্বাচনীব্যবস্থা, নির্বাচনের সময় সহিংসতা, নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা, ভোটার তালিকা ইত্যাদি বিষয়ে জানতে চেয়েছেন।
একই সঙ্গে বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষক পরিষদের সঙ্গে বৈঠকে কীভাবে নির্বাচন অন্তর্ভুক্তিমূলক করা যায়, তারা সে উত্তর খুঁজেছেন। বৈঠকে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশে গণমাধ্যম কতটুকু স্বাধীন, এ নিয়ে জানতে চান ইইউ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে জাতীয় নির্বাচনে কীভাবে শান্তি বজায় রাখবে সে জবাবও খোঁজা হয়েছে।
সড়কে প্রাণহানি নিয়ে ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, “সড়কে এতো প্রাণহানি দায় কার?”। শনিবার ঝালকাঠিতে বাস পুকুরে পড়ে ১৭ জন নিহতের ঘটনাকে ঘিরে সড়ক দুর্ঘটনার অবহেলার নানা চিত্র তুল ধরা হয়।
বলা হচ্ছে, দুই-একটি আলোচিত সড়ক দুর্ঘটনার তদন্ত ও মামলা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে সড়কে প্রাণ হারানো ব্যক্তির স্বজন বা আহত ব্যক্তি আইনানুগ কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না।
সরকারের সড়ক মহাপরিকল্পনা নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, “পরিকল্পনার প্রায় দ্বিগুণ বিনিয়োগ, পূরণ হয়নি বেশির ভাগ উদ্দেশ্য”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের সড়ক যোগাযোগ খাতের উন্নয়নের জন্য সরকার ১৪ বছর আগে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছিল তার বেশির ভাগ প্রধান উদ্দেশ্য আজও পূরণ হয়নি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সরকারের ২০ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, নতুন সেতু নির্মাণ, সড়ক-সেতু পুনর্বাসন, সংস্কার এবং রক্ষণাবেক্ষণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এজন্য ৬৬ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা বিনিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, এখন পর্যন্ত বিনিয়োগ হয়েছে প্রাক্কলনের প্রায় দ্বিগুণ।
এর মধ্যে সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) মাধ্যমে গত ১১ বছরে খরচ হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকার বেশি। অথচ যে সাতটি প্রধান উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য মহাপরিকল্পনা নিয়েছিল সরকার, তার বেশির ভাগই পূরণ হয়নি বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ।
মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, “ক্রাইসিস”। খবরে বলা হয়েছে, নিত্য পণ্যের উচ্চ মূল্যের নেপথ্যে রয়েছে ডলার সংকট। গত বছরের মার্চ থেকে ডলারের দামে ঊর্ধ্বগতি, যা এখনো বাড়ছে। এক বছরে ডলারের দাম বেড়েছে ২৬ শতাংশ। এতে বেড়ে যাচ্ছে আমদানি খরচ।
খবরে আরও বলা হয়েছে, ডলার সংকটের কারণে শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সব খাতেই নেতিবাচক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ সময়ে কমেছে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও কয়লা আমদানি। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সংকট দেখা দিয়েছে।
ব্যাংকখাতের ঋণ নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, “Banks’ risky loans thrice as large”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত ১৩ই জুলাই বাংলাদেশের সরকারি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনরায় কমে আসায় বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য আরেকটি 'অভদ্র ধাক্কা' অপেক্ষা করছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল- আইএমএফ এর শর্ত অনুযায়ী, ব্যাংকিং সেক্টরের দুর্দশাগ্রস্ত সম্পদের তথ্য প্রকাশ করা হবে, যা এই খাতের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরবে।
ব্যাংক খাতের অস্থিরতা নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, “পরিচালকদের ঋণ ২ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ব্যাংক খাতে ১৪ লাখ কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক পরিচালকরা নিয়েছেন প্রায় ২ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের ১০ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
এসব ঋণের বেশির ভাগই যোগসাজশের ঋণ। এর মধ্যে খেলাপি হয়ে গেছে প্রায় ৭৫৭ কোটি টাকা, যা বিতরণ করা ঋণের শূন্য দশমিক ৩৩ শতাংশ। অথচ ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, এক টাকাও খেলাপি থাকলে ব্যাংকের পরিচালক হওয়া বা থাকার সুযোগ নেই। কিন্তু বাস্তবে এক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ নেই।
বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম, “Japan keen to invest more but seeks better business environment” অর্থাৎ বাংলাদেশে আরো বিনিয়োগ করতে আগ্রহী জাপান, কিন্তু তারা ব্যবসার ভালো পরিবেশ চায়। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাপান স্বল্পোন্নত দেশে উন্নিত হওয়ার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ছয়টি খাতে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে চায়।
ছয়টি খাত হচ্ছে – পোশাক খাত, আইটি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং ভারী শিল্পের দিকে রূপান্তর, একটি লজিস্টিক হাব হয়ে ওঠা এবং একটি সার্কুলার ইকোনমির দিকে এগিয়ে যাওয়া।
রোববার ঢাকায় ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক সম্পর্ক আগামী ৫০ বছরের জন্য: বাংলাদেশের শিল্পোন্নয়নের জন্য’ শীর্ষক সম্মেলনে বক্তৃতাকালে দেশটির মন্ত্রী ইয়াসুতোশি নিশিমুরা এসব কথা বলেন। লক্ষ্য অর্জনে সরকারি-বেসরকারি খাতকে একসঙ্গে কাজ করার তাগিদ দেন তিনি।
অন্যান্য খবর
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে দৈনিক বাংলার প্রথম পাতার খবর, “দুঃখিত, বিছানা ফাঁকা নেই”। প্রতিবেদনে বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতির সাথে তিন বছর আগের করোনা মহামারীর তুলনা করা হয়েছে।
বলা হচ্ছে, করোনা মহামারীর সময় রোগীদের চাপে হাসপাতালগুলো ‘বেড ফাঁকা নেই’ ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়েছিল । সে অবস্থা পুনরাবৃত্তি হয়েছে বর্তমান ডেঙ্গুর ভয়াবহ অবস্থায়। দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি অস্বাভাবিক অবস্থা চলছে যদিও এটাকে মহামারী বলতে নারাজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
একের পর এক হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তি ও মৃত্যুর রেকর্ড হচ্ছে। ইতোমধ্যেই চুয়াডাঙ্গা বাদে দেশের ৬৩ জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী বেড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সরকারি যে হাসপাতালে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয় সেই মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নতুন রোগী ভর্তি নিতে না পেরে দুঃখ প্রকাশ করেছে। রোগীতে সয়লাব অন্য সরকারি হাসপাতালগুলো।
এরমধ্যে ঢাকা মহানগর ১১টি এলাকা থেকে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে বেশি ভর্তি হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সংবাদের প্রথম পাতার খবর, “প্রচণ্ড গরমে দেশে শ্রমিকদের কর্মক্ষমতা কমছে”। যুক্তরাজ্যের গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্সের একটি ইনস্টিটিউটের এক গবেষণার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রচন্ড গরমের কারণে বাংলাদেশে শ্রমিকদের কর্মক্ষমতা কমছে।
লন্ডন স্কুল অব ইকনোমিকস থেকে গত সপ্তাহে বাংলাদেশে অতি উষ্ণ তাপমাত্রার প্রভাব নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তাতে বাংলাদেশে গরমের কারণে শিল্প ও কৃষি এই দুই খাতের শ্রমিকেরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
চরম গরম আবহাওয়ার সরাসরি প্রভাব বাংলাদেশের মানুষের জীবন, জীবিকা ও স্বাস্থ্যের ওপরে পড়ছে। গবেষণাটিতে বলা হয়েছে, উষ্ণতা যে হারে বাড়ছে, তা অব্যাহত থাকলে ২০৮০ সালের মধ্যে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের তাপমাত্রা তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে। আর তাতে এখানকার শ্রমিকদের কর্মক্ষমতা ৪৬ শতাংশ কমে আসতে পারে।
রিজার্ভ সংকট ঘিরে বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর, “রিজার্ভ আরো কমে ২৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে এখনো ডলার বিক্রি অব্যাহত থাকায় থাকায় রিজার্ভের পরিমাণ আরো কমেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার বিক্রি করছে জ্বালানি তেল, এলএনজি, সারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির দায় মেটানোর জন্য। পাশাপাশি সরকারের বিদেশী ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্যও ডলার বিক্রি করা হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে।
গত ১৯শে জুলাই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৩ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রস হিসাবে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। গতকাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ তথ্য প্রকাশ করে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংকগুলোয় এখনো ডলারের সংকট কমেনি। প্রতিদিনই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ডলার কেনার বিপুল চাহিদা আসছে। কোনো কোনো দিন এ চাহিদার পরিমাণ ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রকৃত চাহিদা যাছাই করে তবেই ডলার বিক্রি করছে। বাকি ডলার বাজার থেকে কেনার জন্য বলা হচ্ছে।