'মার্কিন সাহায্য স্থগিতে শঙ্কা'

পত্রিকা

মার্কিন সাহায্য স্থগিতে শঙ্কা— কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈদেশিক সহায়তা স্থগিতের সিদ্ধান্তে সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশে।

গত সোমবার রাতে দ্বিতীয় দফায় শপথ নেওয়ার দিনই বিদেশে মার্কিন সহযোগিতা ৯০ দিনের জন্য স্থগিত করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উন্নয়ন সহযোগীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্তের বিরূপ প্রভাব পড়বে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে।

বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার বিভিন্ন প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়েও চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র তার আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউএসএআইডি সহ পররাষ্ট্র, কৃষি, বিচার, জ্বালানিবিষয়ক দপ্তর এবং ফেডারেল ট্রেড কমিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সহায়তা দিয়ে থাকে।

২০২৩ সালেও দেশটি বাংলাদেশকে ৪৯ কোটি ডলার (প্রায় ছয় হাজার কোটি টাকা) সহায়তা দিয়েছে।

কালের কণ্ঠ

বিষের বিপদে 'রক্ষক' সুন্দরবন— প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট একের পর এক শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়কে বুক পেতে ঠেকিয়ে এতদিন ধরে বাংলাদেশকে রক্ষা করে যাওয়া সুন্দরবন এখন নিজেই বিপদে।

এ মুহূর্তে সুন্দরবনের সবচেয়ে বড় বিপদ হলো বনের নদী-খালে বিষ দিয়ে মাছ ধরার প্রতিযোগিতা।

এই অপতৎপরতার পেছনে কাজ করছে প্রভাবশালী অন্তত তিনটি গোষ্ঠী।

প্রথমটি হলো বন উপকূলের একশ্রেণির মাছ ব্যবসায়ী, যাদের বলা হয় কোম্পানি মহাজন। তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রিত জেলেদের প্ররোচনা দেন বিষ ছিটিয়ে দ্রুত বেশি মাছ শিকারে।

আরেক গোষ্ঠী হলো অসাধু বনরক্ষী। কোম্পানি মহাজনদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে তারা অভয়ারণ্যের নদী-খালে ঢুকে বিষ ছিটিয়ে মাছ ধরার সুযোগ করে দেন।

এই দুই দলের সঙ্গে সম্প্রতি আবার যুক্ত হয়েছে বনদস্যুরা। এই চক্রটিকে সহযোগিতা করছেন এক শ্রেণির সাংবাদিক।

প্রথম আলো
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

এশিয়ায় অন্যতম অদক্ষ বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত— বণিক বার্তা পত্রিকার এই প্রধান শিরোনাম অনুযায়ী, ভিয়েতনামে বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৮১ হাজার মেগাওয়াট। দেশটিতে পিক আওয়ারে গত বছর বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল ৪৬ হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি।

সক্ষমতার বড় একটি অংশ অব্যবহৃত থাকলেও দেশটির বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ শূন্যের কাছাকাছি। আর কিলোওয়াটপ্রতি ট্যারিফ (ভ্যাট ছাড়া) বাংলাদেশী টাকায় নয় টাকা আট পয়সার সমান।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতের সক্ষমতা ভিয়েতনামের এক-চতুর্থাংশ। বিদ্যুতের সর্বোচ্চ ব্যবহার পিক আওয়ারে ৬০ শতাংশের ওপরে।

ট্যারিফ প্রতি - কিলোওয়াট ঘণ্টায় গড়ে সাড়ে আট টাকার কিছু বেশি। আর বিদ্যুৎ উৎপাদনে মাথাপিছু ভর্তুকির পরিমাণ ১৮ ডলার ৫৩ সেন্টের সমান।

প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় তিন টাকা ৯৯ পয়সায়। মাথাপিছু ও প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা-সব হিসাবেই বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে দেয়া ভর্তুকির পরিমাণ ভিয়েতনাম এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার ভারত ও পাকিস্তানের চেয়েও অনেক বেশি।

বিদ্যুৎ খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে বিদ্যুতে ভর্তুকি বেড়ে যাওয়ার বড় একটি কারণ হলো এ খাতে একের পর এক অপ্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ।

বিগত সরকারের আমলে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নানা ধরনের অনিয়ম- দুর্নীতি হয়েছে।

আবার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় কমিয়ে আনায়ও কখনো মনোযোগ দেয়া হয়নি। সব মিলিয়ে গোটা এশিয়ায়ই বিদ্যুৎ খাতে দক্ষতার দিক থেকে সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া দেশগুলোর অন্যতম

বণিক বার্তা

মাস্টারমাইন্ড গভর্নর আতিউর— যুগান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ১০১ মিলিয়ন ডলার লুটের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার 'মাস্টারমাইন্ড' তৎকালীন গভর্নর ড. আতিউর রহমান।

তার নির্দেশনায় রিজার্ভ থেকে ওই অর্থ সরানোর পর এ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলার সব আয়োজন সম্পন্ন হয়।

রিজার্ভ লুটের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জেনে গেলে বোর্ডরুমে সবাইকে ডেকে সভা করে তাদের মুখ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন ড. রহমান।

হ্যাকিংয়ের ঘটনার পরপর তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফট সার্ভার রুমে এসে কর্মকর্তাদের বলেছিলেন, "যদি তোমরা কেউ বলো যে হ্যাক হয়েছে, তোমাদের কারও চাকরি থাকবে না।"

যুগান্তর

ভ্রমণকর হারাচ্ছে সরকার— এটি আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা সীমিত করে ভারত।

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত অনেক দেশের ভিসা সেন্টার ভারতে থাকায় সেসব দেশের ভিসা প্রাপ্তিতে দেখা দিয়েছে জটিলতা।

এ ছাড়া বিগত কয়েক মাসে কঠিন হয়েছে মালয়েশিয়া, তুরস্ক, মিসর, ইন্দোনেশিয়াসহ বাংলাদেশি পর্যটকদের নিয়মিত গন্তব্যের দেশগুলোর ভিসা প্রাপ্তিও।

এতে বাংলাদেশ থেকে বিদেশ ভ্রমণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। যার প্রভাবে ধাক্কা লেগেছে সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম খাত ভ্রমণকর সংগ্রহেও।

হজ, ওমরাহ এবং ক্যানসারের চিকিৎসা ব্যতীত অন্য যেকোনো কাজে দেশের সীমানা পার হতে ভ্রমণকর পরিশোধ বাধ্যতামূলক। সেটি স্থল, রেল ও নৌপথ—সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

আবার আকাশপথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সব ক্ষেত্রেই ভ্রমণকর দিতে হয় যাত্রীদের। ফলে কোনো কারণে ভ্রমণ কমলে এ খাত থেকে আয় কমে সরকারের।

আজকের পত্রিকা

তদন্তে রাতের ভোটকারীরা— নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

এ খবরে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দিনের ভোট রাতে করা, অপরাধমূলক অসদাচরণ, জাল-জালিয়াতি ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে সংসদ সদস্য নির্বাচনের অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ ব্যাপারে পাঁচ সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে বলে গতকাল বুধবার সাংবাদিকদের জানান দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন।

দুদক জানায়, ২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে করা, ব্যালট জালিয়াতি ছাড়াও কিছু কিছু কেন্দ্রে ৯০ শতাংশের বেশি কাস্টিং দেখানো, ব্যাপক আর্থিক লেনদেন, ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রার্থীকে জেতানো ইত্যাদি নানা অভিযোগ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং দুদকেও কিছু অভিযোগ জমা হয়েছে।

নয়া দিগন্ত

এতে বলা হয়েছে, শ্রমিক অসন্তোষে গতকাল বুধবার ফের অশান্ত হয়ে ওঠে গাজীপুর ও সাভারের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল।

বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে দফায় দফায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর চালায় বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের কর্মহীন কয়েক হাজার বিক্ষুব্ধ শ্রমিক।

লাঠিসোটা নিয়ে মহাসড়কে থাকা শতাধিক যানবাহনে গণভাঙচুর চালানো হয়। আগুন দেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকটি গাড়িতে।

খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন তিন সংবাদকর্মী।

মালভর্তি ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসও আগুন থেকে রক্ষা পায়নি। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে শ্রমিকরা গাজীপুরের তেঁতুলবাড়ি এলাকায় গ্রামীণ ফেব্রিক্স অ্যান্ড ফ্যাশন লিমিটেডের কারখানার গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকে।

পরে ওই কারখানায় অগ্নিসংযোগ করা হয়।

শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময় মহাসড়কের উভয় পাশে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল।

সমকাল

Cluster system may be proposed for ministries— দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, সমন্বয় বাড়াতে ও সরকারের পরিচালন ব্যয় কমানোর জন্য জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন সম্ভবত মন্ত্রণালয় এবং বিভাগের সংখ্যা ৫৫ থেকে কমিয়ে ৩০-এ নামিয়ে আনার সুপারিশ করবে।

এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব (পিএস), মন্ত্রী, স্পিকার এবং সরকারের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নীতিনির্ধারকদের জন্য রাজনৈতিক নিয়োগের প্রস্তাব দিতে পারে কমিশন।

আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন এই সংস্কার কমিশন মন্ত্রণালয়গুলোর গুচ্ছভিত্তিক ব্যবস্থা প্রবর্তন এবং নির্দিষ্ট ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট কোনও গুচ্ছের জন্য মনোনীত করার সুপারিশ করবে কিনা, তা নিয়ে আলোচনা করছে।

এছাড়া, দেশকে চারটি প্রশাসনিক প্রদেশে ভাগ করার প্রস্তাব এবং বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার প্রশ্নের মান উন্নত করার বিষয়েও সুপারিশ আসতে পারে বলে জানা গেছে।

দ্য ডেইলি স্টার

সিসি ক্যামেরায় ভিনদেশি!— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়ছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় পুলিশের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা, অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশ হত্যাকান্ডের ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

স্থাপনাগুলোর ভেতর ও বাইরে থাকা ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত চলছে।

ফুটেজে চিহ্নিত হচ্ছে হামলার সঙ্গে কারা সম্পৃক্ত আছেন। তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলার সময় প্রায় সব ঘটনায় বহিরাগতরা অংশ নিয়েছিল।

কেউ কেউ ভিনদেশি বলে তদন্তে বেরিয়ে আসছে।

বিষয়টি আরও গভীরে গিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

তাছাড়া হামলার সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাও রয়েছেন বলে পুলিশের একটি সূত্র দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছে।

দেশ রূপান্তর

Beximco takes Tk 50,000cr in loans, nearly half defaulted— নিউ এজ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

এ খবর অনুযাী, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের নিয়ন্ত্রণাধীন বেক্সিমকো গ্রুপের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ও ব্যাংকিং নিয়মাবলী উপেক্ষা করে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৫০,০০০ কোটি টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

তুলে নেওয়া ওই অর্থের মধ্যে ২৩ হাজার ১২০ কোটি টাকা বা প্রায় ৪৭ শতাংশ অনাদায়ী ঋণে (খেলাপি ঋণ) পরিণত হয়েছে, যা দেশের আর্থিক খাতে বিপর্যয় ডেকে এনেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিপোর্ট অনুযায়ী, বেক্সিমকো গ্রুপের মোট ১৮৮টি কোম্পানির মধ্যে ১৬৯টি কোম্পানি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ৪৯ হাজার ১৭২ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে।

মোট ঋণের মধ্যে ১৫টি ব্যাংক ৪৮ হাজার ৮২ কোটি টাকা এবং সাতটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ১৮১ কোটি টাকা ঋণ প্রদান করেছে।

এছাড়া, কয়েকটি ব্যাংক বেক্সিমকোর সুকুকে ৯০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউ এজ

স্বজনের কবর শনাক্ত করতে পারছেন না তারা— মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে ঢাকা মেডিকেল, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল ও শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা বেওয়ারিশ লাশের ময়নাতদন্ত শেষে ডিএনএ নমুনা রেখে স্ব-স্ব থানার মাধ্যমে দাফনের জন্য আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামে পাঠায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

পরে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম ওই বেওয়ারিশ মরদেহের ছবি সংরক্ষণ করে রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করে।

ওই সময়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় পাঁচ থেকে ১২টি লাশ দাফন করা হয়।

আন্দোলনের ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো পুলিশ স্টেশন, হাসপাতালের মর্গ ও কবরস্থানে স্বজনরা ছুটে আসছেন।

সবাই অন্তত নিখোঁজ প্রিয়জনের লাশটা ফেরত চান। কিন্তু ডিএনএ স্যাম্পল ছাড়া পরিচয় শনাক্ত করার অন্য কোনও উপায় নেই।

মানবজমিন

১৭ বছর পর দখলমুক্ত হলো গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ১৫শ' কোটি টাকার সম্পদ— সংবাদ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি, যেখানে বলা হয়েছে— প্রভাবশালীরা গত ১৭ বছর ধরে ঢাকার মিরপুরে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের প্রায় ১০ একর সম্পত্তি দখলে রেখেছিলো।

ওই সম্পত্তির বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় এক হাজার ৫শ' কোটি টাকা। এর মধ্যে সাংবাদিকদের জন্য বরাদ্ধকৃত সাত একর সম্পত্তিও রয়েছে।

অবশেষে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, গত ২১শে জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রায় সন্ধ্যা পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে সম্পত্তি দখলমুক্ত করেছে।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ সংবাদকে জানায়, ঢাকার মিরপুর ৮ নম্বর সেকশনের ব্লক-ঘ এর ঝিলপাড়ে প্রায় ১০ একর সম্পত্তি রয়েছে।

সেই জমি প্রভাবশালীরা দখল করে মোল্লা বস্তি গড়ে তোলে ভাড়া দিত।

ওই বস্তি থেকে নিয়মিত ভাড়া আদায় করতো। বিগত সরকারের আমলে ওই জায়গা প্রভাবশালীরা দখলে রেখেছে। যার কারণে উচ্ছেদ করা সম্ভব হয়নি।

সংবাদ