আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'জামায়াতের ভয় এবং নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা'
' জামায়াতের ভয় এবং নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা ' মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
এ সংবাদে বলা হয়েছে, অভ্যুত্থানের শক্তিগুলোর মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে। দূরত্ব কমানোর তাগিদ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মহল থেকে। কিন্তু দূরত্ব কমছে না।
বরং শেষ মুহূর্তে এসে ফারাক আরও বাড়ছে। আগে ছিল প্রস্তাব, এখন শর্তে পরিণত হয়েছে।
প্রধান রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি'র সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি'র মধ্যে নানা বিষয়ে যোজন যোজন দূরত্ব।
ঐকমত্য কমিশন প্রায় প্রতিদিনই বৈঠকে বসছে অনানুষ্ঠানিকভাবে। কিন্তু কোনো বিষয়েই তাদের মধ্যে ঐকমত্য হচ্ছে না।
পিআর পদ্ধতি নিয়ে বিএনপি'র সাফ কথা আমরা এতে নেই। এমনকি উচ্চকক্ষেও তাদের আপত্তি।
জামায়াত-এনসিপি' বলছে, পিআর পদ্ধতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত না হলে তাদের পক্ষে নির্বাচনে যাওয়া সম্ভব নয়। গণভোট প্রশ্নেও ভিন্নমত স্পষ্ট।
বিএনপি বলেছে, এটা সংবিধানে নেই। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিয়েও বিরোধ। সংস্কার ও বিচার প্রশ্নে দূরত্ব কম, তবে সময় নিয়ে আপত্তি আছে।
এ খবরে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী শঙ্কিত। তাদের শঙ্কার কারণ কী? তারা ভয় পাচ্ছে- এই মুহূর্তে নির্বাচন হলে বিএনপি সর্বাধিক আসন লাভ করবে।
তখন তাদের অভ্যুত্থানের অর্জনগুলো প্রশ্নের মধ্যে পড়বে, অথবা হারিয়ে যাবে।
একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলছিলেন, অভ্যুত্থানে জামায়াতের অর্জন সবচেয়ে বেশি। তারা অন্তত ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। জামায়াত সমর্থকরাই এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মনোনীত হয়েছেন।
কেবিনেট সেক্রেটারি থেকে শুরু করে প্রশাসনের শীর্ষ পদগুলো তাদের সমর্থকরা দখল করে আছেন। মাঠ প্রশাসনেও একই অবস্থা। ব্যবসা - বাণিজ্যেও তাদের এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ।
তারা মনে করে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে সবকিছু ওলটপালট হয়ে যাবে। এসব কারণেই জামায়াত এই মুহূর্তে নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহী নয় বলে মনে হচ্ছে।
' সংস্কারে আর ছাড়ের পক্ষে নয় বিএনপি ' সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
এ খবরে বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পরবর্তী বৈঠকে বিএনপি তার দলীয় অবস্থান আবার তুলে ধরবে।
জামায়াতে ইসলামী বাদে জুলাই অভ্যুত্থানের অংশীজন অন্য দলগুলোর সঙ্গে বিএনপি জোট করতে পারে। নির্বাচনে জয়ী হলে একসঙ্গে সরকার গঠনও করবে।
গত সোমবার রাতে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন আলোচনা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
বৈঠক থেকে সংস্কারের বিষয়ে ছাড়ের কোনো আভাস মেলেনি।
লন্ডন থেকে বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
দলটির মতে, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট ও গণপরিষদের দাবি বাস্তবসম্মত নয়।
সনদকে সংবিধানের ওপরে প্রাধান্য দেওয়া ও আদালতের প্রশ্ন তোলার সুযোগ রহিত করার অঙ্গীকারও গ্রহণযোগ্য নয়।
যেসব সংস্কার কার্যকরে সংবিধান সংশোধন করতে হবে, সেগুলো পরবর্তী সংসদে হবে। বাকিগুলো সরকার চাইলে নির্বাচনের আগে অধ্যাদেশ, নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কার্যকর করতে পারে।
জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন ও এনসিপি নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য সংস্কারের যেসব শর্ত দিয়েছে, তাতে বিএনপি গুরুত্ব দেবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে খবরে।
' পাঠ নয় মাঠেই বেশি সরব ' কালের কণ্ঠ পত্রিকার শিরোনাম।
নানা দাবি নিয়ে আন্দোলনের মাঠে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ফলে শিক্ষাঙ্গনে একটা অস্থিরতা বিরাজ করছে বলে এ খবরে বলা হয়েছে।
প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষকরা বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবি নিয়ে আন্দোলনের মাঠে রয়েছেন। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের খুব একটা মনোযোগ নেই।
ভালো চলছে না শিক্ষা প্রশাসন, মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং হচ্ছে না। এ অবস্থায় যে যার মতো করে চলছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামছেন।
ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের নামের আগে প্রকৌশলী লিখতে না দেওয়াসহ তিন দাবিতে গতকাল রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ (বুয়েট) একাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষকদের হেনস্তা বা ভিসিদের অবরুদ্ধ করা অনেকটাই নৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ৯৭ শতাংশ শিক্ষাব্যবস্থা বেসরকারি।
এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা নানা দাবিতে সরাসরি আন্দোলনের মাঠে রয়েছেন। এছাড়া স্কুলে এখন তেমন পড়াশোনাও হয় না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে চলছে আন্দোলন।
সিরাজগঞ্জের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের পর স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবিতে এবার আন্দোলনে নেমেছে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
' ভোটযুদ্ধে প্রাণবন্ত ক্যাম্পাস ' যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদের ভোটযুদ্ধে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে গোটা ক্যাম্পাস।
গতকাল মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিক প্রচারণার প্রথম দিনে প্রার্থীদের পদচারণা ছিল চোখে পড়ার মতো। প্রতিটি প্যানেল বৈচিত্র্যময় থিমকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে টানার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে ৪৭১ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন। এর মধ্যে ভিপি পদে ৪৫, জিএস ১৯ ও এজিএস পদে ২৫ জন লড়বেন।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচনের দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি ভোটকেন্দ্রে তিন স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং হলগুলোয় বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।
এছাড়াও নির্বাচনে 'স্ট্রাইকিং ফোর্স' হিসাবে থাকবে সেনাবাহিনী।
এদিকে নির্বাচনি প্রচারণা উপলক্ষ্যে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট কর্তৃক চারুকলায় স্থাপিত দুটি ব্যানার ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা।
তবে ছাত্রী হলে রাত ১০টার পর প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রে মানতে হবে কড়া আচরণবিধি। সাত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে প্রচারণা এবং ভোট হবে নয় সেপ্টেম্বর।
' জুলাই সনদ চূড়ান্ত হতে আরও সময় লাগবে ' প্রথম আলো পত্রিকার শিরোনাম।
সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতভিন্নতার কারণে আটকে আছে জুলাই জাতীয় সনদ।
এই দুটি বিষয় নিয়ে আগামী সপ্তাহে দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করার পরিকল্পনা আছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের।
এটি হবে দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের তৃতীয় পর্বের আলোচনা। এর মধ্য দিয়ে সনদ চূড়ান্ত রূপ পেতে পারে। তবে এটি চূড়ান্ত হতে আরও সময় লাগবে।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়।
প্রথম ধাপে গঠন করা ছয়টি সংস্কার কমিশনের (সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন) সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ঐকমত্য কমিশন।
গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়ে দুই পর্বের আলোচনায় ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্য ও সিদ্ধান্ত হয়। এগুলো নিয়ে তৈরি করা হচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ।
১৬ই জুলাই এই সনদ সই করার প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের আলোচনা শেষ না হওয়ায় সে লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হয়নি।
এখন আগামী ১৫ই সেপ্টেম্বরের মধ্যে সনদ চূড়ান্ত করতে চায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
' 10 - 15 deliveries at single hospital every day ' নিউএইজ পত্রিকার এ শিরোনামের অর্থ 'প্রতিদিন একটি হাসপাতালে ১০ থেকে ১৫ টি প্রসব হয়। '
কক্সবাজারের উখিয়ার একটি হাসপাতালে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ জন বা তার বেশি রোহিঙ্গা নারী যাদের অনেকেই অপ্রাপ্তবয়স্ক, তারা অপুষ্টিতে ভুগে চিকিৎসা নিতে আসেন।
"প্রতিদিন, এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১০ থেকে ১৫ জন রোহিঙ্গা নারী যার প্রায় অর্ধেক স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করেন। এর মাসিক গড় সংখ্যা ৪০০ " গতকাল মঙ্গলবার উখিয়ার ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের সিনিয়র পরিচালক এবং স্বাস্থ্য প্রধান ডাঃ কাজী গোলাম রসুল একটি ক্যাম্প পরিদর্শন করার সময় বিদেশি কূটনীতিক, রাজনীতিবিদ, সরকারি কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রতিনিধিদলকে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, নবজাতকদের অনেকের মায়ের বয়স কম ছিল, আবার অনেকের ক্ষেত্রেই ক্যাম্প হাউসে স্বাভাবিক প্রসবের চেষ্টা করার সময় বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেয়।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাল্যবিবাহ একটি সাধারণ ঘটনা এবং অনেক গর্ভবতী মহিলা অপুষ্টিতে ভোগেন বলেও জানান তিনি।
গোলাম রসুল জানান, এই হাসপাতালটি রোহিঙ্গা এবং আশেপাশের স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য সেবা দানকারী বড় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র।
' এলডিসি উত্তরণ পেছানোর কোনো অভিপ্রায় ও উদ্যােগ নেই সরকারের ' বণিক বার্তা পত্রিকার শিরোনাম।
স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০১৮ সালে। চূড়ান্তভাবে উত্তরণের জন্য প্রস্তুতির সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালে।
কিন্তু কোভিডের কারণে অতিরিক্ত সময় পাওয়া যায় দুই বছর। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা বাংলাদেশের।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভিন্ন সময় এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দেয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছে দেশের ব্যবসায়ী মহল।
গত ২৪ অগাস্ট দেশের শীর্ষ ১৬টি বাণিজ্য সংগঠনের নেতারা উত্তরণ তিন থেকে পাঁচ বছর পিছিয়ে দিতে বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এ মুহূর্তে এলডিসি উত্তরণ পেছানোর কোনো উদ্যোগ তাদের নেই।
চলতি বছর ১৩ই মার্চ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে সিদ্ধান্ত হয় ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর নির্ধারিত সময়েই এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ হবে।
এ প্রক্রিয়া মসৃণ করতে কৌশল বাস্তবায়নে গঠিত হয় স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজি (এসটিএস) কমিটি।
জুলাই সনদ নিয়ে সুজনের সংলাপে বক্তাদের প্রশ্ন নিয়ে ' এত নোট অব ডিসেন্ট ও সুপারিশ গণভোটে কীভাবে? ' দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
'জুলাই জাতীয় সনদ'কে আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তি দিতে গণভোটের আয়োজন করার জন্য কোনো কোনো রাজনৈতিক দল থেকে যে দাবি উঠছে সে বিষয়ে কয়েক বিশিষ্টজন প্রশ্ন তুলে বলেছেন, এত সংখ্যক নোট অব ডিসেন্ট ও সুপারিশসহ সনদটি কীভাবে গণভোটে দেওয়া হবে?এটি অত্যন্ত জটিল বলে মনে করেন তারা।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সুশাসনের জন্য নাগরিক আয়োজিত 'প্রস্তাবিত জুলাই জাতীয় সনদ ও নাগরিক ভাবনা ' শীর্ষক নাগরিক সংলাপে তারা এ মন্তব্য করেন।
সংলাপে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মোহাম্মদ সাহান বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোয় যে পরিমাণ নোট অব ডিসেন্ট আছে, তাতে কোনো একটা রাজনৈতিক দল যে ক্ষমতায় আসবে,তাদের রাজনৈতিক কোনো সমস্যা হওয়ার কারণ নেই। ভবিষ্যতে যে দলই ক্ষমতায় আসবে তার স্বৈরাচারী ও আধিপত্যবাদী হওয়ার সুযোগ খুব একটা কমাবে না এই সনদ।
' Rohingyas may go hungry after November: WFP ' দ্য ডেইলি স্টারের এ শিরোনামের অর্থ 'নভেম্বরের পর রোহিঙ্গারা ক্ষুধার্ত থাকতে পারে: ডব্লিউএফপি।'
জরুরি তহবিল নিশ্চিত না হলে বাংলাদেশে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা ৩০ শে নভেম্বরের পরে বন্ধ হয়ে যাবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম বা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।
ডব্লিউএফপির বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডোমেনিকো স্কালপেলি গতকাল বলেন, "৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আমাদের কাছে পর্যাপ্ত অর্থ আছে। পহেলা ডিসেম্বর পরিস্থিতি শূন্য হয়ে যাবে। ১২ লাখ মানুষের জন্য খাবার থাকবে না। ন্যূনতম রেশন বজায় রাখার জন্য আমাদের জরুরি ভিত্তিতে তহবিল প্রয়োজন।"
"আগামী ১২ মাসের জন্য আমাদের প্রায় ১৭৩ মিলিয়ন ডলার প্রয়োজন " কক্সবাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সফরকালে বলেন তিনি।
বর্তমানে একজন মানুষের জন্য মাথাপিছু ১২ ডলারের থেকে আরও কমানো হলে তা ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
' আ' লীগকে ফেরাতে নীলনকশা ' নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
এ খবরে বলা হয়েছে, দেশকে আবার অস্থির করে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী শাসন ফেরাতে নতুন পরিকল্পনা করা হয়েছে শেখ হাসিনার সাথে মিলে ব্যাংকের তহবিল লুটের জন্য অভিযুক্ত এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের একাধিক বৈঠকে।
এই উদ্দেশ্যে এস আলম সম্প্রতি দিল্লি গিয়ে পলাতক শেখ হাসিনার সাথে গোপন বৈঠক করে তাকে ২৫০০ কোটি টাকা হস্তান্তর করেছেন।
বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় ফেরানোর উদ্দেশ্যে আরো দুই হাজার কোটি টাকা দেয়ার আশ্বাস দিয়ে এসেছেন বলে খবরটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত দোসরা অগাস্ট পবিত্র উমরাহ পালনকে সামনে রেখে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের অন্যতম প্রধান দোসর সাইফুল আলম মাসুদ সিঙ্গাপুর থেকে একটি ফ্লাইটে সৌদি আরব যান।
তার একদিন পর তেসরা অগাস্ট তিনি মক্কা ক্লক টাওয়ারের ফেয়ারমন্ট হোটেলে উঠেন।
একটি বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, পবিত্র উমরাহ পালন করার দোহাই দিলেও সাইফুল আলম মাসুদের মক্কায় যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি সেখানে যান মূলত দেশ থেকে পালানো আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে।
মক্কার ফেয়ারমন্ট হোটেলে বসে তিনি পলাতক আওয়ামী নেতাদের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
এ দিকে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদের এই সফর ও শেখ হাসিনার সাথে একাধিক গোপন বৈঠক দেশকে আবার রাজনৈতিক সঙ্কটের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।