আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'ইসির নিবন্ধন শর্ত শুধু কাগজে, বাস্তবে নেই'
নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, “ইসির নিবন্ধন শর্ত শুধু কাগজে, বাস্তবে নেই”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে নিবন্ধন পেতে দলগুলোকে যেসব শর্ত মানতে হয় সেগুলো না মেনেও অনেকে নিবন্ধন পেয়েছেন এবং শর্ত মেনেও কোন কোন দল নিবন্ধিত হতে পারেনি।
আইনানুযায়ী নিবন্ধিত দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ অন্তত এক-তৃতীয়াংশ প্রশাসনিক জেলায় সক্রিয় অফিস থাকা বাধ্যতামূলক। সে হিসাবে অন্তত ২২ জেলায় দলীয় কার্যালয় থাকার নিয়ম। কিন্তু ইসির নিবন্ধিত ৪২টি দলের মধ্যে কেবল ৯টি রাজনৈতিক দলের আছে ন্যূনতম জেলা কার্যালয়।
তবে জামায়াতের সারাদেশে ৪০টির মতো জেলা কার্যালয় থাকলেও নিবন্ধন হারানোর পর থেকে বেশির ভাগ কার্যালয়ে তালা ঝুলছে। তবে জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টি কাছাকাছি নাম দিয়ে ইসি থেকে পাঁচটি নিবন্ধন পেলেও জেলা কার্যালয় খোঁজার সময় তাদের ভিন্ন কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
নিবন্ধিত বাকি ৩৩ দলের জেলা পর্যায়ে কার্যক্রম ও কার্যালয় কিছুই নেই। বেশ কয়েকটি দলের আবার ঢাকাতে নামকাওয়াস্তে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের অস্তিত্ব মিলেছে। নিবন্ধন পাওয়া দলগুলো আইনের শর্ত না মানলেও নতুন দলের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ইসির কঠোরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ঢাকা ১৭ আসনে উপনির্বাচন নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “প্রার্থীকে মারধর, ভোটারও কম”। প্রতিবেদনে মূলত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলমকে মারধর এবং ভোটারের কম উপস্থিতির বিষয়টি উঠে আসে।
ভোট দিতে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা সকাল থেকেই বেশ কম ছিল। ভোটকেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকদের জটলা থাকলেও অনেক কেন্দ্রে দেড় ঘন্টায় একটি ভোটও পড়েনি। তবে শান্তিপূর্ণ ভোটে হঠাৎ উত্তাপ ছড়ায় আলোচিত প্রার্থী আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনাটি।
ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার ঘন্টাখানেক আগে বনানীর একটি ভোটকেন্দ্রের বাইরে হিরো আলমকে মারধর করেন নৌকা প্রতীকের ব্যাজধারী কিছু যুবক। ঘটনাস্থলের আশেপাশে পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য উপস্থিত থাকলেও তাদেরকে নীরব দর্শকের ভূমিকায় দেখা গেছে।
হামলার আগে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিকুল ইসলাম নির্বাচন কমিশনের প্রতি অসহযোগিতার অভিযোগ এনেছেন তিনি। এসব ঘটনা ঘটলো যখন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রাক নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল ঢাকা সফর করছে। তারা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য এসেছে।
বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, “পদযাত্রা বনাম শোভাযাত্রা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে মঙ্গলবার ও বুধবার ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও মহানগরে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।
এদিকে বিএনপির এই কর্মসূচির বিপরীতে এই দুই দিন ‘শান্তি ও উন্নয়ন শোভাযাত্রা’ কর্মসূচি পালন করার কথা জানিয়েছে আওয়ামী লীগ।
আজ তারা রাজশাহী, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও সিলেট এবং বুধবার রংপুর, ঢাকা, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের সব জেলা ও মহানগরে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করার কথা জানিয়েছে।
আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জানা গেছে, বিএনপির পূর্বঘোষিত পদযাত্রা কর্মসূচি সফল করতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। অন্যদিকে বিএনপির রুট ও আওয়ামী লীগের রুট যাতে ভিন্ন হয় এবং কোনো ধরনের সংঘর্ষে না জড়াতে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
চিকিৎসকদের ধর্মঘট নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম “Patients suffer as doctors stop pvt practice, surgery” অর্থাৎ ডাক্তাররা প্রাইভেট প্র্যাকটিস, সার্জারি বন্ধ করে দেওয়ায় রোগীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন।
প্রায় এক মাস আগে ঢাকা সেন্ট্রাল হাসপাতালে অবহেলা ও ভুল চিকিৎসার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া দুই চিকিৎসকের মুক্তির দাবিতে চিকিত্সকরা প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধ করে দেয়।
এতে সোমবার সারা বাংলাদেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলি শত শত নির্ধারিত অস্ত্রোপচার বাতিল করতে বাধ্য হয়।
এমনকি গুরুতর রোগীদেরও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যদিও তারা যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন, কারণ চিকিত্সকরা তাদের দেশব্যাপী ধর্মঘটের প্রথম দিন কঠোরভাবে পালন করেছিলেন। তবে সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চিকিত্সা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় মৃত্যুর কোনও খবর পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত বেসরকারী খাতের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রমাণ ছাড়াই চিকিৎসকদের গ্রেফতার বা জেলে রাখা উচিত নয়।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, “২৩ বছরের মধ্যে মৃত্যু ও আক্রান্ত সর্বোচ্চ”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সোমবার এক দিনে ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর এক দিনে এটাই সর্বাধিক মৃত্যু। এ নিয়ে এ বছর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১৪।
একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ৫৮৯ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ২৩ বছরের প্রথম সাত মাসে এ বছরই সর্বাধিকসংখ্যক রোগীর মৃত্যু হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
এ বছর প্রথম সাত মাসে এ পর্যন্ত ভর্তি হয়েছে ২২ হাজার ৪৬৭ জন রোগী। দেশের এমন পর্যায়কে ‘জনস্বাস্থ্য জরুরি’ পরিস্থিতি বলেছেন বিশেষজ্ঞরা। ২৩ বছরের মধ্যে মৃত্যু ও আক্রান্ত সর্বোচ্চ ৫টি হাসপাতালে। এসব হাসপাতালে একটি শয্যাও খালি নেই।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি, ২৮১ জন রোগী মারা যায়।
অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর, “A Mega leap for transport”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে সাতটি মেগা প্রকল্প জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হলে বাংলাদেশে পরিবহনে ব্যাপক গতি আসবে।
প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে দেশের প্রথম আন্ডারওয়াটার টানেল এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। জাতীয় নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে এই প্রকল্পগুলো চালু হওয়ার কথা রয়েছে।
ক্ষমতাসীন দল তাদের অর্জনের প্রমাণ হিসাবে সারা দেশে এই প্রকল্পের প্রদর্শন করবে বল ধারণা করা হচ্ছে। তবে সব প্রকল্প পুরোপুরি চালু হবে না কারণ এগুলো পরিচালনার মতো জনবল নিয়োগসহ কিছু কাজ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
কার্ড পেমেন্ট নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান খবর, “মার্কিন বিধিনিষেধের পরও জনপ্রিয়তা পাচ্ছে না চীনা ইউনিয়নপে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, কার্ড পেমেন্টে আমেরিকার স্থান চীন নিয়ে নিতে পারে বলে যে ধারণা করা হচ্ছিল সেটি উল্টো প্রমাণিত হয়েছে।
বিশেষ করে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে দেশের আইন প্রয়োগকারী একটি সংস্থার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিধিনিষেধ এবং পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচন, মানবাধিকারসহ নানা ইস্যুতে দেশটির সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য ও সর্বশেষ গত মে মাসে ঘোষিত ভিসা নীতি সম্পর্কের টানাপড়েন বাড়িয়ে তোলে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীদের বড় একটি অংশ ভিসা ও আমেরিকান এক্সপ্রেসের মতো মার্কিন কার্ড পেমেন্ট সেবা থেকে বেরিয়ে আসবে এবং এর পরিবর্তে চীনা কার্ড পেমেন্ট সেবা ইউনিয়নপের জনপ্রিয়তা বাড়বে বলে বাজার পর্যবেক্ষকদের অনেকেই ধারণা করছিলেন।
যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, গত এক বছরে দেশে ইউনিয়নপের বাজার সম্প্রসারণ না হয়ে উল্টো সংকুচিত হয়েছে। দেশের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের বাজারে এখনো প্রায় শতভাগ নিয়ন্ত্রণ মার্কিন কার্ড নেটওয়ার্ক ভিসা, মাস্টারকার্ড ও আমেরিকান এক্সপ্রেস (অ্যামেক্স)। যে তিনটি ব্যাংক ইউনিয়নপের সঙ্গে চুক্তি করেছে, তারাও এখন চীনা কার্ডটি বাজারজাত করা থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছে।
অন্যান্য খবর
যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, “নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করবে বিক্ষুব্ধ ১০ দল”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চলতি মাসেই নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে নিবন্ধন না পাওয়া ১০টি রাজনৈতিক দল।
তাদের অভিযোগ, মূলত সরকারি দলের সুপারিশ অনুযায়ী ইসি তাদের নিবন্ধন দেয়নি। সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেন নিবন্ধন না পাওয়া দলগুলোর নেতারা।
নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠনে পরিণত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
নিবন্ধন না পাওয়া কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতা জানান, ইসির বিরুদ্ধে আন্দোলনের পাশাপাশি আইনগত পদক্ষেপও নেবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে দেখা করে নিবন্ধন না পাওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যাও জানতে চাইবেন।
তারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) নিবন্ধন দিতে ইসির সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
সমকালের পেছনের পাতার খবর, “প্রধানমন্ত্রীর হাতে কলাবতী শাড়ি”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কলাগাছের তন্তু থেকে তৈরি তিনটি ‘কলাবতী শাড়ি’ এবং তিনটি হাতে বানানো গহনা উপহার দিয়েছেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ইয়াসমিন পারভিন তিবরীজি।
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কলাগাছের আঁশ বা তন্তু থেকে মনিপুরী ডিজাইনের এই শাড়ি প্রস্তুত করেছেন মৌলভীবাজারের ৬৬ বছর বয়সী তাঁতশিল্পী রাধাবতী দেবী।
প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেওয়া শাড়ি ৩টি তৈরি করেছেন অঞ্জলী দেবী ও দত্ত সিংহ। এই তিনটি শাড়ি বানাতে ২২ থেকে ২৫ দিনের মতো সময় লেগেছে।
এ ছাড়া পার্বত্য এলাকায় বাসোপযোগী আশ্রয়ণের একটি বিশেষ মাচাং ঘরের মডেল, জেলা ব্র্যান্ডের ক্যালেন্ডার এবং ব্র্যান্ড বুকও প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক।
বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর, “মৌসুমেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মিলছে না নদীতে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নদী দূষণ, নাব্য সংকট ও অবকাঠামোর প্রভাবে ভরা মৌসুমেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে ইলিশ জালে উঠছে না।
নোনা জলের ইলিশ ডিম পাড়তে নদীর উজান ঠেলে মিঠা পানিতে আসে এবং ডিম ছেড়ে আবার ভাটিতে গা ভাসিয়ে সাগরে চলে যায়। এজন্য প্রয়োজন হয় পর্যাপ্ত পানিপ্রবাহের।
তবে নাব্য সংকট, ডুবোচর ও বাঁধ-সেতুসহ নানা অবকাঠামোর প্রভাবে নদীতে এসে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ছে ইলিশ।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নদী দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে উষ্ণায়ন ও কম বৃষ্টিপাত। মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদনে নদীতে ইলিশের বিচরণ কমে যাওয়ার নানা ধরনের হুমকির কথা বলা হয়েছে।
সারা বছর নদীতে বিচরণ থাকলেও সাধারণত জেলেদের জালে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে জুলাই থেকে। তবে চলতি বছর এখনো তেমন ইলিশের দেখা মিলছে না।