'সোলেডারের নিয়ন্ত্রণ দখলের' দাবি করছে ওয়াগনার গ্রুপ

ছবির উৎস, Reuters
পূর্ব ইউক্রেনের সোলেডার শহরে রুশ বাহিনীর সহযোগী ওয়াগনার গোষ্ঠীর যোদ্ধাদের সাথে ইউক্রেনীয় সেনাদের তীব্র লড়াই এখনো চলছে।
ওয়াগনার গ্রুপ দাবি করছে যে তারা সোলেডার শহরটির নিয়ন্ত্রণ দখল করেছে – কিন্তু কিয়েভ বলছে তাদের সৈন্যরা এখনো লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার রাতে ওয়াগনার গ্রুপের প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোশিনের এক বিবৃতি রুশ মিডিয়ায় প্রচারিত হয়। এতে তিনি বলেন, সোলেডার শহরের কেন্দ্রে ইউক্রেনীয় সেনারা এখন ঘেরাও হয়ে পড়েছে।
মি. প্রিগোশিন জানান, “ওয়াগনার ইউনিটগুলো পুরো সোলেডারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে” এবং শহরের কেন্দ্রে লড়াই চলছে।
তবে ইউক্রেনের ডেপুটি প্রতিরক্ষামন্ত্রী মারিয়া হান্না মালিয়ার বলেন, রাশিয়া এখনো সোলেডার দখল করতে পারেনি।
দু পক্ষের এসব দাবী স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
End of বিবিসি বাংলায় সম্পর্কিত খবর:
এর আগে তিনি সেখানে “প্রচণ্ড যুদ্ধ” চলতে থাকার কথা বলেছিলেন।
কয়েক ঘন্টা আগে মিজ মালিয়ার বলেন, “শত্রুপক্ষ তাদের সেনাদের বিপুল সংখ্যায় হতাহত হবার প্রতি মনোযোগ দিচ্ছে না।"
তিনি আরো বলেন, ইউক্রেনীয় বাহিনীর অবস্থানগুলোর দিকে যাবার পথে শত্রুপক্ষের বহু নিহত যোদ্ধার মৃতদেহ পড়ে আছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পডোলিয়াক বলেছেন, এ পর্যন্ত যত লড়াই হয়েছে তার মধ্যে সোলেডার ও বাখমুটের যুদ্ধই সবচেয়ে রক্তাক্ত।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, সোলেডারের রাস্তায় সৈন্যরা যুদ্ধ করছে এবং ইউক্রেনীয় অবস্থানগুলোর ওপর বিমান থেকে আক্রমণ চালানো হচ্ছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের একজন মুখপাত্র জনগণকে এখনই তাড়াহুড়ো করে বিজয়ের বার্তা দিতে নিষেধ করেছেন।
ওয়াগনার গোষ্ঠী আনুষ্ঠানিকভাবে রুশ সশস্ত্র বাহিনীর অংশ নয়।

ছবির উৎস, TELEGRAM@DPS-UKR
মি. প্রিগোশিনের বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলা হয় যে সোলেডার শহরের ভেতরে ঢোকার লড়াইয়ে শুধু ওয়াগনার যোদ্ধারাই অংশ নিচ্ছে।
প্রায় ১০,০০০ লোকের বাসস্থান সোলেডার শহরটি রুশ দখলে চলে গেলে তা রুশ সৈন্যদের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাখমুট শহরটি ঘিরে ফেলতে সহায়তা করবে।
তা ছাড়া এর ফলে বাখমুট শহরটিতে রসদপত্র সরবরাহের জন্য নিকটবর্তী স্লোভিয়ানস্কের সাথে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগপথটিও প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
তা ছাড়া সোলেডার শহরের লবণ-খনির গভীর সুড়ঙ্গগুলোকে ইউক্রেন-নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে ঢুকতে ব্যবহার করতে পারবে রাশিয়া।








