আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'হঠাৎ রাজপথে সরব বিএনপি ঐক্যবদ্ধ করতে চায় মিত্রদের'
হঠাৎ রাজপথে সরব বিএনপি ঐক্যবদ্ধ করতে চায় মিত্রদের যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। পত্রিকাটি লিখেছে, সরকারবিরোধী আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করতে আবারও রাজপথে সক্রিয় হতে চাইছে বিএনপি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চার মাস পর হঠাৎ এ অঞ্চলে ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের বিশেষ ইঙ্গিত থেকে দলটির নীতিনির্ধারক মহল এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অনেকটা তড়িঘড়ি করে বেশকিছু কর্মসূচি সামনে আনা হয়।
এর মধ্যে শুক্র ও শনিবার ঢাকায় বেশ বড় আকারের জনসমাবেশ করতে সক্ষম হয়েছে দলটি। সমাবেশের পর নেতাকর্মীরা আরও উজ্জীবিত হয়েছে বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকরা। দলটির ভ্যানগার্ড খ্যাত সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলও সারা দেশে জেলায় জেলায় কর্মিসভা শুরু করেছে। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কৃষক দলও।
একই সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দূরত্ব কমানোর পাশাপাশি তাদের মাঠের আন্দোলনেও সক্রিয় ভূমিকায় দেখতে চায় বিএনপি। সেজন্য দীর্ঘ চার মাস পর সমমনাদের সঙ্গেও ধারাবাহিক বৈঠক শুরু করছে।
ডলারে সুদহারে বেসামাল – দেশ রুপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি। বিস্তারিত হল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণ পেতে বাংলাদেশকে বিভিন্ন খাতে ব্যাপক সংস্কার করতে হচ্ছে।
সর্বশেষ এক দিনে ডলারের দাম ৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আবার ব্যাংকের স্মার্ট সুদহার তুলে দিয়ে বাজারভিত্তিক করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের চ্যালেঞ্জ আরও বাড়িয়ে তুলবে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই পদক্ষেপ আগেই নেওয়া দরকার ছিল। এখন সামষ্টিক অর্থনীতি স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরতে একটু সময় লাগবে।
ডলারের চাপ সর্বত্র – দৈনিক মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম আজ। খবরে বলা হচ্ছে দেশের বাজারে ডলারের বিপরীতে টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়নের পরই আলোচনায় মূল্যস্ফীতি। এর প্রভাবে দেশের বাজারে ভোগ্যপণ্য থেকে বিলাসী পণ্য সবকিছুতে দাম বাড়বে। দাম বাড়বে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ সেবাখাতেও। এমন পরিস্থিতিতে চাপে পড়বে সাধারণ মানুষ।
অন্যদিকে ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদনশীল পণ্যেরও দাম বাড়বে। কারণ কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য আমদানিতে খরচ বাড়বে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় পোশাকসহ রপ্তানিমুখী পণ্যকে নতুন করে প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে। তবে স্বল্প মেয়াদে এর প্রভাব বেশি হলেও দীর্ঘ মেয়াদে ভালো ফল আসতে পারে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। তাই দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখতে রপ্তানি বৃদ্ধি ও বৈধ পথে রেমিট্যান্স আহরণে প্রবাসীদের উৎসাহিত করতে বলেন তারা।
Pressure on interest payment to mount in FY25 – ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান শিরোনাম এমনটা। এতে বলা হচ্ছে নতুন জাতীয় বাজেটে ঋণের সুদ প্রদানের পরিমাণ প্রথমবারের মতো ১ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে, গত এক দশকে অতিরিক্ত খরচের সাথে রাজস্ব আয় সে পরিমাণ না হওয়ায় এই অতিরিক্ত সুদ।
অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন ২০২৫ অর্থবছরের বাজেটে ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা আলাদা করে বরাদ্দ রাখা হবে স্থানীয় ও বিদেশি বিভিন্ন ঋণের সুদ মেটানোর জন্য, যা পাঁচ বছর আগে ২০২০ সালের ৫৫,৬৬৪ কোটি টাকার পায় দ্বিগুণ।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাজস্ব আয় কমে যাওয়া ও বিভিন্ন জায়গা থেকে নেয়া ঋণের সুদহার দ্রুত বৃদ্ধি, একসময় সরকারকে বিপদে ফেলবে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে বরাদ্দ দেয়ার ক্ষেত্রে।
চীনা মুদ্রায় ঋণ দিতে চায় চীন, আগ্রহী বাংলাদেশও – ডলার সংকট নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম।
ডলার–সংকটে থাকা বাংলাদেশকে নিজস্ব মুদ্রা ইউয়ানে বিপুল পরিমাণ ঋণ দিতে আগ্রহ দেখিয়েছে চীন। বেইজিংয়ের এই আগ্রহ প্রকাশের পর চীনকে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিতে আলোচনা শুরু হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশ চীন থেকে আমদানি করা পণ্যের বিল ইউয়ানে নেওয়া ঋণ দিয়ে পরিশোধ করতে আগ্রহী। চীনের সঙ্গে আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রমে এখন মার্কিন মুদ্রা ডলার ব্যবহার করা হচ্ছে।
ডলার–সংকট মোকাবিলা এবং ক্ষয়িষ্ণু বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ঠেকাতে ইউয়ানে দেওয়া চীনের ঋণ বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে কর্মকর্তারা মনে করছেন। চীন চাইছে ইউয়ানে ৫০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ ঋণ বাণিজ্য–সহায়তা (ট্রেড ফ্যাসিলিটি) হিসেবে দিতে। চীনা মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩ হাজার ৬০০ কোটি ইউয়ানের বেশি।
তবে এ ধরনের ঋণের শর্ত সাধারণত কঠিন হওয়ায় বাংলাদেশ বাণিজ্য–সহায়তার পরিবর্তে সহজ শর্তে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ নিতে আগ্রহী। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
রেমিট্যান্সের বাজার হারিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রধান চার ব্যাংক – বণিক বার্তার এই খবরে বলা হচ্ছে চার বছর আগেও দেশের রেমিট্যান্স বাজারে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণ ছিল এক-চতুর্থাংশের বেশি। সে বাজার হাতছাড়া হতে হতে এখন ১০ শতাংশের ঘরে নেমে এসেছে। সোনালী, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রবাহের অবস্থা একেবারেই নাজুক। তুলনামূলক ভালো অবস্থানে আছে কেবল জনতা ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গত পাঁচ বছরের রেমিট্যান্স প্রবাহের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২০ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৫৫৮ কোটি ৮২ লাখ ডলার, যা ছিল মোট রেমিট্যান্সের ২৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। এর পর থেকে এ অংশীদারত্ব ক্রমেই কমেছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে রেমিট্যান্সের মাত্র ১০ দশমিক ৪৭ শতাংশ এসেছে রাষ্ট্রায়ত্ত এসব ব্যাংকের মাধ্যমে।
ডলারের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষিত দরে রেমিট্যান্স আনতে গিয়ে এ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের। যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবের অভাবেই ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্সের বাজারে তাদের অবস্থান হারিয়েছে।
Languishing in BCS LOOP – অর্থাৎ বিসিএসের চক্রে আটকে পড়া, প্রধান শিরোনাম দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার। এতে বলা হয় সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বছর নষ্ট হচ্ছে এর দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ায়।
২০১৯ সালে নভেম্বরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পরের মাসেই ইমাম হোসেন ৪১তম বিসিএসের জন্য আবেদন করেন। তিনি নিজের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ও ২০২১ সালের মার্চে হওয়া এমসিকিউ ভিত্তিক প্রাথমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। একই বছরের শেষদিকে অনুষ্ঠিতে লিখিত পরীক্ষাতেও পাস করেন তিনি। কিন্তু এর সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয় দুই বছর পর ২০২৩ সালে, সেটাও ভালোভাবে উৎরে যান তিনি। কিন্তু রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়া ইমামের বহু আকাঙ্খিত ক্যাডার সার্ভিস পাওয়া হয়না। তাকে নন-ক্যাডার পোস্টে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। তবে এখনো পর্যন্ত তার কপালে সেটা জোটেনি। কারণ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের চাহিদার ভিত্তিতে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ হয়।
বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি দেয়া থেকে শুরু করে গেজেট প্রকাশ পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপে এই লম্বা সময়ক্ষেপণ বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। পাবলিক সার্ভিস কমিশন ৪১তম বিসিএস পরীক্ষা সম্পূর্ণ করতে ৪ বছর ৪ মাস সময় নেয়।
কিন্তু ২০২০ সালে পিএসসির বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয় এক বছরের মধ্যে এই কার্যক্রম শেষ করার রোডম্যাপ ঠিক করেছেন তারা। পিএসসি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন বলেন, “আমরা সেটা চেষ্টা করেছি কিন্তু পারি নি।” পিএসসি সদস্যরা বলছে জনবল সংকট এই বিলম্বের প্রধান কারণ। অনেক কাজই সম্পন্ন করতে অন্যের উপর নির্ভর করতে হয় তাদের।
সৌরবিদ্যুতে ব্যয় ৩ গুণ বেশি – কালের কন্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন বৃদ্ধির তাগিদ বাড়ছে। বছরের বেশির ভাগ সময় সূর্যালোক থাকায় বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুতের ভালো সম্ভাবনার কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা। অথচ এ দেশে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় তিন-চার গুণ বেশি।
বিশ্বজুড়ে গত এক দশকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ক্রমে হ্রাস পেলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। বাড়তি উৎপাদন ব্যয়ের চাপ পড়ছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ (বিপিডিবি) পুরো বিদ্যুৎ খাতে। বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতি ইউনিটে খরচ হচ্ছে ১৪ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ২২ টাকা ৩৮ পয়সা পর্যন্ত।
অন্যদিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক প্রতিষ্ঠান চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের তথ্য মতে, ভারতে সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ পড়ছে বাংলাদেশি মুদ্রায় গড়ে পাঁচ টাকা ৮১ পয়সা এবং পাকিস্তানে তিন টাকা ৫১ পয়সা।
দুই মেয়রের ‘গোপন’ বৈঠকে তোলপাড় – আজকের পত্রিকার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী সিলেট সিরি কর্পোরেশনের বর্তমান মেয়র। আরিফুল হক চৌধুরী সাবেক। দুজন বৈঠক করতেই পারেন, কিন্তু এমন সময় বৈঠকটি হল যখন কর আদায় নিয়ে বিপাকে সিটি কর্পোরেশন। আরোপিত নতুন গৃহকর নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে নগরজুড়ে। এমন সময়ে সাবেক-বর্তমান দুই মেয়রের বৈঠক তাই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় সিলেটের একটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকার কার্যালয়ে দুই মেয়র প্রায় ৩০ মিনিট অবস্থান করেন। অন্তত ১০ মিনিট গৃহকর নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণে আলাপ করেন সাবেক–বর্তমান মেয়র। নগরবাসী অভিযোগ তোলেন, তাঁদের গৃহকর কয়েক শ গুণ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে নগরজুড়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়। এরপর থেকে প্রতিদিন নগরের বিভিন্ন সংগঠন গৃহকর বাতিল করে যৌক্তিক বা সহনীয় পর্যায়ে আনার দাবিতে নিয়মিত আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে।
অন্যান্য খবর
প্রাণিখাদ্যের বাজারে সিন্ডিকেটের চক্করে – সমকালের প্রধান শিরোনাম। বলা হয় প্রাণিখাদ্যের দামের যে বল্গা ছুটেছে, তাতে ডেইরি কিংবা পোলট্রি খাতের বিনিয়োগ থেকে পিছু হটছেন অনেক উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র খামারি।
দেশের বাজারে গেল এক বছরে প্রাণিখাদ্যের দাম যেভাবে আস্ফালন দেখাচ্ছে, তা রীতিমতো অবিশ্বাস্য! দফায় দফায় দাম বাড়ায় এরই মধ্যে দেশের কয়েকশ খামারি তল্পিতল্পা গুটিয়েছেন। ইন্টিগ্রেটেড ডেইরি রিসার্চ নেটওয়ার্ক (আইডিআরএন) বলছে, এক বছরেই প্রাণীর খাবারের দাম বেড়েছে ৫৪ শতাংশ, যেখানে বিশ্ববাজারে বাড়ে ২০.৬ শতাংশ।
এছাড়া ভেজাল-নিম্নমানের খাবারের কারণে অপুষ্টিতে ভোগাসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে প্রাণী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাণিখাদ্যের দাম বাড়ার এ কারসাজিতে তাল দিচ্ছে শক্তিশালী চক্র (সিন্ডিকেট)। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে এ চক্র হয়ে উঠেছে আরও ক্রিয়াশীল।
ইসরায়েলের সাথে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি বাতিলের হুমকি মিসরের – দৈনিক নয়া দিগন্তের খবর। মিসরীয় কর্মকর্তারা রাফায় অভিযান বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে ইসরাইলকে চাপ দেয়ার জন্য মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) পরিচালক উইলিয়াম বার্নসকে আহ্বান জানিয়েছেন। অন্যথায় মিসর ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি বাতিল করার হুমকি দিয়েছে।
প্রায় ৫০ বছর আগে সই হওয়া ক্যাম্প ডেভিড শান্তিচুক্তির মাধ্যমেই ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয় কায়রো। মিসরের দু’জন শীর্ষ কর্মকর্তা এবং পশ্চিমা একজন শীর্ষ কূটনীতিক ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্থগিতের হুমকির কথা নিশ্চিত করেছেন। মাত্র কয়েকদিন আগেই মিসর দক্ষিণ গাজা উপত্যকায় অবস্থিত রাফাহতে ইসরাইলি সামরিক অভিযানের সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।