আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'স্ত্রী-সন্তানসহ দুদকে তলব বেনজীরকে'
স্ত্রী-সন্তানসহ দুদকে তলব বেনজীরকে— এটি সমকাল পত্রিকার শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সঙ্গে তার স্ত্রী জিশান মির্জা ও বড় মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর ও ছোট মেয়ে তাহসিন রাইসা বিনতে বেনজীরকেও তলব করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো নোটিশে আগামী ছয়ই জুন বেনজীর আহমেদকে এবং নয়ই জুন তার স্ত্রী ও দুই মেয়কে হাজির হয়ে বক্তব্য দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এদিকে বেনজীর আহমেদ ও তার স্ত্রী-সন্তানদের স্থাবর সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ কার্যকর করা শুরু হয়েছে।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জানিয়েছেন, বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা জমি যাতে হস্তান্তর না হয়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট জেলার সাব-রেজিস্ট্রার বরাবর আদালতের জব্দের আদেশ পাঠানো হয়েছে।
ব্যাংক হিসাবের অর্থ যাতে হস্তান্তর বা রূপান্তর না হয়, সে জন্য আদালতের আদেশ পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককেও।
গত ২৬শে মে আদালত বেনজীর ও তার পরিবারের সদস্যদের নামের ১১৯টি জমির দলিল, ২৩টি কোম্পানির শেয়ার ও গুলশানে চারটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দেন। এর আগে গত ২৩শে মে তাদের নামীয় ৩৪৫ বিঘা (১১৪ একর) জমি, বিভিন্ন ব্যাংকের ৩৩টি হিসাব জব্দ ও অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়।
বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারকে দুদকে তলবের এই খবরটি দেশের প্রায় সকল দৈনিকের প্রথম পাতায় স্থান পেয়েছে এবং অনেক পত্রিকার প্রধান শিরোনামও হয়েছে।
ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংকে মিললো আনারের দেহাংশ— এটি মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার একটি প্রধান খবর। এতে বলা হয়েছে, কলকাতার সঞ্জীবা গার্ডেনের যে ফ্ল্যাটে ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারকে হত্যা করা হয়েছিলো, তার সেপটিক ট্যাংকে মরদেহের অংশ বিশেষ পাওয়া গেছে। এখন সেগুলোর ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে।
কলকাতায় অবস্থানরত ডিএমপি’র ডিবি ওয়ারী বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শাহিদুর রহমান বলেন, ঢাকার ডিবি’র তদন্ত টিমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী কলকাতার গোয়েন্দারা সেপটিক ট্যাংক ও সুয়ারেজ লাইন ভাঙ্গেন।
তিনি জানান, “পরে কিছু মাংস উদ্ধার করা হয়। তবে সেগুলো এমপি আনারের শরীরের অংশ কি না সেটি ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল না আসা পর্যন্ত বলা ঠিক হবে না।”
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এমপি আনারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করার জন্য কসাই জিহাদকে দিয়ে টুকরো টুকরো করানো হয়। হাড় থেকে মাংস আলাদা করা হয়। তারপর এমপি আনারের শরীরের মাংসগুলো ওই ফ্ল্যাটের বাথরুম দিয়ে ফ্ল্যাশ করা হয়। যেগুলো সুয়ারেজ লাইন দিয়ে সেপটিক ট্যাংকে চলে যায়। আর হাড়গুলো হাতিরশালা কাঠেরপুল এলাকার বর্জ্য খালে ফেলা হয়।
বেরিয়ে আসছে রিমালের ক্ষত— এটি প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় রিমাল বাংলাদেশে আঘাত হানার পর মোট ৪০ ঘণ্টা স্থল নিম্নচাপ আকারে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে অবস্থান করেছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই ঝড়ের তাণ্ডব শেষ হওয়ার পর এখন বেরিয়ে আসছে ক্ষতচিহ্ন। রিমালের আঘাতে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০।
খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ২৬৩টি স্থানে বেড়িবাঁধের ৪১ কিলোমিটার এলাকা বিধ্বস্ত হয়েছে। আংশিক ও পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়েছে দেড় লাখ ঘরবাড়ি। কয়েক হাজার মাছের ঘের ও পুকুর ভেসে গেছে। গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত দক্ষিণাঞ্চলের অনেক উপজেলা বিদ্যুৎহীন ছিল।
এবারও ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল গতিবেগ ও জলোচ্ছ্বাসের চাপ ঢাল হয়ে রক্ষা করেছে সুন্দরবন। কিন্তু হরিণ, বন্য শূকরসহ মারা গেছে সুন্দরবনের বেশ কিছু বন্য প্রাণী। গতকাল বিকেল পর্যন্ত সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থান থেকে ৩৯টি হরিণের মরদেহ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।
Situation worse in Dhaka south than north— নিউ এজ পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি। ঢাকা শহরের ডেঙ্গুর জীবাণুবাহিত এডিস মশা নিয়ে করা এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের প্রাক-বর্ষা এডিস জরিপে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তুলনায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় বেশি মশার ঘনত্ব খুঁজে পেয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডিএনসিসি’র ৫৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৪০টিতে এবং ডিএসসিসি’র ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৫৯টিতে জরিপ পরিচালনা করেছে। এতে দেখা গেছে, দুই সিটি কর্পোরেশনের অনেক ওয়ার্ডেই মশার ঘনত্ব নির্দিষ্ট সূচকের চেয়ে বেশি ও ডেঙ্গু ঝুঁকিতে আছে।
জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক ও কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোলের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক শেখ দাউদ আদনান। তিনি বলেন, ৩ হাজার ১৫২টি বাড়ির মধ্যে ৪৬৩টিতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা (লার্ভার পরের স্তর) পাওয়া গেছে।
করপোরেট কবজায় কোরবানির গরু— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোরবানির গরু ও সারা বছরের মাংসের চাহিদা মেটাতে একসময় ভারতের ওপরই সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীলতা ছিল। তবে মাত্র এক দশকেই চিত্র পাল্টে গেছে।
ভারত থেকে গরু আসা বন্ধের পর থেকে সরকারি-বেসরকারি ও স্থানীয়ভাবে পশু উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এখন সারা বছরের মাংস ও কোরবানির চাহিদা মিটছে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পশু দিয়েই। তবে এজন্য চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে। এর কারণ, করপোরেটদের হাতে গো-খাদ্য ও গবাদি পশুর প্রজননব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ চলে যাওয়ায় অনেক বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।
আসন্ন কোরবানির ঈদের জন্য প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে। সরকারি হিসাবে গত বছরের চেয়ে এবার ২০ লাখের বেশি গবাদি পশুর জোগানও রয়েছে। তবে পর্যাপ্ত পশু থাকার পরও জনসাধারণকে আগের চেয়ে বেশি দামে কিনতে হবে।
খামারিরা জানিয়েছেন, করপোরেটদের নিয়ন্ত্রণে থাকা গো-খাদ্য এবার ২৫-৩৫ শতাংশ বেশি দামে কিনতে হয়েছে। ফলে পশু পালন ব্যয় বেড়েছে।
মূল্যায়নে শিক্ষার্থীর আচরণও— এটি আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা ও পারদর্শিতার পাশাপাশি আচরণগত দিক মূল্যায়নের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। স্বাভাবিক মূল্যায়নের মতো এ মূল্যায়নেও সাতটি স্তর বা সূচক থাকবে। রিপোর্ট কার্ডে ‘আচরণিক ক্ষেত্র’ নামে আলাদা একটি ছক থাকবে।
বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে এই মূল্যায়ন করবেন শিক্ষকেরা। ‘আচরণ’ বলতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর আচরণ, দলগত কাজে অংশগ্রহণ, আগ্রহ, সহযোগিতামূলক মনোভাব ইত্যাদি বিষয় বোঝানো হয়েছে। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকেরা শিখন কার্যক্রম চলার সময় এই আচরণগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন। এরপর আচরণিক নির্দেশকসমূহে শিক্ষার্থীর অর্জনের মাত্রা নির্ধারিত হবে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) তৈরি করা ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ২০২২ এর মূল্যায়ন কৌশল ও বাস্তবায়ন নির্দেশনা’ সংক্রান্ত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরে দুই বার শিক্ষকেরা আচরণিক নির্দেশকগুলোতে ‘নৈপুণ্য অ্যাপ’-এর মাধ্যমে ইনপুট দেবেন। এর মধ্যে একবার ষাণ্মাসিক মূল্যায়নের সময়, আরেকবার বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়নের সময়।
শিক্ষার্থীদের আচরণ মূল্যায়নের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন শিক্ষাবিদেরা।
১৪ পাইলট নিয়োগে অনিয়ম ‘প্রমাণিত’— কালের কণ্ঠ পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, দুই বছর আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর বিমান উড্ডয়নের জন্য চুক্তিভিত্তিক ১৪ জন পাইলট নিয়োগে অনিয়মের সত্যতা পেয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি।
পাইলট নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে গত বছর অগাস্টে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ। রিটের প্রাথমিক শুনানির পর অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্ট তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন।
তদন্ত কমিটি সম্প্রতি হাইকোর্টে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে পাইলটদের নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ছিল। বিমানের তৎকালীন চিফ অব ট্রেনিং ক্যাপ্টেন সাজিদ আহমেদ পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
Biman U-turns to buy Airbus planes— এটি দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার শিরোনাম।
এয়ারবাস প্লেন কেনার বিষয়ে বিমান ই-টার্ন নিয়েছে শীর্ষক এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিমান বোর্ড কমিটি লক্ষ্য করেছিলো যে দু’টি এয়ারবাস এ৩৫০ প্লেন কেনা হলে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে।
কিন্তু গত ২২শে এপ্রিল একটি নতুন মূল্যায়ন কমিটি মূল্যায়নের দায়িত্ব গ্রহণ করে এবং মাত্র তিন দিনের মাঝে তারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে এটি কেনা একটি লাভজনক উদ্যোগ হবে।
এমনকি এই নতুন বিমান বোর্ড কমিটি তাদের পুনরায় করা হিসাব-নিকাশের ভিত্তিতে চারটি এয়ারবাস প্লেন কেনার অনুমোদনও দিয়েছে। এই একেকটি এয়ারবাসের দাম প্রায় ১৮০ মিলয়ন মার্কিন ডলার।
রিজার্ভে পতন ও মার্কিন বিধিনিষেধ বিদেশী বিনিয়োগে ক্ষত তৈরি করছে— এটি বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে এমন মন্দা ভাব আগে কখনও দেখা যায়নি। এমনকি কোভিড মহামারির সময়ও বিদেশি বিনিয়োগের ধারাবাহিকতায় ছন্দপতন ঘটেনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গতকাল প্রকাশিত ‘ফরেন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড এক্সটার্নাল ডেট, জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৩’ প্রতিবেদনের তথ্যে দেখা গেছে, ২০২২ ও ২০২৩ পঞ্জিকাবর্ষে বাংলাদেশে বিদেশী বিনিয়োগের মজুদ (পুঞ্জীভূত বিদেশী বিনিয়োগ বা এফডিআই স্টক) হ্রাস পেয়েছে।
বহুজাতিক কোম্পানি ও ফরেন চেম্বারগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মুনাফা প্রত্যাবাসনে জটিলতা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বকেয়া পরিশোধ এবং ধারাবাহিকভাবে রিজার্ভের পতন বাংলাদেশ থেকে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিমুখ করে তুলছে। বাংলাদেশ নিয়ে তাদের উচ্ছ্বাস এখন অনেকটাই কমে গেছে।
বাংলাদেশে থাকা বৈধ-অবৈধ বিদেশী শ্রমিকের তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট— নয়াদিগন্ত পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে অবৈধভাবে কাজ করা বিদেশি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
একই সাথে, বাংলাদেশে কত সংখ্যক বিদেশী বৈধ ও অবৈধ শ্রমিক কাজ করছে, তার তালিকা আগামী তিন মাসের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
পাশাপাশি, বিদেশি কর্মীরা কীভাবে এবং কোন চ্যানেলে তাদের অর্থ বাংলাদেশ থেকে বাইরে নিয়ে যায়, সে বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ (আইজিপি) সংশ্লিষ্টদের প্রতি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং শীঘ্রই তা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।