আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'বাংলাদেশে কোটিপতির সংখ্যা হঠাৎ বাড়ছে'
নতুন কোটিপতির সংখ্যা নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, “কোটিপতির সংখ্যা হঠাৎ বাড়ছে”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে হঠাৎ করে বাড়ছে কোটিপতির সংখ্যা।
গত তিন মাসে শুধু ব্যাংকেই নতুন কোটিপতি হয়েছেন অর্থাৎ এক কোটি এক টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকার ওপরে মজুদ রয়েছে এমন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন হাজারের মতো।
মঙ্গলবার প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, গত জুন শেষে দেশে কোটিপতির সংখ্যা বেড়ে হয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার ৫৫৪ জনে।
গত মার্চ শেষে এ সংখ্যা ছিল এক লাখ ১০ হাজার ১৯২ জন। অন্যদিকে ৫০ কোটি টাকার ওপরে ব্যাংকে মজুদ রেখেছে এমন ব্যক্তির সংখ্যা এক হাজার ৮২৪ জন।
হঠাৎ কোটিপতির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, সামনে নির্বাচন। একশ্রেণীর মানুষের হাতে অস্বাভাবিক হারে অর্থ চলে আসছে। আর এ কারণে ব্যাংকে তাদের অর্থের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এ পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, ক্ষুদ্র আমানতকারীদের আমানত খুবই কম, বিপরীতে কোটিপতিদের আমানত বাড়ছে অস্বাভাবিক হারে।
বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ক্ষুদ্র আমানতকারীরা তাদের আয়ের সাথে ব্যয় সমন্বয় করতে পারছেন না। জীবনযাত্রার ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সংখ্যা না বাড়ার অর্থই হলো দেশে অর্থনৈতিক বৈষম্য বেড়েছে।
দ্রব্যমূল্য নিয়ে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম, “Don't expect prices to go down soon” অর্থাৎ “শিগগিরই পণ্যমূল্য কমার আশা নেই”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে গত মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ১২.৮২ শতাংশ ছুঁয়েছে, যা গত ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এরপর গত সপ্তাহে সরকার হঠাৎ ডিম, আলু ও পেঁয়াজের দাম বেঁধে দিয়ে বাজারে হস্তক্ষেপ করে সরকার। কিন্তু এ প্রচেষ্টাও এসব নিত্যপণ্যের মাত্রাতিরিক্ত দাম কমিয়ে ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে পারেনি।
খাদ্য মূল্যস্ফীতির এই আকস্মিক উল্লম্ফনে চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে আটকে রাখা যাবে কি না, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরাও।
রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় আগামী মাসে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। যদিও চলতি অর্থবছরে সরকার গড় মূল্যস্ফীতি নির্ধারণ করেছে ৬ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা বারবার বলেছেন, কঠোর মুদ্রানীতি না থাকায় মূল্যস্ফীতি কমছে না। সেইসাথে ডলারের বিপরীতে টাকার ব্যাপক অবমূল্যায়ন এবং বিনিময় হারের অস্থিতিশীলতার কারণে স্থানীয় বাজারে আমদানি করা নিত্যপণ্যের দাম অন্তত ২৫ শতাংশ বেড়ে গেছে।
ডলার সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে কিছু পণ্যের দাম কমার সুফল নিতে পারেনি আমদানিকারকরা।
এদিকে বিএনপি নেতাদের ওপর একেক পর এক মামলা নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, “ঘুম থেকে উঠেই আদালতে বিএনপি নেতারা”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে ছুটির দিন ছাড়া বাকি দিনগুলোয় বিএনপি নেতাদের সকাল শুরু হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে দায়েরকৃত মামলার হাজিরার জন্য আদালতে ধরনা দিতে দিতে।
এখানে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারাও রয়েছেন।
যাদের একেকজনের বিরুদ্ধে দেড়শ থেকে সাড়ে চারশ মামলা রয়েছে। প্রতিদিন চার-পাঁচটি মামলার শুনানিতে থাকতে হয় তাদের।
বিএনপি'র মামলার তথ্য ও সংরক্ষণ শাখার সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে গত ২৫শে জুলাই পর্যন্ত বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এক লাখ ৩৮ হাজার ৭১টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় আসামির সংখ্যা ৪০ লাখের উপরে।
বিএনপি নেতাদের মামলা পরিচালনা করেন এমন বেশ কয়েকজন আইনজীবীরা জানিয়েছেন, শতাধিক মামলার আসামি এমন নেতাকর্মীদের প্রায় সবাইকে ঘুম থেকে উঠেই আদালতে আসতে হয়।
এ নিয়ে বিএনপি নেতারা মনে করছেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এবং সরকারবিরোধী আন্দোলন ঠেকাতে সরকার একের পর এক মামলা দিচ্ছে। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতাকর্মীদের লক্ষ্যবস্ত করা হয়েছে।
আইএমএফ এর ঋণ নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, “আইএমএফ ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড় নিয়ে সংশয়”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ৪৭০ কোটি ডলার ঋণের জন্য চলতি বছরের প্রথমার্ধে মোটাদাগে যেসব শর্ত দিয়েছিল, তার মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার নিট রিজার্ভ ও রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ।
গুরুত্বপূর্ণ দুটি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় আইএমএফের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড় নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। শর্ত বাস্তবায়ন ও দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আগামী ৬ অক্টোবর ঢাকায় আসছে আইএমএফের একটি মিশন।
সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে আইএমএফের পরামর্শে সংস্কার বাস্তবায়নে গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটির বৈঠক হয়। দ্বিতীয় কিস্তি ছাড় নিয়ে ওই বৈঠকে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
শর্ত অনুযায়ী রিজার্ভ আগামী ডিসেম্বরে ২৬ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে হবে। কিন্তু গত জুন শেষে দেশের নিট রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার।
এদিকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ৩ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করে আইএমএফ। এনবিআর আহরণ করেছে ৩ লাখ ৩১ হাজার ৫০২ কোটি টাকা।
আইএমএফ গত ৩০ জানুয়ারি বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলার ঋণপ্রস্তাব অনুমোদন করে। আগামী নভেম্বরে দ্বিতীয় কিস্তির প্রায় ৭০ কোটি ডলার দ্বিতীয় কিস্তি ছাড় করার কথা রয়েছে। ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে মোট সাত কিস্তিতে পুরো অর্থ দেওয়ার কথা।
বাজেট নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, “$250m budget support from WB in Nov” অর্থাৎ “নভেম্বরে বিশ্বব্যাংক থেকে ২৫০ মিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিশ্বব্যাংকের বেঁধে দেওয়া শর্ত পূরণ করার পর এখন বাংলাদেশ সরকার তাদের কাছ থেকে আরও ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা প্রত্যাশা করছে।
বাজেট সহায়তা বাংলাদেশ ফার্স্ট রিকভারি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট (ডিপিসি) এর অধীনে আসবে।
তহবিলটি গত অর্থবছরে আসার কথা থাকলেও সরকার ১২টি শর্ত পূরণ করতে না পারায় বিশ্বব্যাংক সেই সহায়তা আটকে দেয়। অবশেষে, সরকার সব শর্ত বাস্তবায়ন করেছে এবং তহবিল ছাড়ের জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠিয়েছে।
বিশ্বব্যাংক যদি অগ্রগতিতে সন্তুষ্ট হয়, তাহলে নভেম্বরের মধ্যে তহবিল ছাড় করা হতে পারে।
ডিমের দাম নিয়ে সংবাদের প্রধান শিরোনাম “ডিমের দামে ওঠানামা, ১২ - ১৩ প্রতিষ্ঠানের হাতে নিয়ন্ত্রণ, বলছেন খামারিরা “
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে ডিমের দাম খুব বেশি কমার কোন লক্ষণ নেই। গত এক সপ্তাহ ধরে পাইকারি বাজারে প্রতি ১০০ ডিমের দাম ১১৭০ টাকা থেকে ১২শ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে।
মুরগির খাবার- ফিড, ভ্যাকসিন ও ওষুধের দাম বাড়তে থাকার কারণেই ডিমের উৎপাদন খরচ বেড়েছে বলে দাবি মুরগি খামারিদের।
তাদের মতে, ১২ থেকে ১৩ টি প্রতিষ্ঠান জোটবদ্ধভাবে ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। তবে ডিম ব্যবসায়ীরা বলছেন স্থিতিশীল রয়েছে ডিমের দাম আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই।
সম্প্রতি আলু, পেঁয়াজের পাশাপাশি ডিমের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পণ্যটির দাম বেঁধে দেয়। বাজারে প্রতিটি ফার্মের মুরগির ডিম ১২ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়।
কিন্তু বাজারে এই দামে ডিম পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা।
বাজেট নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, “অর্থমন্ত্রীর বাজেট অতিরঞ্জন ভেঙে পড়েছে”। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) সংশোধিত বাজেটের মাত্র ৬৪ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে বলে অর্থ বিভাগের পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে।
বিভিন্ন সময় অর্থনীতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের বিভিন্ন মন্তব্য ও অতিরঞ্জন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সম্প্রতি তিনি মন্তব্য করেন, ‘যারা বলছেন, দেশের অর্থনীতি ভালো নেই, তারা অর্থনীতিই বোঝেন না।’ যদিও দেশের অর্থনীতির বেশির ভাগ সূচকই এখন নিম্নমুখী।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতি বছরই ঘটা করে বড় আকারের বাজেট ঘোষণা করা হচ্ছে। কিন্তু এ বাজেট বাস্তবায়নের সক্ষমতা এখন ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে। বাংলাদেশে ঘোষিত বা সংশোধিত বাজেটের তুলনায় সরকারের প্রকৃত ব্যয়ের মধ্যে বরাবরই ফারাক থেকে যাচ্ছে। এতে বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের দুর্বলতার দিকটিই উঠে আসছে।
২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন মি. কামাল। তখন থেকে সূচক নিম্নমূখী তিনি দাবি করে আসছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো চলছে, বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশ রোলমডেল।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, “ডেঙ্গুতে তছনছ বহু পরিবার”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারি হিসাবে চলতি বছরের নয় মাসে এক দিন থেকে ২৫ বছর বয়সি ৮১ হাজার ৪১৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত এবং ২২১ জন মারা গেছেন।
এসব করুণ মৃত্যু একেকটি পরিবারকে তছনছ করে দিচ্ছে। তিন মাসে ডেঙ্গুতে যেসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ভাইবোনের মৃত্যু অনেকের নজর কেড়েছে।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৯ বছরের শিশু আরাফাত হোসেন রাউফ ও ৬ বছরের ইসনাত জাহান রাইদার মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। সন্তানকে হারিয়ে এখনো স্বাভাবিক হতে পারেননি মা বাবা।
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শাখার (মতিঝিল) সামনে ঝুলছে তিন অবুঝ শিক্ষার্থীর শোকের ছবি। তাদের তিনজনের জীবন কেড়েছে ডেঙ্গু। এদিকে ডেঙ্গু কেড়ে নিয়েছে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের তিন শিক্ষার্র্থী ও এক শিক্ষকের জীবন।
একই ইস্যুতে ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, “মেঝেতেও জায়গা নেই”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ডেঙ্গুর রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে আর ভয়াবহতার চিত্রটি বোঝা যায় হাসপাতালে গেলে।
ঢাকার প্রতিটি হাসপাতালে এখন ডেঙ্গু রোগীদের উপচে পড়া ভিড়। এক বেডে দুইয়ের অধিক ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। মেঝেতেও জায়গা নেই।
হাসপাতালের মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা। এদিকে কোনো কোনো হাসপাতালে চিকিৎসকদের চেম্বারে পর্যন্ত এক্সট্রা বিছানা দিয়ে রোগী রাখা হয়েছে।
এমনকি কোথাও কোথাও রোগী রাখতে হচ্ছে হাসপাতালের বারান্দাতেও। রোগীর স্যালাইন বেঁধে রাখা হচ্ছে জানালার গ্রিলে কিংবা কলাপসিবল গেইটে।
ডেঙ্গু রোগীর চাপে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। অস্ত্রোপচার প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম। হাসপাতালগুলোর কর্তৃপক্ষরা বলেন, কোনো রোগীকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে না। তবে মশা না মারলে সামনে রোগী আরো বাড়বে। সীমিত জনবল দিয়ে কত ক্ষণ ডেঙ্গু রোগীদের সামাল দেওয়া যাবে তা এখন ভাবার বিষয়।
অবৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার কারণে ইতিমধ্যে মশা প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে। ওষুধেও কাজ হচ্ছে না। মশা মরছে না বলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
অন্যান্য খবর
আলুর দাম নিয়ে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, “মুন্সিগঞ্জে হিমাগারে আলু বিক্রি বন্ধ, বগুড়ায় দাম বেশি”।
মঙ্গলবার সকালে মুন্সিগঞ্জের বড়বাজার, মুন্সিরহাট, হাটলক্ষ্মীগঞ্জ ও মুক্তারপুর এলাকার বাজার ঘুরে প্রতিবেদক দেখেছেন যে, সরকার হিমাগার ও খুচরা পর্যায়ে আলুর দাম নির্ধারণ করে দিলেও ওই নির্ধারিত দামে আলু কিনতে পারছেন না খুচরা পর্যায়ের সবজি বিক্রেতারা।
এমন অবস্থায় তারা আলু বিক্রি বাদ দিয়েছেন অনেকে। দাম নির্ধারণ করে দেওয়ার পর পাঁচ দিন ধরে মুন্সিগঞ্জের অধিকাংশ হিমাগারে আলু বিক্রি বন্ধ। যার কারণে সংকট দেখা দিয়েছে খুচরা বাজারে।
দাম বাড়ানো না হলে আলু বিক্রি করবেন না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এদিকে বগুড়ায় হিমাগার থেকে আলু বিক্রি হচ্ছে, তবে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দামে।
বৃহস্পতিবার সরকার আলুর দাম খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা এবং হিমাগার পর্যায়ে ২৬ থেকে ২৭ টাকা বেঁধে দেয়। তবে এই দাম মানেননি ব্যবসায়ীরা।
হিমাগার পর্যায়ে ৩৯ থেকে ৪০ টাকা এবং খুচরা বাজারে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি করতে থাকেন ব্যবসায়ীরা।
মোমেন-মাসুদের বৈঠক প্রসঙ্গে সমকালের প্রথম পাতার খবর, “মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নির্বাচন প্রসঙ্গ তুলল যুক্তরাষ্ট্র”।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নিউইয়র্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র সুরক্ষার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কাউন্সেলর ডেরেক শোলে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বেসামরিক নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি উজরা জেয়া।
দুটি বৈঠকে মার্কিন নেতারা বাংলাদেশের আগামী সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের ওপর আবারও জোর দিয়েছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে তাঁর সরকারের দৃঢ়প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, আগামী সাধারণ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য তারা সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের বিষয়ে মোমেন বলেন, আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের অত্যন্ত উষ্ণ সম্পর্ক রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এই সম্পর্ককে আরও জোরদার ও মজবুত করতে চান।
সংবাদের প্রথম পাতার খবর, “নাজমুল হুদার তৃণমূল বিএনপির নেতত্বে শসমের তৈমূর”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সাবেক বিএনপি নেতা প্রয়াত ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার প্রতিষ্ঠিত দল তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছেন শমসের মবিন চৌধুরী এবং মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তৈমূর আলম খন্দকার।
সাবেক কূটনীতিক শমসের মবিন একসময় বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। আর বহিষ্কৃত তৈমূর আলম খন্দকার ছিলেন দলটির চেয়ারপারসের সাবেক উপদেষ্টা।
তাদের পাশাপাশি দলটির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অন্তরা হুদা নির্বাচিত হয়েছেন এক্সিকিউটিভ চেয়ারপারসন। মোট ২৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয় তৃণমূল বিএনপির।
গত ফেব্রুয়ারিতে ‘সোনালী আঁশ’ প্রতীক পেয়ে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন পাওয়ার তিনদিন পর তৃণমূল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা নাজমুল হুদা মারা যান। এরপর দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন নাজমুল হুদার মেয়ে অন্তরা হুদা।
২০১৫ সালে শমসের মবিন চৌধুরী বিএনপি থেকে পদত্যাগের পর ২০১৮ সালে বিকল্পধারায় যোগ দেন।
তৈমূর আলম খন্দকার ১৯৯৬ সালে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে সক্রিয় ছিলেন। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার কারণে দেড় বছর আগে দল থেকে বহিষ্কার হন তৈমূর।