আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'তিন কারণে জাতীয় নির্বাচন আগে চায় বিএনপি'
তিন কারণে জাতীয় নির্বাচন আগে চায় বিএনপি— দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন না চাওয়ার পেছনে তিনটি কারণের কথা জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা।
এর মধ্যে প্রধান কারণ হচ্ছে, দলীয় প্রতীকবিহীন স্থানীয় নির্বাচন আগে হলে পতিত ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার জন্য একে বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজে লাগাতে পারে। এতে দেশজুড়ে সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। যা সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তাতে জাতীয় নির্বাচন বিলম্বিত হতে পারে।
দ্বিতীয় কারণ হলো, জামায়াতের কর্মকাণ্ড। দলটির তৎপরতায় বিএনপিতে সন্দেহ বেড়েছে। তৃতীয় কারণ হিসেবে বিএনপি নেতারা ছাত্রদের নতুন দল গঠনের প্রক্রিয়াটি সামনে এনেছেন।
ছাত্রদের দল নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্য, সারাদেশে এখনো তাদের সাংগঠনিক ভিত্তি নেই। আগে স্থানীয় নির্বাচন হলে তারা প্রার্থী দেবে। স্বাভাবিকভাবেই তখন সাংগঠনিক ভিত্তি দাঁড়িয়ে যাবে ছাত্রদের দলটির। তাদের এই সুযোগ ফ্যাসিবাদীরা, জামায়াতসহ সবাই নেয়ার সুযোগ খুঁজবে।
সমকালের প্রধান শিরোনাম— রাজনৈতিক চাপ থেকে নিস্তার চান ডিসিরা। ঢাকায় চলছে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন। যা গতকাল রোববার শুরু হয়েছে। এই সস্মেলনের খবর আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত সব পত্রিকা গুরুত্ব দিয়ে প্রথম পাতায় প্রকাশ করেছে।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে নিস্তার ও আইনের শাসন চান বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিরা। এজন্য সুনির্দিষ্ট কিছু নীতিমালা প্রণয়ন ও সংস্কার চেয়েছেন তারা।
সম্মেলনের প্রথম দিন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে মুক্ত আলোচনায় ডিসিরা বিষয়টি তুলে ধরেন।
সম্মেলনের আলোচনায় একাধিক বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসি বলেছেন, মাঠ প্রশাসনকে সেবামুখী করতে পেশাগত মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা জরুরি। সংস্কারের আগে সমস্যার মূলে গিয়ে তা সমাধান করতে হবে।
এদিকে, আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে নৌ পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। তিনি বলেন, নদীপথে মাদক চোরাচালান, ডাকাতিসহ নানা অপরাধ হচ্ছে। এসব অপরাধ মোকাবেলার জন্য নৌ পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।
সরকারের ছয় মাস শেষ খেলার জন্য প্রস্তুত— যুগান্তরের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি। ডিসি সম্মেলনে দেয়া বক্তেব্যে এ কথা বলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেছেন, ''এই সরকারের ছয় মাস চলে গেছে। এটাকে আমি বলছি সরকারের প্রথম পর্ব। প্রথম পর্বের কোনো ভুল থাকলে সেটাকে ঠিকঠাক করে এখন আমরা খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।''
সরকারপ্রধান বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অহেতুক স্তুতি বা প্রশংসা করার সংস্কৃতি থেকে ডিসিদের বেরিয়ে আসতে বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়ে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বা শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখা মস্ত বড় ইস্যু। এটা আমাদের এখন এক নম্বর বিবেচ্য বিষয়। এখানে যেন আমরা বিফল না হই।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেন তিনি।
No police verification needed for passport, অর্থাৎ পাসপোর্টে আর পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে না। এটি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বক্তব্য। ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রথম পাতায় এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, পাসপোর্ট পেতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধান বাতিল করেছে সরকার। ফলে এখন থেকে পাসপোর্টে পেতে হলে পুলিশের ক্লিয়ারেন্স লাগবে না।
গতকাল রোববার ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ ঘোষণা দেন। তিনি তার বক্তব্যে পাসপোর্ট পেতে পুলিশের ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।
মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পাসপোর্ট পাওয়া নাগরিক অধিকার। জন্ম সনদ প্রদানে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স না লাগলে পাসপোর্টে কেন এটি দরকার?
এতদিন পাসপোর্ট পেতে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স বাধ্যতামূলক ছিল। যেখানে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য যাচাই করত বাহিনীটি, তাতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
মূল দায়দায়িত্ব রাজনীতিকদেরই— কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকারের নেয়া সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব রাজনীতিবিদদেরই। সংস্কার প্রক্রিয়া ও বাস্তবায়ন নিয়ে নানা আলোচনা চলমান। ব্যাপক আলোচনা করেও রাজনৈতিক নানা মতাদর্শের কারণে কতটুকু ঐকমত্যে পৌঁছা সম্ভব, তা নিয়ে সংশয় আছে কিছুটা।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্যপ্রক্রিয়ার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হলেও অনেকে নানা প্রশ্নও তুলছেন। কেউ কেউ বিষয়টিকে জটিল ও সময়সাপেক্ষ বলছেন।
অনেকে বলছেন, সুপারিশ বাস্তবায়নে অনেক বিষয়ে সমর্থন দেয়া রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জও। কারণ কোন দল কী সুপারিশ করল, তা প্রকাশ করা হবে। ফলে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এড়িয়ে গেলে তাদের সমালোচনার মুখে পড়তে হতে পারে।
আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণায় 'জনপ্রিয়তা যাচাই' কৌশল।
খবরে বলা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামী সংসদ নির্বাচন নিয়ে ধীরে চলার পক্ষে অবস্থান জানান দিলেও এরই মধ্যে ৩০০ আসনেই 'সম্ভাব্য' প্রার্থী ঘোষণা করছে। সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণার বিষয়টি দেশের মানুষের কাছে নিজেদের তুলে ধরে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের কৌশল হিসেবেই দেখছেন দলটির নেতারা।
যদিও নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরেই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে জামায়াত। প্রার্থী নির্বাচনপ্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, 'সম্ভাব্য' এসব প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়ন পেতে 'জনগণের মন জয়' করতে হবে।
দলীয় সিদ্ধান্তের আলোকে সামাজিক, রাজনৈতিক, মানবিক, সাংগঠনিক ও সমাজ গঠনের কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান যারা রাখবেন, তারাই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় থাকবেন।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ইয়াছিন আরাফাত আজকের পত্রিকাকে বলেছেন, আমরা প্রার্থীদের জনগণের কাছে যেতে বলেছি। কাজ করতে বলেছি। জনগণের কাছে যারা গ্রহণযোগ্য হবেন, তাদের নাম চূড়ান্ত করা হবে।
অটোরিকশা সেবায় নৈরাজ্য জিইয়ে রাখতে আন্দোলন, জিম্মি নগরবাসী— প্রথম আলোর প্রধান খবর এটি।
খবরে বলা হচ্ছে, অটোরিকশার ভাড়া ও মালিকের জমার নির্ধারিত হার কার্যকর করতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার, কিন্তু রাস্তা অবরোধ করে মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে সরকারকে পিছু হটতে বাধ্য করলেন অটোরিকশার চালকেরা। মালিকরাও এর নেপথ্যে ছিলেন।
অটোরিকশা মালিকদের বাড়তি জমা আদায় বন্ধ করতে সড়ক আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে জন্য গত ২৬ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর পুলিশকে (ডিএমপি) চিঠি দেয় বিআরটিএ। আর অটোরিকশার চালকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে ১০ ফেব্রুয়ারি চিঠি দেয়া হয়।
এরপর থেকেই ঢাকা ও চট্টগ্রামের অটোরিকশাচালকদের সংগঠনগুলো বিক্ষোভ মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালন শুরু করে।
সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা জরিমানা ও মামলা করা ঠেকাতে গতকাল রোববার সকালে ঢাকার বিভিন্ন সড়কে সড়ক অবরোধ করেন। এতে ওই সব সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভোগান্তিতে পড়ে মানুষ।
এমন পরিস্থিতিতে গতকাল দুপুরে চালক ও মালিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে দেয়া চিঠি প্রত্যাহার করে বিআরটিএ।
ফলে যাত্রীদের আগের মতোই বেশি ভাড়া দিয়ে চলাচল করতে হবে এবং নির্দিষ্ট গন্তব্যে গন্তব্যে যেতে অটোরিকশা চালকদের মর্জির ওপর নির্ভর করতে হবে। মালিকরাও চালকদের কাছ থেকে বাড়তি অর্থ আদায় করতে থাকবেন।
নিয়োগ বাতিল হওয়া শিক্ষকদের পদযাত্রা, টিয়ারশেল জলকামান— আজ মানবজমিনের প্রধান খবর এটি।
খবরে বলা হচ্ছে, হাইকোর্টের রায়ে নিয়োগ বাতিল হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের গতকাল রোববার মহাসমাবেশ শেষে পদযাত্রায় বাধা দিয়েছে পুলিশ। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল-জলকামান নিক্ষেপ করা হয়।
চাকরিপ্রত্যাশীরা গতকাল সকালে শাহবাগে মহাসমাবেশ করেন। এরপর বেলা ৩টার দিকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু করেন। তারা টিএসসি-হাইকোর্টে মাজার রোড হয়ে সচিবালয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় সচিবালয়ের দিকের রাস্তায় পুলিশ ব্যারিকেড দেয়।
তবে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সচিবালয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন আন্দোলনকারীরা। তখন তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল-জলকামান ব্যবহার করে।
নিয়োগের দাবিতে তারা টানা ১১দিন ধরে আন্দোলন করছেন। চাকরিতে যোগদানের বিষয়ে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ারও ঘোষণা দিয়েছেন।
Border killing, fencing high on agenda— দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম এটি। নয়াদিল্লিতে আজ শুরু হচ্ছে বিজিবি-বিএসএফের ৫৫তম সীমান্ত সম্মেলন। তাতে গুরুত্ব পাবে সীমান্ত হত্যা ও বেড়া দেয়ার বিষয়টি।
এ নিয়ে বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এবারের সম্মেলনে আলোচনায় সীমান্ত হত্যা, আটক, অপহরণ রোধ, ভারত হতে বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য, অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বিভিন্ন ধরনের নিষিদ্ধ দ্রব্যের চোরাচালান প্রতিরোধ, আন্তর্জাতিক সীমানা আইন লংঘন করে অবৈধ অনুপ্রবেশ বিশেষ করে ভারত সীমান্ত দিয়ে বলপূর্বক বাস্তচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ রোধ, সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়াসহ অননুমোদিত অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধ, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা হবে।
এদিকে, এই সম্মেলন শুরুর আগের দিন ওমানে অষ্টম ভারত মহাসাগর সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের চ্যালেঞ্জগুলো স্বীকার করে সেগুলো মোকাবেলায় যৌথ প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। এ নিয়েও একটি খবর প্রকাশ করেছে ইংরেজি দৈনিকটি।