'প্রথম মার শুরু করেন চেয়ারম্যানই যোগ দেন শত শত মানুষ'

ফরিদপুরের মধুখালীতে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘প্রথম মার শুরু করেন চেয়ারম্যানই যোগ দেন শত শত মানুষ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত ১৮ই এপ্রিল ফরিদপুর মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নে দুই নির্মাণ শ্রমিকদের সন্দেহ বশে বেধড়ক মারধর এবং এতে ঘটনাস্থলে ওই দুই শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা পুরো দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

কীভাবে সূত্রপাত হলো এই ঘটনার, এ নিয়ে নানা সন্দেহের ডালপালা মেলতে থাকে। পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড নাকি গুজবের বলি হলেন দুই কিশোর?

প্রতিবেদক তার অনুসন্ধানে কয়েকটি পরিস্থিতির কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে একটি হল , শৌচাগার নির্মাণ প্রকল্পের কাজ যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পায় তাদের সাথে আরেক ঠিকাদারদের দ্বন্দ্ব।

এদিকে স্থানীয় একটি সূত্র ও নিহতের পরিবার বলছে, শৌচাগার নির্মাণকাজ শুরু করার পর থেকেই স্থানীয় ইউপি সদস্য অজিৎ কুমার সরকার ওই কাজে নানাভাবে বাধা সৃষ্টি করেন।

তার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি করার অভিযোগও রয়েছে। চাঁদা না দিলে মারধরেরও হুমকি দেন।

পরে নির্মাণকাজের রড নিয়ে যেতে গেলে এতে বাধা দেন শ্রমিক (যিনি পরবর্তীতে নিহত হয়েছিলেন)। পরে ওই যুবকরা উত্তেজিত হয়ে আশরাফুলসহ অন্যান্য শ্রমিকদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যান।

১৮ই এপ্রিল পুনরায় এই রড ছিনিয়ে নেয়াকে ঘিরে দ্বন্দ্ব বাধে বলে জানা গিয়েছে।

ওইদিন মন্দিরে আগুন লাগার ঘটনায় ওই শ্রমিকদের বিরুদ্ধে সন্দেহের তীর বিদ্ধ হয় এবং তারা গণপিটুনির শিকার হন।

তীব্র গরম আবহাওয়াকে ঘিরে ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, ‘হিটস্ট্রোকে আরো ১১ জনের মুত্যু, বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা আরও বাড়বে

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হিট স্ট্রোকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে গাজীপুর, নরসিংদী, রংপুর, সিলেট, মেহেরপুর ও ঝালকাঠিতে এক জন করে, চট্টগ্রামের পটিয়ায় তিন জন এবং দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে দুই জন মারা গেছেন।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গা, যশোর এবং পাবনার ওপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

এছাড়া খুলনা বিভাগের বাকি অংশ, রাজশাহী জেলা এবং ঢাকা বিভাগের ওপর দিয়ে তীব্র দাবদাহ চলছে। একই সঙ্গে দেশের বাকি অংশের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

গতকাল ছয় জেলায় তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রির ওপরে।

দুর্বিষহ সময় পার করছেন ঢাকাবাসীও। প্রচণ্ড খর রোদের কারণে ঘরবাড়ি তপ্ত হয়ে উঠছে, রাস্তা থেকে গরম বাতাস গায়ে জ্বালা ধরাচ্ছে।

বাড়িতে কিংবা কর্মস্থলে ফ্যানের বাতাসেও তপ্তপ্রাণ জুড়াচ্ছে না।

নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ নির্মাণশ্রমিক, কৃষিশ্রমিক, ইজিবাইক চালক ও রিকশা-ভ্যান চালকরা দুর্বিষহ গরমে তাদের কর্মব্যস্ততা হারিয়ে ফেলেছেন।

গত কয়েকদিন ঢাকার তীব্র তাপমাত্রার কারণ নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘ঢাকার বাতাসে উত্তাপ বাড়াচ্ছে পাঁচ ধরনের ক্ষতিকর গ্যাস’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকার বাতাসে ময়লার ভাগাড়, ইটভাটা, যানবাহন ও শিল্পকারখানার ধোঁয়া থেকে পাঁচ ধরনের গ্যাসের স্তর তৈরি হয়েছে। যা ঢাকার বাতাস ও মাটিকে আরও উষ্ণ করে তুলছে।

একদল বিজ্ঞানীর দুটি সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হচ্ছে, তাপপ্রবাহের সঙ্গে যুক্ত হওয়া এসব ক্ষতিকর গ্যাসের কারণে ঢাকার আবহাওয়া অসহনীয় হয়ে উঠেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক দীর্ঘমেয়াদি সমীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন, ঢাকার বাতাসে এই পাঁচ ধরনের গ্যাস হচ্ছে কার্বন মনোক্সাইড, নাইট্রিক অক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড, ভোলাটাইল অর্গানিক কম্পাউন্ড ও ওজোন।

এসব গ্যাস ১০ থেকে চারশো বছর পর্যন্ত শহরের বাতাসে রয়ে যেতে পারে।

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী অ্যাটমসফেয়ারিক কেমিস্ট্রিতে প্রকাশিত গবেষণায় ঢাকার বাতাসে পাঁচ ধরনের গ্যাসের অস্তিত্বের বিষয়টি উঠে এসেছে।

গবেষণা দলটির এক সদস্য বলেছেন, ‘এসব গ্যাসের উৎসগুলো কমাতে পারলে শহরের বায়ুদূষণ এবং অতি উষ্ণতাকেও নিয়ন্ত্রণ এবং সহনীয় পর্যায়ে আনা যাবে।’

একই ইস্যুতে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Children mostly affected by heatwave’ অর্থাৎ, ‘তাপপ্রবাহে আক্রান্ত হয় বেশিরভাগ শিশুরা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চলমান তাপপ্রবাহে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে শিশুরা।

ঢাকা এবং দেশের অন্যত্র নিউমোনিয়া, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট এবং জ্বরে আক্রান্ত শিশুরা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

ঢাকা শিশু হাসপাতালের তথ্যের বরাতে নিউ এইজ জানায়, গত ১০ই এপ্রিল থেকে ২০শে এপ্রিল পর্যন্ত মোট এক হাজার ৮৬৯টি শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছে, তাদের মধ্যে ১৪৩ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।

আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে ৪৫১ জন শিশু নিউমোনিয়া রোগী, এক হাজার ২৫১ জন সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত এবং ১৬৭ জন হাঁপানিতে আক্রান্ত।

প্রতি গ্রীষ্মের মৌসুমে হাসপাতালে রোগীদের এমন চাপ থাকে বলে জানান ঢাকা শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক।

তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন যে, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম হওয়ার কারণে প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় তারা এই গরমে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন।

এজন্য প্রখর রোদে বাইরে না খেলতে শিশুদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

চলমান তাপপ্রবাহের কারণে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রোববার থেকে সাত দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

তাপপ্রবাহে ফসলের ক্ষতি নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘সুসময়ে হঠাৎ বিপদে কৃষক’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, তীব্র তাপদাহের কারণে বিপর্যয়ে পড়েছে কৃষি, ডেইরি, পোলট্রি ও মৎস্য খাত। দিশেহারা চাষি ও খামারিরা। ঠা ঠা রোদের প্রভাবে ধানগাছ শুকিয়ে যাচ্ছে, মরছে সবজির গাছ।

সেচের জন্য প্রয়োজনীয় পানিও মিলছে না গভীর নলকূপে। যেটুকু পানি মিলছে, তাতেও খরচা করতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।

বোরো ক্ষেতে হিট শক ব্লাস্ট সংক্রমণের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঝরে পড়ছে আম ও লিচু।

অতিরিক্ত গরম ও লোডশেডিংয়ের কারণে গ্রামাঞ্চলের প্রায় প্রতিটি খামারেই দেখা দিয়েছে মড়ক।

মারা যাচ্ছে মুরগি ও গরু। তীব্র তাপপ্রবাহে পানিতে অক্সিজেন সংকটে মাছের রেণু পোনার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কৃষি ও কৃষিজাত পণ্য উৎপাদনে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব পড়েছে। প্রতিবছর গরমকালে কৃষি ক্ষতির মুখে পড়ে।

অথচ এ মৌসুম নিয়ে কৃষি বিভাগের পরিকল্পনা নেই। ঝড়-বন্যার মতো তাপদাহকে সেভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবেও দেখা হয় না। ফলে কৃষির ভরা এ মৌসুমে ক্ষতির মুখে পড়ে নিঃস্ব হন চাষি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তাপপ্রবাহকে নিয়ে আলাদা পরিকল্পনা ও বরাদ্দ নিতে কৃষকরা ঘূর্ণিঝড়-বন্যাকে যেভাবে নেয়, তাপপ্রবাহকে সেভাবে নেয় না।

এ বিষয়ে সার্বিকভাবে সবার সচেতনতার অভাব আছে। তাপমাত্রা বেশি থাকলে ফসল পরিচর্যার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

তীব্র গরম নিয়ে প্রধান শিরোনাম করেছে সংবাদ। তাদের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম তিস্তার পানিপ্রবাহ নিয়ে, ‘তিস্তায় পানিপ্রবাহ ৫০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতের উজানে গজল ডোবা ব্যারেজসহ বিভিন্ন খালের মাধ্যমে এক তরফা ভাবে পানি প্রত্যাহার করে নেয়ায় রংপুর অঞ্চলে শুস্ক মৌসুমের শুরুতেই নদী পানি শূন্য হয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে।

পুরো নদী জুড়ে জেগে উঠেছে ধুধু বালু চর। ফলে তিস্তা ব্যারেজকে কেন্দ্র করে ধান ক্ষেতে পানি দিয়ে সেচ কাজও বন্ধ হয়ে যাবার উপক্রম হয়েছে।

তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে পানি প্রবাহ এ যাবতকালের সর্বনিম্ন ছয়শ কিউসেকে দাঁড়িয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে তিস্তা নদী পানি শূন্য হওয়ার কারণে জীব বৈচিত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

ফলে তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে চাষাবাদ করা ভুট্টা , পেয়াজ , মিষ্টি কুমড়া সহ অন্যান্য ফসলের গাছ প্রচণ্ড দাবদাহের কারনে গাছ গুলো শুকিয়ে মরে যাচ্ছে।

শুধু তাই নয় তিস্তা নদী শুকিয়ে যাওয়ায় নদী সংলগ্ন চরাঞ্চলসহ আশেপাশের এলাকায় পানির স্তর দ্রুত নীচে নেমে যাচ্ছে।

চলতি শুস্ক মৌসুমে বৈশাখ মাসের আগেই তিস্তা নদীর পুরো এলাকা জুড়ে পানি শুকিয়ে গেছে। বর্তমানে প্রমত্তা তিস্তা নদী মরা খালে পরিণত হয়েছে।

উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির অবস্থান নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘ভোটে বিএনপির অনেকে অনড়, কেউ দোলাচলে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও দলীয় নেতাদের যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাদের অনেকেই ভোটে থাকার বিষয়ে অনড় রয়েছেন।

কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পাওয়ার পর কয়েকজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন, কেউ কেউ আছেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে।

তবে কেন্দ্রীয় বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা মনে করছেন, দলীয় পদে আছেন এমন প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবেন।

দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর বিভাগের তথ্য মতে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ নিতে বিএনপির অন্তত ৪৯ জন নেতা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।

তাদের মধ্যে গত দুই দিনে বেশ কয়েকজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৩৫ জনের বেশি প্রার্থী মাঠে সক্রিয় আছেন।

রোববার অন্তত ২০ জন প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তিন ধরনের ভাষ্য পাওয়া গেছে। বেশ কয়েকজন নির্বাচনে মাঠে থাকার বিষয়ে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন।

তাদের বেশির ভাগের দলে কোনো পদ নেই। দলে পদ আছে এমন নেতাদের কেউ কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, তারা এক ধরনের সিদ্ধান্তহীনতায় আছেন। ভোট করার ইচ্ছা আছে, কিন্তু দলীয় নির্দেশও উপেক্ষা করতে চাইছেন না।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী কালের কণ্ঠকে বলেন, মনোনয়নপত্র যাঁরা জমা দিয়েছেন তাঁদের বেশ কয়েকজন তা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আজ শেষ দিনে বেশির ভাগ নেতা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।

উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অবস্থান নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘AL chief’s directive for MPs largely unheeded’ অর্থাৎ, ‘এমপিদের জন্য আওয়ামী লীগ প্রধানের নির্দেশনা অনেকাংশে উপেক্ষিত’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়দের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে প্রত্যাহার করার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর নির্দেশনাকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না।

প্রথম দফার ভোটে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ঘনিয়ে এলেও প্রতিমন্ত্রীর মাত্র একজন আত্মীয় পদত্যাগ করেছেন।

এমপি-সংশ্লিষ্ট অনেক প্রার্থীই নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করছেন।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেছেন, “কোনও মন্ত্রী ও এমপির ঘনিষ্ঠ আত্মীয় যদি দলীয় নির্দেশনা না মানেন, তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।”

সাংসদদের আত্মীয়দের মধ্যে কেউ কেউ এই প্রতিযোগিতায় থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং অন্যরা বলেছিলেন যে তারা বিশ্বাস করেন যে প্রতিযোগিতা শেষ হলে দল তাদের প্রতি নরম হবে।

কিছু প্রার্থী বলেছেন যে দলের নির্দেশ অনেক দেরিতে এসেছে। অথচ ইতিমধ্যে তারা নির্বাচনের বাবদ প্রচুর বিনিয়োগ করেছেন।

বাংলাদেশ কাতার সম্পর্ক নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘এলএনজিতে ভর করে দুই দেশের বাণিজ্য পৌনে তিনশ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের দেশ কাতারে ২০০০ সালে বাংলাদেশ থেকে রফতানি হয় প্রায় ২৪ লাখ ডলারের পণ্য, বিপরীতে আমদানি হয় ৪৫ লাখ ডলারের।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), সারের মতো পণ্যে ভর করে ২০২২ সালে কাতার থেকে আমদানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭৪ কোটি ডলারে।

অন্যদিকে দেশটিতে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা রফতানি করে বাংলাদেশের নয় কোটি ডলারের মতো আয় এসেছে।

দুই দেশের এ সম্পর্ককে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে দুদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকায় আসছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি।

তার এ সফরে দুই দেশের মধ্যে ১১ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হবে। এর মধ্যে ছয়টি চুক্তি ও পাঁচটি সমঝোতা স্মারক।

বাংলাদেশে কাতারের বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ে মূলত ২০১৮ সালের পর থেকে।

কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় দ্বিপক্ষীয় এ সহযোগিতা বেড়েছে বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

এরই ধারাবাহিকতায় কাতার থেকে বড় ধরনের জ্বালানি সহযোগিতা পাচ্ছে বাংলাদেশ।