আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
লাগামহীন মূল্যস্ফীতির কারণে যারা সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে
- Author, রিকার্ডো সেনরা
- Role, বিশ্ব জনসংখ্যা সংবাদদাতা
মেসেরেত আদ্দিস খুব নিচু স্বরে কথা বলছিলেন। তার গলা কাঁপছিল। ৮৩ বছর বয়সী এই নারীর বেশিরভাগ সময় কাটে বিছানাতেই।
রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়াতে নাকের সঙ্গে লাগানো টিউবে জোরে নিশ্বাস নিলেন তিনি।
“আমি ভুগতে চাই না। আমি ক্ষুধার্ত থাকতে চাই না। আমি ঠাণ্ডায় কষ্ট পেতে চাই না,” বলেন তিনি।
মেসেরেত আদ্দিস তার তিন নাতি-নাতনিকে নিয়ে থাকনে ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায়, ছোট্ট একটি ঘরে। তার মেয়ে ডায়াবেটিসে মারা গেছেন। তিনি নিজেও একজন বিধবা।
নাতি-নাতনিরা স্কুলেই সকালের নাস্তা দুপুরের খাবার খেতে পারে। ফলে তিনি নিজের জন্য কিছুটা খাবার বাঁচাতে পারেন। দিনে একবেলা খান তিনি। তাও প্রত্যেকদিন নয়।
“আমরা শুধু কোলো (এক ধরনের রোস্ট করা খাদ্যশস্য) আর পানি খাই। তার পর ঘুমিয়ে পড়ি। যখন এটুকুও সংগ্রহ করতে না পারি, তখন আমাদের আর কিছু করার থাকে না।”
মেসেরেত আদ্দিসের এই গল্প বিচ্ছিন্ন কোনো গল্প নয়।
‘তারা দৃশ্যমান নয়’
বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি সঙ্কটের কেমন প্রভাব পড়েছে সেটা বুঝতে বিবিসি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের বয়স্ক লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছে।
তাদের বক্তব্য থেকে যে চিত্র ফুটে ওঠেছে তাতে দেখা যাচ্ছে এই বয়সী লোকেরা কতোটা নাজুক হয়ে পড়েছে, দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা কতোটা বেড়েছে এবং মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে তাদেরকে কতোটা কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হচ্ছে।
“বয়স্ক লোকজনের ব্যাপারে একেবারেই কোনো তথ্য নেই,” বলেন জাতিসংঘের একজন বিশেষজ্ঞ ক্লডিয়া মাহলার। বৃদ্ধ লোকজনের মানবাধিকার নিয়ে কাজ করেন তিনি।
“যখনই কাউকে সাহায্য সহযোগিতা দেওয়া হয়, তারা বাদ পড়ে যান। কারণ তারা দৃশ্যমান নয়।” তিনি বলেন অন্যান্য সোচ্চার গ্রুপের কারণে তাদের কথা শোনা যায় না।
বৃদ্ধ লোকজনকে নিয়ে কাজ করে এরকম একটি দাতব্য সংস্থা হেল্পএইজ ১০টি দেশে এনিয়ে কাজ করেছে। আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর অর্থায়নে পরিচালিত নতুন এই গবেষণায় দেখা গেছে বয়স্ক লোকজন “বেঁচে থাকার জন্য কঠোর সব ব্যবস্থা” নিচ্ছেন।
তার মধ্যে রয়েছে জীবনে এই প্রথমবারের মতো ভিক্ষা করা থেকে শুরু করে হাসপাতালের চিকিৎসা নেওয়া বন্ধ করে দেওয়া।
“আমি দেখছেন যে আমি অসুস্থ। আমি বিছানায় পড়ে আছি। আমি যদি চিকিৎসা না নেই, তাহলে আমার মৃত্যু হবে,” বলেন মেসেরেত আদ্দিস।
আদ্দিস আবাবা থেকে চার হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে একই ধরনের দুর্দশার কথা বলছিলেন ৬৭ বছর বয়সী এলিস চোবানিয়ান।
“আমি ঠিক কতবার আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছি সে বিষয়ে কথা বলতে চাই না,” বলেন এই নারী।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন বয়স্ক লোকজনের ওপর এই সঙ্কটের গুরুতর প্রভাব পড়েছে।
“বিষণ্ণতা তো শুধু বিষণ্ণতা নয়। এটাকে শুধু বয়স-জনিত বিষয় হিসেবে দেখা হয়। এটাকে তেমন একটা গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কিন্তু এটা আসলে অনেক বড় বিষয় যার ওপর তেমন একটা দৃষ্টি দেওয়া হয় না,” বলেন জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ ক্লডিয়া মাহলার।
মিজ চোবানিয়ান লেবাননের রাজধানী বৈরুতের ছোট্ট একটি ঘরে আরো দশজনকে নিয়ে থাকেন। তাদের মধ্যে দুজন তার মেয়ে যাদের সম্প্রতি বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। এই দুই মেয়ের আটজন সন্তানও তাদের সঙ্গে থাকেন।
তিনি বলেন ২০২০ সালের পর থেকে তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা আরো খারাপ হয়ে গেছে। “এখন পরিস্থিতি যতোটা কঠিন, আগে কখনো এরকম ছিলো না,” বলেন তিনি।
ধারাবাহিক কিছু সঙ্কট
জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলছে সারা বিশ্বে যেসব মানুষ বড় ধরনের খাদ্য নিরাপত্তা-হীনতায় ভুগছে তাদের সংখ্যা ২০১৯ সালে ছিল ১৩ কোটি ৫০ লাখ। কিন্তু ২০২২ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ কোটি ৫০ লাখ।
কোভিড মহামারি এবং জলবায়ুর পরিবর্তন ছাড়াও ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের কারণে সারা বিশ্বে খাদ্য, জ্বালানি এবং ওষুধ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতিও উচ্চ হারে বেড়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে থেকেই লেবানন অর্থনৈতিক সঙ্কটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। দেশটিতে গত বছর খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৩৭২.৮%।
“আমার নাতনিরা শুধুমাত্র মুরগির গন্ধ পাওয়ার জন্য মুরগির দোকানগুলোর সামনে দিয়ে হেঁটে যায়,” বলেন মিজ চোবানিয়ান।
“গতকাল তারা খুব ক্ষুধার্ত ছিল। আমার কাছে কিছু ছিল না। তখন তারা বলল ঠিক আছে, ঘুমিয়ে পড়ি, দেখি মুরগি নিয়ে কোনো স্বপ্ন দেখা যায় কি না।”
মিজ চোবানিয়ানের মেয়েরা কেয়ারারের কাজ করেন এবং তা থেকে তিনি মাসে ২০ ডলার পেয়ে থাকেন।
“এই সঙ্কট শুরু হওয়ার আগে আমি ফুল তোলা কাপড় বিক্রি করতাম। কিন্তু এখন যে অবস্থা কেউই কিছু কিনছে না। আমি যেটা করছি সেটাকে তারা বিলাসবহুল জিনিস বলে মনে করছে। এটা কেনার জন্য লোকজনের কাছে কোনো অর্থ নেই,” বলেন তিনি।
বয়স্ক নারীদের অবস্থা সবচেয়ে কঠিন
বিশেষজ্ঞরা বলছেন মিজ আদ্দিস ও মিজ চোবানিয়ানের মতো বয়স্ক নারীরাই “বর্তমান সঙ্কটের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।”
“সামাজিক ও সাংস্কৃতিক রীতি হচ্ছে যখনই কোনো পরিবারে খাবারের অভাব দেখা দেয়, তখন নারীরা সবার আগে খাওয়া দাওয়া থেকে বিরত থাকে। এছাড়াও সামাজিক বৈষম্যের কারণে নারীদের উপার্জন করার ক্ষমতাও কম থাকে,” বলেন হেল্প এইজের একজন কর্মকর্তা বব বাবাজানিয়ান।
“পরিবারের কাঠামোও এমন যে সম্পদের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণও কম থাকে।”
সাধারণত পরিবারের শিশু ও আত্মীয় স্বজনদের নারীরাই দেখাশোনা করেন। তারা যখন বাড়ির বাইরে কাজ করেন, তাদের উপার্জনও পুরুষের তুলনায় কম থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নারীরা অনানুষ্ঠানিক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকেন।
“নারী ও পুরুষের উপার্জনের মধ্যে যে বৈষম্য সেবিষয়ে আমরা প্রায়শই কথা বলে থাকি। পেনশনের ক্ষেত্রেও কিন্তু তাদের মধ্যে বৈষম্য রয়েছে,” বলেন জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ ক্লডিয়া মাহলার।
“নারী ও মেয়ে-শিশুরা ভালো শিক্ষা না পেলে তারা পুরুষদের মতো একই কাজের জন্য সমান সুযোগ পায় না। এর ফলে তারা পেনশন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও কম পেয়ে থাকে,” বলেন তিনি।
কিন্তু বয়স্ক পুরুষদেরও নানা ধরনের কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।
জিয়াউদ্দিন খিলজি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে তার গাড়ি মেরামতের দোকানের দরজার কাছে বসেছিলেন। তখন দুপুর। সাত বছর ধরে কিডনি ডায়ালিসিসের পর তার স্ত্রী গত মাসে মারা গেছেন।
তার বয়স এখন ৬৮। কোনো পেনশন না পাওয়ার কারণে তাকে এই বয়সেও কাজ করতে হচ্ছে। কিন্তু তার যেসব ক্লায়েন্ট গাড়ি ঠিক করাতে তার কাছে আসতো, গত এক বছরে তারা যেন কোথাও হারিয়ে গেছে।
“একটা সময় ছিল যখন সারাদিনে একটুও ফুসরত পাওয়া যেত না।। আর এখন, সেই সকাল থেকে এই দুপুর পর্যন্ত এই একটা কাজ পেয়েছি,” ধুলার আস্তর পরা কিছু যন্ত্রপাতির দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে বলছিলেন মি. খিলজি।
পাকিস্তানে গত প্রায় ৫০ বছরের মধ্যে এবছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে সবচেয়ে বেশি।
বর্তমানে তিনি তার ওয়ার্কশপের পেছনে গুটিয়ে রাখা একটি ম্যাট্রেসে ঘুমান। কিন্তু গত মাসে এই দোকানের বেতন দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ার কারণে এখানে থাকা যাবে কি না তা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
স্ত্রীর চিকিৎসা খরচ যোগাতে তিনি যে অর্থ ঋণ করেছিলেন, সুদের হার বেড়ে যাওয়ার কারণে সেটাও বেশ ব্যয়বহুল হয়ে পড়ছে।
“আমার ডায়াবেটিস আছে। আমার হার্টে একটি স্টেন্ট পরানো। আমার কিডনিতে সমস্যা আছে। কিন্তু আমাকে যেসব ট্যাবলেট খেতে হয় সেগুলোর দাম বেড়ে গেছে। কখনও কখনও আমি ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেই। যখন কিনতে পারি, তখন খাই। এছাড়া আমি আর কী করবো?”
ইথিওপিয়াতে মিজ আদ্দিসের ফুসফুসের জন্য যেসব ওষুধ খাওয়া দরকার সেগুলোও কেনাও তিনি বন্ধ করে দিয়েছেন।
হেল্পএইজের গবেষণাতেও দেখা গেছে মিজ আদ্দিস ও মি. খিলজির মতো বয়স্ক লোকেরা মূল্যবৃদ্ধির কারণে ওষুধ খাওয়া ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।
এই প্রথম ফুড ব্যাঙ্কের দ্বারস্থ হওয়া
দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রভাব যে শুধু ইথিওপিয়া, লেবানন ও পাকিস্তানের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর বয়স্ক লোকজনের ওপর পড়েছে তা নয়। যুক্তরাজ্যের মতো সমৃদ্ধ একটি দেশেও এই সঙ্কট চোখে পড়ে।
লন্ডনের দক্ষিণাঞ্চলে থাকেন ৭৪ বছর বয়সী থাবানি সিথোল। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত নার্স। প্রতিদিন তার যতোটুকু খাবারের প্রয়োজন তার জন্যে তিনি স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় গড়ে তোলা ফুড ব্যাঙ্কের দ্বারস্থ হয়ে থাকেন।
“আমি কখনো ভাবি নি যে আমাকে একদিন ফুড ব্যাঙ্ক ব্যবহার করতে হবে। কখনোই ভাবিনি। কারণ সবকিছুই তো ভালো ছিল। আমার যে সামান্য সঞ্চয় ছিল তা দিয়ে সবই ঠিকমতো চলছিল। আমি ভাবতাম ‘এই লোকগুলোকে কেন ফুড ব্যাঙ্কে আসতে হচ্ছে?’
“এখন তো আমাকেই আসতে হয় এবং লাইনে দাঁড়াতে হয়,” বলেন তিনি। এসময় তিনি আঙ্গুল তুলে তার কিচেনের টেবিলের ওপর রাখা কিছু ক্যান দেখাচ্ছিলেন।
ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থা এনএইচএসে কাজ করতেন তিনি। ২০১৯ সালে অবসরে যান। সেসময় তিনি ভেবেছিলেন “জীবন তো মাত্র শুরু হচ্ছে,” কিন্তু জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সবকিছু বদলে গেছে।
“কখনো কখনো কোনো একটা জিনিস পেতে মন চায়। কিন্তু এখন তো খাওয়ার জন্য যথেষ্ট খাবার পেলেই চলে।”
মিজ সিথোলের কন্যার বয়স যখন মাত্র দু’মাস তখন তিনি তার স্বামীকে হারান। এখন তিনি তার একমাত্র কন্যার সঙ্গে বসবাস করেন। বাড়ির বসার ঘরের দেওয়ালজুড়ে রয়েছে এই মেয়ের ছবি।
“আমাকে দেখার জন্য অন্তত সে তো আছে। এখন আমি এটাই এফোর্ড করতে পারি।”
যদিও পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্ভর করা স্বাভাবিক বিষয়, তার পরেও বয়স্ক লোকজনের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে এই রীতিও কঠিন হয়ে পড়বে।
কিংস কলেজ লন্ডনের বার্ধক্যবিদ্যা ইন্সটিটিউটের পরিচালন ওয়েই ইয়াং বলেন, “যুক্তরাজ্যে যাদের বয়স ৬৫ কিম্বা তারচেয়েও বেশি, আগামী কয়েক দশকে তাদের সংখ্যা দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেড়ে যাবে।”
“সাহায্যের জন্যে পরিবারে যে সবসময় অল্পবয়সী সদস্যরা থাকবে সেটা প্রায় অসম্ভব। বয়স্ক লোকজনকে দীর্ঘ-মেয়াদে কিভাবে সেবা দেওয়া যাবে সেবিষয়ে নতুন উপায় খুঁজে বের করার জন্য সরকারকে ভাবতে হবে,” বলেন ড. ইয়াং।
মিজ সিথোল বলেন সাহায্যের জন্য তিনিও ইন্ডিপেন্ডেন্ট এইজের মতো দাতব্য সংস্থার ওপর নির্ভর করেন। তার আশঙ্কা যে সামনে দিনগুলোতে আরো খারাপ কিছু অপেক্ষা করছে।
“প্রত্যেক দু’মাসে মর্টগেজের পরিমাণ বাড়ছে,” বলেন তিনি। “মর্টগেজ দিতে না পারলে আমাদেরকে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হবে।”
“এখন আমাদেরকে এই বাড়ি বিক্রি করে দিতে যেখানে একটু সস্তা সেসব জায়গায় চলে যেতে হবে। তবে সেখান থেকে আমার মেয়ের কাজে যাওয়া কঠিন হবে।”
বয়স্ক যেসব লোকজন বর্তমানে কঠিন সময় পার করছেন, তাদেরকে তিনি মুখ খোলার আহবান জানিয়েছেন।
“লজ্জা পাবেন না। ভয় পাবেন না,” বলেন তিনি। “একসময় এমন ছিল। লোকে বলতো ‘ওহ তুমি গরিব, তুমি নার্স হিসেবে কাজ করতে, তুমি এখানে কেন?’
“এখন কেউ এসব বলছে না। কারণ শিক্ষক, ডাক্তার, নার্স সবাই এখন খাদ্য সংগ্রহ করতে ফুড ব্যাঙ্কে যাচ্ছে।”