আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
‘শাখা থেকে শাখায় ঘুরছেন গ্রাহকরা, মিলছে না টাকা’
‘শাখা থেকে শাখায় ঘুরছেন গ্রাহকরা, মিলছে না টাকা’- মানবজমিন পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।
খবরটিতে বলা হয়েছে, তীব্র তারল্য সংকটে পড়েছে আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেড।
অনিয়ম আর ঋণ কেলেঙ্কারিতে থাকা ব্যাংকটির বেগতিক অবস্থার বর্ণনায় গ্রাহকদের টাকা উত্তোলন, কর্মচারীদের বেতন ও নতুন ঋণ দেয়া বন্ধের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বর্তমানে ক্রাইসিস আরও নিম্নগামী হওয়ায় কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছে ব্যাংকটি।
অবস্থা এতটাই বেগতিক যে, পাঁচ হাজার টাকার চেক দিলে ব্যাংকটির একটি শাখাও গ্রাহককে টাকা দিতে পারছে না। কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ হচ্ছে ধাপে ধাপে।
সবমিলিয়ে নগদ টাকার সংকটে নতুন ঋণ বিতরণও বন্ধ। টানা লোকসান, মূলধন ঘাটতি ও উচ্চ খেলাপি ঋণে খাদের কিনারে দাঁড়িয়েছে ব্যাংকটি।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কোনো অর্থ ধারও করতে পারছে না বলেও খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, ব্যাংকটির পরিস্থিতি এতটাই ভয়ানক যে, তাদের এমন কোনো সিকিউরিটিজ নেই, যার বিপরীতে অন্য ইসলামী ব্যাংক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে অর্থ ধার করতে পারবে।
নানা অব্যবস্থাপনায় বিতরণ করা ঋণ পরিশোধ হচ্ছে না। খেলাপিতে হাবুডুবু খাচ্ছে ব্যাংকটি।
‘দুবাইয়ের আবাসন খাতে প্রপার্টি কিনেছেন ৫৩২ বাংলাদেশী’- বণিক বার্তা পত্রিকার খবর এটি।
দুবাইয়ের বাজারে বাংলাদেশীদের বড় অংকের বিনিয়োগের বিষয়ে আসা তথ্য নিয়ে একাধিক জাতীয় সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ইইউ ট্যাক্স অবজারভেটরির (ইইউট্যাক্স) প্রকাশিত তথ্যের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে দুবাইয়ের আবাসন খাতে ৫৩২ বাংলাদেশীর প্রপার্টি মালিকানার (অফ-প্ল্যান অর্থাৎ উন্নয়ন বা নির্মাণ শেষের আগেই কিনে নেয়া প্রপার্টির মালিকানাসহ) হিসাব পাওয়া গেছে।
দুবাইয়ের স্থানীয় ভূমি কর্তৃপক্ষের তথ্য সংগ্রহের ভিত্তিতে নিয়মিতভাবে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ওয়াশিংটনভিত্তিক সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড ডিফেন্স স্টাডিজ (সি৪এডিএস)।
সেখানে অর্থ পাচারের মাধ্যমে গড়ে তোলা গোপন সম্পদ নিয়ে বিভিন্ন উৎসে পাওয়া তথ্য ফাঁস হচ্ছে নিয়মিতভাবেই।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সহায়তায় এসব তথ্য যাচাই-বাছাই, সি৪এডিএস, অন্যান্য গবেষণা সংস্থাসহ বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ‘ফরেন ইনভেস্টমেন্টস ইন দুবাই হাউজিং মার্কেট ২০২০-২৪’ শীর্ষক এক গবেষণা নোট প্রকাশ করেছে ইইউট্যাক্স।
চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত এ নোটে দ্বৈত গণনা এড়াতে বিদেশী মালিকানাধীন প্রপার্টির তালিকায় জমির তথ্য বিবেচনায় নেয়া হয়নি।
ইইউট্যাক্সের পরিসংখ্যানে দুবাইয়ে ২০২০ সালে ৪৬০ বাংলাদেশী প্রপার্টি মালিকের তথ্য পাওয়া যায়। অফ-প্ল্যান প্রপার্টিকে বিবেচনায় নিলে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৬২-তে।
শহরটিতে ২০২২ সালে বাংলাদেশী প্রপার্টি মালিকের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪২৮-এ। অফ-প্ল্যান প্রপার্টিকে হিসাবে নিলে সংখ্যা ৫৩২। এর আগে ২০২০ সালে এ সংখ্যা ছিল ৫৬২।
‘৩০ শর্তে তিন পক্ষই চাপে’- দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
খবরে বলা হয়েছে, দুই মাসের প্রবাসী আয়ের সমপরিমাণের অর্থ পেতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ৩০ শর্ত মানতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
যার মধ্যে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ভর্তুকি প্রত্যাহার, সুদহার কিংবা মুদ্রা বিনিময় হার বাজারভিত্তিক করার মতো শর্ত রয়েছে, যেগুলো সরাসরি সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব ফেলছে।
এর ফলে গ্যাস-বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খাদ্যের সঙ্গে জীবনযাত্রার সর্বক্ষেত্রে ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে, যা দেশের সাধারণ মানুষের কষ্ট আরও বাড়িয়ে তুলেছে। শুধু সাধারণ মানুষই নয়, সরকার ও ব্যবসায়ীরাও চাপে পড়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণের শর্তে বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সুশাসন ও সংস্কারের নামে দেশের সাধারণ মানুষের ওপর খরচের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি তেল, গ্যাস-বিদ্যুৎ থেকে ভর্তুকি প্রত্যাহারের ফলে সব পণ্যের দাম বেড়ে গেছে।
ফলে গত দেড় বছরে মানুষের আয় না বাড়লেও জীবনযাত্রার ব্যয় ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। আইএমএফের সঙ্গে অংশীদারত্বের পর থেকেই রাষ্ট্রীয় জনকল্যাণ খাতে ভর্তুকি কমানোতে এমন সব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার ফলে শুরুতেই মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেছে।
গত ২২ মাস ধরেই উচ্চ মূল্যস্ফীতি বজায় রয়েছে।
‘তৃণমূল নেতাদের বেফাঁস মন্তব্যে বিব্রত আ.লীগ’- কালবেলা পত্রিকার প্রথম পাতার খবর।
এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকারের নির্বাচন কেন্দ্র করে তৃণমূলের নেতাদের বেফাঁস ও বিতর্কিত মন্তব্যে বিব্রত নীতিনির্ধারকরা। এক উপজেলায় বিতর্কিত মন্তব্যের রেশ না কাটতেই অন্য উপজেলায় একই ধরনের ঘটনার জন্ম দিচ্ছে।
আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা পরিষদের তিনটি ধাপের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ। নিজ নিজ প্রার্থীকে জেতাতে প্রচারণা এখন তুঙ্গে।
চেয়ারম্যান প্রার্থীদের পক্ষে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের নেতারা বিভক্ত হয়ে প্রচারে অংশ নিচ্ছেন।
আর এই প্রচারে অংশ নিয়ে প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা একে অপরের চরিত্রহনন ও কাদা ছোড়াছুড়ি করছেন বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে । একই সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে বেফাঁস মন্তব্যের হিড়িক পড়েছে। উপজেলা নির্বাচনকেন্দ্রিক এসব বিতর্কিত মন্তব্য তৃণমূল সংগঠনগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাশাপাশি বিব্রত হচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও।
দলের পক্ষ থেকে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হলেও দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে উপজেলা নির্বাচন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নির্বাচন শেষে এর মূল্যায়ন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নীতিনির্ধারকরা ইঙ্গিত দিয়েছেন।
‘কথা বেশি কাজ কম ২ সিটির’- যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম।
জলাবদ্ধতা নিষ্কাশনে সফলতার বিষয়ে দুই সিটি কর্পোরেশনের দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রতিবেদনটিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
খবরে বলা হয়, রাজধানীতে ১১ মে ভোরে ১ ঘণ্টা ধরে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিতেই সড়ক, ফুটপাত ও অলিগলি তলিয়ে যায়। বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথ না পেয়ে ঢুকে পড়ে বাসাবাড়ি ও দোকানপাটে।
অথচ ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর ঢাকা ওয়াসা থেকে খাল ও নর্দমা বুঝে পাওয়ার পর থেকে বিগত প্রায় সাড়ে ৩ বছর ধরে খাল ও নর্দমা উন্নয়নের নানা সফলতা দাবি করেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। বিদ্যমান বাস্তবতার বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, খাল ও নর্দমা উন্নয়নে দুই সিটি যত সফলতা দাবি করছে, সেই অনুযায়ী কাজ তেমন হয়নি।
ঢাকা ওয়াসা থেকে দুই সিটি খাল ও নর্দমাগুলো বুঝে নেওয়ার পর ২০২১ ও ২০২২ সালে বর্ষার মৌসুমে বৃষ্টি অপেক্ষাকৃত কম হয়। এতে রাজধানীতে জলজট ও জলাবদ্ধতাও কম হয়। সে সময় ঢাকার দুই সিটি দাবি করেছে-বৃষ্টির পর ১৫ মিনিটের মধ্যে পানি সরে যায়। আবার কখনো ৩০ মিনিটের মধ্যে পানি নিষ্কাশনের দাবি করেছে।
শুধু তাই নয়, রাজধানীতে জলাবদ্ধতা মুক্ত হয়েছে-এমন কথাও বলেছে ঢাকার দুই সিটি। কিন্তু ২০২৩ সালে বৃষ্টির পরিমাণ বেড়ে জলাবদ্ধতা হওয়ায় সেসব দাবি প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
নিউ এজ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম- ‘Energy, communications edn prioratised in ADP’ অর্থাৎ ‘এডিপিতে জ্বালানি, যোগাযোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে’।
খবরে বলা হয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ আরও নিশ্চিত করতে ও অর্থনীতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে বৈদেশিক সাহায্য ও অনুদানপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলনকক্ষে আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী এসব নির্দেশনা দেন।
এসময় বৈদেশিক সহায়তাপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের গতি বাড়াতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে প্রতি তিন মাসে তাদের বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে একনেকে অবহিত করতে বলেন তিনি।
এনইসি আগামী অর্থবছরের (২০২৪–২৫) জন্য ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার এডিপি অনুমোদন করেছে, যার মধ্যে ১ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা স্থানীয় উৎস থেকে এবং বাকি ১ কোটি টাকা বিদেশী উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে।
‘দরিদ্র মানুষের খাবারের ব্যয় ৫৮ শতাংশ’- প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) প্রকাশিত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে দারিদ্যসীমার নিচে থাকা মানুষের খাবার কেনার খরচ ছিল মাথাপিছু ১৮৫১ টাকা। গত দুই বছরে খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে প্রায় তিন হাজার টাকা, যা আগের দুই বছরের তুলনায় ৫৮ শতাংশ বেশি।
ডব্লিউএফপির চলতি মাসের বাজার তদারকি প্রতিবেদন বলছে, মাথাপিছু খাদ্যের দাম দেশের একেক বিভাগে একেকভাবে বেড়েছে। চট্টগ্রাম, ঢাকা ও সিলেটে জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি বেড়েছে। রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহে তুলনামূলকভাবে কম বেড়েছে। বাকি এলাকাগুলোতে দাম অপরিবর্তিত আছে।
বাজারে ভারতীয় চোরাই চিনি নিয়ে আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ‘বস্তা বদলেই স্বিগুন দাম’।
এতে বলা হয়েছে, ভারতের খুচরা বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি চিনির দাম কমবেশি ৪০ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫৬ টাকা।
একই চিনি বাংলাদেশে বিক্রি হচ্ছে, প্রতি কেজি ১৩৫ টাকা। দুই দেশে দামের এমন পার্থক্যের কারণে সীমান্ত দিয়ে প্রচুর ভারতীয় চিনি বাংলাদেশে ঢুকছে বলে খবরে বলা হয়েছে।
আর এই চিনি রাতারাতি মোড়ক বদলে দ্বিগুণের বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে খুচরা বাজারে।
চার মে নারায়ণগঞ্জের তাড়াব পৌরসভা থেকে ৬২৪ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ করেছেন জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। উদ্ধারকৃত এসব চিনির বস্তার ১৪৪টি ছিল মেঘনা গ্রুপের ফ্রেস ব্র্যান্ডের আর বাকি ৪৮০টি ভারতীয় ব্র্যান্ডের মোড়কে।
১৩ই মে শেরপুর থেকে আরও ১ হাজার ২৯২ বস্তা ভারতীয় চিনি উদ্ধার করা হয়। এভাবে দুএক দিন পরপর সিলেট, ময়মনসিংহে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে ভারতীয় চোরাই চিনি।
আর চোরাকারবারিদের আনা ভারতীয় চিনি দেশীয় ব্র্যান্ডের মোড়কে বাজার দখলে নেওয়ায় ভোগ্যপণ্যের প্রকৃত ব্যবসায়ীরা ব্যবসা হারাচ্ছেন বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
‘এবার শরীফার গল্প বাদ দেয়ার সুপারিশ’- সংবাদ পত্রিকার প্রথম পাতার খবর।
এতে বলা হয়েছে, সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবই থেকে শরীফার গল্পটি বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি।
ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ে মানুষে মানুষে সাদৃশ্য ও ভিন্নতা অধ্যায়ের ‘শরীফার গল্প’ শীর্ষক গল্পটি বাদ দেওয়ার সুপারিশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি।
গল্পটি চলটি শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে থাকলেও পরে প্রত্যাহার করা হয়, অর্থাৎ আর পড়ানো হচ্ছে না।
নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে প্রণীত সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের মানুষে সাদৃশ্য ও ভিন্নতা অধ্যায়ের ‘শরীফ থেকে শরীফা’ শীর্ষক গল্প যুক্ত করা হয়। এনিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছিল।
পরে গল্পটি পর্যালোচনা করার জন্য উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ কমিটি দুদিন আগে প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। পাঁচ সদস্যের ওই কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আবদুর রশীদ।
বিভিন্ন ভুল উল্লেখ করে কমিটির পক্ষ থেকে এই গল্পটি বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেবে মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘনঘন নীতি পরিবর্তনের ফলে অর্থনীতিতে অস্বস্তি বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুল আলম।
তিনি বলেন, বারবার নীতি পরিবর্তনে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তবে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সবকিছু স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন গর্ভনর। পাশাপাশি সমাধান হবে রিজার্ভ সমস্যারও।
গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর আব্দুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।
তিনি বলেন, দেশে ডলারের দর বাড়ায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়বে। তাই এটি যেন আর না বাড়ে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে।
মাহবুবুল আলম বলেন, সুদহার যাতে ১৪ শতাংশের বেশি না হয় দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সেই দাবি গভর্নরকে জানালে তিনি সুদহার ১৪ শতাংশের বেশি হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন।
‘বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে স্থবিরতা চায় না যুক্তরাষ্ট্র’- কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে কঠিন বা উত্তেজনাকর ইস্যুগুলোতে আটকে না থেকে সহজ ইস্যুগুলো নিয়ে অগ্রসর হতে চাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ডোনাল্ড লুর সদ্যসমাপ্ত সফরে এমন বার্তাই মিলেছে বলে খবরে বলা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা পত্রিকাটিকে বলেন, নির্বাচনের পর যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন রাখবে বা খুব স্বাভাবিক সম্পর্ক থাকবে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা জল্পনাকল্পনা ছিল। তবে এই ইস্যুতে আটকে না থেকে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার যে বার্তা ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে অব্যাহতভাবে দেওয়া হচ্ছে তা সরকারের জন্য স্বস্তির।