আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
‘আনার হত্যায় নতুন মোড়, ফাঁসছেন দলের নেতারা’
‘আনার হত্যায় নতুন মোড়, ফাঁসছেন দলের নেতারা’— মানবজমিন পত্রিকার অন্যতম প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের মিশন বাস্তবায়নকারী শিমুল ভূঁইয়া রিমান্ডে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে যেসব নতুন নতুন তথ্য দিচ্ছেন, তাতে এ ঘটনায় আরও ফেঁসে যাচ্ছেন ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা।
এরইমধ্যে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সম্পৃক্ততা থাকার কারণে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ ওরফে বাবুকে গ্রেফতার করেছে ডিবি। তার আগে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।
সম্পৃক্ততা পাওয়ার পরে তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তদন্ত কর্মকর্তারা আদালতে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আনার হত্যাকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছেন বাবু। হত্যার পরিকল্পনা থেকে শুরু করে সবকিছুতে তার সম্পৃক্ততা মিলেছে। আনার হত্যার পর মিশন বাস্তবায়নকারীদের দুই কোটি টাকা দেয়ার কথা ছিল তার। সঞ্জীবার ওই ফ্ল্যাটে আনারের মুখে চেতনানাশক স্প্রে করার পর তার পোশাক খুলে নগ্ন ছবি তোলা হয়েছিলো।
এসব ছবি ছাড়াও মিশন বাস্তবায়ন করে তোলা ছবিও ঘাতক শিমুল ভূঁইয়া বাবুর মোবাইলে পাঠিয়েছিলো। ছবিগুলো ঝিনাইদহ-৪ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগের শীর্ষ এক নেতাকে দেখানোর জন্য পাঠানো হয়েছিলো।
এমপি আনার হত্যায় রাজনৈতিক যোগসূত্র থাকার বিষয়টি সমকাল পত্রিকায়ও এসেছে।
‘লকডাউনেও সমান আপ্যায়ন ব্যয়’— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, করোনা মহামারীর সময় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরাও বাসা-বাড়িতে ছিলেন।
কিন্তু দেশের বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ের হিসাব বিবরণীতে উঠে এসেছে, স্বাভাবিক সময়ের মতো লকডাউনকালেও তাদের অফিসে ‘যারা’ এসেছিলেন, তাদেরকে চা-কফি-বিস্কুট, কখনও কখনও খাসির মাংস দিয়ে রান্না করা বিরিয়ানি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়েছিলো।
জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এসব বিল-ভাউচারের প্রায় সবই ভুয়া। কারণ মহামারীর সময় যারা এসব দপ্তরে বা কর্মকর্তাদের বাসায় যেতে বাধ্য হয়েছিলেন, তাদের মুখে ছিল মাস্ক। অনেকের হাত ছিল গ্লাভসে ঢাকা। চা-কফি পান তো দূরের কথা, তারা মুখই খুলতেন না।
শুধু বরাদ্দ টাকার খরচ দেখানোর জন্য আপ্যায়নের নামে মাস শেষে এই ধরনের বিল-ভাউচার-ক্যাশ মেমো বানানো হয়েছে বলে উঠে এসেছে দেশ রূপান্তরের অনুসন্ধানে।
এ প্রসঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, “যখন সবকিছু বন্ধ ছিল তখন কে সরকারি অফিসগুলোতে গিয়েছিলেন? কাদের এসব আপ্যায়ন করা হলো? এটা দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত করা উচিৎ।”
‘নিজেদের প্রতিপক্ষ বানিয়ে সংঘাতে জড়ায় আ.লীগ’— এটি প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, সদ্য সমাপ্ত উপজেলা নির্বাচনে রাজনৈতিক কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না।
ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিপক্ষ বানিয়ে সংঘাতে জড়িয়েছেন। ফলে চার পর্বের এই উপজেলা নির্বাচনে প্রাণহানি হয়েছে সাতজনের। আহত হয়েছেন প্রায় এক হাজার।
স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচনে এবার প্রায় সব পর্বেই ছোট-খাটো সংঘাত হয়েছে। তবে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে যশোর, কুষ্টিয়া, কক্সবাজার, গোপালগঞ্জ, নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সিরাজগঞ্জে।
এই সাত জেলায় হত্যাকাণ্ডের এসব ঘটনায় আসামির সংখ্যা ১৭২। ১৯ জন গ্রেপ্তার হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মূল হোতা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।
এছাড়া, বিরোধী দলবিহীন এ নির্বাচনে ভোটারদের উৎসাহ ছিল না বললেই চলে। উপজেলা নির্বাচনের ইতিহাসে এবার ভোট পড়েছে সবচেয়ে কম।
‘সর্বব্যাপী দুর্নীতি, অরক্ষিত ব্যাংক খাত’— এটি নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এই প্রতিবেদনে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, “দেশে এখন সর্বব্যাপী দুর্নীতি, ব্যাংক খাত নিয়ন্ত্রণহীন ও অরক্ষিত। প্রশাসনের সব স্তর জবাবদিহিতার অভাব, অনিয়ম ও দুর্নীতিতে ভরা। এর ফলে সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের বদলে ব্যাপক অপচয় হচ্ছে।”
সোমবার নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) ও সম্পাদক পরিষদ আয়োজিত ‘অর্থনীতির চালচিত্র ও প্রস্তাবিত বাজেট ২০২৪-২৫’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “সাবেক আইজিপির শত শত কোটি টাকা ব্যাংকে জমা হলো, আবার রাতারাতি উধাও হয়ে গেল। তাহলে এই টাকাগুলোর পদচিহ্ন কোথায় গেল। ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স বিভাগের কাজ এখানে কী ছিল।”
আলোচনায় অংশ নিয়ে ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ বলেন, ব্যাংক খাতে বিশৃঙ্খলা এমন পর্যায়ে এসে পড়েছে যে, অর্থনীতির সবচেয়ে সংবেদনশীল জায়গায়টি এখন নিয়ন্ত্রণহীন ও অরক্ষিত অবস্থায়।
তিনিও প্রশ্ন করেন, “সম্প্রতি আমাদের সাবেক আইজিপি (বেনজীর আহমেদ) সাহেবের ব্যাপারে একটি সংবাদ এসেছে, হাজার হাজার কোটি, শত শত কোটি টাকা ব্যাংকে জমা হচ্ছে, আবার রাতারাতি ব্যাংক থেকে তা উধাও হয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী এত টাকা কোথায় থেকে আসছে অথবা কোথায় যাচ্ছে তা লিপিবদ্ধ করতে হয়। তাহলে এই টাকাগুলোর পদচিহ্ন কোথায় গেল?”
সভায় আলোচিত এই বিষয়টি প্রধান শিরোনাম হিসেবে এসেছে দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকায়ও।
‘GAS CRISIS hits consumers hard’— এটি দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে যে গত ২৯শে মে ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে কক্সবাজারে একটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল বন্ধ হওয়ার পরে দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে গ্যাস সংকটে আছে প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল বসতবাড়ি, কারখানা ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন।
গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় রাজধানীর অনেক এলাকার মানুষ রান্না করতে গিয়ে অসুবিধার মুখোমুখি হচ্ছে এবং গ্যাসের পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় কিছু কারখানাও বন্ধ হয়ে গেছে, শহরের প্রায় সব সিএনজি ফিলিং স্টেশনেই থাকছে যানবাহনের দীর্ঘ সারি ও গ্রামাঞ্চলের বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও খারাপ হয়েছে।
বন্ধ হয়ে যাওয়া টার্মিনালটির মালিকানায় রয়েছে সামিট এলএনজি টার্মিনাল কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেড।
গতকাল এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি বলে, টার্মিনালটিকে সংস্কারের জন্য গত সপ্তাহে বিদেশে নিয়ে যাওয়া হয় এবং আগামী তিন সপ্তাহের মাঝে এটিকে পুনর্বহাল করা হবে।
‘বিদেশে পাচারের নীলনকশা!’— এটি যুগান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অধিক মুনাফার প্রলোভনে সারা দেশ থেকে অন্তত ৮০০ কোটি টাকার ‘আমানত’ সংগ্রহ করেছে রাজশাহীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আমানা গ্রুপ।
মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম)-এর আদলে তাদের পুঁজি সংগ্রহের কার্যক্রম নিয়ে ইতোমধ্যেই বিতর্ক উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটির অধীনে বিশাল আবাসন প্রকল্পের নামসর্বস্ব কাগুজে জায়গা জমি দেখিয়ে বাণিজ্যের নামে উঠেছে প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ।
কোম্পানির কর্ণধাররা অবৈধভাবে যুক্তরাজ্য, দুবাই, ভারত ও পাকিস্তানে ব্যবসায়িক সংযোগ তৈরি করে সাধারণের কাছ থেকে সংগ্রহ করা আমানতের বিপুল অর্থ পাচারের ‘নীলনকশা’ তৈরি করেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। একটি সরকারি সংস্থার তৈরি করা ২৪ পাতার এক প্রতিবেদনের সূত্র ধরে যুগান্তরের অনুসন্ধানে এসব তথ্য জানা গেছে।
‘Probe initiated against Aziz’s siblings’— এটি নিউ এজ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের ভাই হারিস আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট ও এনআইডি কার্ড জালিয়াতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে।
সোমবার দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন আবদুল্লাহ বলেছেন, দুর্নীতি দমন কমিশন অভিযোগ তদন্তের জন্য নির্বাচন কমিশন এবং অভিবাসন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে গত সপ্তাহে চিঠি পাঠিয়েছে।
এ প্রেক্ষাপটে রোববার তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন। এই কমিটি খতিয়ে দেখবেন যযে কিভাবে মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে এনআইডি কার্ড পেয়েছেন হারিস ও তোফায়েল। গতকাল সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।
তিনি বলেন, “এনআইডি’র একটি প্রযুক্তিগত দিক আছে। প্রযুক্তিতে ত্রুটি থাকতে পারে। কিন্তু যদি মাত্র ০.০১ শতাংশ মানুষও এটির অপব্যবহার করে, তবে তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।”
‘বিশ্ববাজারের সঙ্গে মূল্য সমন্বয় হচ্ছে না জ্বালানি তেলের’— বণিক বার্তা পত্রিকার এই প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমছে।
গত মাসেও বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের ব্যারেলপ্রতি গড় মূল্য ছিল ৮১ ডলার ৪০ সেন্ট। আর আন্তর্জাতিক বাজারে গতকাল মার্কিন বাজার আদর্শ ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ছিল ৭৬ ডলারের নিচে। মূল্যে পতনের বিষয়টি অন্যান্য বাজার আদর্শেও অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, গত মার্চ থেকে দেশে জ্বালানি তেলের ‘স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ’ পদ্ধতি চালু রয়েছে। জ্বালানি বিভাগ সংশ্লিষ্টদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রেখে এ মূল্য নির্ধারণ হচ্ছে।
কিন্তু বিশ্ববাজারে পণ্যটির দাম কমতির দিকে থাকলেও চলতি মাসে জ্বালানি বিভাগ ডিজেল-কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম বাড়িয়েছে।
জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য সমন্বয়ের এ পদ্ধতি ঠিকমতো বাস্তবায়ন না হওয়ার পেছনে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অতিমাত্রায় মুনাফার প্রবণতাকে দায়ী করছেন জ্বালানি খাত বিশেষজ্ঞরা। আর জ্বালানি তেলের এ উচ্চ মূল্যকেই দেশে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসার অন্যতম কারণ হিসেবে দায়ী করেছেন তারা।
বিদেশি বিনিয়োগে জাহাঙ্গীরের থাবা— কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পোশাকশিল্প খাতে ২০১৭ সালে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) শুরু করে হংকংভিত্তিক বহুজাতিক শিল্পগোষ্ঠী লাওস গ্রুপ।
কিন্তু ট্রেড লাইসেন্স সংশোধনী ও নবায়ন না হওয়ায় গাজীপুরের দক্ষিণ সালনা ও বাইপাসে ১৮ বিঘার ওপর নির্মিত লাওস গ্রুপের কলোটেক্স অ্যাপারেল লিমিটেডের উৎপাদন বন্ধের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, লাওস গ্রুপের মতো বিদেশি শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশন মেয়র জায়েদা খাতুনের উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম। যদিও বৈশ্বিক সংকটে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সরকার প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগে জোর দিচ্ছে।
কিন্তু দেশে ব্যবসারত বহুজাতিক কোম্পানির ট্রেড লাইসেন্সের নবায়ন, সংশোধনী না করে এ লক্ষ্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছেন তিনি।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি প্রতিষ্ঠানটির ঝুট ব্যবসার পুরো নিয়ন্ত্রণ নিতে চান।
‘মিলেমিশে লোপাট করে ফাঁসছেন ঠিকাদার-প্রকৌশলী’— এটি আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।
এখানে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার কিসমত জাফরাবাদ মৌজায় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) একটি প্লট প্রকল্পে অর্ধেকেরও কম মাটি ভরাট করে প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকা বিল তুলে নিয়েছেন ঠিকাদার।
জাগৃক ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক তদন্তে এর সত্যতা মেলায় ফেঁসে যাচ্ছেন জাগৃকের চার প্রকৌশলী।
সম্প্রতি দুদক মহাপরিচালকের (তদন্ত-২) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ প্রকল্পের ঠিকাদারসহ অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের নামে তিনটি মামলা করার সুপারিশ করেছেন সংস্থাটির পরিচালক মো. সফিকুর রহমান ভূঁইয়া।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন জাগৃকের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শামসুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার মোর্শেদ, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. অলিউল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী আশ্রাফুজ্জামান ও প্রকল্পের ঠিকাদার মাইনুল কবির।
‘বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার আশাবাদ’— এটি সমকালের প্রথম পাতার অন্যতম প্রধান শিরোনাম। এই বিষয়টি আজ দেশের অধিকাংশ পত্রিকাতেই প্রথম পাতায় এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার সন্ধ্যায় ভারতের নয়াদিল্লিতে মোদি সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে একান্ত বৈঠক হয়। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার করা বলা হয়েছে।
দুই নেতা আশা প্রকাশ করেন, বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও গভীর হবে। অত্যন্ত উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে রাষ্ট্রপতি ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নরেন্দ্র মোদিকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী।