পত্রিকা: যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানির কাছ থেকে চীনে তৈরি জাহাজ কিনবে সরকার

বণিক বার্তা পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ- যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানির কাছ থেকে চীনে তৈরি জাহাজ কিনবে সরকার

এখানে বলা হয়েছে, প্রায় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে হেলেনিক ড্রাই বাল্ক ভেঞ্চারস এলএলসির কাছ থেকে দুটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ কিনছে সরকার। জাহাজগুলো কেনা হচ্ছে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জন্য।

সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি গতকাল তা অনুমোদনও দিয়েছে। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের হলেও জাহাজ দুটি নির্মাণ করা হচ্ছে চীনে। সেখান থেকেই পাঠানো হবে বাংলাদেশে।

৫৩ বছর আগে যাত্রা করা রাষ্ট্রায়ত্ত জাহাজ পরিবহন প্রতিষ্ঠান বিএসসির বহরে শুরুর দিকে জাহাজ ছিল কেবল দুটি। এরপর বিভিন্ন সময়ে ৪৪টি যুক্ত হয়। তবে আয়ষ্কাল ফুরিয়ে যাওয়ায় নব্বইয়ের দশকের শেষে ৩৬টিকেই পাঠানো হয় অবসরে। কমতে কমতে জাহাজের সংখ্যা আবারো দুটিতে নেমে আসে। ২০১৮ সালে চীনের কাছ থেকে কেনা ছয়টি যুক্ত হলে বিএসসির বহরে জাহাজের সংখ্যা দাঁড়ায় আটটিতে।

তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় ইউক্রেনে 'বাংলার সমৃদ্ধি' জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে অগ্নিকাণ্ডের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় 'এমটি বাংলার জ্যোতি' ও 'এমটি বাংলার সৌরভ'।

বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বণিক বার্তাকে বলেন, 'জাহাজ চায়না থেকে আনা হচ্ছে। তবে যে কোম্পানি জাহাজ দুটি সরবরাহ করছে সেটি যুক্তরাষ্ট্রের। এটি আমাদের জন্য একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, 'পুরোপুরি স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জাহাজ দুটি কেনা হচ্ছে। এক্ষেত্রে কোনো ঋণ নেয়া হয়নি, বরং বিএসসির নিজস্ব তহবিল থেকেই জাহাজ কেনার টাকা দেয়া হচ্ছে।

একই বিষয়ে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায়ও সংবাদ প্রকাশ হয়েছে- ব্যয় হবে ৯৩৫ কোটি টাকা যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ কিনছে সরকার

আরো পড়তে পারেন:

এখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ২০১৫ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ১৬০টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও মোতায়েন করেছে।

এর জন্য প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রতি ডলার ১২০ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২৮০ কোটি টাকা) ব্যয় করতে হয়েছে ঢাকাকে।

আর এসব প্রযুক্তির অধিকাংশই আনা হয়েছে অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায়। এর মধ্যে ৫২৭ কোটি টাকার (৪৩.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) পণ্য কেনা হয় ইসরাইলি উৎস থেকে।

টেকগ্লোবাল ইনস্টিটিউটের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। 'দ্য ডিজিটাল পুলিশ স্টেট : সারভাইল্যান্স, সিকিউরেসি অ্যান্ড স্টেট পাওয়ার ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক ৭০ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনটি সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি চার ধরনের উৎস থেকে পাওয়া তথ্য এক বছর বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকৃত সংখ্যা ও ব্যবহৃত প্রযুক্তির পরিমাণ এবং প্রকৃত ব্যয় আরও বেশি হতে পারে।

২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক দশকে বাংলাদেশের নজরদারি ব্যবস্থা ঔপনিবেশিক আমলের পুলিশিং ঐতিহ্য থেকে আধুনিক সাইবারভিত্তিক নেটওয়ার্কে রূপান্তরিত হয়েছে।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ৯/১১-এর সন্ত্রাসী হামলা এবং ২০১৬ সালে ঢাকার হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর সন্ত্রাস দমনের অজুহাতে এই নজরদারির বিস্তার ঘটে।

তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই সাইবার নজরদারি রাজনৈতিক বিরোধী, সাংবাদিক, অ্যাকটিভিস্ট এবং সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্য করে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।

ইংরেজি পত্রিকা নিউএইজ- এ প্রকাশিত প্রধান শিরোনাম- STATE BENEFITS FOR JULY MARTYRS: Families in straits as rule applies unequally অর্থাৎ জুলাই শহীদদের জন্য রাষ্ট্রীয় সুবিধা: ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সমান সুবিধা পায়নি

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই শহীদদের পরিবারের জন্য রাষ্ট্রীয় সুবিধা প্রদানের নিয়ম সকল ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ না করায় বিরোধ, ক্ষোভ এবং নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে।

কয়েকজন বিধবা নারী প্রথম পর্যায়ে সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ টাকার পূর্ণ এককালীন অনুদান পেয়েছেন, আবার কয়েকজন বিভিন্ন পরিমাণ অর্থ পেয়েছেন।

তিন সন্তানের মা মরিয়ম কোনও অর্থ পাননি, যদিও তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা ১০ লক্ষ টাকা পেয়েছেন। তবে, তিন বছরের একটি মেয়ে মারিয়া সুলতানা রাখি ১০ লক্ষ টাকা অনুদান পেয়েছেন।

পরিমাণও পরিবর্তিত হয়েছে। তৌহিদুর রহমান রানার বিধবা স্ত্রী নাসরিন আক্তার ৬.২৫ লক্ষ টাকা, নিসান খানের বিধবা স্ত্রী জামেনা তুজ জাহারা ৬.৬৬ লক্ষ টাকা এবং সাংবাদিক মেহেদী হাসানের বিধবা স্ত্রী ফারহানা ইসলাম পপি ৭ লক্ষ টাকা পেয়েছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ শাসনের পতন ঘটানো এই বিদ্রোহ অনেক পরিবারকে, বিশেষ করে বিধবা ও শিশুদের আর্থিক সংকটে ফেলে দেয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানকারী মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ ফারুক হোসেন বলেছেন, 'আমরা প্রাথমিকভাবে উত্তরাধিকার আইন বিবেচনা করেছি। বিরোধের ক্ষেত্রে, আমরা উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে কাজ করব।'

মেহেদী হাসানের বিধবা স্ত্রী ফারহানা ইসলাম বলেছেন, 'আমাদের শ্বশুরবাড়ির লোকেরা এককালীন অনুদানের একটি অংশ নিতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।'

'কিন্তু, আমরা মাসিক ভাতা ভাগ করে নিতে চাই না কারণ আমাদের সন্তানরা ছোট,' তিনি আরও বলেছেন। 'সরকারের উচিত বিতরণের নিয়ম স্পষ্ট করা এবং সকল ক্ষেত্রে সমানভাবে এটি প্রয়োগ করা।'

আরাকান আর্মিতে ভাঙন : অনেকে আত্মসমর্পণের অপেক্ষায় -নয়া দিগন্ত পত্রিকায় প্রথম পাতায় প্রকাশিত খবর

এতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে ভাঙন দেখা দিয়েছে। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও নানা জটিলতায় দলের অনেক সদস্য বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে আত্মসমর্পণের অপেক্ষায় রয়েছে। একাধিক সূত্র গতকাল রাতে নয়া দিগন্তকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কক্সবাজারের টেকনাফের সীমান্তবর্তী নাফ নদীর তীরবর্তী মিয়ানমারের লালদ্বীপ এলাকায় আরাকান আর্মির অন্তত ১২ জন সশস্ত্র সদস্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে আত্মসমর্পণের অপেক্ষায় রয়েছে।

ওই সূত্র জানায়, টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধীন দমদমিয়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পূর্বে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে তাদের অবস্থান শনাক্ত হয়েছে। তারা যেকোনো সময় জালিয়ার দ্বীপ, দমদমিয়া, কেরনতলী বা বরইতলী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, দীর্ঘ সংঘর্ষ, মাদক ও লুটপাটের ভাগ নিয়ে বিরোধ এবং যুদ্ধের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় বহু সদস্য দল ত্যাগ করেছে।

ঘাটতি পূরণে আশপাশের টাউনশিপ থেকে আনা নতুন সদস্যদের বড় অংশই রাখাইন নয়; তারা অন্য ছয়টি জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ভাষাগত বাধা, ভূগোল অজ্ঞতা ও যুদ্ধক্ষেত্রে অনীহা কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছে।

এ দিকে ১১ আগস্ট রাত ১০টার পর বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্তে তুমব্রু এলাকার নারিকেল বাগিচা সংলগ্ন স্থানে থেমে থেমে তীব্র গুলির শব্দ শোনা গেছে। স্থানীয়দের ধারণা, সেখানে আরাকান আর্মি ও আরসা বা আরএসওর মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়েছে।

৩৪ বিজিবি কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম খায়রুল আলম জানান, সংঘর্ষস্থল সীমান্ত পিলার থেকে ৩৩০ মিটার ভেতরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে।

বন্ধ ৩৫৩ কারখানা, লক্ষাধিক বেকার - কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক বছরে সাভার, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীতে ৩৫৩টি কারখানা বন্ধ করা হয়েছে। তাতে এক লাখ ১৯ হাজার ৮৪২ শ্রমিক বেকার হয়েছেন।

তাঁদের অনেকে চাকরির জন্য ছুটতে ছুটতে শেষ পর্যন্ত হতাশ হয়ে গ্রামে ফিরেছেন। বন্ধ কারখানার বেশির ভাগই তৈরি পোশাক, নিটওয়্যার ও টেক্সটাইলশিল্পের।

কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তর, শিল্প পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

শিল্প মালিকরা বলছেন, ব্যাংকঋণ সুদে কড়াকড়ি, শ্রমিক অসন্তোষসহ বিভিন্ন কারণে দেশে শিল্প-কারখানা বন্ধ হচ্ছেই। তাঁরা চরম সংকটের কারণেই কারখানা বন্ধ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

তাঁরা বলছেন, কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদহার ছাড়াও কাঁচামাল আমদানিতে এলসি সমস্যা, শিল্পে অব্যাহত গ্যাসসংকট, দফায় দফায় গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না পাওয়া, অব্যাহতভাবে শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন খরচে অনেকে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছেন না।

বন্ধ থাকা জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন কারখানার শ্রমিক মাহমুদা বেগম বলেন, 'মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করায় মালিক কারখানা বন্ধ করে দিয়েছেন। এই কারখানায় পাঁচ-ছয় হাজার শ্রমিক কাজ করতাম। কারখানা বন্ধ ঘোষণা করায় আমরা অনিশ্চয়তায় আছি।'

গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আল মামুন শিকদার কালের কণ্ঠকে বলেন, মালিকানা পরিবর্তন, ব্যাংকঋণ রিশিডিউল না করা, কাজ না থাকা ইত্যাদি কারণে কারখানা বন্ধ হচ্ছে। তবে আর্থিক সংকটের কারণেই বন্ধ হচ্ছে বেশির ভাগ কারখানা।

প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পাতায় প্রকাশিত সংবাদ- দুই দেশের সম্পর্ক গভীর করার প্রত্যয়

এতে বলা হয়েছে, মালয়েশিয়া সফরের দ্বিতীয় দিনে গতকাল মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সে দেশের প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে পুত্রজায়ার পার্দানা পুত্রা ভবনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন।

প্রথমে দুই নেতা একান্ত বৈঠক করেন। এর আগে সীমিত সংখ্যক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

পরে তাঁরা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি ও জ্বালানি সহযোগিতা, সুনীল অর্থনীতি, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিস্তৃত পরিসরের দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা করেন।

প্রতিনিধি পর্যায়ের আলোচনার শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, 'আমাদের দুই দেশের মধ্যে ইতিহাস, ধর্ম ও সাংস্কৃতিক সহানুভূতির ভিত্তিতে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। মানবসম্পদ, বাণিজ্য ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অনন্য অংশীদার।'

প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম অধ্যাপক ইউনূসকে 'মালয়েশিয়ার বন্ধু' হিসেবে উল্লেখ করে গত এক বছরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তাঁর প্রশংসা করেন।

তিনি বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং প্রবাসী শ্রমিকদের কল্যাণ, শিক্ষা এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

একান্ত বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস প্রটোকল জটিলতার আওতায় আটকে পড়া আট হাজার বাংলাদেশি শ্রমিককে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের সুযোগ প্রদান এবং মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা চালুর জন্য মালয়েশিয়াকে ধন্যবাদ জানান।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতভিন্নতা রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন করে এমন নিয়ম প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশন। বিএনপি জানিয়েছে, এতে তাদের আপত্তি নেই।

তবে জামায়াতে ইসলামী বলেছে, আরপিও সংশোধনের আগে এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলের মতামত নেওয়া উচিত ছিল ইসির।

আবার যেসব ছোট দলে পরিচিত নেতৃত্ব বা মুখ রয়েছে, তারা নিজ দলের প্রতীকে ভরসা রাখলেও অন্য ছোট দলগুলো আগের মতো বড় দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের সুযোগ অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দিয়েছে।

সংশোধিত আরপিওর চূড়ান্ত খসড়ায় বলা হয়েছে, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রার্থীকে দলীয় প্রতীকে ভোটে অংশ নিতে হবে।

এ খসড়া সরকারের অনুমোদন পেলে বড় দলের সঙ্গে জোট করলেও অতীতের মতো সেই দলের প্রতীকে নির্বাচন করা যাবে না। নিজ দলের প্রতীকেই ভোটের পরীক্ষায় নামতে হবে।

একানব্বইয়ের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) এবং বাকশালের প্রার্থীরা নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে জয়ী হয়ে সংসদে যান।

২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির জোটসঙ্গী জাতীয় পার্টি (না-ফি) এবং ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থীরা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন।

Grounded planes put Biman's schedule in disarray অর্থাৎ নষ্ট বিমানে বিঘ্নিত হচ্ছে বিমানের সময়সূচী -ইংরেজি পত্রিকা দ্যা ডেইলি স্টার এ প্রকাশিত প্রথম পাতার শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, বিমানগুলোতে একাধিক কারিগরি সমস্যা জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থার রক্ষণাবেক্ষণের মান এবং সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

গত মাসে বিমানের বোয়িং এবং ডিএইচসি ড্যাশ-৮ বিমান উড্ডয়নের আগে বা পরে কারিগরি সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে এমন কমপক্ষে ১০টি ঘটনা ঘটেছে।

এখন তাদের ১০টি ওয়াইডবডি বিমানের মধ্যে কমপক্ষে চারটি গ্রাউন্ডেড অবস্থায় রয়েছে, তিনটি বোয়িং ৭৮৭ এবং একটি বোয়িং ৭৭৭।

"বিমানের ফ্লাইট সময়সূচী মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে, যার ফলে একাধিক পরিষেবা প্রভাবিত হচ্ছে এবং পরিচালনা ও যাত্রী পরিচালনার খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে," বিমানের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা দ্য ডেইলি স্টারকে জানিয়েছেন।

"বিমানের ফ্লাইট সময়সূচী প্রায় ভেঙে পড়েছে, এবং আমরা বড় ধরনের পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছি। বিমান পাওয়ার বিষয়টি অনিশ্চিত থাকায় আমরা সঠিক সময়সূচী তৈরি করতে পারছি না," নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিমানের একজন জ্যেষ্ঠ পাইলট বলেন।

বিমানের বর্তমান বহরে ছয়টি বোয়িং ৭৮৭, চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর, চারটি বোয়িং ৭৩৭ এবং পাঁচটি ড্যাশ-৮কিউ৪০০ রয়েছে।

বিমানের ঘাটতির কারণে, গতকাল ঢাকা-কুয়েত এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম-দুবাই রুটে বিমান ২৪ ঘণ্টা ফ্লাইট বিলম্বিত করতে বাধ্য হয়েছে, বিমানের মুখপাত্র এবিএম রওশন কবির জানিয়েছেন।

এখানে বলা হয়েছে, সরকার যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৫-৬৬ হাজার ডিডব্লিউটি ক্ষমতাসম্পন্ন দুটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ কিনতে যাচ্ছে। হেলেনিক ড্রাই বাল্ক ভেঞ্চারস এলএলসি থেকে জাহাজ দুটি কিনতে ব্যয় হবে ৯৩৫ কোটি ৭১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, 'দুটি প্রতিটি ৫৫-৬৬ হাজার ডিডব্লিউটি সম্পন্ন বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ অর্জন' প্রকল্পের আওতায় দরপত্র আহ্বান করা হলে তিনটি প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব জমা দেয়। এর মধ্যে দুটি প্রস্তাব কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়।

সব প্রক্রিয়া শেষে টেন্ডার ইভ্যালুয়েশন কমিটির সুপারিশে যুক্তরাষ্ট্রের হেলেনিক ড্রাই বাল্ক ভেঞ্চারস এলএলসিকে রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৭৬.৬৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে জাহাজ দুটি কেনা হবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৩৫ কোটি ৭১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন নিজস্ব অর্থায়নে এ ক্রয় সম্পন্ন করবে।

এছাড়া সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আরেকটি প্রস্তাবের ভিত্তিতে আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক স্তরের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ৯৮টি লটের মধ্যে ৯৬টি লটের ৪ কোটি ৪ লাখ ৪২ হাজার ৪৯১ কপি পাঠ্যপুস্তক সংগ্রহের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ২০০ কোটি ৯১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৮০ টাকা।