মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে আবারো প্রার্থী হচ্ছেন জো বাইডেন

জো বাইডেন

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, জো বাইডেন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ২০২৪ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় মেয়াদে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হবার কথা ঘোষণা করেছেন।

মঙ্গলবার রাতে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে সম্পর্কিত “চরমপন্থীদের” হাত থেকে আমেরিকান স্বাধীনতাকে রক্ষা করার অঙ্গীকার করেন।

বিগত ২০২০ সালের নির্বাচনে জো বাইডেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করেছিলেন এবং আগামী বছর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে যদি মি. ট্রাম্প আবার রিপাবলিকান প্রার্থী হন - তাহলে এ দুজনকে দ্বিতীয় বারের মত ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হতে দেখা যাবে।

মি. বাইডেন বলেন, আমি যখন চার বছর আগে প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়িয়েছিলাম, আমি বলেছিলাম যে আমরা আমেরিকার আত্মার জন্য লড়াই করছি। সে লড়াই এখনো চলছে।“

আশি বছর বয়স্ক প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, এখন আত্মসন্তুষ্টির সময় নয় এবং সে জন্যই তিনি পুননির্বাচনের জন্য প্রার্থী হচ্ছেন।

“আসুন আমরা কাজটা শেষ করি। আমি জানি আমরা পারবো” – বলেন তিনি।

তিনি “ম্যাগা চরমপন্থীদের” প্রতি নিন্দা জানিয়ে রিপাবলিকান মঞ্চগুলোকে আমেরিকার স্বাধীনতার প্রতি হুমকি বলে বর্ণনা করেন। এ ছাড়া নারীদের স্বাস্থ্যসেবা সীমিত করা, সামাজিক নিরাপত্তা কাটছাঁট করা এবং বই পোড়ানোর প্রয়াসের বিরুদ্ধের লড়াই করার কথাও বলেন মি. বাইডেন।

ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিস ২০২৪ সালেও মি. বাইডেনের রানিং মেট থাকবেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেনের মধ্যে আরেকটি নির্বাচনী যুদ্ধ

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেনের মধ্যে আরেকটি নির্বাচনী যুদ্ধের সম্ভাবনার কথা বলছেন অনেকেই
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

তবে মি. বাইডেন আরো চার বছর প্রেসিডেন্ট থাকার ইচ্ছে প্রকাশ করলেও সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গিয়েছে, আমেরিকানরা তার ব্যাপারে ততটা নিশ্চিত নয়।

এনবিসি নিউজের ওই জরিপে দেখা যায়, আমেরিকানদের ৭০ শতাংশ এবং ডেমোক্র্যাট সমর্থকদের ৫১ শতাংশই মনে করেন যে মি. বাইডেনের আবার প্রার্থী হওয়া উচিত নয়। যারা এমনটা মনে করেন তাদের প্রায় অর্ধেকই একটি কারণের কথা উল্লেখ করেছেন, আর তা হলো – মি. বাইডেনের বয়স।

মি. বাইডেন এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট। তিনি যদি পুননির্বাচিত হন তাহলে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর সময় তার বয়স হবে ৮২ এবং দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হবার সময় তার বয়স হবে ৮৬।

মার্কিন সরকারি এক হিসেব মতে ৮২ বছর-বয়স্ক একজন ব্যক্তির গড়ে আর ৬.৭৭ বছর বেঁচে থাকার আশা আছে বলে মনে করা হয়।

অন্যদিকে রিপাবলিকান পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছে ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার বয়স এখন ৭৬ এবং রিপাবলিকান সমর্থকদের ৩৫ শতাংশই তার বয়স নিয়ে উদ্বিগ্ন।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে মি. বাইডেনের জনপ্রিয়তা নিম্ন হলেও তার সহযোগীরা আশাবাদী যে তিনি আবার মি. ট্রাম্পকে হারাতে পারবেন।

একটি রয়টার্স/ইপসস জনমত জরিপে দেখা যায় নিবন্ধিত আমেরিকান ভোটারদের মধ্যে মি. বাইডেন ৪৩%-৩৮% ব্যবধানের মি. ট্রাম্পের চেয়ে এগিযে আছেন।