পত্রিকা: 'শিশুদের আর্তনাদ, স্বজনদের কান্নার এক দিন'

আজ মঙ্গলবার দেশের সকল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম শুধু নয়, প্রথম পাতার প্রায় সকল খবর গতকাল দুপুরে ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবনে বিমানবাহিনীর এফটি-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনাকে নিয়ে।
'শিশুদের আর্তনাদ, স্বজনদের কান্নার এক দিন'— এটি দৈনিক সমকালের প্রধান শিরোনাম।
এতে বলা হয়, সোমবার দুপুর ১টা ৬ মিনিটে উড্ডয়ন করে ১২ মিনিটের মাথায় বিধ্বস্ত হওয়া বিমান বিস্ফোরণে নিহত ২০ জনের বেশিরভাগই শিশু এবং তাদের প্রায় সকলেই শিক্ষার্থী।
এই মুহূর্তে হাসপাতালের বিছানায় দগ্ধ হয়েছে কাতরাচ্ছে আরও ১৭১ জন।
সরেজমিন জানা গেছে, ভবনটির একতলায় যেসব শিশু ও শিক্ষকরা ছিলেন, বিধ্বস্ত বিমানের আগুন শুরুতেই তাদের গ্রাস করেছিলো। নিহতদের মধ্যে বিমানটির পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামও রয়েছেন। গতকাল ছিল তার একক উড্ডয়ন।
আজ মঙ্গলবার এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার। ভারত-পাকিস্তানসহ একাধিক দেশ, জাতিসংঘ ও বিভিন্ন সংস্থা শোক জানিয়েছে। এই শোকাবহ ঘটনার প্রেক্ষাপটে জুলাই 'পুনর্জাগরণ' অনুষ্ঠানমালার সব অনুষ্ঠান তিন দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

দুর্ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন পাইলট তৌকির— মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর এটি।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
এতে বলা হয়েছে, গতকাল প্রথমবারের মতো একা প্রশিক্ষণ বিমান চালাবেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগর, তাই তার রাজশাহীর বাড়িতেও খুশির সীমা ছিল না।
কিন্তু উড্ডয়নের ১২ মিনিটের মাথায় বিধ্বস্ত হয় তার পরিচালিত প্রশিক্ষণ বিমানটি।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, বিমান বাহিনীর নিয়মিত প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে গতকাল দুপুর ১টা ৬ মিনিটে কুর্মিটোলাস্থ বিমান বাহিনীর এ কে খন্দকার ঘাঁটি থেকে এফটি-৭ বিজিআই যুদ্ধবিমান উড্ডয়নের পর যান্ত্রিক ত্রুটির সম্মুখীন হয়।
দুর্ঘটনা মোকাবিলায় এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে বিমানের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির সর্বাত্মক চেষ্টা করেছিলেন বিমানটিকে ঘনবসতি থেকে জনবিরল এলাকায় নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বিমানটি মাইলস্টোন স্কুল এবং কলেজের একটি ভবনে দুর্ঘটনায় বিধ্বস্ত হয়।
ফাইটার জেট চালানোর জন্য একজন পাইলট যে অতিমাত্রায় দক্ষ, সেটি'ই প্রমাণিত হয় সলো ফ্লাইটের মাধ্যমে। ট্রেনিং-এর এ পর্যায়ে পাইলটকে নেভিগেটর বা কো-পাইলট বা কোনও প্রকার ইন্সট্রাক্টর ব্যতীত একাই ফ্লাইট অপারেট করতে হয়।
ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির সে রকমই একটি ট্রেনিং ফ্লাইট অপারেট করছিলেন। যেকোনও প্রকার ট্রেনিং ফ্লাইট জনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে দূরেই হয়ে থাকে, তবে সলো ফ্লাইট সাধারণত জনবহুল এলাকাতেই হয়ে থাকে।

জুলাই সনদ : ১০ দিনেই সব বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসতে হবে— নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদেরকে মুক্তিযুদ্ধ, অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থান, রক্তপাত এবং হাজারো প্রাণনাশের কথা বিবেচনায় রেখে সামনে অগ্রসর হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, "সেখান থেকে পেছানোর কোনো উপায় নেই। এগুলোকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার কোনও উপায় নেই। সেই বিবেচনায় আমরা চাই, আগামী ১০ দিনের মতো সময় আছে। এর মধ্যে একটা ঐকমত্যে আসতে। হয়তো এক-দুই দিন বিশেষ বিবেচনায় বাড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে।"
"কিন্তু আজসহ আমাদের হাতে থাকা ১০ দিনের মধ্যে বাকি বিষয়গুলোতে আমাদের সিদ্ধান্তে আসতে হবে" বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক রীয়াজ।
গতকাল সোমবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের ১৬তম দিনের বৈঠকের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সুকৌশলে নির্বাচন আয়োজনে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে— এটি দৈনিক প্রথম আলো'র শেষ পাতা'র একটি শিরোনাম।
এখানে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের ঘাড়ে বন্দুক রেখে যারা নিজেদের ফায়দা হাসিল করতে চায়, তারাই জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে বাধা সৃষ্টি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তার ভাষ্য, "বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বলছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ঘাড়ে বন্দুক রেখে নিজেদের খবরদারি বহাল রাখতে চায় কিংবা প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্নভাবে ফায়দা হাসিল বা নিজেদের আখের গোছাতে চায়, তাদেরকেই আমরা দেখছি, জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানকে সুকৌশলে বাধা সৃষ্টি করছে।"
গতকাল সোমবার বিকেলে ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চত্বরে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তারেক রহমান।
তিনি লন্ডন থেকে সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে বলেন, কয়েকটি রাজনৈতিক দল হঠাৎ করেই পিআর (সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনপদ্ধতি) এর দাবিতে সোচ্চার হয়েছে।
"বাংলাদেশে সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচনব্যবস্থা প্রবর্তন করার অর্থ হবে রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে বিচ্ছিন্নতাবাদ, ফ্যাসিবাদ ও চরমপন্থার পথ তৈরি করে দেওয়া। এর ফলে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টির পাশাপাশি সরকার অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। দেশের জনগণের ঐক্য চাইলে কোনোভাবেই সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির নির্বাচনব্যবস্থা চালু করা উচিত হবে না," বলে মত তারেক রহমানের।

বারবার কেন ঘটছে প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনা?— বণিক বার্তা পত্রিকার একটি শিরোনাম।
এখানে বলা হয়েছে, দেশে গত এক দশকে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বেশ কয়েকবার। এর কোনোটিতে পাইলট আহত বা নিহত হয়েছেন। কোনোটি বিধ্বস্ত হয়েছে জনবসতি থেকে দূরে।
তবে গতকালের মতো প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার নজির সাম্প্রতিক ইতিহাসে নেই। ওইদিন উত্তরায় প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছে।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমানের দুর্ঘটনা নতুন নয়। ২০০৮ থেকে এই ২০২৫ সালের মাঝেই ১১টি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এবং অনেকেই নিহত হন।
বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এ দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে তিনবারই ছিল এফ-৭ প্রশিক্ষণ বিমান।
সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গত এক দশকে একের পর এক প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনার পরও মৌলিক পরিবর্তন আসেনি বিমান বাহিনীর বহরে কিংবা নীতিনির্ধারণে। যুক্ত হয়নি আধুনিক যুদ্ধবিমান। পুরনো প্রযুক্তির এয়ারক্রাফট দিয়েই চলছে বাহিনীর কার্যক্রম।
উত্তরায় বিধ্বস্ত হওয়া এফ-৭ সিরিজের বিমানটিও ছিল চীনের তৈরি জে-৭ তথা এফটি-৭ বিজিআই। এটি মূলত ১৯৬০-৯০ দশকের প্রযুক্তি। বর্তমানে এ ধরনের বিমানের দুর্ঘটনার হার অনেক বেশি বলে উল্লেখ করেছে অ্যারোস্পেস গ্লোবাল নিউজ (এজিএন)।

৫৩ বছরে বিমান হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত ১০৫— বলা হয়েছে কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার এই শিরোনামে। এখানে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিমান বা হেলিকপ্টারের সাধারণ যাত্রী ও ক্রু ছাড়াও এই নিহতদের মাঝে পাইলট ও কো-পাইলট রয়েছেন ৩০ জন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বিমান দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে ১৯৮৪ সালের চৌঠা অগাস্ট।
বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইনসের একটি ফকার এফ-২৭ চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় আসার পথে বিধ্বস্ত হলে দেশের প্রথম মহিলা পাইলট কানিজ ফাতিমাসহ বিমানের কো-পাইলট, ক্রু ও যাত্রীরা সবাই নিহত হন। ওই দুর্ঘটনায় মোট ৪৯ জন নিহত হন।
এর আগে বাংলাদেশে প্রথম বিমান দুর্ঘটনা ঘটে ১৯৭২ সালের ১০ই ফেব্রুয়ারি। এদিন একটি ডগলাস ডিসি-৩ এয়ারক্রাফট বিধ্বস্ত হলে পাঁচজন ক্রু নিহত হন।
১৯৭৬ সালের পহেলা সেপ্টেম্বর তৎকালীন বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল খাদেমুল বাশার ও স্কোয়াড্রন লিডার মফিজুল হক বিমানবাহিনীর ঢাকা এয়ার বেজে নিহত হন।
এরপর ধারাবাহিকভাবে ১৯৭৯, ১৯৯৩, ১৯৯৬, ১৯৯৮, ২০০১, ২০০২, ২০০৫, ২০০৭, ২০০৯, ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৩, ২০১৫, ২০১৬, ২০১৭, ২০২১, ২০২২, ২০২৪ সালে বিমান দুর্ঘটনাগুলো ঘটে এবং কোনও কোনোটিতে অনেক মানুষ হতাহত হয়।
এই দুর্ঘটনাকবলিত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছিল যুদ্ধবিমান বা প্রশিক্ষণ বিমান।

তৃতীয়বার বিধ্বস্ত হলো চীনের তৈরি এফ -৭' হলো দৈনিক আজকের পত্রিকার একটি খবর।
এখানে বলা হয়েছে, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানটি এফ -৭ বিজিআই সিরিজের। এটি চীনের তৈরি চেংদু জে -৭ সিরিজের একটি যুদ্ধবিমান। প্রস্তুতকারক চেংদু এয়ারক্রাফট করপোরেশন।
জানা গেছে, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে এই সিরিজের সবচেয়ে আধুনিক মডেলের যুদ্ধবিমান সরবরাহের পর চীন এর উৎপাদন বন্ধ করে দেয়।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ২০১১ সালে ১৬টি যুদ্ধবিমান সরবরাহের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় । ২০১৩ সাল নাগাদ যুদ্ধবিমানগুলোর সরবরাহ সম্পন্ন হয় ৷
এই মডেলের বাংলাদেশে যুদ্ধবিমানের তৃতীয় দুর্ঘটনা এটি।
এর আগে ২০১৮ সালের নভেম্বরে টাঙ্গাইলের মধুপুরের রসুলপুরে ফায়ারিং রেঞ্জে মহড়ার সময় বিমানবাহিনীর এফ -৭ বিজি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে উইং কমান্ডার আরিফ আহমেদ দীপু নিহত হন।
এরপর ২০২১ সালের তৃতীয়বার বিধ্বস্ত নভেম্বরে চট্টগ্রামের জহুরুল হক ঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পর বঙ্গোপসাগরে বিধ্বস্ত হয় এফ -৭ এমবি। এতে নিহত হন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহমিদ।

রাষ্ট্রপতি-প্রধান উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন দলের শোক— দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর।
এতে বলা হয়েছে, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যারা আহত হয়েছেন আমরা তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি।
এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। এছাড়া, প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গভীর শোক জানিয়েছে।
এদিকে এ ঘটনায় আজ এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার।

জুলাই যোদ্ধাদের সরকারি চাকরিতে কোটা নেই— এটি দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতের পরিবারের সদস্য ও আহতদের জন্য সরকারি চাকরিতে কোনও কোটা রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম।
গতকাল সোমবার সচিবালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গৃহীত কার্যক্রম নিয়ে আয়োাজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের জন্য সরকারি চাকরিতে কোটা রাখা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, "না না, কোনও কোটা থাকবে না। তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী আমরা দেব।"
উপদেষ্টা বলেন, 'আমাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের (গণঅভ্যুত্থানে হতাহত) পুনর্বাসনের কর্মসূচিগুলো নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুসারে মন্ত্রণালয় যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে। এ কার্যক্রমের ভেতরে ফ্ল্যাট দেওয়া বা চাকরির কোটা দেওয়া, এসব বিষয় নেই। পুনর্বাসনের কর্মসূচি আছে, পুনর্বাসন নানানভাবে হতে পারে।"
"তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে, যার যার যোগ্যতা অনুযায়ী তিনি যেভাবে পুনর্বাসিত হতে চান বা আত্মকর্মসংস্থানের জন্য যদি হাঁস-মুরগি বা পশু পালন করেন, যেভাবে তিনি তার জীবিকা সংস্থান করতে চাইবেন সরকারের পক্ষ থেকে সে ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

ACC seeks details of 'Mujib Year' expenses— নিউ এজ পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সোমবার দেশের ৬৪টি জেলাতেই 'মুজিব বর্ষ' উদ্যাপন উপলক্ষে ব্যয়কৃত অর্থের হিসাব চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশজুড়ে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে দশ হাজারেরও বেশি দেয়ালচিত্র ও ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছিলো।
২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত মুজিব বর্ষ উদ্যাপন চলে।
এ সময় ক্ষমতায় ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা। এরপর ২০২৪ সালের পাঁচই অগাস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা থেকে অপসারিত হয় আওয়ামী লীগ সরকার।
অভিযোগ রয়েছে, ওই উদ্যাপন উপলক্ষে দেশজুড়ে আয়োজিত নানা অনুষ্ঠান ও নির্মাণকাজে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার মতো রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয় ও আত্মসাৎ করা হয়েছে।
দুদকের পরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন জানান, মুজিব বর্ষ উদ্যাপনের সময় প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অপচয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।









