‘শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক আজ, শরিকদের তিন দাবি’

পত্রিকা

শেখ হাসিনার সঙ্গে শরিকদের বৈঠক নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক আজ, শরিকদের তিন দাবি’। এ খবরে বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন দলের নেতৃত্বাধীন শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা সোমবারের বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে নিজেদের দাবি তুলে ধরতে পারেন।

তাদের নতুন দুটি দাবির মধ্যে রয়েছে, প্রথমত, শরিকদের ছাড় দেওয়া আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কোনো প্রার্থী থাকবে না। দ্বিতীয়ত, আওয়ামী লীগের পদ-পদবিওয়ালা কোনো স্থানীয় নেতা তাদের আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারবেন না। এসবের নিশ্চয়তা চাইবেন তারা।

সেইসাথে আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র নেতা জোটের শরিকদের নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্যের সঙ্গে বিভিন্ন সময় কথা বলছেন, এটাও বন্ধ করার অনুরোধ জানাবেন তারা।

খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরপরই ভোটের মাঠে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন নৌকার ওপর ভর করে সংসদ-সদস্য হওয়া ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলের শীর্ষ নেতারা। এবার তাদের আসনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী ঘোষণা করায় বেশ বিপাকে আছেন।

শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা মাঠে থাকবেন, নাকি কেন্দ্রের নির্দেশে সরে দাঁড়াবেন, নাকি আওয়ামী লীগেরই কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে ভোটে লড়বেন-এমন শঙ্কার মধ্যে সময় পার করছেন তারা।

যুগান্তর

মনোনয়ন যাচাই বাছাই নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘বাছাই ডিঙাতে পারেননি আলোচিত অনেক প্রার্থী’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন নির্বাচনে যাচাই-বাছাইয়ের তৃতীয় দিন রোববার বেশ কয়েকজন আলোচিত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।

এর মধ্যে বর্তমান সংসদের এমপি আওয়ামী লীগের মামুনুর রশীদ কিরন, দিদারুল আলম ও বজলুল হক হারুন, গণফোরামের মোকাব্বির খান, বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান ও মাহী বি. চৌধুরী রয়েছেন।

এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, নব্বইয়ের গণআন্দোলনের ছাত্রনেতা শফী আহমেদ, কণ্ঠশিল্পী ডলি সায়ন্তনী, চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি, আলোচিত হিরো আলমের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়েছে।

এর মধ্যে কোনো কোনোটি ঋণ ও বিলখেলাপি, ক্রেডিট কার্ডের কিস্তি বকেয়া, অসম্পূর্ণ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া, হলফনামায় তথ্য ভুল দেওয়ার কারণেও বাতিল হয়েছে।

তবে রিটার্নিং কর্মকর্তার এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা আপিলের সুযোগ পাবেন। এরপর ১০ থেকে ১৫ই ডিসেম্বরের মধ্যে আপিলের শুনানি ও নিষ্পত্তি করে ইসির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল গেল বৃহস্পতিবার। শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে আজ সোমবার শেষ হচ্ছে বাছাইয়ের কাজ।

নয়া দিগন্ত
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের কৌশল নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করতে নানা কৌশল আওয়ামী লীগের’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনে দেশটির বড় দল বিএনপি ও তার মিত্ররা অংশগ্রহণ না করায় আন্তর্জাতিক বিশ্বকে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখানোর জন্য নতুন করে হিসেব কষছে আওয়ামী লীগ।

সরকারি সমর্থনে বিএনপির বিকল্প হিসেবে ‘তৃণমূল বিএনপি’ ও ‘বিএনএম’সহ বিরোধী দল ও জোট গঠন করেও নির্বাচনী পালে হাওয়া তুলতে পারছে না শাসক দল।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, নির্বাচন অংশগ্রহণ করার ব্যাপারে বছরের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি রাষ্ট্র ও সংস্থা সরকারের ওপর চাপ দিয়ে আসছে। এ দিকে মহাজোট শরিক জাতীয় পার্টির মধ্যে দ্বন্দ্ব মারাত্মক আকার ধারণ করায় তাদের ওপর এবার আস্থা পায়নি আওয়ামী লীগ।

ফলে বিএনপি ও তার মিত্ররা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না- এমন চূড়ান্ত আভাস পেয়ে আগেভাগে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহল ‘তৃণমূল বিএনপি ও বিএনএমের মতো দলকে নিবন্ধন সহযোগিতা দিয়ে বিএনপির বিকল্প হিসেবে রাজনীতির মাঠে দাঁড় করায়।

জোটের শরিকদের যেসব আসনে ছাড় দেয়া হবে ওই সব আসনেও নির্বাচন হবে, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই জয়লাভ করতে হবে।

তবে কৌশলে ছাড় দেয়া আসনে জোট প্রার্থীদের জিতিয়ে আনার সুযোগ করে দেয়া হবে। মূলত নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করার জন্য এই কৌশল নেয়া হয়েছে।

নিউ এইজ

বিএনপির বিভক্তি নিয়ে নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, ‘Relieved at no split, BNP mulls fresh agitations’ অর্থাৎ ‘বিভক্তি না হওয়ায় স্বস্তিতে বিএনপি, নতুন আন্দোলনের কথা ভাবছে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ক্ষমতাসীন দল বিএনপিকে বিভক্ত করাতে না পারায়, একে প্রাথমিক সাফল্য হিসাবে বিবেচনা করে, দলটি এখন চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনে তার পরবর্তী কর্মসূচির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বিএনপির একাধিক নেতার উদ্ধৃতি দিয়ে নিউ এইজ জানায়, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত দলের ভাঙন ঠেকাতে কিছু কৌশল নিয়েছে।

তারা বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি গঠিত রাজনৈতিক দল বা স্বতন্ত্রভাবে অনেক দলের নেতাদের নির্বাচনে যোগ দিতে বাধ্য করেছে, ফাঁদে ফেলেছে এবং উসকানি দিয়েছে বলে বিএনপিকে সতর্ক থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে, বিএনপির সিনিয়র নেতারা দলকে বিভক্ত করার সরকারের পদক্ষেপের ব্যর্থতায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন, যা বিএনপির একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন।

সন্দেহ ও সংশয়ের অবসান ঘটিয়ে বিএনপি নেতারা বলেছেন, তারা এখন তাদের আন্দোলনকে নতুন করে গতি দিতে পারবে এবং সে অনুযায়ী ভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে আসার পরিকল্পনা করছে।

সমকাল

এদিকে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রেফতারের বাইরে নতুন আতঙ্ক নিয়ে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘মামলা-গ্রেপ্তার নেই: গুপ্ত হত্যা, হামলায় নয়া আতঙ্ক’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে এখন গুপ্ত হামলার ঘটনায় নতুন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

গত এক মাস ধরে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় মাথায় হেলমেট, মুখে মুখোশ পরে নম্বর প্লেটবিহীন মাইক্রোবাস অথবা মোটরসাইকেলে রাতের অন্ধকারে এসে গুপ্ত হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এ ধরণের হামলায় এখন পর্যন্ত চার জন নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে।

এর বাইরে রাতের অন্ধকারে মামলার আসামি বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসাবাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ, বাড়িঘর ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটছে।

কিন্তু কোনো ঘটনায়ই থানায় অভিযোগ ও মামলা হচ্ছে না। অনেক ঘটনায় পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা ও তদন্ত করলেও এসব ঘটনায় এমন কিছু লক্ষ্য করা যায়নি।

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশে নির্বাচনী প্রতিযোগিতা ক্রমান্বয়ে প্রতিহিংসা ও বিরোধপূর্ণ অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। যতগুলো গুপ্তহত্যা ও হামলার ঘটনা ঘটছে তার প্রেক্ষাপটগুলো একই।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গুপ্তহত্যা ও হামলার ঘটনায় নিরপরাধ মানুষ ভুক্তভোগী হয়। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটায় তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

কালের কণ্ঠ

এদিকে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ইসির নির্দেশ নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ ইসির’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাস্তানদের তালিকা করে সে অনুযায়ী গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

একই সঙ্গে বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসির পক্ষ থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সতর্ক করা হয়েছে।

এ ছাড়া ব্যানার-পোস্টার অপসারণের জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি)’কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে এক পরিপত্র জারি করেছে ইসি।

চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তাদের সমর্থকরা যাতে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা মেনে চলেন।

কোনো তিক্ত, উসকানিমূলক ও ধর্মানুভূতিতে আঘাত করে এমন কার্যকলাপ বা বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকেন কিংবা অর্থ, পেশিশক্তি অথবা স্থানীয় ক্ষমতা দ্বারা কেউ নির্বাচনকে প্রভাবিত না করতে পারেন।

সেইসাথে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সুসম্পর্ক যেন বজায় রাখা হয়, তার নিশ্চয়তা বিধানের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মহলের সহযোগিতা কামনা করতে হবে এবং প্রয়োজনবোধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

ডেইলি স্টার

জলবায়ু তহবিল নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘$8b climate fund rolled out for Bangladesh’ অর্থাৎ ‘বাংলাদেশের জন্য আটশ কোটি ডলারের জলবায়ু তহবিল চালু করা হয়েছে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এশিয়ায় প্রথমবারের মতো, উন্নয়ন সহযোগীরা একত্রিত হয়ে বাংলাদেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রশমন ও মানিয়ে নিতে সাহায্য করার জন্য আটশ কোটি ডলারের তহবিল ঘোষণা করেছে।

এই সহযোগিতামূলক পদক্ষেপের নেতৃত্ব দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ।

জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা, অভিযোজন, প্রস্তুতি এবং সংরক্ষণকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। দুবাইতে অনুষ্ঠিত কপ-২৮ এর সাইডলাইনে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এক কথা জানান আইএমএফ-এর প্রধান ব্যবস্থাপক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।

বাংলাদেশ জলবায়ু ও উন্নয়ন প্ল্যাটফর্মের জন্য যে উন্নয়ন সহযোগীরা একত্রিত হয়েছে তারা হল: এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, বিশ্ব ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন, বহুপাক্ষিক বিনিয়োগ গ্যারান্টি এজেন্সি, এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, এএফডি, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক, টিম ইউরোপের অংশ হিসাবে; সবুজ জলবায়ু তহবিল, দক্ষিণ কোরিয়া সরকার, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এবং যুক্তরাজ্য।

বণিক বার্তা

বিদেশি মূলধনের প্রবাহ নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম ‘নতুন বিদেশী মূলধন আসছে না’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত অর্থবছরের চাইতে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশে নিট এফডিআই প্রবাহ পাঁচ দশমিক ৫২ শতাংশ কমেছে।

সেইসাথে নতুন বিদেশী মূলধনি বিনিয়োগ কমেছে ৪০ দশমিক ৯১ শতাংশ। ইকুইটি ক্যাপিটাল স্টক কমেছে চার দশমিক সাত শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক্ষেত্রে নতুন বিদেশী মূলধন (ইকুইটি ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট), আয়ের পুনর্বিনিয়োগ (রিইনভেস্টেড আর্নিংস) ও আন্তঃপ্রতিষ্ঠান ঋণ (ইন্ট্রা-কোম্পানি লোন) এ তিন ভাগে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ বা এফডিআই প্রবাহ হিসাব করে।

সেখানে ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করে বিনিয়োগকারী বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর বাংলাদেশে নিয়ে আসা অর্থসংক্রান্ত জরিপের ভিত্তিতে এফডিআই প্রবাহের পরিসংখ্যান ও গতিপ্রকৃতির তথ্য প্রকাশ করা হয়।

নিট এফডিআইয়ের ইকুইটি ক্যাপিটাল হল নতুন মূলধন। এ অর্থপ্রবাহ নির্দেশ করে যে দেশে বিদ্যমান বা নতুন বিনিয়োগকারীরা বিদেশী বিনিয়োগ হিসেবে নতুন মূলধন কতটা নিয়ে আসছেন।

হালনাগাদ পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ইকুইটি ক্যাপিটাল প্রবাহ কমেছে অর্থাৎ নতুন বিনিয়োগ আসছে না। মোটাদাগে বলা যায়, দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতি উন্নয়নে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ পরিসংখ্যান আরো নির্দেশ করে যে দেশে বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে যে উদ্যোগগুলো গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলো এখনো কোনো কার্যকারিতা দেখাতে পারেনি।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) সংশ্লিষ্টরা অবশ্য ভিন্ন বাস্তবতার কথা জানাচ্ছেন। তাদের মতে, গত বছর দেশে বেশকিছু বিদেশী বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে, কিন্তু বাস্তবায়নে এখনো আসেনি।

প্রথম আলো

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভল্ট থেকে স্বর্ণ চুরির বিষয়ে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, ‘স্বর্ণ চুরি হয়েছে ৬১ কেজি, দায়ী শুল্ক বিভাগের কর্মীরা

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকার বিমানবন্দরের গুদাম থেকে স্বর্ণচুরির বিষয়টি জানাজানি হয়েছিল গত অগাস্টের শেষের দিকে।

তখন জানা গিয়েছিল ৫৫ কেচি স্বর্ণ চুরি হয়েছে। কিন্তু এখন তদন্ত কর্মকর্তরা বলছেন ঢাকা শুল্ক বিভাগের ভল্ট থেকে ৫৫ কেজি নয়, বরং চুরি হয়েছে প্রায় ৬১ কেজি স্বর্ণ।

অর্ধশত কোটি টাকার বেশি দামের স্বর্ণচরির জন্য শুল্ক বিভাগের লোকজন যুক্ত বলে বিভাগীয় তদন্তে উঠে এসেছে। প্রাথমিকভাবে দুজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা একজন সিপাহীকে দায়ী করা হয়েছে।

সন্দেহভাজনরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন যে, স্বর্ণগুলো বায়তুল মোকাররম তাঁতিবাজার গাইবান্ধায় নির্দিষ্ট কিছু স্বর্ণের দোকানে ভাগে ভাগে বিক্রি করা হয়েছে।

তবে তিনজন কর্মী বিমানবন্দরের মতো সুরক্ষিত এলাকার গুদাম থেকে স্বর্ণ সরিয়ে নিল, কেউ টের পেল না। এর সঙ্গে বিমানবন্দরের ভেতরের বাইরের আর কেউ যুক্ত কিনা সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে চুরি হওয়ার সময় ২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে জমা হয়েছে। ভল্টে এতদিন স্বর্ণ রাখারও কথা নয়। নিয়মানুযায়ী প্রতি মাসে একবার করে নিরীক্ষা প্রতিবেদন এনবিআরকে জমা দিতে হয়।

এরপর স্বর্ণগুলো বাংলাদেশের ভোল্টে জমা দেয়ার কথা। যার কোনটাই মানা হয়নি।