'ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি জোরালো হচ্ছে'

ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবি জোরালো হচ্ছে— এটি আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ২৮ বছর পর ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচন হলেও নানা কারণে সে ধারাবাহিকতা আর জারি থাকেনি।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নতুন পরিবেশে ডাকসু নির্বাচনের দাবিতে সরব হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি মিছিল, সমাবেশ, আলোচনা সভা, আড্ডায় ছাত্র সংসদ নিয়ে আলাপ তুলতে দেখা যাচ্ছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী ছাত্রশিবির ও বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোকে।

তবে এখনই ছাত্র সংসদ নির্বাচন চায় না জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। বিএনপির এই অঙ্গসংগঠনটির দাবি, আগে তাদেরকে যৌক্তিক সময় পর্যন্ত ক্যাম্পাসে স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ দিতে হবে। তারপর ডাকসুসহ সব ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে হবে।

আরও পড়তে পারেন:

এই সরকারের অধীনে স্থানীয় নির্বাচন মানবে না বিএনপি— কালের কণ্ঠ পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, বিএনপি'র নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার ম্যান্ডেট নেই।

গত সোমবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, নেতারা মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকার কখনো স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে পারে না। এ ধরনের কোনও নজির নেই। তাই আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে। নির্বাচিত সরকারই স্থানীয় নির্বাচনের আয়োজন করবে।

গত ছয়ই জানুয়ারি ঢাকায় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন। সেখানে কমিশনের প্রধান অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ বলেন, জাতীয় পর্যায়ে সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হলেও ঢাকার বাইরে মানুষের মতামতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রাধান্য পাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের মধ্যেও এ মতামত আছে।

এ বিষয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বৈঠকে আরও বলেন, যারা নির্বাচন বিলম্বিত করতে চায়, তাদের এ ধরনের অভিপ্রায় থাকতে পারে।

মহাসড়ক নির্মাণের ব্যয় বাংলাদেশে বেশি— প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রতি কিলোমিটার চার লেনের মহাসড়ক নির্মাণে ব্যয় শতকোটি টাকা বা এর চেয়ে বেশি। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত তো বটেই, এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায়ও বাংলাদেশে মহাসড়ক নির্মাণের ব্যয় কয়েক গুণ বেশি। ফলে মহাসড়ক নির্মাণ ব্যয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষ দেশে পরিণত হয়েছে।

দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিবিষয়ক শ্বেতপত্রেও মহাসড়ক নির্মাণে বিপুল ব্যয়ের বিষয়টি উঠে এসেছে। গত পহেলা ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে শ্বেতপত্র হস্তান্তর করা হয়।

শ্বেতপত্রে দেখানো হয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাংলাদেশে প্রতি কিলোমিটার চার লেনের মহাসড়ক নির্মাণে খরচ হয়েছে ৬৩ দশমিক পাঁচ কোটি ডলার, যা ভারতের তুলনায় চার দশমিক চার গুণ বেশি।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান প্রথম আলোকে বলেন, বিগত সরকারের আমলে সব অবকাঠামোর নির্মাণ ব্যয় ভারতসহ আশপাশের দেশের চেয়ে বেশি হয়েছে। কারণ, আগেই ঠিকাদার ঠিক করে রাখা হতো। সেই অনুযায়ী ব্যয় ও দরপত্রের শর্ত তৈরি করত। দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণেই এত ব্যয়।

বিবিসি বাংলা'র অন্যান্য খবর:

জল্পনা শেষ, খালেদার লন্ডনযাত্রা— এটি সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। বুধবার দেশের প্রায় সকল পত্রিকার প্রধান বা দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে চিকিৎসার জন্য লন্ডনের পথে যাত্রা করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির পাঠানো বিশেষায়িত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকা ছাড়েন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে, খালেদা জিয়ার লন্ডনযাত্রা ঘিরে ঢাকায় বড় শোডাউন করেছেন বিএনপি নেতাকর্মী। উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে যাত্রা করলেও রাজনৈতিক কর্মসূচির মতো বিএনপি নেত্রীর গাড়িবহরের সামনে-পেছনে ছিল নেতাকর্মীর ঢল।

ঘোষিত কর্মসূচি না থাকলেও তার গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে বিমানবন্দর ছাড়িয়ে উত্তরা পর্যন্ত সড়কের দু'পাশে লাখো নেতাকর্মী জড়ো হন। এতে বিমানবন্দর থেকে মহাখালী পর্যন্ত তীব্র যানজট হয়। খালেদা জিয়ার নির্ধারিত ফ্লাইট সোয়া এক ঘণ্টা বিলম্বে উড্ডয়ন করে।

অর্থনীতি ধ্বংস করতেই গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব— যুগান্তর পত্রিকার এই দ্বিতীয় প্রধান শিরোনামে ব্যবসায়ী নেতাদের বরাতে বলা হয়েছে, বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে পেট্রোবাংলার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব নতুন শিল্পের সঙ্গে পুরোনো শিল্পের বৈষম্য তৈরি করবে।

তাদের ভাষ্য এই প্রস্তাবটি আদতে "দেশবিরোধী চক্রান্তের একটি অংশ"।

শিল্পমালিকরা বলছেন, নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের কথা বলে গত দুই বছরে গ্যাসের দাম ১৫০ থেকে ১৭৮ শতাংশ বাড়ানো হয়। কিন্তু শিল্পমালিকরা নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস পাননি। গ্যাসের বদলে বাতাসের দাম দিতে হয়েছে। এখন আবার কাউকে কিছু না জানিয়ে, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা না করে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত শিল্পের জন্য আত্মঘাতী। এ প্রস্তাব কার্যকর হলে দেশে শিল্পায়ন হবে না। নতুন শিল্প না হলে কর্মসংস্থানও হবে না। অন্তর্বর্তী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে একটি চক্র এ ধরনের একের পর এক প্রস্তাব দিয়ে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার গ্যাসের দাম বাড়াতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে প্রস্তাব দিয়েছিলো পেট্রোবাংলা। এতে প্রতি ইউনিট গ্যাসের দাম ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা ৭২ পয়সা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

Passports of Sheikh Hasina, 96 others revoked বা শেখ হাসিনাসহ ৯৭ জনের পাসপোর্ট বাতিল—এটি হলো ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান শিরোনাম।

গতকাল ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে এ প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানিয়েছেন, এর মধ্যে গুম ও হত্যার সঙ্গে জড়িত ২২ জন এবং জুলাই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত শেখ হাসিনাসহ ৭৫ জনের পাসপোর্ট বাতিল করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার পাসপোর্ট বাতিলের বিষয়ে ভারত সরকারকে জানানো হয়েছে কি না— এমন প্রশ্নে আজাদ মজুমদার বলেন, তার পাসপোর্ট বাতিলের বিষয়টি ভারত সরকার জানে। ভারত সরকার থেকে বলা হয়েছে যে তাকে ট্রাভেল ডকুমেন্ট ইস্যু করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা গত পাঁচই অগাস্ট ছাত্র নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং ভারতে পালিয়ে যান। তখন থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

শেখ হাসিনার পতন আগে থেকেই টের পেয়েছিল চীন?— এটি বণিক বার্তা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। প্রশ্ন ও বিতর্কে পরিপূর্ণ ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর পরই অভিনন্দন জানানো দেশের মধ্যে ছিল চীন।

প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের ওই অভিনন্দন বার্তা নির্বাচনের পরদিন অর্থাৎ ৩১শে ডিসেম্বর বিকালেই গণভবনে পৌঁছে দেন ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন চীনা রাষ্ট্রদূত।

সরকারি তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী, ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগেও বাংলাদেশের সঙ্গে বড় আকারে ঋণ চুক্তি ও প্রতিশ্রুতির মধ্যে ছিল চীন। এরপর ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যভাগ—এ সাড়ে পাঁচ বছরেও নিয়মিতভাবে ঋণ প্রতিশ্রুতি, চুক্তি ও অর্থছাড়ের ধারায় ছিল বন্ধুপ্রতিম দেশটি।

এসব চুক্তির আওতায় থাকা প্রকল্পগুলোর বেশিরভাগই ছিল যোগাযোগ ও জ্বালানি অবকাঠামোকেন্দ্রিক। কিন্তু ২০২৩ সালের জুন থেকে ২০২৪ সালের শেষ পর্যন্ত সরকারি পর্যায়ে কোনো ধরনের অবকাঠামো ঋণ প্রতিশ্রুতি, চুক্তি ও অর্থছাড় করতে দেখা যায়নি দেশটিকে।

চীন-বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগসংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু চীন না, কোনও দেশের সঙ্গেই ২০২৩ সাল-পরবর্তী সময়ে বড় ধরনের চুক্তিতে যেতে পারেনি বাংলাদেশ। আর ওই সময় থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে চীন জনসংযোগকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।

কেজিতে ১৫ টাকা বাড়লো পেঁয়াজের দাম— এটি দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১৫ টাকা। বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে পাইকারি আড়তেও।

বাজারে প্রচুর সরবরাহ সত্ত্বেও দাম বৃদ্ধির পেছনে কিছু আড়তদারদের কারসাজি থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

পেঁয়াজের একাধিক আড়ত ঘুরেও দেখা যায়, প্রতিটি আড়তেই প্রচুর পেঁয়াজ রয়েছে। ভারতীয় পেঁয়াজের পাশাপাশি রয়েছে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজও।

খুচরা বাজারে এক সপ্তাহে আগে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হলেও মঙ্গলবার বিভিন্ন স্থানে প্রতি কেজি ৭৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

প্রকৃত খেলাপি ঋণ ৬ লাখ কোটি টাকারও বেশি: বাংলাদেশ ব্যাংক— সংবাদ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয়েছে, আগে খেলাপি ঋণের তথ্য লুকানো হতো, এখন লুকিয়ে রাখা সব তথ্য প্রকাশের চেষ্টা চলছে। বলা হচ্ছে, খেলাপি ঋণ চার লাখ কোটি টাকা বা তার থেকে বেশি। পুরো তথ্য সামনে এলে প্রকৃত খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছয় লাখ কোটিও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা। ব্যাংকগুলোতে অডিট হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন যে প্রকৃত খেলাপির তথ্য পেলে এরপর কমানোর পদক্ষেপ সম্পর্কে জানানো হবে।

মুখপাত্র বলেন, "কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে গত পাঁচ মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকের বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে, ব্যাংকিং টাস্কফোর্স গঠন হয়েছে, ডলার বাজার স্থিতিশীলতা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণসহ অন্যান্য বিষয়ে বেশকিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কিছু সুফল পাওয়া গেছে, কিছু ফলাফল আসতে আরও সময় লাগবে। কিন্তু আর্থিক খাতে এখনও পুরোপুরি স্থিতিশীলতা ফিরে আসেনি। তাই বাংলাদেশ ব্যাংক খুব বেশি খুশি নয়।"

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মুখপাত্র বলেন, "২০২৫ সালের শেষ নাগাদ কোন ব্যাংকের মাধ্যমে কত টাকা কোন দেশে পাচার হয়েছে সে বিষয়ে স্পষ্টভাবে জানা যাবে। পাচারের টাকা ফেরত আনা একটি সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। নির্ধারিত সংস্থাগুলো বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।"

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শতাধিক নিহত— নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, চীনের তিব্বতের প্রত্যন্ত পার্বত্য অঞ্চলে শক্তিশালী এক ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা শতাধিক ছাড়িয়ে গেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গতকাল রাত আটটা পর্যন্ত বিবিসি, আলজাজিরাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ার খবরে এ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৯৫ বলা হলেও চায়না নিউজ সার্ভিসের মতে, কমপক্ষে ১০৬ জন নিহত, ১৭৪ জন আহত এবং প্রায় তিন হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল নয়টা পাঁচ মিনিটে জিজাং (তিব্বত) স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের জিগাজে শহরের নেপাল সীমান্তের কাছে ডিংরি কাউন্টিতে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

প্রতিবেশী নেপাল, ভুটান এবং উত্তর ভারতের কিছু অংশে হিমালয়জুড়ে কম্পন অনুভূত হয়।

এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে চার শ' কিলোমিটার দূরে ডাংরিতে মাউন্ট এভারেস্টের উত্তর দিকে। কম্পন অনুভূত হয়েছে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু পর্যন্ত।