‘আন্দোলন নিয়ে হার্ডলাইনে বিএনপি, একদফার লাগাতার কর্মসূচি আসছে’

পত্রিকা

বিএনপির নতুন কর্মসূচি নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘আন্দোলন নিয়ে হার্ডলাইনে বিএনপি, একদফার লাগাতার কর্মসূচি আসছে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকার পতনের একদফা দাবি আদায়ে আগামী সপ্তাহে দেশব্যাপী লাগাতার কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপির হাইকমান্ড।

নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা হলেই লাগাতার কর্মসূচি যেমন দেশব্যাপী সর্বাত্মক অবরোধ অথবা অবরোধ ও হরতাল একই সঙ্গে পালনের কথা রয়েছে।

সেভাবেই প্রস্তুতি নিতে ইতোমধ্যে সব সাংগঠনিক জেলায় বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে। নেতাকর্মীরা কোন কৌশলে কীভাবে মাঠে থাকবেন, এ বিষয়ে দেওয়া হয়েছে দিকনির্দেশনা।

এদিকে সমমনাদের বাইরে আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলকে লাগাতার আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতে আলোচনা চলছে। বিএনপি হাইকমান্ড তাদের সঙ্গে সরাসরি কথাও বলেছেন।

এছাড়া সরকার পতনের দাবিতে দ্বিতীয় দফার অবরোধের পর আবারও দেশব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। আজ বিরতি দিয়ে কাল বুধবার ভোর ৬টা থেকে শুক্রবার ভোর ৬টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করবে দলটি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, সহিংসতা রোধের বিকল্প শুধু সংলাপ। কাজেই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে তারা আলোচনা বা সমঝোতার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানান।

অবরোধ কর্মসূচি নিয়ে ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, ‘অবরোধের দুই দিনে ২৪ গাড়িতে আগুন’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপি-জামায়াতসহ সমমনা দলগুলোর গত দুই দিনের অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় কমপক্ষে ২৪টি যানবাহনে আগুন দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ১৬টি বাস, দুইটি ট্রাক, একটি করে লরি, সিএনজি, লেগুনা, প্রাইভেট কার ও মিনি ট্রাক রয়েছে।

রবিবার ভোর ৪টা থেকে গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই যানবাহনগুলোতে আগুন দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এর আগে ২৮শে অক্টোবর নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে ১৫টি বাস, দুইটি অ্যাম্বুলেন্স ও ২০টি মোটরসাইকেল জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গত ৩০শে অক্টোবর সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ও পরবর্তী তিন দিনের অবরোধে সারা দেশে ৩৫টি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ বলছে, বিএনপি-জামায়াত সমর্থকরা অবরোধ কর্মসূচির নামে এসব যানবাহনে আগুন দিচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, একসঙ্গে বেশ কয়েক জন দুর্বৃত্ত এসে মুহূর্তের মধ্যে যানবাহনগুলোতে আগুন দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। এসব ঘটনায় কয়েক জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আরও পড়তে পারেন
যুগান্তর

বিএনপি নেতা ধরপাকড় নিয়ে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘তফসিলের আগে ‘ক্র্যাকডাউন’’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২৮শে অক্টোবর মহাসমাবেশে সংঘর্ষের পর বিরোধী জোটের নেতাকর্মীদের ওপর রীতিমতো ক্র্যাকডাউন চলছে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে অব্যাহত রয়েছে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান। প্রতিরাতেই নেতাদের বাসায় বাসায় চলছে তল্লাশি। প্রতিদিনই গড়ে সারা দেশে পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হচ্ছেন।

সিনিয়র থেকে মাঠপর্যায়ের নেতা কেউ বাদ যাচ্ছেন না। ইতিমধ্যে গত ১০ দিনে দলটির মহাসচিব, দুইজন স্থায়ী কমিটির সদস্য, তিনজন ভাইস চেয়ারম্যান, তিনজন যুগ্ম মহাসচিব, দুইজন সাংগঠনিক সম্পাদকসহ সাড়ে পাঁচ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর সিনিয়র নেতাদের পাঠানো হচ্ছে রিমান্ডে। তালা ঝুলছে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। বন্ধ রয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ও। গ্রেপ্তার এড়াতে আড়ালে চলে গেছেন দলটির সিনিয়র নেতারা।

দলীয় কর্মপন্থা নির্ধারণে বৈঠকও করছেন ভার্চ্যুয়ালি। রাজপথে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন দলটির মাঝারি ও মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সমকাল
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

নির্বাচনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক চাপ নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের উপায় খুঁজতে বিদেশি চাপ’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এতদিন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাওয়া ছিল, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হোক। কূটনীতিকরা এখন শুধু অবাধ ও সুষ্ঠু নয়– নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য, সহিংসতামুক্ত ও অংশগ্রহণমূলক দেখতে চাইছেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচনের জন্য যে পরিবেশ দরকার, এর ঘাটতিও দেখছেন তারা। এ জন্য পশ্চিমা দেশগুলোর তরফ থেকে সব রাজনৈতিক দলকে সংলাপের তাগিদও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে নির্বাচনের বিষয়ে কূটনীতিকদের একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সেইসাথে তারা এটাও বলেছে নির্বাচনে কোনো দল অংশগ্রহণ করবে কি করবে না, এটি একান্তই সে দলের সিদ্ধান্ত।

২০১৪ ও ২০১৮ সালের ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ নির্বাচনের পর বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করা নিয়ে চাপ আসছে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে।

জাতিসংঘসহ পশ্চিমা মিত্ররা মনে করে, বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশন (ইসি), মানবাধিকার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকার রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যবহার করে।

ডেইলি স্টার

বাংলাদেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ে নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, ‘Food inflation reaches new height’ অর্থাৎ ‘খাদ্য মূল্যস্ফীতি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অক্টোবরে বাংলাদেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতি একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতিকে গত এক দশকে প্রথমবারের মতো দুই অঙ্কের কাছাকাছি ঠেলে দিয়েছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার নানা প্রচেষ্টা হাতে নিলেও কোনটাই কাজে দেয়নি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী, অক্টোবরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা আগের মাসেও কিছুটা কম ছিল।

অন্যদিকে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি রেকর্ড নয় দশমিক ৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা গত ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। সেইসাথে খাদ্য বহির্ভুত পণ্যের মূল্যস্ফীতিও বেড়ে আট দশমিক তিন শতাংশ হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলির বাজার পর্যবেক্ষণ একপ্রকার না থাকায় গত মাসে ডিম, আলু, পেঁয়াজ, চিনি, ভোজ্য তেল, মাংস ও মাছসহ সব ধরণের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বেড়েছে।

যার ফলে সীমিত আয়ের ভোক্তাদের প্রয়োজনীয় খাবারটা কিনতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে।

প্রথম আলো

তৈরি পোশাক খাতে শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘ব্যবসায় এগিয়ে মজুরিতে পিছিয়ে’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে গত ১০ বছরে অর্থাৎ ২০১৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত রপ্তানি ১৩০ শতাংশ বেড়েছে।

এছাড়া সরকারের সুযোগ সুবিধা পাওয়ার দিক থেকেও এগিয়ে রয়েছে এই খাতের ব্যবসায়ীরা। এরপরও পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে নানা গড়িমসি করে মালিকপক্ষ।

একে তো রপ্তানি বেড়েছে সেইসাথে অন্য কারখানাকে যেখানে ৪৫% পর্যন্ত কর্পোরেট করতে হয় সেখানে পোশাক কারখানার জন্য এই করের হার ১০ থেকে ১২ শতাংশ।

এর বাইরে এই শিল্পের জন্য নগদ সহায়তা, মুসক অব্যাহতি, রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল থেকে স্বল্প সুদের ঋণ নেওয়া এবং শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুবিধা তো আছেই।

এমন নানা সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তার প্রতিযোগী দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে থাকলেও, ভারত, ক্যাম্বোডিয়া, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, ও পাকিস্তানের চাইতে বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকরা কম মজুরি পান।

শ্রমিক পক্ষ থেকে মজুরির প্রস্তাব দেয় মালিকপক্ষ তার অর্ধেক দেয়ার প্রস্তাব করে। ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে শ্রমিকের আন্দোলনে নামলে মালিকপক্ষ নতুন মজুরি প্রস্তাব দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। মঙ্গলবার নিম্নতম মজুরি বোর্ডের ষষ্ঠ সভায় মজুরি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শ্রমিক অসন্তোষের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম ‘Unrest bearing on fragile economy’ অর্থাৎ ‘ভঙ্গুর অর্থনীতির উপর অস্থিরতার প্রভাব’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ডলারের মজুদ হ্রাস, রপ্তানি কমে যাওয়া এবং বেসরকারী খাত যখন লোকসানের মুখে এমন অবস্থায় রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।

অবরোধের কারণে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পণ্য পরিবহন করে না – সেটা হোক শিল্প কাঁচামাল বা ভোগ্যপণ্যই। এতে সমুদ্রবন্দরে কার্গোর পরিমাণ কমছে।

সারা দেশে কারখানা থেকে বাজারে ভোগ্যপণ্য পরিবহন এবং শহর থেকে শহরে কৃষি পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। এতে অনেক ব্যবসায়ী কাঁচা সবজি মাঠে পঁচে যাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।

সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলছেন, "কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারছে না, এবং ঢাকার মানুষ এর জন্য চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে,"।

সাপ্লাই চেইনে এই ব্যাঘাতের ফলে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যার ফলে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়বে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষেরা।

কালের কণ্ঠ

এদিকে এইড ডাটার গবেষণা নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘মার্কিন চাপের বিপরীতে চীনা ঋণের রেকর্ড’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের মান নিয়ে বাংলাদেশকে চাপে রাখার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে পশ্চিমারা যখন চাপ তৈরি করছে তখন চীন সহযোগিতায় এগিয়ে আসছে। আওয়ামী লীগ সরকারের চলতি মেয়াদে (২০১৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত) চীনা ঋণের আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়াম অ্যান্ড ম্যারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক গবেষণা ল্যাব এইডডাটার সর্বশেষ গবেষণায় বাংলাদেশে চীনা ঋণের এই চিত্র তুলে ধরা হয়।

এইডডাটা বলছে, স্বাধীনতার পর থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল। এখন সেই জায়গা নিয়েছে চীন।

চীন এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঋণদাতা দেশই নয়, বিশ্বের একক বৃহত্তম ঋণদাতা দেশও চীন।

নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বছরে প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলার ঋণ দেয় চীন। যুক্তরাষ্ট্র এখন চেষ্টা করছে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে তার যে বিরাট ব্যবধান তা কমিয়ে আনতে। তবে শেষ পর্যন্ত তারা চীনের সঙ্গে পারবে কি না তা স্পষ্ট নয়।

এইডডাটার গবেষণায় দেখা গেছে, বিএনপি সরকারের (২০০২-০৬) তুলনায় আওয়ামী লীগ সরকারের ২০০৯ থেকে ২০১৪ মেয়াদে দ্বিগুণ উন্নয়ন অর্থায়ন করেছে চীন। আবার ২০১৪-১৮ মেয়াদে তা সাত গুণ বেড়েছে।

কারণ তারা চীনের মতো সহযোগিতা করতে পারছে না। আবার পরিস্থিতিকেও মানতে পারছে না।

বণিক বার্তা

জ্বালানি তেল নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘ডলার বিড়ম্বনায় বিপিসির জ্বালানি তেল আমদানি ও বকেয়া পরিশোধ’। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জ্বালানি তেল আমদানি বাবদ সরবরাহকারী চার বিদেশী প্রতিষ্ঠানের কাছে দেনার পরিমাণ ৩৬ কোটি ১৩ লাখ ৭০ হাজার ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ডলারের সর্বশেষ বিনিময় হার ১১১ টাকা ধরে, বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় চার হাজার কোটি টাকারও বেশি। এ বকেয়ার কারণে জ্বালানি তেল আমদানিতে এলসি খুলতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি)।

বকেয়া জটিলতার কারণে আমদানীকৃত জ্বালানি তেল খালাসে জাহাজে ফাইন্যান্সিয়াল হোল্ড অর্থাৎ পাওনা পরিশোধ না হওয়ায় পণ্য খালাস আটকে দেয়ার মতো বিড়ম্বনায়ও পড়তে হয়েছে সংস্থাটিকে।

দেশে জ্বালানি তেলের বার্ষিক চাহিদা ৬০-৬৫ লাখ টন। এর পুরোটাই আমদানি হয় বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান বিপিসির মাধ্যমে। কিন্তু ডলার সংকটের কারণে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো বিপিসির চাহিদা অনুযায়ী এলসি খুলতে পারছে না।

ডলার সংকটের কারণে সময়মতো জ্বালানি তেলের আমদানি মূল্য পরিশোধ করতে পারছে না ব্যাংকগুলো।