'ভোট ঠেকাতে ১৫ দিনের মাস্টারপ্ল্যান বিএনপির'

পত্রিকা

নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘ভোট ঠেকাতে ১৫ দিনের মাস্টারপ্ল্যান বিএনপির’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন বয়কট করে একদফার আন্দোলনে থাকা বিএনপির এখন মূল টার্গেট ভোট ঠেকানো।

এ লক্ষ্য অর্জনে এবার সর্বাত্মক আন্দোলনে যাচ্ছে দলটি। দলের হাইকমান্ড ইতোমধ্যে সংগঠনের সর্বস্তরে আগামী ১৫ দিনের কর্মসূচি পালনে কোনো শিথিলতা না দেখানোর নির্দেশনা দিয়েছে।

সেইসাথে আন্দোলন আরো জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি ও যুগপতে থাকা মিত্ররা।

এর অংশ হিসেবে চলমান হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি কঠোরভাবে পালন করা হবে। এর পাশাপাশি ভোট বর্জনের ক্যাম্পেইন বাড়ানো হবে।

এক্ষেত্রে ভোটারদের এবং ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ার সাথে জড়িতদের বিতর্কিত নির্বাচনের সহযোগী না হওয়ার আহ্বান জানানো হবে।

নির্বাচনের দিনসহ এর আগের দুই সপ্তাহকে এজন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এই সময়ে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক শক্তি প্রয়োগ করে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, হরতাল-অবরোধের পাশাপাশি নির্বাচনের আগে ঢাকায় একটি বড় সমাবেশ করা যায় কি না তা নিয়ে নেতারা আলোচনা করছেন।

বিএনপিসহ সরকারবিরোধী দলগুলো মূলত ‘একতরফা’ নির্বাচন বর্জনে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানোর পাশাপাশি ভোট ঠেকানোর সর্বাত্মক আন্দোলনে যাবে।

নয়া দিগন্ত
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

প্রার্থীদের হলফনামা নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Asset values that don’t fail to amuse’ অর্থাৎ ‘সম্পদের যে মূল্য হাসির উদ্রেক করে’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ১৪৮ ভরি সোনার দাম ৪০ হাজার টাকা! বিশ বিঘা জমির দাম দুই হাজার টাকা!

বরিশালে ৪০০ টাকা মূল্যের পাঁচ কাঠার প্লট! আর বারিধারার একটি ফ্ল্যাটের দাম ১৩ লাখ টাকা!

এসব তথ্য যতই উদ্ভট শোনাক না কেন এগুলো আসলে আইনপ্রণেতা হতে চাওয়া কিছু প্রার্থীর হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তার হলফনামা অনুযায়ী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং লালমনিরহাট-২ আসনের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুজ্জামান আহমেদের ২৫ বিঘা জমি রয়েছে যার মূল্য ৩১ হাজার পাঁচশ টাকা।

হলফনামায় একই পরিমাণ জমির মূল্য ৭০ হাজার টাকা ধরেছেন রংপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল কালাম আহসানুল হক চৌধুরী।

তাদের মতো, অনেক প্রার্থী তাদের উচ্চ-মূল্যের সম্পদ এত কম দামে তালিকাভুক্ত করেছেন যা হাসির উদ্রেক করে।

ডেইলি স্টার এমন বেশ কয়েকজন প্রার্থীর হলফনামা বিশ্লেষণ করেছে যাদের সম্পদের মূল্য বাস্তবতার ধারেকাছেও নেই।

হলফনামা হল শপথ করা সম্পদের লিখিত বিবরণ এবং সেগুলিতে মিথ্যা প্রমাণ হলে ফৌজদারি আইনে, তিন বছর পর্যন্ত জেল এবং নির্বাচনী আইনে, মনোনয়ন বাতিল হওয়ার বিধান রয়েছে।

ডেইলি স্টার

নির্বাচনী প্রচারণায় সংঘাত সংঘর্ষ নিয়ে মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর, ‘প্রচারণার শুরুতেই সংঘর্ষ-বাধা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নির্বাচনী প্রচারণার শুরুর দিনেই দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

এ ছাড়া নৌকা ছাড়া স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করলে সমর্থকদের মেরে ফেলা ও হাত-পা ভেঙে দেয়ার হুমকিও দেয়া হয়েছে।

ফরিদপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এ. কে. আজাদের সমর্থকদের মারধর ও মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামীম হকের সমর্থকরা।

পাবনা-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। তাকে প্রায় ২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।

পাবনা-৩ আসনের ভাঙ্গুরা উপজেলার মণ্ডতোষ ইউনিয়নের মল্লিকচাঁন গ্রামের ভোটকেন্দ্রগুলোতে নৌকার প্রার্থী ছাড়া কোনো প্রার্থীর এজেন্ট থাকবে না বলে হুমকি দিয়েছেন এক স্থানীয় নেতা।

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।

সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারী ও আওয়ামী লীগ মনোনীত জাহিদ ফারুক অনুসারীদের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে।

ঢাকা-১৯ আসনের দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরসহ কর্মী-সমর্থকদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে নৌকা প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

সমকাল

নির্বাচনের মাঠে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পরিস্থিতি নিয়ে সমকালের প্রথম পাতার খবর, ‘স্বতন্ত্র নেই হেভিওয়েট প্রার্থীর ৭৯ আসনে

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপিহীন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি আলোচিত হলেও বাস্তবে দেশটির ৩০০ আসনের মধ্যে ৭৯ আসনে একজনও স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই।

যদিও বাকি ২২১ আসনে লড়ছেন ৩৮২ স্বতন্ত্র প্রার্থী। অধিকাংশই আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত বা স্থানীয় আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা।

তবে যে ৭৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই তাদের বেশিরভাগেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ‘হেভিওয়েট’ নেতারা প্রার্থী হয়েছেন।

তবে অধিকাংশ স্থানে ‘কিংস পার্টি’খ্যাত তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন) ও বিএসপি (বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি) মনোনীতরা প্রার্থী হয়েছেন।

সরকার এবার নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এবং ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিত করতে নানা কৌশল ব্যবহার করছে।

এরই অংশ হিসেবে নিজ দলের মনোনয়নবঞ্চিতদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে উৎসাহিত করছে ক্ষমতাসীনরা।

বিএনপি ও তাদের মিত্রদের বর্জন সত্ত্বেও এ নির্বাচনে নিবন্ধিত ২৭টি রাজনৈতিক দল প্রার্থী দিয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় দেখা গেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীতরা রয়েছেন ২৬৬ আসনে। সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির প্রার্থী রয়েছেন ২৬৫ আসনে।

তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী রয়েছে ১৩৩ আসনে। বিএনএম ৫৪ আসনে এবং বিএসপি ৭৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছে।

যুগান্তর

তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে ভিন্নরকম শিরোনাম করেছে যুগান্তর, ‘নৌকার গলার কাঁটা ঈগল ট্রাক কাঁচি

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আসন্ন নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীদের বিরুদ্ধে এবার নিজ দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

দলের মনোনয়নবঞ্চিত এসব প্রার্থীর সঙ্গে একাধিকবারের নির্বাচিত সংসদ-সদস্যরা তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।

যেমন রাজশাহী-৬ আসনে তিনবারের নির্বাচিত সংসদ-সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বিরুদ্ধে সাবেক এমপি চারঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাহেনুল হক রায়হান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে কাঁচি প্রতীক নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

এ দুইজনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে ভোটাররা মনে করছেন।

নৌকার প্রার্থী হাসানুল হক ইনুর সামনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী কামারুল আরেফিন বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন।

বাগেরহাট-৩ আসনে তিনবারের সংসদ-সদস্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহারও এবার দলের মনোনয়নবঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর মুখোমুখি হয়েছেন।

খুলনার-৬ আসনে নৌকা ও ঈগল প্রতীকের প্রার্থীদের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা রয়েছে। চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন শেরপুর-১ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

কুমিল্লা-৪ আসনে নৌকার প্রার্থী দুইবারের সংসদ-সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুলের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন নিজ দলের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ।

প্রথম আলো

ট্রেনে দুর্বৃত্তদের আগুন ধরানো নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘চলন্ত ট্রেনে আতঙ্কের ভোর’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, নেত্রকোনা থেকে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস নামের ট্রেনটি মঙ্গলবার ঢাকার দিকে আসার সময় বিমানবন্দর স্টেশন এলাকায় ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে সেটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা।

বিএনপির ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শুরুর আগে এই আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

ভোরের ওই সময় বেশির ভাগ যাত্রী ছিলেন ঘুমে। এক পর্যায়ে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে পুরো বগি। তখন হুড়োহুড়ি করে যাত্রীরা নেমে যান। কেউ কেউ লাফিয়ে পড়েন।

বিমানবন্দর স্টেশন এলাকায় আগুন দেওয়ার পর ট্রেনটি থামে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে এসে ঢাকার তেজগাঁও রেলস্টেশন এলাকায়।

এর কিছুক্ষণ পর ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নেভাতে শুরু করে। এতে পুরোপুরি পুড়ে যায় তিনটি বগি।

পরে একটি বগি থেকে চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ অক্টোবরের পর থেকে হরতাল-অবরোধের মধ্যে এ নিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় চারটি ট্রেনে আগুন দেওয়া এবং রেললাইন কেটে ফেলার একটি ঘটনা ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

এতে চারজন নিহত হয়েছেন। সেইসাথে রেললাইনে আরও ১৯টি অগ্নিসংযোগ এবং ৮টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

নাশকতার কারণে রেল চলাচল বন্ধ হবে না জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি দিতেই পারে। কিন্তু সহিংসতা করতে পারে না। সহিংসতা করে রেল চলাচল বন্ধ করা যাবে না।

কালের কণ্ঠ

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, ‘দুই বছরে ৭ নিত্যপণ্যের দাম ২০০% পর্যন্ত বেড়েছে’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শুধু নিম্ন আয়ের মানুষই নয়, মধ্যবিত্তও এখন বাজারে মসলা জাতীয় পণ্যসহ সাত নিত্যপণ্য কেনা নিয়ে বিপাকে।

দুই বছরের ব্যবধানে জিরা ও শুকনা মরিচের দাম ২০০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবি ও রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এই পণ্যগুলোর দাম বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য জানা গেছে।

এরমধ্যে পেঁয়াজ, রসুন ও ধনের দাম বেড়েছে শতভাগের বেশি। একই সময় চিনি ও আলুর দামও শতভাগের বেশি বেড়েছে।

টিসিবি ও রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের দাম পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, দুই বছর আগে ২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকা নগরীর বাজার তালিকা অনুযায়ী প্রতি কেজি আলুর সর্বোচ্চ দাম ছিল ২৫ টাকা।

দুই বছর পর গতকাল ১৮ ডিসেম্বর আলু বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৬০ টাকা কেজি দরে।

পেঁয়াজ প্রতি কেজি ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা সেটি এখন ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। ১৮০ টাকার শুকনো মরিচ হয়েছে ৬০০ টাকা।

১৩০ টাকা কেজি রশুনের দাম বেড়ে এখন ২৬০ টাকা কেজিতে ঠেকেছে। সেইসাথে ৪০০ টাকার জিরা এক হাজার ২০০, ১৩০ টাকার ধনে ৩০০ এবং চিনি দুই বছরের ব্যবধানে প্রতিকেজি ৭৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাব অনুযায়ী, দেশে গত নভেম্বর মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১০.৭৬ শতাংশ। একই সঙ্গে গত অক্টোবর থেকে আগের তিন মাস খাদ্যের মূল্যস্ফীতি ছিল ১২ শতাংশের ওপরে।

এরমধ্যে গ্রামে মূল্যস্ফীতি বেশি অর্থাৎ শহরের চেয়ে গ্রামে পণ্যের দাম বেশি।

নিউ এইজ

বৈদেশিক আয় নিয়ে বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস নিয়ে নিউ এইজের প্রথম পাতার খবর, ‘WB projects no remittance growth in 2024’ অর্থাৎ ‘২০২৪ সালে রেমিট্যান্স বাড়বে না বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক’

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিশ্বব্যাংক মঙ্গলবার বলেছে যে ডলার সংকটের মধ্যে বাংলাদেশ ২০২৪ সালের রেমিট্যান্স প্রবাহে কোন অগ্রগতি দেখতে পারবে না।

আগামী বছরে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি একইরকম থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বিশ্বব্যাংক তার 'মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ' শীর্ষক প্রকাশনায় এ কথা জানিয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ধারণা দেশটি বিদায়ী বছরে ২৩ বিলিয়ন ডলার পাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাওয়া তথ্য দেখায় যে, দেশটি ইতিমধ্যে ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের প্রথম ১১ মাসে ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে।

বৈদেশিক লেনদেন ঘাটতির কারণে বাংলাদেশে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তারই দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এর অন্যতম কারণ। এর ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে, অন্যদিকে খোলাবাজারে ডলারের দাম অনেক বেড়ে গেছে।

বণিক বার্তা

চাহিদায় মন্দা ও ডলার সংকট নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘সক্ষমতা বাড়িয়ে বিপাকে সিমেন্ট উদ্যোক্তারা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অর্থনীতির শ্লথগতি ও ডলার সংকটের প্রভাবে বিপাকে পড়েছেন দেশের সিমেন্ট খাতের উদ্যোক্তারা।

একদিকে সিমেন্টের চাহিদা কমেছে, অন্যদিকে ডলারের সংস্থান না হওয়ায় প্রয়োজনমতো কাঁচামাল আমদানি সম্ভব হচ্ছে না।

ব্যবসায় নগদ প্রবাহ কমলেও বাড়তে শুরু করেছে ব্যাংক ঋণের চাপ।

এ অবস্থায় সামনের বছরগুলোয় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের গতি শ্লথ হয়ে এলে গোটা খাত বড় ধরনের বিপত্তিতে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত এক যুগে সিমেন্ট খাতের আকার বেড়েছে তিন গুণের মতো।

মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা ভোক্তারাও নির্মাণকাজ পিছিয়ে দিচ্ছেন। আবাসন খাতে ফ্ল্যাটের বিক্রিও কমেছে।

তাছাড়া আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের কারণে বর্তমানে উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন না।

ক্লিংকারের আমদানি কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্থানীয় বাজারে চাহিদা কমায় কোম্পানিগুলোর উৎপাদনও কমেছে।

পাশাপাশি কাঁচামাল আমদানির জন্য ব্যাংকের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ডলার পাওয়া যাচ্ছে না।

তাছাড়া সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির কারণে অনেক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।