ইবোলা ঠেকাতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাড়তি সতর্কতা

ebola liberia
ছবির ক্যাপশান, হাসপাতাল থেকে এক শিশুকে নিয়ে যাচ্ছে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি।

ইবোলা আক্রান্ত দেশগুলো ছেড়ে যাবার সময় সকল ভ্রমণকারীকে পরীক্ষার জন্য আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

তারা বলছে, প্রতিটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর এবং সকল স্থলবন্দরগুলো দিয়ে যারা যাতায়াত করবেন, তাদের কারো রোগের উপসর্গ আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে হবে।

যদি কারো মধ্যে এই উপসর্গ পাওয়া যায়, তবে তাকে তৎক্ষণাৎ যাত্রা থেকে বিরত করতে হবে।

ইবোলা সংক্রমণে পশ্চিম আফ্রিকায় এখনো পর্যন্ত এক হাজারেরও বেশী মানুষ মারা গেছে। একইসাথে নাইজেরিয়াতেও কিছু মানুষ এই রোগে এরই মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছে।

ইবোলার সংক্রমণ ঠেকাতে ক্যামেরুন এরই মধ্যে নাইজেরিয়ার সাথে তাদের সকল আকাশ, সমুদ্র এবং স্থল সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে। ক্যামেরুনের একজন মন্ত্রী বলেছেন, প্রতিরোধকেই তারা প্রতিকারের চেয়ে উত্তম বলে মনে করছেন।

ebola priest

ছবির উৎস, AP

ছবির ক্যাপশান, ইবোলা আক্রান্ত এক স্প্যানিশ ধর্মযাজককে দেশে আনা হয়েছে।

এমনই সময়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইবোলা আক্রান্ত দেশগুলোর সকল বিমান, সমুদ্র এবং স্থলবন্দরে ইবোলা পরীক্ষার আহ্বান জানালো।

একটি বিবৃতিতে তারা বলছে, ইবোলার উপসর্গ আছে এমন কোন মানুষকেই যাতায়াত করতে দেয়া উচিত হবে না।

এদিকে লাইবেরিয়ান তথ্যমন্ত্রী লুইস ব্রাউন বলেছেন, ইবোলা চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে ১৭ জন রোগীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি এই রোগ মোকাবেলায় একটি বড় ধরণের বিপত্তি তৈরি করেছে।

শনিবার রাজধানী মনরোভিয়ার দরিদ্র একটি অঞ্চলের হাসপাতাল লুট করা হলে ঐ রোগীরা নিখোঁজ হয়। মি. ব্রাউন বলেন, ঐ রোগীদের খুঁজে বের করতে কর্তৃপক্ষ কাজ করে যাচ্ছে।

লাইবেরিয়ার পার্শ্ববর্তী দেশ সিয়েরা লিওনে জাতিসংঘের প্রধান সমন্বয়ক বলেছেন, দেশটির ১৩ টি জেলার মধ্যে বারটিতেই ইবোলা ছড়িয়ে পড়েছে।

দেশটিতে ইবোলা মোকাবেলার জন্য জাতিসংঘ ১ কোটি ৮০ লক্ষ ডলারের তহবিল আহ্বান করেছে।