দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে পার্লামেন্ট ভবনের ছাদ ভেঙে পড়েছে, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ছবির উৎস, AFP
দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন শহরে এক বড় আকারের অগ্নিকাণ্ডে দেশটির পার্লামেন্ট ভবনের গুরুতর ক্ষতি হয়েছে এবং অধিবেশন কক্ষের ছাদ ভেঙে পড়েছে। অগ্নিনির্বাপন কর্মীরা এখনো আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন।
প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এক "এক নিদারুণ ও ভয়াবহ ঘটনা' বলে বর্ণনা করেন।
পুলিশ বলছে তারা ৫১ বছর বয়স্ক এক ব্যক্তিকে আটক করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
কর্মকর্তারা বলছেন পার্লামেন্ট ভবনের চারতলার অফিসে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং তা দ্রুত পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বা ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির অধিবেশন কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে।

ছবির উৎস, Reuters
তারা বলছেন, আগুনে পুরো পার্লামেন্ট কমপ্লেক্সটিই গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কেপটাউনের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জঁ-পিয়ের স্মিথ বলেন, পুরোনো অধিবেশন কক্ষের ছাদ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে।
বিবিসির সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, আগুনে কেউ আহত হয়নি এবং অগ্নিকাণ্ডের কারণ সম্পর্কেও এখনো কিছু জানা যায়নি। ছুটির কারণে বর্তমানে পার্লামেন্টের অধিবেশন চলছে না।

ছবির উৎস, Rowan Spazzoli/Reuters
ভিডিও ফুটেজে ভবনটির ছাদ থেকে আগুনের শিখা দেখা যাচ্ছে এবং আকাশে কুণ্ডলী পাকিয়ে ধোঁয়া উঠছে।
সরকারি অবকাঠামো বিষয়ক মন্ত্রী প্যাট্রিসিয়া ডে লিল এর আগে জানান, দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ কাউন্সিল অব প্রভিন্সেসের অধিবেশন কক্ষেও আগুন লাগে তবে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
কিন্তু নিম্নকক্ষের আগুন এখনো জ্বলছে বলে তিনি জানান।

ছবির উৎস, Reuters
অগ্নিনির্বাপক কর্মকর্তারা বলছেন, আগুন নেভাতে আরো চার ঘন্টা লাগবে কারণ ভবনের ভেতরে কাঠের মেঝে ও কার্পেট রয়েছে।
কেপটাউন শহরের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা জি পি স্মিথ জানান, ভবনটির ছাদের একাংশ ভেঙে পড়েছে এবং দেয়ালে ফাটল দেখা গেছে -যা উদ্বেগের বিষয়।
তিনি আরো জানান, আগুন প্রথম লাগার সময় এ্যালার্ম ঠিকমত কাজ করেনি।
দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লামেন্ট ভবনটির তিনটি অংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো অংশটি নির্মিত হয় ১৮৮৪ সালে। এ ছাড়া ১৯২০ ও ১৯৮০-র দশকে নতুনতর অংশগুলো নির্মিত হয়।
দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের নির্বাহী বিভাগের রাজধানী প্রিটোরিয়ায়, আইনসভার রাজধানী কেপটাউনে এবং বিচারবিভাগীয় রাজধানী ব্লোমফন্টেইনে।








