কোভিড: বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় ২৪৮ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১২ হাজারেরও বেশি

বাংলাদেশে এখন অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড টিকা দেয়া হচ্ছে

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশে এখন অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড টিকা দেয়া হচ্ছে

বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ২৪৮ জন।

আর এ সময়ে ৪৮ হাজার ১০৫টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১২ হাজার ৬০৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে দেশে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা ২২ হাজার ১৫০ জন এবং মোট শনাক্তের সংখ্যা ১৩ লাখ ৩৫ হাজার ২৬০ জন।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ১৫ হাজার ৪৯৪ জন।

আর যারা মারা গেছে তাদের মধ্যে পুরুষ ১৩৮ জন ও নারী ১১০ জন।

বাংলাদেশে গত ১২ দিন ধরে মৃতের সংখ্যা প্রতিদিন দুশোর বেশি।

তবে গত কয়েকদিনের তুলনায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার কিছুটা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা করা নমুনার অনুপাতে শনাক্তের হার ২৬ দশমিক ২৫ ।

আরো পড়তে পারেন:

বাংলাদেশের হাসপাতালগুলো এখন রোগীতে সয়লাব

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, বাংলাদেশের হাসপাতালগুলো এখন রোগীতে সয়লাব

গত ৭ই জুলাই ২৪ ঘণ্টায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রথমবার দুইশো' ছাড়িয়েছিল।

বৃহস্পতিবার একদিনে সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যর খবর দিয়েছিলো স্বাস্থ্য বিভাগ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৫ জন মারা গেছেন চট্টগ্রাম বিভাগে আর ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ৬৯ জন।

বাংলাদেশ সরকারের একটি গবেষণায় জানা গেছে যে এখন সংক্রমণের ৮০ শতাংশই ভারতে প্রথমে শনাক্ত হওয়া ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট দ্বারা ঘটছে।

আজকের তথ্য

ছবির উৎস, Health Directorate

ছবির ক্যাপশান, আজকের তথ্য

বাংলাদেশে গত বছরের মার্চের ৮ তারিখে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার তথ্য দিয়েছিলো স্বাস্থ্য বিভাগ।

এরপরের দুই মাস দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা তিন অংকের মধ্যে থাকলেও সেটা বাড়তে বাড়তে জুলাই মাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।

এরপর বেশ কিছুদিন দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা কমতে কমতে এক পর্যায়ে তিনশোর ঘরে নেমে এসেছিল।

তবে এবছর মার্চের শুরু থেকেই শনাক্তে ঊর্ধ্বগতি শুরু হয়।

চিকিৎসক এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হাসপাতালগুলোর ওপর যে হারে চাপ বাড়ছে, তাতে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা সেবা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।