কোভিড: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘বিশেষ লকডাউন’ শিথিল করা হচ্ছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হঠাৎই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ লকডাউন ঘোষণা করেছিল স্থানীয় প্রশাসন।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, চাঁপাইনবাবগঞ্জে হঠাৎই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ লকডাউন ঘোষণা করেছিল স্থানীয় প্রশাসন।

করোনাভাইরাসের উর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে দুই সপ্তাহের বিশেষ লকডাউনের পর কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আগামী সাত দিনের জন্য শিথিল করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ বিবিসিকে বলেছেন, করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি ইতিবাচক হারে কমে যাওয়ার ফলে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মি. হাফিজ বলেন, র‍্যাপিড এন্টিজেন টেস্ট গতকাল ছিল ১৯%। আজ সোমবার এই হার ১৮ শতাংশে নেমে এসেছে। এছাড়া আরটিপিআর টেস্টে প্রতি ২২ জনে সাত জনকে পজিটিভ পাওয়া গেছে গতকাল।

তিনি বলেন "করোনার যে ঊর্ধ্বগতি সেটা পজেটিভ ভাবে লিমিট করা গেছে তাই আজ থেকে কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।"

এই সিদ্ধান্ত আজ রাত ১২টা ১মিনিট থেকে আগামী সাত দিন কার্যকর থাকবে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে মি. হাফিজ জানান।

বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর:

যেসব স্থানে শিথিল করা হয়েছে

  • সব দোকান,মার্কেট সকাল নয়টা থেকে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে দোকানে কেনাকাটা করা যাবে।
  • মোটরসাইকেলে একজন, রিকসায় একজন যাত্রী, অটোরিক্সায় দুইজন যাত্রী নিয়ে জেলার ভিতরে যাতায়াত করতে পারবে।
  • আমের ব্যবসায়ীরা নির্দিষ্ট কাগজপত্র দেখিয়ে জেলায় প্রবেশ করতে পারবেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার মারাত্মক আকার ধারণ করার পর জেলাটিতে আলাদা করে ২৪শে মে সাত দিনের লকডাউন জারি করেছিল স্থানীয় প্রশাসন।

সে সময় শনাক্তের হার ছিল ৫৫%, অর্থাৎ প্রতি একশোটি নমুনা পরীক্ষায় ৫৫ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর পর লকডাউন আরো এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়।

জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ বলেন, এই দুই সপ্তাহের বিশেষ লকডাউনের সময় শতভাগ চেষ্টা করা হয়েছে জেলার মানুষজনকে স্বাস্থ্য বিধি মানার এবং মাস্ক পরানোর।

যার ফলে ইতিবাচক ফল আসছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করা হলেও জেলাটিতে অন্য কোন জেলা থেকে কোন ধরণের পরিবহন প্রবেশ করতে পারবে না।

আরো পড়ুন: