১৯৮৮ সালে চট্টগ্রামের লালদীঘিতে শেখ হাসিনার গাড়িবহরে নির্বিচার গুলি চালানোর মামলায় ৫ পুলিশের ফাঁসির আদেশ

১৯৮৮ সালের ২৪শে জানুয়ারির ওই ঘটনায় ২৪ জন মানুষ মারা যান।

ছবির উৎস, Getty Images

ছবির ক্যাপশান, ১৯৮৮ সালের ২৪শে জানুয়ারির ওই ঘটনায় ২৪ জন মানুষ মারা যান।

তিন দশকেরও বেশি সময় আগে লালদীঘিতে একটি জনসভায় যোগ দেয়ার পথে থাকা শেখ হাসিনার গাড়িবহরে নির্বিচার গুলি চালানোর ঘটনায় পুলিশের ৫ জন সদস্যের বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় ঘোষণা করেছে চট্টগ্রামের একটি বিশেষ আদালত।

১৯৮৮ সালের ২৪শে জানুয়ারির ওই ঘটনায় ২৪ জন মানুষ মারা যান।

গুলিবর্ষণের পর আইনজীবীরা মানববেষ্টনি তৈরির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীকে রক্ষা করে তাকে আইনজীবী সমিতি ভবনে নিয়ে গিয়েছিলেন।

বিভাগীয় বিশেষ আদালতের দায়িত্বে থাকা বিচারক চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ মো. ইসমাইল হোসেন বিকাল তিনটার কিছু পরে রায় ঘোষণা করেন।

তিনি সেসময় এই হত্যাকান্ডকে পরিকল্পিত গণহত্যা বলে উল্লেখ করেন।

এর আগে রোববার এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আত্মসমর্পণকারী চার আসামির জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

বাকী একজন আসামী পলাতক। এরা সবাই সেসময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ বা সিএমপি-তে কর্মরত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হচ্ছেন:

১. মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক কনস্টেবল

২. প্রদীপ বড়ুয়া, সাবেক কনস্টেবল

৩. শাহ মো. আবদুল্লাহ, সাবেক কনস্টেবল

৪. মমতাজ উদ্দিন, সাবেক কনস্টেবল

৫. জে সি মণ্ডল, সাবেক পেট্রোল ইনসপেক্টর

আরো পড়ুন: