গার্মেন্টস শ্রমিকরা আবারো রাস্তায়, পুলিশের সাথে সংঘর্ষ

ছবির উৎস, বিবিসি বাংলা
বাংলাদেশে মজুরি বৃদ্ধির দাবীতে বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন আজ মঙ্গলবার আবার শুরু হয়েছে।
সকাল আটটার দিকে কয়েকশ গার্মেন্টস শ্রমিক রাজধানী ঢাকার মিরপুর কালশি এলাকায় রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে।
এ সময় সড়কে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়।
এছাড়া শ্রমিকরা বিমানবন্দর সড়ক অবরোধের চেষ্টা করে।এ সময় পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। তখন পুলিশের সাথে তাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সাভারের হেমায়েতপুর এলাকাতেও শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেছে।
গত কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিকরা মজুরি বৃদ্ধির দাবীতে বিক্ষোভ করছে।
রবিবার ও সোমবার রাজধানীতে প্রবেশের মুখে বিমানবন্দর সড়ক কয়েক ঘণ্টার জন্যে অবরোধ করে রাখে পোশাক শ্রমিকরা। এসময় একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।
আরো পড়ুন:
পোশাক শ্রমিকরা বলছেন, নতুন বেতন স্কেল হওয়া সত্বেও তাদের অধিকাংশের বেতন তেমন বাড়েনি।
গত সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে আট হাজার টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার।
গার্মেন্টস মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মজুরি বোর্ডের সভায় ন্যূনতম মজুরি আট হাজার টাকা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়।
শ্রমিক প্রতিনিধিরা ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার টাকা করার দাবি জানাচ্ছিলেন।
অন্যদিকে মালিকপক্ষ ৭ হাজারের বেশি দিতে রাজী হচ্ছিলেন না।
শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে মালিকরা নূন্যতম মজুরি ৮০০০ টাকা নির্ধারণে রাজি হয়।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে নতুন মজুরী কার্যকরের কথা থাকলেও মালিকপক্ষ সেটি বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে বলে শ্রমিকদের অভিযোগ।
নতুন মজুরি নির্ধারণের আগে বাংলাদেশে বর্তমানে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ছিল ৫ হাজার ৩শ টাকা।
এটি নির্ধারণ করা হয় ২০১৩ সালে। তখন সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, প্রতি পাঁচ বছর পর পর শ্রমিকদের মজুরি নতুন করে নির্ধারণ করা হয়।
আন্দোলনের পেছনে দেশী-বিদেশী উস্কানি রয়েছে: বিজিএমইএ সভাপতি
গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ'র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেন, শ্রমিকদের এ আন্দোলনের পেছনে দেশী-বিদেশী উস্কানি বা ষড়যন্ত্র রয়েছে।
তিনি বলেন, চলতি মাসের ৭ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবার কথা। কিন্তু বেতন পাবার আগেই শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
"বেতন পাবার আগে কিভাবে তারা ভাবল যে বেতন বাড়েনি?" প্রশ্ন তোলেন সিদ্দিকুর রহমান।
তিনি বলেন, চলমান শ্রমিক বিক্ষোভের কারণে ২০-২৫ কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিজিএমই সভাপতি দাবি করেন, নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী প্রতিটি গ্রেডে ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বেতন বেড়েছে।
এই নিবন্ধে Google YouTubeএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত Google YouTube কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে 'সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন' বেছে নিন।
End of YouTube post








