মাঠে ময়দানে

ক্রিকেটের দুনিয়ায় ঘটে গেল এক বিরাট পরিবর্তন।

টেস্ট ক্রিকেট - এ কথাটা শুনলেই এতকাল আমাদের অনেকের মনেই সাদা পোশাক, লাল বল আর রোদ-ঝলমল সবুজ মাঠের ছবি ভেসে ওঠে। কিন্তু এবার তা বদলে যাবার দিন বোধহয় এসে গেল।

সীমিত ওভারের ক্রিকেটের মতো এবার টেস্টেও চালু হয়ে গেল দিন-রাতের খেলা - চালু করা হলো গোলাপি ক্রিকেট বল।

তাই এডিলেইডে অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডের মধ্যেকার ঐতিহাসিক দিনরাতের টেস্ট ম্যাচটির দিকে সারা ক্রিকেট বিশ্বেরই নজর ছিল।

day night test

ছবির উৎস, Getty

ছবির ক্যাপশান, গোলাপি বলে দিন রাতের টেস্ট

বেশ অনেকদিন ধরেই ক্রিকেট দুনিয়ায় খেলোয়াড়-বিশেষজ্ঞ সবাই অনুভব করছিলেন, টেস্ট ক্রিকেটে দর্শক কমে যাচ্ছে। এ যুগে পাঁচদিন ধরে ক্রিকেট খেলা দেখবার সময় বা আগ্রহ খুব কম লোকেরই আছে - তাই টেস্ট ক্রিকেটকে টিকিয়ে রাখতে হলে একটা পরিবর্তন দরকার ।

তাই সমাধান: দিনরাতের টেস্ট।

কিন্তু প্রশ্ন ছিল, সাদা পোশাকে খেলতে হলে বলের রঙ কি হবে - আর তা ফ্লাডলাইটে দেখা যাবে কিনা। এ নিয়ে কয়েক বছর ধরে গবেষণার পর তৈরি হয়েছে গোলাপি বল ।

এই গোলাপি বল নানা স্তরের ক্রিকেটে বেশ অনেক বছর ধরে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করার পরই টেস্ট ক্রিকেটে চালু হলো এডিলেইডে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে।

প্রথম দিনের খেলার পরই এডিলেইড থেকে ক্রিকেট বিশ্লেষক জিম ম্যাক্সওয়েল বলেন, গোলাপি বলকে খেলোয়ড় ও দর্শকরা ইতিবাচকভাবেই নিয়েছেন।

day night test

ছবির উৎস, Getty

"একটা লাল বা সাদা বল যেমন আচরণ করে - এই গোলাপি বলের আচরণ তার তুলনায় অস্বাভাবিক কিছু ছিল না।" বলছিলেন জিম ম্যাক্সওয়েল - "এটা ঠিক যে প্রথম দিন রাতের বেলা অস্ট্রেলিযা যখন ব্যাট করছে - তখন গোলাপি বল একটু বেশি সুইং করেছে। তবে দিনের খেলার শুরুতে যখন নিউজির‍্যান্ড ব্যাট করছিল তখন গোলাপি বল তেমন সুইং করে নি, অবশ্য কিছুটা সিম মুভমেন্ট ছিল।"

তার কথায়, মোটের ওপর গোলাপি বলের আচরণ ছিল একটা স্বাভাবিক ক্রিকেট বলের মতোই। গোলাপি বলের রং-ও নষ্ট হয়ে যায় নি। ৬০ ওভার ধরে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা ব্যাট করার পরও রং মোটামুটি একই রকম ছিল।

খেলোয়াড়দের খেলতে তেমন কোনই অসুবিধা হয় নি , গ্যালারি থেকেও দর্শকরাও স্পষ্টভাবেই বল দেখতে পেয়েছেন।

মনে হচ্ছে এই পরীক্ষা মোটামুটি সফল। এখন দেখার বিষয়, অন্যান্য দেশে ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনে এই দিন-রাতের টেস্ট ক্রিকেট সাফল্য পায় কিনা।

maruful haque

ছবির উৎস, maruful haque

ছবির ক্যাপশান, মারুফুল হক : বাংলাদেশ ফুটবল দলের নতুন হেড কোচ

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ

বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের নতুন হেড কোচ হয়েছেন এ কে এম মারুফুল হক।

এর আগে বাংলাদেশের জাতীয় দলের কোচ ছিলেন ইতালিয়ান ফাবিও লোপেজ। তার জায়গায় এখন বাংলাদেশের ফুটবল দল একজন বাংলাদেশী কোচ পেলো।

গত পাঁচ বছরে সাত জন বিদেশী কোচ নেয়া হয়েছিল বাংলাদেশের জাতীয় দলের জন্য - তারা কেউই খুব বেশি সময় টিকে থাকতে পারেন নি, উল্লেখযোগ্য সাফল্যও এনে দিতে পারেন নি।

bangladesh football

ছবির উৎস, Bangladesh Football Fedaration

ছবির ক্যাপশান, অনুশীলনে বাংলাদেশ ফুটবল দল

মারুফুল হক এতকাল ক্লাব স্তরে কোচিং করেছেন, প্রশিক্ষণও নিয়েছেন ইউরোপে।

বাংলাদেশ ফুটবল দল সম্প্রতি বিশ্বকাপের কোয়ালিফাইং পর্বে সমর্থকদের হতাশ করেছে, ২০০৩ সালের পর আর সাফ ফুটবল শিরোপাও জিততে পারে নি।

তাই প্রশ্ন, জাতীয় দলকে মারুফুল হক কতটা সাফল্য এনে দিতে পারবেন?

এবারের মাঠে ময়দানে-তে বিবিসি বাংলার পুলক গুপ্ত কথা বলেছেন মারুফুল হতের সাথে।